logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর বিবর্তনের রূপরেখা নির্ণয় করতে গিয়ে ভাষাতাত্ত্বিকদের কম কাঠখড় পোড়াতে হয়নি। কারণ একটা আদিম কমন ভাষা যার বিস্তার দুটো মহাদেশ জুড়ে ও যা প্রায় সবকটা ক্লাসিকাল ভাষার জননী তার শাখাপ্রশাখা ট্রেস করাটা ইস নট আ ম্যাটার অফ জোক। বহুক্ষেত্রে ভাষাগত মিল খুঁজে বের করতে গিয়ে যেমন নানান মিসিং লিঙ্ক-এ আটকে যেতে হয়েছে, তেমনই অনেকসময় কোনো একটা শব্দের বুৎপত্তি নিয়ে ভৌগোলিক সীমানাভেদে নানা মুনি নানা মতে বিস্তর জলঘোলা করেছেন। ভাষাতত্ত্ব নিয়ে পড়তে গিয়ে ‘আর্য আকাশ’ (Arya Akasha) –র পেজে সেরকমই একটা দ্বন্দের ইঙ্গিত পেলাম। সেটার কথায় আসি: ‘ব্যাকট্রিয়া–মার্জিয়ানা আর্কিওলজিকাল কমপ্লেক্স’ (BMAC) বা অক্সাস সিভিলাইজেশন নামে ব্রোঞ্জ যুগের সভ্যতার একটা বিস্তীর্ণ ঘাঁটি রয়েছে — মধ্য এশিয়া থেকে পশ্চিম পর্যন্ত তার সীমানা। এর মধ্যে পড়ছে উজবেকিস্তানের দক্ষিণ অংশ (উত্তর ব্যাকট্রিয়া), উত্তর আফগানিস্তানের একটা বেল্ট (দক্ষিণ ব্যাকট্রিয়া), ইস্টার্ন তুর্কমেনিস্তান ও ওয়েস্টার্ন তাজিকিস্তান। আমু দরিয়া নদীকে কেন্দ্র করে এখানকার কৃষি-নির্ভর সভ্যতার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। BMAC সভ্যতার ভাষা কি ছিল তা এখনো পর্যন্ত নির্দিষ্ট করে ভাষাতাত্ত্বিকেরা ঠাওর করে উঠতে পারেননি, স্বাভাবিকভাবেই মতোবিরোধ রয়েছে। কেউ বলেন এখানকার ভাষাটা ছিল ইন্দো-ইউরোপীয় গোষ্ঠীর একটা লিঙ্গুইস্টিক এক্সটেনশন তো কেউ সেটাকে এক্সক্লুসিভলি নন-ইন্দো-ইউরোপিয়ান (non-IE) হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছেন। Non-IE মতাবলম্বীদের মতে এখানকার ভাষাটা ছিল ‘এলামো-দ্রাবিড়িয়ান’ বা ‘হুরো-ইউরেশিয়ান’- এর কাছাকাছি কোনো একটা ‘সাবস্ট্রেট’ ভাষা। সাবস্ট্রেট ভাষা হল এমন একটা ভাষা যা থেকে শব্দ ধার করে আরেকটা ভাষা রূপ নেয়। এক্ষেত্রে BMAC ভাষাকে IE এর সাবস্ট্রেট বলে অনেক লিঙ্গুইস্ট ভাবনা করেছেন। মাইকেল উইটজেল আর আলেক্সান্দার লুবৎস্কি এদের মধ্যে অন্যতম। তাদের মতে IE এর অন্তর্গত ভারতীয় উপমহাদেশের বৈদিক সংস্কৃত ও ইন্দো–ইরানীয় শাখাদুটোর সাবস্ট্রেট BMAC ভাষা, যার কারণে এরা মূল IE গোষ্ঠী থেকে একরকম স্বতন্ত্র। এখন সংস্কৃত ও আবেস্তান ইরানীয় যেহেতু ইটিমোলজিকালি ভীষনই রিলেটেড একে অপরের সাথে তাই এরকম ভাবনার একটা গ্রাউন্ড তৈরি হয়েছে। কিন্তু যারা IE এর পক্ষে তারা গ্রীক থেকে জার্মেনিকের সাথে সংস্কৃতের ধাতুগত মিল খুঁজে সেই থিওরি নস্যাৎ করতে চেয়েছেন, সেক্ষেত্রে সংস্কৃতের কৌলীন্য রক্ষা হয় বটে। ‘ইন্দ্র’-কেই উদাহরণ হিসাবে ধরা যাক। ঋগ্বেদের ইন্দ্র, গ্রীকদের জিউস, নর্সদের থর আর লিথুয়ানিয়ান পারকুনস – একই সারির বজ্রধারী ঝড়জলের দেবতা। এদের IE লিনিয়েজ সুপ্রতিষ্ঠিত। তবে BMAC থিওরিস্টদের মতে ইন্দ্র আসলে এসেছে ‘পর্জন্য’ থেকে যা নাকি আদতে এক BMAC দেবতা (পুরোটাই হাইপোথেটিকাল)। আর্যরা BMAC রিজিয়ন পার করার সময় ‘পর্জন্য’-র কনসেপ্টকে তুলে আনেন এবং ধীরে ধীরে ইন্দ্র ‘পর্জন্য’কে রিপ্লেস করে সেই স্থান দখল করে। ঋগ্বেদে ‘পর্জন্য’ ইন্দ্রের এক epithet, যার রূপ কল্পনা করা হয়েছে মেঘের দেবতা হিসাবে, ‘পর্জন্য’ মেঘের গর্জনের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেন, পৃথিবীকে শস্যময় করে তুলতে বৃষ্টি নামান ইত্যাদি ইত্যাদি। ওদিকে IE পন্থীরাও ইন্দ্রকে ছেড়ে দিতে নারাজ। তারা সরাসরি ভাষাগত প্রমান টেবিলে রেখে দাবী করেছেন — লিথুয়ানিয়ানে প্ল্যানেট জুপিটারকে বলা হয়েছে ‘ইন্দ্রজা’, জুপিটার (জিউস) বা জোভ আদি পিতা ‘দিউস প্টার’, যা বৈদিক সংস্কৃতের ‘দৌঃ পিতা’ অর্থাৎ আকাশ বা sky father, দৌঃ আর পৃথিবীর সন্তান ইন্দ্র — অর্থাৎ সরাসরি প্রোজেনি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। তাই লিঙ্গুইস্টদের একটা বড়ো অংশ হাইপোথেটিকাল