Shuru
Apke Nagar Ki App…
দাসপুর ১ ব্লকের খাটবাড়ুই ত্রিনয়নী সংঘের আয়োজিত রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন দাসপুরের বিধায়ক তপন দত্ত। এই অনুষ্ঠানে বিধায়ক সংঘের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন। তিনি গ্রামীণ উন্নয়ন এবং ক্লাবের উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাসও দেন।
STSP NEWS বাংলা
দাসপুর ১ ব্লকের খাটবাড়ুই ত্রিনয়নী সংঘের আয়োজিত রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন দাসপুরের বিধায়ক তপন দত্ত। এই অনুষ্ঠানে বিধায়ক সংঘের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন। তিনি গ্রামীণ উন্নয়ন এবং ক্লাবের উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাসও দেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- রবিবার পুরুলিয়া শহরে ফুটপাত দখল করে থাকা দোকানপাট উচ্ছেদ করতে একটি অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযানে পুরুলিয়া পৌরসভা এবং পুরুলিয়া জেলা পুলিশ প্রশাসন যৌথভাবে অংশ নেয়।1
- রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে সুন্দিপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের কালিকাপুর গ্রামে শাসক দলের বিজয় মিছিলকে ঘিরে তীব্র প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। যখন চারদিকে নতুন সরকারের আগমন ঘিরে উৎসব ও উল্লাস চলছে, তখনই কালিকাপুর গ্রামের মহিলারা তাদের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ নিয়ে খোদ বিজয় মিছিলের সামনে ফেটে পড়েন। আবিরের রঙের আড়ালে তাদের একটাই স্পষ্ট দাবি ছিল— "সরকার বদলেছে, এবার ব্রিজ দিতেই হবে!" গ্রামবাসীরা, বিশেষ করে এলাকার মহিলারা, দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অভিযোগ নিয়ে মিছিলে শামিল নেতা-কর্মীদের কার্যত কাঠগড়ায় দাঁড় করান। তাদের মূল দাবি একটি স্থায়ী ব্রিজের, যার অভাবে বছরের পর বছর ধরে বর্ষায় গোটা গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া এবং স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতসহ দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রতি ভোটের আগে নেতারা ব্রিজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেলেও, ভোট মিটলেই সেই প্রতিশ্রুতি হিমাগারে চলে যায়। এবার তারা এই চেনা গল্প শুনতে নারাজ, তাদের দাবি অবিলম্বে পূরণ করতে হবে। এলাকার মহিলাদের এই রণচণ্ডী মূর্তি দেখে বিজয় মিছিলে আসা নেতৃত্বরা স্বাভাবিকভাবেই ব্যাকফুটে চলে যান। চোখে জল আর গলায় ক্ষোভ নিয়ে কালিকাপুরের মা-বোনেরা আজ সোচ্চার। তাদের প্রশ্ন, রাজ্য রাজনীতিতে পরিবর্তন এলেও কালিকাপুর গ্রামের এই ভগ্ন ভাগ্যের আদৌ কি পরিবর্তন হবে? নতুন সরকার কি পারবে এই গ্রামীণ দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান করতে, নাকি আগের মতোই প্রতিশ্রুতির আড়ালে ঢাকা পড়ে থাকবে কালিকাপুরের এই স্বপ্নের ব্রিজ?2
- নন্দীগ্রাম থেকে মুখ্যমন্ত্রী একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, যারা অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত, তাদের ঠিকানা হবে কারাগার।1
- পশ্চিমবঙ্গে, মুখ্যমন্ত্রী সুবেন্দু অধিকারী একটি বড় ঘোষণা করেছেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে, 'সবকা সাথ, সবকা বিকাশ'-এর পাশাপাশি এখন 'সবার হিসাব' নেওয়া হবে। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে একটি কড়া বার্তা দিয়েছেন।1
- বাংলা সংগীত জগতের কিংবদন্তি শিল্পী মান্না দে-র জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আগামী ২৪ মে, রবিবার, মেদিনীপুরে এক বিশেষ সাংগীতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে। মেদিনীপুর কলেজের ‘বিবেকানন্দ প্রেক্ষাগৃহে’ বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে এই অনুষ্ঠান, যার নাম দেওয়া হয়েছে “ভালোবাসার নজরানাদে”। অনুষ্ঠানের আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মান্না দে কেবল বাংলা গান নয়, ভারতীয় সঙ্গীতের ইতিহাসেও এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি এবং সুরেলা কণ্ঠ এখনও সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে অমলিন রয়েছে, আর তাই তাঁর জন্মবার্ষিকী স্মরণে এই শ্রদ্ধার্ঘ্য অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই বিশেষ সন্ধ্যায় মেদিনীপুর সদর কেন্দ্রের বিধায়ক ডা. শংকর গুছাইত, বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী শ্রী জয়ন্ত সাহা এবং বাচিক শিল্পী শ্রী অসীম পাল সহ আরও একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও শিল্পীরা উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে জেলার খ্যাতনামা শিল্পীরা মান্না দে-র জনপ্রিয় গানগুলি পরিবেশন করে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাবেন। আয়োজকরা সকল সংগীতপ্রেমী মানুষকে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কিংবদন্তি শিল্পীকে সম্মান জানানোর জন্য আন্তরিক আহ্বান জানিয়েছেন।1
- মেদিনীপুর শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে বিধায়ক শংকর গুছাইতের জয়ের পর ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) উদ্যোগে একটি বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের বিপুল উপস্থিতিতে গোটা এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। বিজেপির এই জয়ের উচ্ছ্বাসে মেদিনীপুরের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সরগরম ছিল, যেখানে একটি বর্ণাঢ্য বিজয় মিছিলের আয়োজন করা হয়।1
- দাসপুর মামুদপুরে আয়োজিত অগ্রদূত সংঘের রক্তদান শিবিরের সার্বিক সাফল্য কামনা করেছেন দাসপুরের বিধায়ক তপন দত্ত।1
- অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সুরাজ মন্ডল সম্প্রতি স্কুল ও স্কুল সংলগ্ন এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের দ্বারা প্রস্তুত করা সামার প্রজেক্টগুলি পর্যবেক্ষণ করেছেন। এই পরিদর্শনের সময়, তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের তাদের তৈরি প্রজেক্টগুলি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ও উপযুক্ত পরামর্শও প্রদান করেন।1
- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০ দিনের নীরবতা ভেঙে প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তুলেছেন। তিনি সরব হয়ে দাবি করেছেন যে, রাজ্যে "প্রশাসনিক রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস" চলছে। প্রশাসনিক সন্ত্রাসের এই অভিযোগ জানাতে গিয়ে তিনি বিস্ফোরক মন্তব্য করেন এবং প্রশ্ন তোলেন, "আর কত সহ্য করব?"1