Shuru
Apke Nagar Ki App…
“ইসলামপুরে বিজেপির শক্তি প্রদর্শনে কাঁপল রাজনীতি, নির্বাচনের আগেই চূড়ান্ত পাওয়ার শো!”
Uttarbanganewslive Facebook
“ইসলামপুরে বিজেপির শক্তি প্রদর্শনে কাঁপল রাজনীতি, নির্বাচনের আগেই চূড়ান্ত পাওয়ার শো!”
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মালদা: তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ সেন আজ তাঁর বাসভবনে এক জরুরি প্রেস মিটিং-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে তিনি শুরু থেকেই যুক্ত ছিলেন, কিন্তু তাঁর প্রতি কোনও মূল্যায়ন করা হয়নি। বিশ্বজিৎ সেন অভিযোগ করেন, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সততা ও নিষ্ঠাকে ব্যবহার করে বিভিন্ন কাজে এগিয়ে গেছেন, কিন্তু এখন তার পাশে না থেকে, দলে নতুন চোর ও বেইমানদের ঢোকানো হচ্ছে, এবং তাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হচ্ছে। শুরু থেকে যারা দলের সঙ্গে ছিলেন, তাদের অবমূল্যায়ন করাই তাঁর অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দু। তিনি এই অবিচারের তীব্র নিন্দা জানান এবং তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা প্রকাশ করেন।2
- *বীরভূম থেকে বিজেপিকে হটানোর ডাক অভিষেকের, হাঁসনে কাজল শেখের জয়ে ৫০ হাজারের টার্গেট* আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বীরভূমের মাটি থেকেই বিজেপিকে উৎখাত করার ডাক দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক Abhishek Banerjee। শনিবার তারাপীঠ সংলগ্ন কড়কড়িয়া মোড়ে আয়োজিত জনসভা থেকে তিনি জানান, এবারের লড়াই শুধু ক্ষমতা দখলের নয়, বরং সাধারণ মানুষের ভোগান্তির জবাব দেওয়ার লড়াই। এদিন সভা মঞ্চ থেকেই তিনি দলের “পঞ্চম অঙ্গীকার”-এর কথাও তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে আজীবন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালু রাখা, প্রতিটি বাড়িতে পানীয় জলের ব্যবস্থা, দুয়ারে স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া, ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে সকলের জন্য বার্ধক্য ভাতা এবং বাংলার আবাস যোজনার আওতায় আরও বেশি মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বীরভূম জেলার ১১টি বিধানসভা আসনেই তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করবে। পাশাপাশি হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী Kajal Sheikh (ফয়েজুল হক)-এর জয়ের ব্যবধান ৫০ হাজারেরও বেশি করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেন তিনি। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই ধরনের জনসভা ও রাজনৈতিক বার্তা ঘিরে জেলায় উত্তেজনা বাড়ছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আক্রমণাত্মক বক্তব্য ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয়।1
- Post by Selim Sk1
- হরিহরপাড়ায় তৃণমূলে ভরসা বাড়ছে, সিপিআইএম-কংগ্রেস ছেড়ে ২৫০ পরিবার যোগ দিল শাসক দলে : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে হরিহরপাড়ায় ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। বেশ কিছুদিন আগেই মালোপাড়া অঞ্চল থেকে কংগ্রেসের একাধিক কর্মী-সমর্থক বুথ সভাপতি রা তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। সেই ধারা বজায় রেখে শনিবার বিকেলে ফের বড়সড় ভাঙন দেখা গেল বিরোধী শিবিরে। এদিন হরিহরপাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে সিপিআইএম ও কংগ্রেস ছেড়ে বিরোধী দলনেতা সহ প্রায় ২৫০টি পরিবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন । তৃণমূল প্রার্থী নিয়ামত শেখের হাত ধরে নতুন সদস্যরা শাসক দলে নাম লেখান। এই যোগদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন হরিহরপাড়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি জসিমউদ্দিন শেখ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মীর আলমগীর পলাশ সহ ব্লকের অন্যান্য নেতৃত্বরা। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, উন্নয়নের স্বার্থে এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজের প্রতি আস্থা রেখেই সাধারণ মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরে এই ভাঙন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।1