BMAC এর থেকে IE কে এগিয়ে রেখেছেন সবসময়। বৃত্রহন্তা, সোম তথা যজ্ঞ হবির মূলভাগের অধিকারী হিসাবে ইন্দ্রের অবস্থান সেদিক থেকে স্বমহিমায় বিরাজমান। লুবৎস্কি ‘শর্ব’, शर्व শব্দটাকে BMAC বলে ক্লেম করেছেন। IE পন্থীরা Ćarwa বা অ্যাঙ্গলিসাইজড ‘Śarva’ বা ‘Zarva’ কে বৈদিক তথা ইন্দো–ইরানীয় ভাষার বুৎপত্তি-নির্ণায়ক শব্দ হিসাবেই মান্যতা দিয়ে থাকেন। ‘শর্ব’ কথার অর্থ ধনুর্ধারী, archer। এটা রুদ্র–শিবের একটা epitheth। শিব একাধারে পিনাক ধনুক এবং ত্রিপুর ধ্বংসকারী অজগব ধনু-র মালিক। शरु (শরু) থেকে शर (শর) অর্থাৎ তির এসেছে। ওদিকে সংস্কৃতে शृणाति বা ‘শৃণাতি’ শব্দের অর্থ আঘাত করার মাধ্যমে কোনোকিছু ধ্বংস করা বা demolish করা। দুটো শব্দর ধাতু একই ‘শৃ’। আচ্ছা কাউকে তির মা/রলে সে তো আহত হবে, তাই নয় কি? ‘শৃ’ থেকে যেমন ‘শর’ এসেছে তেমনই তার কাছাকাছি মিলযুক্ত প্রোটো-ইন্দো-ইউরোপীয় ধাতু ‘ক্রা’ (কের > কেরা > ক্রা > কেরেউ) বা ‘ক্রেই’ থেকে এসেছে horn বা শৃঙ্গ বা শিং। শিং-এর মতো অ্যারোহেডও একটা তীক্ষ্ণভাগ যা স্কিন পেনিট্রেট করে ঢুকে যায় শিকারের শরীরে। শুক্লযজুর্বেদীয় রুদ্রাধ্যায় বা শতরুদ্রীয়তে রুদ্রের সংহার ও কল্যাণময় রূপের বর্ণনায় পাই — যোগং যোগেশ্বরং শর্বং সর্বলোকেশ্বরেশ্বরম্ । সর্বশ্রেষ্টং জগচ্ছ্রেষ্টং বরিষ্টং পরমেষ্ঠিনম্ ॥ ৭ পিনাকিনং খড্গধরং লোকানাং পতিমীশ্বরম্ । প্রপদ্য়ে শরণং দেবং শরণ্য়ং চীরবাসনম্ ॥ ৩৩ ধনুর্ধরায় দেবায় প্রিযধন্বায় ধন্বিনে । ধন্বংতরায় ধনুষে ধন্বাচার্য়ায় তে নমঃ ॥ ৩৫ আবার শিবের প্রধান অস্ত্র ত্রিশূল, তিনটে শার্প-এন্ডেড প্রঙ তীরের ফলার মতোই সুতীক্ষ্ণ। ঐতেরেয় ব্রাহ্মণে পাই রুদ্রর অস্ত্র ‘ত্রিকান্ড’ র উল্লেখ যার অর্থ করলে দাঁড়ায় a weapon with a three-parted arrowhead। ত্রিকান্ড একরকম অগ্নিময় ক্ষেপনাস্ত্র (fiery missile) যেটা রুদ্র ছুঁড়েছিলেন মৃগরূপী প্রজাপতিকে তাগ করে। এই ত্রিকান্ড-ই কি পরবর্তীতে ত্রিশূলে পরিণত হয়েছে? সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত। Interesting ব্যাপার হল শিবের যেমন ত্রিশূল, তেমনই ওডিনের (নর্স) বর্শা গুঙনির, হেডিসের বাইডেন্ট (গ্রীক) বা দুই ফলাযুক্ত শূল, পোসাইডনের ত্রিশূল, দিওনিসাসের পাইন কোন-যুক্ত লাঠি থিরসাস — ব্যাপারগুলো খুব কাছাকাছি। অর্থাৎ IE গোষ্ঠীভুক্ত দেবতাদের অস্ত্র হিসাবে শর বা ঐজাতীয় ধারালো ফলাযুক্ত অস্ত্র বারবার ঘুরেফিরে এসেছে। তাই মহাদেব বা রুদ্র-শিবের epithet হিসাবে ‘শর্ব’-এর BMAC হওয়া ভিত্তিহীনতাই প্রমান করে। ©️জয়জিত। [কৃতজ্ঞতা স্বীকার – Arya Akasha] No, Śarva, The Archer Theonym Of Rudra, Is Not Of Non-Indo-European Origination. Curwen Ares Rolinson. ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর বিবর্তনের রূপরেখা নির্ণয় করতে গিয়ে ভাষাতাত্ত্বিকদের কম কাঠখড় পোড়াতে হয়নি। কারণ একটা আদিম কমন ভাষা যার বিস্তার দুটো মহাদেশ জুড়ে ও যা প্রায় সবকটা ক্লাসিকাল ভাষার জননী তার শাখাপ্রশাখা ট্রেস করাটা ইস নট আ ম্যাটার অফ জোক। বহুক্ষেত্রে ভাষাগত মিল খুঁজে বের করতে গিয়ে যেমন নানান মিসিং লিঙ্ক-এ আটকে যেতে হয়েছে, তেমনই অনেকসময় কোনো একটা শব্দের বুৎপত্তি নিয়ে ভৌগোলিক সীমানাভেদে নানা মুনি নানা মতে বিস্তর জলঘোলা করেছেন। ভাষাতত্ত্ব নিয়ে পড়তে গিয়ে ‘আর্য আকাশ’ (Arya Akasha) –র পেজে সেরকমই একটা দ্বন্দের ইঙ্গিত পেলাম। সেটার কথায় আসি: ‘ব্যাকট্রিয়া–মার্জিয়ানা আর্কিওলজিকাল কমপ্লেক্স’ (BMAC) বা অক্সাস সিভিলাইজেশন নামে ব্রোঞ্জ যুগের সভ্যতার একটা বিস্তীর্ণ ঘাঁটি রয়েছে — মধ্য এশিয়া থেকে পশ্চিম পর্যন্ত তার সীমানা। এর মধ্যে পড়ছে উজবেকিস্তানের দক্ষিণ অংশ (উত্তর ব্যাকট্রিয়া), উত্তর আফগানিস্তানের একটা বেল্ট (দক্ষিণ ব্যাকট্রিয়া), ইস্টার্ন তুর্কমেনিস্তান ও ওয়েস্টার্ন