Shuru
Apke Nagar Ki App…
ঝাড়গ্রাম জেলার বিনপুর এলাকায় একটি বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিক হয়ে বিধ্বংসী আগুন লেগেছে। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা বাড়িটি দেখে গোটা গ্রামের মধ্যে হুড়োহুড়ি ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রান্নার সময় গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিক করার কারণেই এই আগুন লাগে। গ্রামবাসীরা বহু চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি। পরে ফায়ার ব্রিগেডে খবর দেওয়া হলে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি গৃহস্থের বাড়ি, গোটা বাড়িটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মাথার ছাদ হারিয়ে ওই পরিবার এখন রাস্তায় বসেছে। ঘটনার খবর পেয়ে বিনপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এবং আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে।
Sing babua
ঝাড়গ্রাম জেলার বিনপুর এলাকায় একটি বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিক হয়ে বিধ্বংসী আগুন লেগেছে। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা বাড়িটি দেখে গোটা গ্রামের মধ্যে হুড়োহুড়ি ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রান্নার সময় গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিক করার কারণেই এই আগুন লাগে। গ্রামবাসীরা বহু চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি। পরে ফায়ার ব্রিগেডে খবর দেওয়া হলে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি গৃহস্থের বাড়ি, গোটা বাড়িটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মাথার ছাদ হারিয়ে ওই পরিবার এখন রাস্তায় বসেছে। ঘটনার খবর পেয়ে বিনপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এবং আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বিনপুর ব্লকে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরে এসে উপভোক্তারা নানান সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। মানুষের এই সমস্যার কথা জানতে পেরে বিনপুর বিধানসভার বিধায়ক প্রণত টুডু দ্রুত জনকল্যাণ শিবিরে ছুটে যান। সেখানে তিনি উপস্থিত মানুষের অভাব-অভিযোগ মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সমস্ত বিষয় সঠিকভাবে সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন। উপভোক্তাদের বিভিন্ন অভিযোগ ও সমস্যার কথা ভালোভাবে জানার পর বিধায়ক প্রণত টুডু সেখান থেকে রওনা দেন।1
- রাজ্য সরকারের জনকল্যাণ শিবিরের প্রথম দিনেই সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত বিনপুর ২ ব্লকের বেলপাহাড়িতে আয়োজিত এই শিবিরে সকাল থেকেই উপভোক্তাদের ভিড় থাকলেও, বেলা বাড়ার সাথে সাথে তা চরম দুর্ভোগে রূপ নেয়। জুন মাসের তীব্র রোদ ও গরমের মধ্যে একটি বদ্ধ ও গুমোট গুদামের ভেতরে শিবিরের আয়োজন করায় ভেতরের তাপমাত্রা মাত্রাতিরিক্ত হয়ে ওঠে। পর্যাপ্ত ফ্যানের ব্যবস্থা না থাকায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন গরমে হাঁসফাঁস করতে থাকেন, এবং বেশ কয়েকজন উপভোক্তা অসুস্থও হয়ে পড়েন বলে খবর। পরিস্থিতি গুরুতর দেখে বিনপুরের বিধায়ক প্রণত টুডু দ্রুত ক্যাম্প পরিদর্শনে আসেন। তিনি সার্বিক অবস্থা খতিয়ে দেখে আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন। পরিষেবা নিতে আসা উপভোক্তারা অভিযোগ করেছেন যে প্রশাসনের এই পরিকল্পনা একেবারেই হঠকারী ছিল। তাদের মতে, তীব্র গরমে বন্ধ গুদাম ঘরের পরিবর্তে যদি কোনো খোলা জায়গায় সামিয়ানা খাটিয়ে বা স্কুলের মাঠে এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হতো, তাহলে সাধারণ মানুষকে এই 'নরকযন্ত্রণার' শিকার হতে হতো না। উল্লেখ্য, জেলার প্রতিটি কেন্দ্রেই সকাল থেকে লম্বা লাইন দেখা গেছে এবং উপভোক্তারা শিবির শুরুর আড়াই-তিন ঘন্টা আগে থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ঝাড়গ্রাম জেলার ৮টি ব্লকে মোট ১৩টি ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারণ মানুষ সরকারি ও কল্যাণমূলক পরিষেবা ঘরের কাছে এক ছাদের তলায় পাওয়ার এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি, তবে ব্লক প্রশাসনের উচিত ছিল ভালো স্থানে ক্যাম্পটি আয়োজন করা, এমনটাই তাদের বক্তব্য। এখন দেখার, প্রথম দিনের এই ক্ষোভ ও অব্যবস্থা থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রশাসন আগামীকালের ক্যাম্পে কোনো বিকল্প ব্যবস্থা করে কিনা।1
- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে ঝাড়গ্রাম জেলার বিভিন্ন প্রান্তে জনকল্যাণ শিবির শুরু হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য সরকারি জনমুখী প্রকল্পগুলির সুবিধা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। এই শিবিরগুলিতে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে, বিশেষ করে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিধবা ভাতা, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বার্ধক্য ভাতা-সহ বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন সাধারণ মানুষ, এই শিবিরের মাধ্যমে তার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বহু উপভোক্তাকে আবেদন, সংশোধন এবং সমস্যা সমাধানের জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ ও আগ্রহের প্রতিফলন। সম্প্রতি ঝাড়গ্রামের গজাশিমুল হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত জনকল্যাণ শিবির পরিদর্শন করেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা গোপীবল্লভপুর বিধানসভার বিধায়ক রাজেশ মাহাতো। তিনি শিবিরে উপস্থিত সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের বিভিন্ন অভিযোগ ও সমস্যার কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন। পাশাপাশি, সরকারি পরিষেবা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গেও আলোচনা করেন। এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনিক আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী রাজেশ মাহাতো এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে বলেন, রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা যাতে প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে সহজে ও দ্রুত পৌঁছায়, সেই লক্ষ্যেই জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর মতে, সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধান এবং সরকারি পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করে তোলাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। শিবিরে আসা সাধারণ মানুষও রাজ্য সরকারের এই প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং এক ছাদের তলায় বিভিন্ন পরিষেবা পেয়ে তাঁদের সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।1
- বিধায়ক প্রণত টুড সম্প্রতি কাশমারে একটি জনকল্যাণ শিবির পরিদর্শন করেছেন। এই পরিদর্শনের মাধ্যমে স্থানীয় এলাকাবাসীরা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সুবিধা লাভ করতে পারবেন।1
- ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনিতে আয়োজিত 'জন কল্যাণ শিবির'-এ তীব্র গরম উপেক্ষা করেও মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। এই শিবিরে একটি ছাদের নিচেই মোট ৫৪টি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। জামবনি ব্লকের বিডিও এই জন কল্যাণ শিবির পরিদর্শনে এসেছিলেন।1
- মেদিনীপুর শহরে একটি দ্বিতীয় বাস টার্মিনাল তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন একজন বিধায়ক।1
- আজ সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে হরিনাম সংকীর্তন গেয়েছেন দিলীপ ঘোষ।1
- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে ঝাড়গ্রাম জেলার বিভিন্ন প্রান্তে জনকল্যাণ শিবির শুরু হয়েছে, যার লক্ষ্য সরকারি জনমুখী প্রকল্পগুলির সুবিধা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। এই শিবিরগুলিতে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে, বিশেষ করে মহিলাদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি দেখা গেছে। বিধবা ভাতা, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বার্ধক্য ভাতা-সহ বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের আবেদন, সংশোধন এবং সমস্যা সমাধানের জন্য বহু উপভোক্তাকে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। এদিন ঝাড়গ্রামের গজাশিমুল হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত জনকল্যাণ শিবির পরিদর্শন করেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা গোপীবল্লভপুর বিধানসভার বিধায়ক রাজেশ মাহাতো। তিনি সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের অভিযোগ ও সমস্যার কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। এছাড়াও, সরকারি পরিষেবা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী রাজেশ মাহাতো জানান, রাজ্য সরকারের জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে সহজে ও দ্রুত পৌঁছে দেওয়াই এই শিবিরের মূল লক্ষ্য। সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধান এবং সরকারি পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করাই এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য। শিবিরে আসা সাধারণ মানুষও রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং এক ছাদের তলায় বিভিন্ন পরিষেবা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।1