- *ভগবানগোলায় দেবের ঝড়, হেলিকপ্টারে নেমেই জনস্রোতে ভাসল তৃণমূলের প্রচার* ভগবানগোলা ৬২ নম্বর বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রেয়াত হোসেন সরকারের সমর্থনে প্রচারে এসে পৌঁছালেন টলিউড তারকা ও সাংসদ Dev। শনিবার হেলিকপ্টারে করে ভগবানগোলার পাকা দরগা মাঠে অবতরণ করেন তিনি। তাকে এক ঝলক দেখার জন্য মাঠে উপচে পড়ে ভিড়, হাজার হাজার সমর্থক ও ভক্তদের ঢল নামে এলাকায়। দেবকে ঘিরে সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। মাঠে নামার পরই জনতার অভিবাদন গ্রহণ করেন তিনি এবং সেখান থেকেই শুরু হয় তার প্রচার কর্মসূচি। ভগবানগোলা বিধানসভার অন্তর্গত জাফরের মোড় এলাকা থেকে হুডখোলা গাড়িতে করে রোড শো শুরু করেন তিনি। পথজুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন তাকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান এবং সমর্থনের বার্তা দেন। এই রোড শো জাফরের মোড় থেকে শুরু হয়ে রানিতলা থানা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। গোটা রাস্তাজুড়ে ছিল উৎসবের আবহ, তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। প্রচারে উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদের সাংসদ Abu Taher Khan সহ শহর ও জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতৃত্ব। নির্বাচনের আগে এই প্রচার কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট চর্চা শুরু হয়েছে। দেবের উপস্থিতি তৃণমূলের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক2
- জনজোয়ার আর উৎসবের আমেজে মনোনয়ন জমা দিলেন : ভরতপুরের তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে, আর এরই মাঝে উৎসবের আমেজ ও কর্মী-সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে কান্দি এসডিও অফিসে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন ৬৯ নম্বর ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন)। শনিবার সকালে সালার কিষান মান্ডি থেকে শুরু হওয়া এক বিশাল মোটরসাইকেল মিছিলের অগ্রভাগে হুডখোলা গাড়িতে চড়ে প্রার্থী মহকুমা শাসকের দপ্তরে পৌঁছান। মনোনয়ন জমা দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আবেগঘন কণ্ঠে মুস্তাফিজুর রহমান জানান, এটি সত্যিই এক অনন্য অনুভূতি। আগে দলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে তৃণমূল স্তরে কাজ করেছি, আর দল আজ সেই কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ আমাকে প্রার্থী করেছে। তবে আমি আজও একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবেই নিজেকে মনে করি। জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী এই নেতা আরও বলেন যে, আগামী ২৩শে এপ্রিলের ভোটে ভরতপুরে ঘাসফুল শিবিরের জয়জয়কার হবে এবং ৪ঠা মে ফলাফল ঘোষণার পর মানুষের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা আরও বহুগুণ বেড়ে যাবে। বিপুল জনসমর্থন আর অগণিত দলীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এদিনের এই কর্মসূচিটি কার্যত এক বিশাল রাজনৈতিক উৎসবে পরিণত হয়।1
- মালদা: তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ সেন আজ তাঁর বাসভবনে এক জরুরি প্রেস মিটিং-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে তিনি শুরু থেকেই যুক্ত ছিলেন, কিন্তু তাঁর প্রতি কোনও মূল্যায়ন করা হয়নি। বিশ্বজিৎ সেন অভিযোগ করেন, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সততা ও নিষ্ঠাকে ব্যবহার করে বিভিন্ন কাজে এগিয়ে গেছেন, কিন্তু এখন তার পাশে না থেকে, দলে নতুন চোর ও বেইমানদের ঢোকানো হচ্ছে, এবং তাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হচ্ছে। শুরু থেকে যারা দলের সঙ্গে ছিলেন, তাদের অবমূল্যায়ন করাই তাঁর অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দু। তিনি এই অবিচারের তীব্র নিন্দা জানান এবং তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা প্রকাশ করেন।1
- Chennai video garmana1
- দোয়া-আশীর্বাদ নিয়ে নমিনেশন যাত্রা, ৫০ গাড়ির মিছিলে শক্তি প্রদর্শন শাহিনা মমতাজ খানের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী থাকল নওদা। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শাহিনা মমতাজ খান শনিবার সকালে প্রথমে শ্বশুরের কবর জিয়ারত করেন। সেখানে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করে দোয়া ও আশীর্বাদ নেন তিনি। পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই আধ্যাত্মিক পর্বের পরেই শুরু হয় তাঁর নমিনেশন যাত্রা। এরপর নওদা থেকে বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে বহরমপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। প্রায় ৫০টি গাড়ির বিশাল কনভয়ে সাজানো ছিল এই যাত্রা, যা কার্যত শক্তি প্রদর্শনে পরিণত হয়। পথে বিভিন্ন জায়গায় সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। বহরমপুর মহকুমা শাসকের দফতরে গিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দেবেন বলে জানা গেছে। তৃণমূলের এই শো অফ স্ট্রেংথ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।3