তাজিকিস্তান। আমু দরিয়া নদীকে কেন্দ্র করে এখানকার কৃষি-নির্ভর সভ্যতার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। BMAC সভ্যতার ভাষা কি ছিল তা এখনো পর্যন্ত নির্দিষ্ট করে ভাষাতাত্ত্বিকেরা ঠাওর করে উঠতে পারেননি, স্বাভাবিকভাবেই মতোবিরোধ রয়েছে। কেউ বলেন এখানকার ভাষাটা ছিল ইন্দো-ইউরোপীয় গোষ্ঠীর একটা লিঙ্গুইস্টিক এক্সটেনশন তো কেউ সেটাকে এক্সক্লুসিভলি নন-ইন্দো-ইউরোপিয়ান (non-IE) হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছেন। Non-IE মতাবলম্বীদের মতে এখানকার ভাষাটা ছিল ‘এলামো-দ্রাবিড়িয়ান’ বা ‘হুরো-ইউরেশিয়ান’- এর কাছাকাছি কোনো একটা ‘সাবস্ট্রেট’ ভাষা। সাবস্ট্রেট ভাষা হল এমন একটা ভাষা যা থেকে শব্দ ধার করে আরেকটা ভাষা রূপ নেয়। এক্ষেত্রে BMAC ভাষাকে IE এর সাবস্ট্রেট বলে অনেক লিঙ্গুইস্ট ভাবনা করেছেন। মাইকেল উইটজেল আর আলেক্সান্দার লুবৎস্কি এদের মধ্যে অন্যতম। তাদের মতে IE এর অন্তর্গত ভারতীয় উপমহাদেশের বৈদিক সংস্কৃত ও ইন্দো–ইরানীয় শাখাদুটোর সাবস্ট্রেট BMAC ভাষা, যার কারণে এরা মূল IE গোষ্ঠী থেকে একরকম স্বতন্ত্র। এখন সংস্কৃত ও আবেস্তান ইরানীয় যেহেতু ইটিমোলজিকালি ভীষনই রিলেটেড একে অপরের সাথে তাই এরকম ভাবনার একটা গ্রাউন্ড তৈরি হয়েছে। কিন্তু যারা IE এর পক্ষে তারা গ্রীক থেকে জার্মেনিকের সাথে সংস্কৃতের ধাতুগত মিল খুঁজে সেই থিওরি নস্যাৎ করতে চেয়েছেন, সেক্ষেত্রে সংস্কৃতের কৌলীন্য রক্ষা হয় বটে। ‘ইন্দ্র’-কেই উদাহরণ হিসাবে ধরা যাক। ঋগ্বেদের ইন্দ্র, গ্রীকদের জিউস, নর্সদের থর আর লিথুয়ানিয়ান পারকুনস – একই সারির বজ্রধারী ঝড়জলের দেবতা। এদের IE লিনিয়েজ সুপ্রতিষ্ঠিত। তবে BMAC থিওরিস্টদের মতে ইন্দ্র আসলে এসেছে ‘পর্জন্য’ থেকে যা নাকি আদতে এক BMAC দেবতা (পুরোটাই হাইপোথেটিকাল)। আর্যরা BMAC রিজিয়ন পার করার সময় ‘পর্জন্য’-র কনসেপ্টকে তুলে আনেন এবং ধীরে ধীরে ইন্দ্র ‘পর্জন্য’কে রিপ্লেস করে সেই স্থান দখল করে। ঋগ্বেদে ‘পর্জন্য’ ইন্দ্রের এক epithet, যার রূপ কল্পনা করা হয়েছে মেঘের দেবতা হিসাবে, ‘পর্জন্য’ মেঘের গর্জনের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেন, পৃথিবীকে শস্যময় করে তুলতে বৃষ্টি নামান ইত্যাদি ইত্যাদি। ওদিকে IE পন্থীরাও ইন্দ্রকে ছেড়ে দিতে নারাজ। তারা সরাসরি ভাষাগত প্রমান টেবিলে রেখে দাবী করেছেন — লিথুয়ানিয়ানে প্ল্যানেট জুপিটারকে বলা হয়েছে ‘ইন্দ্রজা’, জুপিটার (জিউস) বা জোভ আদি পিতা ‘দিউস প্টার’, যা বৈদিক সংস্কৃতের ‘দৌঃ পিতা’ অর্থাৎ আকাশ বা sky father, দৌঃ আর পৃথিবীর সন্তান ইন্দ্র — অর্থাৎ সরাসরি প্রোজেনি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। তাই লিঙ্গুইস্টদের একটা বড়ো অংশ হাইপোথেটিকাল BMAC এর থেকে IE কে এগিয়ে রেখেছেন সবসময়। বৃত্রহন্তা, সোম তথা যজ্ঞ হবির মূলভাগের অধিকারী হিসাবে ইন্দ্রের অবস্থান সেদিক থেকে স্বমহিমায় বিরাজমান। লুবৎস্কি ‘শর্ব’, शर्व শব্দটাকে BMAC বলে ক্লেম করেছেন। IE পন্থীরা Ćarwa বা অ্যাঙ্গলিসাইজড ‘Śarva’ বা ‘Zarva’ কে বৈদিক তথা ইন্দো–ইরানীয় ভাষার বুৎপত্তি-নির্ণায়ক শব্দ হিসাবেই মান্যতা দিয়ে থাকেন। ‘শর্ব’ কথার অর্থ ধনুর্ধারী, archer। এটা রুদ্র–শিবের একটা epitheth। শিব একাধারে পিনাক ধনুক এবং ত্রিপুর ধ্বংসকারী অজগব ধনু-র মালিক। शरु (শরু) থেকে शर (শর) অর্থাৎ তির এসেছে। ওদিকে সংস্কৃতে शृणाति বা ‘শৃণাতি’ শব্দের অর্থ আঘাত করার মাধ্যমে কোনোকিছু ধ্বংস করা বা demolish করা। দুটো শব্দর ধাতু একই ‘শৃ’। আচ্ছা কাউকে তির মা/রলে সে তো আহত হবে, তাই নয় কি? ‘শৃ’ থেকে যেমন ‘শর’ এসেছে তেমনই তার কাছাকাছি মিলযুক্ত প্রোটো-ইন্দো-ইউরোপীয় ধাতু ‘ক্রা’ (কের > কেরা > ক্রা > কেরেউ) বা ‘ক্রেই’ থেকে এসেছে horn বা শৃঙ্গ বা শিং। শিং-এর মতো অ্যারোহেডও একটা তীক্ষ্ণভাগ যা স্কিন পেনিট্রেট করে ঢুকে যায় শিকারের শরীরে। শুক্লযজুর্বেদীয় রুদ্রাধ্যায় বা শতরুদ্রীয়তে রুদ্রের সংহার ও কল্যাণময় রূপের বর্ণনায় পাই — যোগং যোগেশ্বরং শর্বং সর্বলোকেশ্বরেশ্বরম্ । সর্বশ্রেষ্টং জগচ্ছ্রেষ্টং বরিষ্টং পরমেষ্ঠিনম্ ॥ ৭ পিনাকিনং খড্গধরং লোকানাং পতিমীশ্বরম্ । প্রপদ্য়ে শরণং দেবং শরণ্য়ং চীরবাসনম্ ॥ ৩৩ ধনুর্ধরায় দেবায় প্রিযধন্বায় ধন্বিনে । ধন্বংতরায় ধনুষে ধন্বাচার্য়ায় তে নমঃ ॥ ৩৫ আবার শিবের প্রধান অস্ত্র ত্রিশূল, তিনটে শার্প-এন্ডেড প্রঙ তীরের ফলার মতোই সুতীক্ষ্ণ। ঐতেরেয় ব্রাহ্মণে পাই রুদ্রর অস্ত্র ‘ত্রিকান্ড’ র উল্লেখ যার অর্থ করলে দাঁড়ায় a weapon with a three-parted arrowhead। ত্রিকান্ড একরকম অগ্নিময় ক্ষেপনাস্ত্র (fiery missile) যেটা রুদ্র ছুঁড়েছিলেন মৃগরূপী প্রজাপতিকে তাগ করে। এই ত্রিকান্ড-ই কি পরবর্তীতে ত্রিশূলে পরিণত হয়েছে? সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত। Interesting ব্যাপার হল শিবের যেমন ত্রিশূল, তেমনই ওডিনের (নর্স) বর্শা গুঙনির, হেডিসের বাইডেন্ট (গ্রীক) বা দুই ফলাযুক্ত শূল, পোসাইডনের ত্রিশূল, দিওনিসাসের পাইন কোন-যুক্ত লাঠি থিরসাস — ব্যাপারগুলো খুব কাছাকাছি। অর্থাৎ IE গোষ্ঠীভুক্ত দেবতাদের অস্ত্র হিসাবে শর বা ঐজাতীয় ধারালো ফলাযুক্ত অস্ত্র বারবার ঘুরেফিরে এসেছে। তাই মহাদেব বা রুদ্র-শিবের epithet হিসাবে ‘শর্ব’-এর BMAC হওয়া ভিত্তিহীনতাই প্রমান করে। ©️জয়জিত। [কৃতজ্ঞতা স্বীকার – Arya Akasha] No, Śarva, The Archer Theonym Of Rudra, Is Not Of Non-Indo-European Origination. Curwen Ares Rolinson. তথ্যসূত্র : ◾Shiva: The Wild God of Power and Ecstacy. Wolf-Dieter Storl. ◾Indo-European loanwords and exchange in Bronze Age Central and East Asia. Rasmus G Bjørn. PMCID: PMC10432883.

8 hrs ago
user_Pingla Barta
Pingla Barta
Mill Owner পিংলা, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ•
8 hrs ago
da3196b5-e472-49ed-b8b2-07545c04368c

ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর বিবর্তনের রূপরেখা নির্ণয় করতে গিয়ে ভাষাতাত্ত্বিকদের কম কাঠখড় পোড়াতে হয়নি। কারণ একটা আদিম কমন ভাষা যার বিস্তার দুটো মহাদেশ জুড়ে ও যা প্রায় সবকটা ক্লাসিকাল ভাষার জননী তার শাখাপ্রশাখা ট্রেস করাটা ইস নট আ ম্যাটার অফ জোক। বহুক্ষেত্রে ভাষাগত মিল খুঁজে বের করতে গিয়ে যেমন নানান মিসিং লিঙ্ক-এ আটকে যেতে হয়েছে, তেমনই অনেকসময় কোনো একটা শব্দের বুৎপত্তি নিয়ে ভৌগোলিক সীমানাভেদে নানা মুনি নানা মতে বিস্তর জলঘোলা করেছেন। ভাষাতত্ত্ব নিয়ে পড়তে গিয়ে ‘আর্য আকাশ’ (Arya Akasha) –র পেজে সেরকমই একটা দ্বন্দের ইঙ্গিত পেলাম। সেটার কথায় আসি: ‘ব্যাকট্রিয়া–মার্জিয়ানা আর্কিওলজিকাল কমপ্লেক্স’ (BMAC) বা অক্সাস সিভিলাইজেশন নামে ব্রোঞ্জ যুগের সভ্যতার একটা বিস্তীর্ণ ঘাঁটি রয়েছে — মধ্য এশিয়া থেকে পশ্চিম পর্যন্ত তার সীমানা। এর মধ্যে পড়ছে উজবেকিস্তানের দক্ষিণ অংশ (উত্তর ব্যাকট্রিয়া), উত্তর আফগানিস্তানের একটা বেল্ট (দক্ষিণ ব্যাকট্রিয়া), ইস্টার্ন তুর্কমেনিস্তান ও ওয়েস্টার্ন তাজিকিস্তান। আমু দরিয়া নদীকে কেন্দ্র করে এখানকার কৃষি-নির্ভর সভ্যতার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। BMAC সভ্যতার ভাষা কি ছিল তা এখনো পর্যন্ত নির্দিষ্ট করে ভাষাতাত্ত্বিকেরা ঠাওর করে উঠতে পারেননি, স্বাভাবিকভাবেই মতোবিরোধ রয়েছে। কেউ বলেন এখানকার ভাষাটা ছিল ইন্দো-ইউরোপীয় গোষ্ঠীর একটা লিঙ্গুইস্টিক এক্সটেনশন তো কেউ সেটাকে এক্সক্লুসিভলি নন-ইন্দো-ইউরোপিয়ান (non-IE) হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছেন। Non-IE মতাবলম্বীদের মতে এখানকার ভাষাটা ছিল ‘এলামো-দ্রাবিড়িয়ান’ বা ‘হুরো-ইউরেশিয়ান’- এর কাছাকাছি কোনো একটা ‘সাবস্ট্রেট’ ভাষা। সাবস্ট্রেট