নবদ্বীপে ঋষি অরবিন্দ মন্দিরের ৬৭তম বর্ষপূর্তি ঘিরে আধ্যাত্মিক মহামিলন! *নবদ্বীপে আধ্যাত্মিক মহামিলন! ৬৭তম বর্ষপূর্তিতে ঋষি অরবিন্দ মন্দিরে দেশ-বিদেশের বিশিষ্টজন!* গোপাল বিশ্বাস ঃ-নদীয়া- ভক্তি, সাধনা ও আধুনিক আধ্যাত্মিক দর্শনের অপূর্ব সমন্বয়ে মুখরিত হয়ে উঠল নদীয়ার নবদ্বীপ। হেরিটেজ স্বীকৃত শ্রী ঋষি অরবিন্দ মন্দির-এ দুই দিনব্যাপী পালিত হলো ৬৭তম প্রতিষ্ঠা বর্ষপূর্তি। ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবাণী ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও চিন্তনমূলক সেমিনারে ভরে ওঠে মন্দির প্রাঙ্গণ। নবদ্বীপ ঐতিহ্যগতভাবে ভক্তি ও সাধনার পীঠভূমি। সেই আবহেই শ্রী অরবিন্দ-এর আধুনিক যোগদর্শন এই মন্দিরকে দিয়েছে এক বিশেষ তাৎপর্য। প্রাচীন ভক্তিধারার সঙ্গে আধুনিক আধ্যাত্মিক চিন্তার এক অনন্য মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠেছে এই কেন্দ্র। এ বছর উদ্যাপিত হয় শ্রীঅরবিন্দের মহাধাতুর প্রতিষ্ঠার ৬৭তম বার্ষিকী এবং দ্য মাদার-এর ১৪৮তম জন্মবার্ষিকী। ২১ ফেব্রুয়ারি ‘দ্য মাদার’-এর পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। ধ্যান, অর্গান সঙ্গীত ও প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে ভক্তিময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টায় পুনরায় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. কুমারনাথ ভট্টাচার্য। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুদুচেরি সরকারের মন্ত্রী ও ওয়ার্ল্ড পিস ট্রাস্টের সভাপতি কে. লক্ষ্মীনারায়ণন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তপোবন ওপেন ইউনিভার্সিটি অব যোগা অ্যান্ড আয়ুর্বেদের প্রতিষ্ঠাতা কিরণ লাব শঙ্কর ব্যাস। দুই দিনের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সেমিনার ও আলোচনা সভায় গণযোগাযোগ, শিক্ষা, ক্রীড়া ও প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে বঙ্গবাণীর বিভিন্ন কার্যক্রম ও প্রভাব নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। ভক্ত, অনুরাগী ও বিশিষ্টজনদের সক্রিয় উপস্থিতিতে নবদ্বীপে সৃষ্টি হয় এক গভীর আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক আবহ। মন্দির কর্তৃপক্ষের মতে, ভবিষ্যতেও এই ঐতিহ্য ও মানবিক চেতনার ধারাকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। নবদ্বীপের আধ্যাত্মিক মানচিত্রে এই আয়োজন নতুন মাত্রা যোগ করল বলেই মত উপস্থিত মহলের।
নবদ্বীপে ঋষি অরবিন্দ মন্দিরের ৬৭তম বর্ষপূর্তি ঘিরে আধ্যাত্মিক মহামিলন! *নবদ্বীপে আধ্যাত্মিক মহামিলন! ৬৭তম বর্ষপূর্তিতে ঋষি অরবিন্দ মন্দিরে দেশ-বিদেশের বিশিষ্টজন!* গোপাল বিশ্বাস ঃ-নদীয়া- ভক্তি, সাধনা ও আধুনিক আধ্যাত্মিক দর্শনের অপূর্ব সমন্বয়ে মুখরিত হয়ে উঠল নদীয়ার নবদ্বীপ। হেরিটেজ স্বীকৃত শ্রী ঋষি অরবিন্দ মন্দির-এ দুই দিনব্যাপী পালিত হলো ৬৭তম প্রতিষ্ঠা বর্ষপূর্তি। ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবাণী ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও চিন্তনমূলক সেমিনারে ভরে ওঠে মন্দির প্রাঙ্গণ। নবদ্বীপ ঐতিহ্যগতভাবে ভক্তি ও সাধনার পীঠভূমি। সেই আবহেই শ্রী অরবিন্দ-এর আধুনিক যোগদর্শন এই মন্দিরকে দিয়েছে এক বিশেষ তাৎপর্য। প্রাচীন ভক্তিধারার সঙ্গে আধুনিক আধ্যাত্মিক চিন্তার এক অনন্য মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠেছে এই কেন্দ্র। এ বছর উদ্যাপিত হয় শ্রীঅরবিন্দের মহাধাতুর প্রতিষ্ঠার ৬৭তম বার্ষিকী এবং দ্য মাদার-এর ১৪৮তম জন্মবার্ষিকী। ২১ ফেব্রুয়ারি ‘দ্য মাদার’-এর পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। ধ্যান, অর্গান সঙ্গীত ও প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে ভক্তিময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টায় পুনরায় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. কুমারনাথ ভট্টাচার্য। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুদুচেরি সরকারের মন্ত্রী ও ওয়ার্ল্ড পিস ট্রাস্টের সভাপতি কে. লক্ষ্মীনারায়ণন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তপোবন ওপেন ইউনিভার্সিটি অব যোগা অ্যান্ড আয়ুর্বেদের প্রতিষ্ঠাতা কিরণ লাব শঙ্কর ব্যাস। দুই দিনের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সেমিনার ও আলোচনা সভায় গণযোগাযোগ, শিক্ষা, ক্রীড়া ও প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে বঙ্গবাণীর বিভিন্ন কার্যক্রম ও প্রভাব নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। ভক্ত, অনুরাগী ও বিশিষ্টজনদের সক্রিয় উপস্থিতিতে নবদ্বীপে সৃষ্টি হয় এক গভীর আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক আবহ। মন্দির কর্তৃপক্ষের মতে, ভবিষ্যতেও এই ঐতিহ্য ও মানবিক চেতনার ধারাকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। নবদ্বীপের আধ্যাত্মিক মানচিত্রে এই আয়োজন নতুন মাত্রা যোগ করল বলেই মত উপস্থিত মহলের।
- Post by Memari Update News1
- Post by KIYAMATSK3
- এইটা আমাদের গ্রাম হাটপাড়া পশ্চিমপাড়া। এই রাস্তায় অনেক স্কুল স্টুডেন আসা যাওয়ার রাস্তা। সামনে junior High school। পাড়ার অনেকের গাড়ী আসা যাওয়ার অসুবিধা। 2 মাসের তৈরি এই ভাঙ্গা kalvet। আমরা দুঃখিত জে আমরা একজন use less পার্টির সঙ্গে যুক্ত।1
- Post by Official HASId 4201
- রবিবার সকালে মানবকল্যাণের জন্য খাটু শ্যামের নিশান যাত্রা শুরু হল। প্রশাসনের ঘেরাটোপে সহস্রাধিক নারী পুরুষের নির্বিশেষে ভক্তদের উপস্থিতিতে এই নিশান যাত্রাটি হালিশহর কোনা মোড় থেকে শুরু করে ঘোষপাড়া রোড হয়ে গৌরীপুর শিবালয়ে মোড়ে নবনির্মীয়ান খাটু শ্যামের মন্দিরেএসে শেষ হয়।3
- Post by I am Cute boy1
- Post by Memari Update News1
- Post by KIYAMATSK2
- মিটে গেছে দিয়ে শরীরের কাছে যাওয়ার রাস্তা রাস্তার অবস্থা খুবই শোচনীয় ঠিকঠাক করে মানুষ হঠাৎ ও যানবাহন যাতায়াত করতে পারে না ইতিমধ্যে কাজ চলছে তাও রাস্তা তাড়াতাড়ি হলে সবারই ভালো হয়।।1