Shuru
Apke Nagar Ki App…
পশ্চিমবঙ্গে ইউনিফর্ম সিভিল কোড (UCC)-এর আগমন ঘটছে। এর পাশাপাশি, লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে একটি কঠোর আইন প্রণয়নের প্রস্তুতিও চলছে। এই খবরটি রাজ্যজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।
KHARAGPUR NEWS 9
পশ্চিমবঙ্গে ইউনিফর্ম সিভিল কোড (UCC)-এর আগমন ঘটছে। এর পাশাপাশি, লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে একটি কঠোর আইন প্রণয়নের প্রস্তুতিও চলছে। এই খবরটি রাজ্যজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মেদিনীপুর জেলার পঞ্চুরচকে সনাতনী সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত একটি রক্তদান শিবিরে বিধায়ক শংকর গুছাইত উপস্থিত ছিলেন।1
- ঘাটাল মহকুমা জুড়ে মুসলিম সম্প্রদায় মহরম উৎসবে মাতোয়ারা। এই উপলক্ষে সমগ্র মহকুমায় একটি উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।1
- ঝাড়গ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দেবব্রত সাহার বাড়িতে আচমকাই হাজির হয়েছে 'রামলাল'। ঝাড়গ্রাম ব্লকের লোধাশুলি এলাকায় অবস্থিত সভাপতির বাড়িতে রামলালের আগমন ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল দেখা যায়, এবং তার বাড়ির উঠোনে তাকে দেখতে ভিড় জমান অনেকে। রামলালের নজর ছিল বাড়িতে থাকা ধানের বস্তার দিকে। উল্লেখ্য, এই রামলালকে প্রায়শই লোধাশুলি এলাকায় আম ও কাঁঠাল খেতে দেখা যায়। এদিন সভাপতির বাড়িতে তিনি ছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষক সুব্রত সাহা উপস্থিত ছিলেন।1
- ঝাড়গ্রামের কে কে আই স্কুলে বিধায়ক লক্ষীকান্ত সাউ একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। 'একটি গাছ মায়ের নামে' শীর্ষক এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো স্বর্গীয় স্মৃতিকে সজীব রাখা। এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বিধায়ক লক্ষীকান্ত সাউ ঘোষণা করেন যে, এবার সারা ঝাড়গ্রাম জুড়েই গাছ লাগানো হবে।1
- এগরা সাহাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি নেতা রামচন্দ্র আচার্য সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্পষ্টভাবে দাবি করেছেন যে, সহারা গ্রাম পঞ্চায়েতের কোনও তৃণমূল নেতার বিজেপিতে জায়গা হবে না।1
- ঝাড়গ্রাম জেলার বাঁধগড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের প্রতিবাদে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। বিক্ষোভকারীরা বাঁধগড়া গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে তালা ঝুলিয়ে তাঁদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।1
- নয়াগ্রাম হেল্প ফাউন্ডেশন তাদের প্রথম প্রতিষ্ঠা দিবস তালডিহা শিশু সংস্কার কেন্দ্রে এক আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করেছে। এই উপলক্ষে শনিবার সেখানে কেক কাটা হয় এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে স্কুল সামগ্রী, চকলেট ও আমের চারাগাছ বিতরণ করা হয়। ফাউন্ডেশনের এই বিশেষ জন্মদিন পালনের দিনে শিশুদের জন্য বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা করা হয়। এই অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের সভাপতি অনিকেত আচার্য, সহ-সভাপতি কান্তিলাল বেরা, সম্পাদক প্রতীক পড়িয়ারী, সহ-সম্পাদক অমরজিৎ রানা সহ সদস্য রনিত সিংহ, বিশ্বজিৎ সিংহ, অভিজিৎ কুইলা, কৃষ্ণেন্দু পড়িয়ারী, অবিনাশ পড়িয়ারী, কৃষ্ণেন্দু ঘোষ ও শুভম পৈড়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।4
- রাজ্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে আশা কর্মী, আইসিডিএস কর্মী এবং ভিআরপি কর্মীরা অকাল হোলি পালন করেছেন। কর্মীদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধি করার জন্য রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে এই বিশেষ উৎসবের আয়োজন করা হয়।1
- মকরামপুর নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয় চত্বরে দীর্ঘ সময় ধরে ডেকোরেটারের মালপত্র রাখা নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই মালপত্র রাখছিলেন এলাকার তৃণমূল নেতা ও ব্যবসায়ী স্বদেশ দণ্ডপাঠ। গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেছেন যে, এর ফলে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে এবং ছাত্র-ছাত্রীরা খেলার মাঠ ব্যবহার করতে পারছে না। গ্রামবাসীরা স্কুল বিল্ডিং দখল করে তৃণমূল নেতার গোডাউন পরিচালনার অভিযোগ তুলে তা উচ্ছেদ করেছেন। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বিদ্যালয়ের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে মদ্যপানের মতো ঘটনাও ঘটছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দাবি করেছেন, তিনি বারবার মালপত্র সরানোর অনুরোধ করলেও তা করা হয়নি, বরং উল্টো তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগগুলির জবাবে ব্যবসায়ী স্বদেশ দণ্ডপাঠ জানিয়েছেন যে, বিদ্যালয়ে শুধুমাত্র প্যান্ডেলের দুটি গেটের অংশ রাখা ছিল। তিনি স্বীকার করেছেন যে, কয়েকদিন আগে প্রধান শিক্ষক তাঁকে বিষয়টি জানিয়েছেন এবং শ্রমিক এলেই সেগুলি সরিয়ে নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন। তবে, মাঠ ভাড়া দেওয়া, মদ্যপান-সহ বাকি সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলে দাবি করেছেন তিনি।1