ভাষা হল এমন একটা ভাষা যা থেকে শব্দ ধার করে আরেকটা ভাষা রূপ নেয়। এক্ষেত্রে BMAC ভাষাকে IE এর সাবস্ট্রেট বলে অনেক লিঙ্গুইস্ট ভাবনা করেছেন। মাইকেল উইটজেল আর আলেক্সান্দার লুবৎস্কি এদের মধ্যে অন্যতম। তাদের মতে IE এর অন্তর্গত ভারতীয় উপমহাদেশের বৈদিক সংস্কৃত ও ইন্দো–ইরানীয় শাখাদুটোর সাবস্ট্রেট BMAC ভাষা, যার কারণে এরা মূল IE গোষ্ঠী থেকে একরকম স্বতন্ত্র। এখন সংস্কৃত ও আবেস্তান ইরানীয় যেহেতু ইটিমোলজিকালি ভীষনই রিলেটেড একে অপরের সাথে তাই এরকম ভাবনার একটা গ্রাউন্ড তৈরি হয়েছে। কিন্তু যারা IE এর পক্ষে তারা গ্রীক থেকে জার্মেনিকের সাথে সংস্কৃতের ধাতুগত মিল খুঁজে সেই থিওরি নস্যাৎ করতে চেয়েছেন, সেক্ষেত্রে সংস্কৃতের কৌলীন্য রক্ষা হয় বটে। ‘ইন্দ্র’-কেই উদাহরণ হিসাবে ধরা যাক। ঋগ্বেদের ইন্দ্র, গ্রীকদের জিউস, নর্সদের থর আর লিথুয়ানিয়ান পারকুনস – একই সারির বজ্রধারী ঝড়জলের দেবতা। এদের IE লিনিয়েজ সুপ্রতিষ্ঠিত। তবে BMAC থিওরিস্টদের মতে ইন্দ্র আসলে এসেছে ‘পর্জন্য’ থেকে যা নাকি আদতে এক BMAC দেবতা (পুরোটাই হাইপোথেটিকাল)। আর্যরা BMAC রিজিয়ন পার করার সময় ‘পর্জন্য’-র কনসেপ্টকে তুলে আনেন এবং ধীরে ধীরে ইন্দ্র ‘পর্জন্য’কে রিপ্লেস করে সেই স্থান দখল করে। ঋগ্বেদে ‘পর্জন্য’ ইন্দ্রের এক epithet, যার রূপ কল্পনা করা হয়েছে মেঘের দেবতা হিসাবে, ‘পর্জন্য’ মেঘের গর্জনের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেন, পৃথিবীকে শস্যময় করে তুলতে বৃষ্টি নামান ইত্যাদি ইত্যাদি। ওদিকে IE পন্থীরাও ইন্দ্রকে ছেড়ে দিতে নারাজ। তারা সরাসরি ভাষাগত প্রমান টেবিলে রেখে দাবী করেছেন — লিথুয়ানিয়ানে প্ল্যানেট জুপিটারকে বলা হয়েছে ‘ইন্দ্রজা’, জুপিটার (জিউস) বা জোভ আদি পিতা ‘দিউস প্টার’, যা বৈদিক সংস্কৃতের ‘দৌঃ পিতা’ অর্থাৎ আকাশ বা sky father, দৌঃ আর পৃথিবীর সন্তান ইন্দ্র — অর্থাৎ সরাসরি প্রোজেনি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। তাই লিঙ্গুইস্টদের একটা বড়ো অংশ হাইপোথেটিকাল BMAC এর থেকে IE কে এগিয়ে রেখেছেন সবসময়। বৃত্রহন্তা, সোম তথা যজ্ঞ হবির মূলভাগের অধিকারী হিসাবে ইন্দ্রের অবস্থান সেদিক থেকে স্বমহিমায় বিরাজমান। লুবৎস্কি ‘শর্ব’, शर्व শব্দটাকে BMAC বলে ক্লেম করেছেন। IE পন্থীরা Ćarwa বা অ্যাঙ্গলিসাইজড ‘Śarva’ বা ‘Zarva’ কে বৈদিক তথা ইন্দো–ইরানীয় ভাষার বুৎপত্তি-নির্ণায়ক শব্দ হিসাবেই মান্যতা দিয়ে থাকেন। ‘শর্ব’ কথার অর্থ ধনুর্ধারী, archer। এটা রুদ্র–শিবের একটা epitheth। শিব একাধারে পিনাক ধনুক এবং ত্রিপুর ধ্বংসকারী অজগব ধনু-র মালিক। शरु (শরু) থেকে शर (শর) অর্থাৎ তির এসেছে। ওদিকে সংস্কৃতে शृणाति বা ‘শৃণাতি’ শব্দের অর্থ আঘাত করার মাধ্যমে কোনোকিছু ধ্বংস করা বা demolish করা। দুটো শব্দর ধাতু একই ‘শৃ’। আচ্ছা কাউকে তির মা/রলে সে তো আহত হবে, তাই নয় কি? ‘শৃ’ থেকে যেমন ‘শর’ এসেছে তেমনই তার কাছাকাছি মিলযুক্ত প্রোটো-ইন্দো-ইউরোপীয় ধাতু ‘ক্রা’ (কের > কেরা > ক্রা > কেরেউ) বা ‘ক্রেই’ থেকে এসেছে horn বা শৃঙ্গ বা শিং। শিং-এর মতো অ্যারোহেডও একটা তীক্ষ্ণভাগ যা স্কিন পেনিট্রেট করে ঢুকে যায় শিকারের শরীরে। শুক্লযজুর্বেদীয় রুদ্রাধ্যায় বা শতরুদ্রীয়তে রুদ্রের সংহার ও কল্যাণময় রূপের বর্ণনায় পাই — যোগং যোগেশ্বরং শর্বং সর্বলোকেশ্বরেশ্বরম্ । সর্বশ্রেষ্টং জগচ্ছ্রেষ্টং বরিষ্টং পরমেষ্ঠিনম্ ॥ ৭ পিনাকিনং খড্গধরং লোকানাং পতিমীশ্বরম্ । প্রপদ্য়ে শরণং দেবং শরণ্য়ং চীরবাসনম্ ॥ ৩৩ ধনুর্ধরায় দেবায় প্রিযধন্বায় ধন্বিনে । ধন্বংতরায় ধনুষে ধন্বাচার্য়ায় তে নমঃ ॥ ৩৫ আবার শিবের প্রধান অস্ত্র ত্রিশূল, তিনটে শার্প-এন্ডেড প্রঙ তীরের ফলার মতোই সুতীক্ষ্ণ। ঐতেরেয় ব্রাহ্মণে পাই রুদ্রর অস্ত্র ‘ত্রিকান্ড’ র উল্লেখ যার অর্থ করলে দাঁড়ায় a weapon with a three-parted arrowhead। ত্রিকান্ড একরকম অগ্নিময় ক্ষেপনাস্ত্র (fiery missile) যেটা রুদ্র ছুঁড়েছিলেন মৃগরূপী প্রজাপতিকে তাগ করে। এই ত্রিকান্ড-ই কি পরবর্তীতে ত্রিশূলে পরিণত হয়েছে? সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত। Interesting ব্যাপার হল শিবের যেমন ত্রিশূল, তেমনই ওডিনের (নর্স) বর্শা গুঙনির, হেডিসের বাইডেন্ট (গ্রীক) বা দুই ফলাযুক্ত শূল, পোসাইডনের ত্রিশূল, দিওনিসাসের পাইন কোন-যুক্ত লাঠি থিরসাস — ব্যাপারগুলো খুব কাছাকাছি। অর্থাৎ IE গোষ্ঠীভুক্ত দেবতাদের অস্ত্র হিসাবে শর বা ঐজাতীয় ধারালো ফলাযুক্ত অস্ত্র বারবার ঘুরেফিরে এসেছে। তাই মহাদেব বা রুদ্র-শিবের epithet হিসাবে ‘শর্ব’-এর BMAC হওয়া ভিত্তিহীনতাই প্রমান করে। ©️জয়জিত। [কৃতজ্ঞতা স্বীকার – Arya Akasha] No, Śarva, The Archer Theonym Of Rudra, Is Not Of Non-Indo-European Origination. Curwen Ares Rolinson. ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর বিবর্তনের রূপরেখা নির্ণয় করতে গিয়ে ভাষাতাত্ত্বিকদের কম কাঠখড় পোড়াতে হয়নি। কারণ একটা আদিম কমন ভাষা যার বিস্তার দুটো মহাদেশ জুড়ে ও যা প্রায় সবকটা ক্লাসিকাল ভাষার জননী তার শাখাপ্রশাখা ট্রেস করাটা ইস নট আ ম্যাটার অফ জোক। বহুক্ষেত্রে ভাষাগত মিল খুঁজে বের করতে গিয়ে যেমন নানান মিসিং লিঙ্ক-এ আটকে যেতে হয়েছে, তেমনই অনেকসময় কোনো একটা শব্দের বুৎপত্তি নিয়ে ভৌগোলিক সীমানাভেদে নানা মুনি নানা মতে বিস্তর জলঘোলা করেছেন। ভাষাতত্ত্ব নিয়ে পড়তে গিয়ে ‘আর্য আকাশ’ (Arya Akasha) –র পেজে সেরকমই একটা দ্বন্দের ইঙ্গিত পেলাম। সেটার কথায় আসি: ‘ব্যাকট্রিয়া–মার্জিয়ানা আর্কিওলজিকাল কমপ্লেক্স’ (BMAC) বা অক্সাস সিভিলাইজেশন নামে ব্রোঞ্জ যুগের সভ্যতার একটা বিস্তীর্ণ ঘাঁটি রয়েছে — মধ্য এশিয়া থেকে পশ্চিম পর্যন্ত তার সীমানা। এর মধ্যে পড়ছে উজবেকিস্তানের দক্ষিণ অংশ (উত্তর ব্যাকট্রিয়া), উত্তর আফগানিস্তানের একটা বেল্ট (দক্ষিণ ব্যাকট্রিয়া), ইস্টার্ন তুর্কমেনিস্তান ও ওয়েস্টার্ন তাজিকিস্তান। আমু দরিয়া নদীকে কেন্দ্র করে এখানকার কৃষি-নির্ভর সভ্যতার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। BMAC সভ্যতার ভাষা কি ছিল তা এখনো পর্যন্ত নির্দিষ্ট করে ভাষাতাত্ত্বিকেরা ঠাওর করে উঠতে পারেননি, স্বাভাবিকভাবেই মতোবিরোধ রয়েছে। কেউ বলেন এখানকার ভাষাটা ছিল ইন্দো-ইউরোপীয় গোষ্ঠীর একটা লিঙ্গুইস্টিক এক্সটেনশন তো কেউ সেটাকে এক্সক্লুসিভলি নন-ইন্দো-ইউরোপিয়ান (non-IE) হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছেন। Non-IE মতাবলম্বীদের মতে এখানকার ভাষাটা ছিল ‘এলামো-দ্রাবিড়িয়ান’ বা ‘হুরো-ইউরেশিয়ান’- এর কাছাকাছি কোনো একটা ‘সাবস্ট্রেট’ ভাষা। সাবস্ট্রেট ভাষা হল এমন একটা ভাষা যা থেকে শব্দ ধার করে আরেকটা ভাষা রূপ নেয়। এক্ষেত্রে BMAC ভাষাকে IE এর সাবস্ট্রেট বলে অনেক লিঙ্গুইস্ট ভাবনা করেছেন। মাইকেল উইটজেল আর আলেক্সান্দার লুবৎস্কি এদের মধ্যে অন্যতম। তাদের মতে IE এর অন্তর্গত ভারতীয় উপমহাদেশের বৈদিক সংস্কৃত ও ইন্দো–ইরানীয় শাখাদুটোর সাবস্ট্রেট BMAC ভাষা, যার কারণে এরা মূল IE গোষ্ঠী থেকে একরকম স্বতন্ত্র। এখন সংস্কৃত ও আবেস্তান ইরানীয় যেহেতু ইটিমোলজিকালি ভীষনই রিলেটেড একে অপরের সাথে তাই এরকম ভাবনার একটা গ্রাউন্ড তৈরি হয়েছে। কিন্তু যারা IE এর পক্ষে তারা গ্রীক থেকে জার্মেনিকের সাথে সংস্কৃতের ধাতুগত মিল খুঁজে সেই থিওরি নস্যাৎ করতে চেয়েছেন, সেক্ষেত্রে সংস্কৃতের কৌলীন্য রক্ষা হয় বটে। ‘ইন্দ্র’-কেই উদাহরণ হিসাবে ধরা যাক। ঋগ্বেদের ইন্দ্র, গ্রীকদের জিউস, নর্সদের থর আর লিথুয়ানিয়ান পারকুনস – একই সারির বজ্রধারী ঝড়জলের দেবতা। এদের IE লিনিয়েজ সুপ্রতিষ্ঠিত। তবে BMAC থিওরিস্টদের মতে ইন্দ্র আসলে এসেছে ‘পর্জন্য’ থেকে যা নাকি আদতে এক BMAC দেবতা (পুরোটাই হাইপোথেটিকাল)। আর্যরা BMAC রিজিয়ন পার করার সময় ‘পর্জন্য’-র কনসেপ্টকে তুলে আনেন এবং ধীরে ধীরে ইন্দ্র ‘পর্জন্য’কে রিপ্লেস করে সেই স্থান দখল করে। ঋগ্বেদে ‘পর্জন্য’ ইন্দ্রের এক epithet, যার রূপ কল্পনা করা হয়েছে মেঘের দেবতা হিসাবে, ‘পর্জন্য’ মেঘের গর্জনের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেন, পৃথিবীকে শস্যময় করে তুলতে বৃষ্টি নামান ইত্যাদি ইত্যাদি। ওদিকে IE পন্থীরাও ইন্দ্রকে ছেড়ে দিতে নারাজ। তারা সরাসরি ভাষাগত প্রমান টেবিলে রেখে দাবী করেছেন — লিথুয়ানিয়ানে প্ল্যানেট জুপিটারকে বলা হয়েছে ‘ইন্দ্রজা’, জুপিটার (জিউস) বা জোভ আদি পিতা ‘দিউস প্টার’, যা বৈদিক সংস্কৃতের ‘দৌঃ পিতা’ অর্থাৎ আকাশ বা sky father, দৌঃ আর পৃথিবীর সন্তান ইন্দ্র — অর্থাৎ সরাসরি প্রোজেনি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। তাই লিঙ্গুইস্টদের একটা বড়ো অংশ হাইপোথেটিকাল BMAC এর থেকে IE কে এগিয়ে রেখেছেন সবসময়। বৃত্রহন্তা, সোম তথা যজ্ঞ হবির মূলভাগের অধিকারী হিসাবে ইন্দ্রের অবস্থান সেদিক থেকে স্বমহিমায় বিরাজমান। লুবৎস্কি ‘শর্ব’, शर्व শব্দটাকে BMAC বলে ক্লেম করেছেন। IE পন্থীরা Ćarwa বা অ্যাঙ্গলিসাইজড ‘Śarva’ বা ‘Zarva’ কে বৈদিক তথা ইন্দো–ইরানীয় ভাষার বুৎপত্তি-নির্ণায়ক শব্দ হিসাবেই মান্যতা দিয়ে থাকেন। ‘শর্ব’ কথার অর্থ ধনুর্ধারী, archer। এটা রুদ্র–শিবের একটা epitheth। শিব একাধারে পিনাক ধনুক এবং ত্রিপুর ধ্বংসকারী অজগব ধনু-র মালিক। शरु (শরু) থেকে शर (শর) অর্থাৎ তির এসেছে। ওদিকে সংস্কৃতে शृणाति বা ‘শৃণাতি’ শব্দের অর্থ আঘাত করার মাধ্যমে কোনোকিছু ধ্বংস করা বা demolish করা। দুটো শব্দর ধাতু একই ‘শৃ’। আচ্ছা কাউকে তির মা/রলে সে তো আহত হবে, তাই নয় কি? ‘শৃ’ থেকে যেমন ‘শর’ এসেছে তেমনই তার কাছাকাছি মিলযুক্ত প্রোটো-ইন্দো-ইউরোপীয় ধাতু ‘ক্রা’ (কের > কেরা > ক্রা > কেরেউ) বা ‘ক্রেই’ থেকে এসেছে horn বা শৃঙ্গ বা শিং। শিং-এর মতো অ্যারোহেডও একটা তীক্ষ্ণভাগ যা স্কিন পেনিট্রেট করে ঢুকে যায় শিকারের শরীরে। শুক্লযজুর্বেদীয় রুদ্রাধ্যায় বা শতরুদ্রীয়তে রুদ্রের সংহার ও কল্যাণময় রূপের বর্ণনায় পাই — যোগং যোগেশ্বরং শর্বং সর্বলোকেশ্বরেশ্বরম্ । সর্বশ্রেষ্টং জগচ্ছ্রেষ্টং বরিষ্টং পরমেষ্ঠিনম্ ॥ ৭ পিনাকিনং খড্গধরং লোকানাং পতিমীশ্বরম্ । প্রপদ্য়ে শরণং দেবং শরণ্য়ং চীরবাসনম্ ॥ ৩৩ ধনুর্ধরায় দেবায় প্রিযধন্বায় ধন্বিনে । ধন্বংতরায় ধনুষে ধন্বাচার্য়ায় তে নমঃ ॥ ৩৫ আবার শিবের প্রধান অস্ত্র ত্রিশূল, তিনটে শার্প-এন্ডেড প্রঙ তীরের ফলার মতোই সুতীক্ষ্ণ। ঐতেরেয় ব্রাহ্মণে পাই রুদ্রর অস্ত্র ‘ত্রিকান্ড’ র উল্লেখ যার অর্থ করলে দাঁড়ায় a weapon with a three-parted arrowhead। ত্রিকান্ড একরকম অগ্নিময় ক্ষেপনাস্ত্র (fiery missile) যেটা রুদ্র ছুঁড়েছিলেন মৃগরূপী প্রজাপতিকে তাগ করে। এই ত্রিকান্ড-ই কি পরবর্তীতে ত্রিশূলে পরিণত হয়েছে? সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত। Interesting ব্যাপার হল শিবের যেমন ত্রিশূল, তেমনই ওডিনের (নর্স) বর্শা গুঙনির, হেডিসের বাইডেন্ট (গ্রীক) বা দুই ফলাযুক্ত শূল, পোসাইডনের ত্রিশূল, দিওনিসাসের পাইন কোন-যুক্ত লাঠি থিরসাস — ব্যাপারগুলো খুব কাছাকাছি। অর্থাৎ IE গোষ্ঠীভুক্ত দেবতাদের অস্ত্র হিসাবে শর বা ঐজাতীয় ধারালো ফলাযুক্ত অস্ত্র বারবার ঘুরেফিরে এসেছে। তাই মহাদেব বা রুদ্র-শিবের epithet হিসাবে ‘শর্ব’-এর BMAC হওয়া ভিত্তিহীনতাই প্রমান করে। ©️জয়জিত। [কৃতজ্ঞতা স্বীকার – Arya Akasha] No, Śarva, The Archer Theonym Of Rudra, Is Not Of Non-Indo-European Origination. Curwen Ares Rolinson. তথ্যসূত্র : ◾Shiva: The Wild God of Power and Ecstacy. Wolf-Dieter Storl. ◾Indo-European loanwords and exchange in Bronze Age Central and East Asia. Rasmus G Bjørn. PMCID: PMC10432883.

More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
  • তাপমাত্রা বাড়বে। দুই থেকে চার এপ্রিল উত্তরবঙ্গে তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে পারে। কলকাতার তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং পশ্চিমের জেলাগুলিতে চল্লিশের ঘরে তাপমাত্রা হতে পারে। গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে।
    1
    তাপমাত্রা বাড়বে। দুই থেকে চার এপ্রিল উত্তরবঙ্গে তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
কলকাতার তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং পশ্চিমের জেলাগুলিতে চল্লিশের ঘরে তাপমাত্রা হতে পারে। গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে।
    user_Tarak Hari
    Tarak Hari
    Journalist - News Media House ডেবরা, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ•
    8 hrs ago
  • #purigatekharagpur : चुनावी माहौल में गरमाई सियासत, पुरीगेट में भाजपा नेता दिलीप घोष का घेराव। #purigatewardno27 #kharagpur #angrypeople #ELECTIONBREAKING #kharagpurnews9 #bjpdilipghosh #TMC
    1
    #purigatekharagpur : चुनावी माहौल में गरमाई सियासत, पुरीगेट में भाजपा नेता दिलीप घोष का घेराव। #purigatewardno27 #kharagpur #angrypeople #ELECTIONBREAKING #kharagpurnews9 #bjpdilipghosh #TMC
    user_KHARAGPUR NEWS 9
    KHARAGPUR NEWS 9
    Local News Reporter খড়গপুর 1, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ•
    7 hrs ago
  • *পাঁচ কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীদের নিয়ে মনোনয়ন জমা দেয় বিজেপি, উপস্থিত ছিলেন রাজ্য নেত্রী লকেট চ্যাটার্জি,* পূর্ব পাঁশকুড়া- সুব্রত মাইতি, চন্ডিপুর- পীযুষ কান্তি দাস, নন্দকুমার- নির্মল খাঁড়া ভগবানপুর-শান্তনু প্রামানিক, ময়না-অশোক দিন্ডা, ৫বিধানসভার বিজেপি প্রার্থীদের নিয়ে নমিনেশন জমা দেয় বিজেপি। পাঁচ কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীদের নিয়ে নমিনেশন জমা দেয় বিজেপি। বিজয় সংকল্প সভার মধ্য দিয়ে মনোনয়ন কর্মসূচি হয়, এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিজেপি নেত্রী লকেট চ্যাটার্জি। সভার পরেই মিছিল করে জেলা শাসক দপ্তরে মনোনয়নপত্র জমা দেয় বিজেপি প্রার্থীরা। সভামঞ্চ থেকে বিজেপির কর্মীদের ভোটের আগের দিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বুথ পাহারা দেওয়ার কথা বলেন। ওইদিন লড়াই জারি থাকবে কোনোভাবে রিগিং দেখলে সঙ্গে সঙ্গে জানাবেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এবারে কোনো রকম এদিক ওদিক করতে পারবে না,এবারে নির্বাচন কমিশন কান মুলে টাইট দিয়ে দিয়েছে,সব নেতাদের টাইট দিয়ে দিয়েছে, ভোট খুব টাইট করে হবে কোনো অসুবিধা নেই।সকাল সকাল পদ্মফুলে ভোট দেবেন মন্তব্য লকেট চ্যাটার্জির।
    1
    *পাঁচ কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীদের নিয়ে মনোনয়ন জমা দেয় বিজেপি, উপস্থিত ছিলেন রাজ্য নেত্রী লকেট চ্যাটার্জি,*
পূর্ব পাঁশকুড়া- সুব্রত মাইতি, চন্ডিপুর- পীযুষ কান্তি দাস, নন্দকুমার- নির্মল খাঁড়া ভগবানপুর-শান্তনু প্রামানিক, ময়না-অশোক দিন্ডা,
৫বিধানসভার বিজেপি প্রার্থীদের নিয়ে নমিনেশন জমা দেয় বিজেপি। পাঁচ কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীদের নিয়ে নমিনেশন জমা দেয় বিজেপি। বিজয় সংকল্প সভার মধ্য দিয়ে মনোনয়ন কর্মসূচি হয়, এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিজেপি নেত্রী লকেট চ্যাটার্জি। সভার পরেই মিছিল করে জেলা শাসক দপ্তরে মনোনয়নপত্র জমা দেয় বিজেপি প্রার্থীরা। 
সভামঞ্চ থেকে বিজেপির কর্মীদের ভোটের আগের দিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বুথ পাহারা দেওয়ার কথা বলেন। ওইদিন লড়াই জারি থাকবে কোনোভাবে রিগিং দেখলে সঙ্গে সঙ্গে জানাবেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এবারে কোনো রকম এদিক ওদিক করতে পারবে না,এবারে নির্বাচন কমিশন কান মুলে টাইট দিয়ে দিয়েছে,সব নেতাদের টাইট দিয়ে দিয়েছে, ভোট খুব টাইট করে হবে কোনো অসুবিধা নেই।সকাল সকাল পদ্মফুলে ভোট দেবেন মন্তব্য লকেট চ্যাটার্জির।
    user_Prithis Banerjee
    Prithis Banerjee
    Photography studio কোলাঘাট, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ•
    1 hr ago
  • আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রচার পর্ব চলছে জোর কদমে। আর সেই প্রচারের ফাঁকেই সাধারণ মানুষের দুরাবস্থার কথা তুলে ধরলেন মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডক্টর শংকর কুমার গুছাইত। মেদিনীপুর পৌরসভার অন্তর্গত ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কামারআরা এলাকা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় নটা নাগাদ এলাকায় পরিদর্শন করেন বিজেপি প্রার্থী শংকর বাবু। এলাকার বাসিন্দারা পাননি আবাস যোজনার বাড়ি। মাথার ওপর নেই পাকা ছাদ। মাটির বাড়ির ভগ্নদশা। ভেঙে গিয়েছে একাংশ। যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। এই দুর্দশা এবং মৃত্যূ ফান্দকে উপেক্ষা করেই  ভয়কে সঙ্গী করে দিন যাপন করছেন এলাকাবাসীরা। এলাকা পরিদর্শনে এসে এদিন বিজেপি প্রার্থী শংকর গুছাইত এলাকাবাসীদের আশ্বস্ত করেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
    1
    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রচার পর্ব চলছে জোর কদমে। আর সেই প্রচারের ফাঁকেই সাধারণ মানুষের দুরাবস্থার কথা তুলে ধরলেন মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডক্টর শংকর কুমার গুছাইত। মেদিনীপুর পৌরসভার অন্তর্গত ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কামারআরা এলাকা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় নটা নাগাদ এলাকায় পরিদর্শন করেন বিজেপি প্রার্থী শংকর বাবু। এলাকার বাসিন্দারা পাননি আবাস যোজনার বাড়ি। মাথার ওপর নেই পাকা ছাদ। মাটির বাড়ির ভগ্নদশা। ভেঙে গিয়েছে একাংশ। যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। এই দুর্দশা এবং মৃত্যূ ফান্দকে উপেক্ষা করেই  ভয়কে সঙ্গী করে দিন যাপন করছেন এলাকাবাসীরা। এলাকা পরিদর্শনে এসে এদিন বিজেপি প্রার্থী শংকর গুছাইত এলাকাবাসীদের আশ্বস্ত করেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
    user_News Plus Bangla
    News Plus Bangla
    News Web Portal মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ•
    4 hrs ago
  • মালদার কালিয়াচকে দিনদুপুরে গুলি, দুই যুবককে খুনের চেষ্টা — আতঙ্কে এলাকাবাসী
    1
    মালদার কালিয়াচকে দিনদুপুরে গুলি, দুই যুবককে খুনের চেষ্টা — আতঙ্কে এলাকাবাসী
    user_Loca news(কৌশিক কাপড়ি )
    Loca news(কৌশিক কাপড়ি )
    দাসপুর 1, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ•
    5 hrs ago
  • স্থান: কোলাঘাট, কুমারহাট গ্রাম। ঘটনা: একটি মাটি বোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ওপর উল্টে যায়। কারণ: রাস্তার চরম সংকীর্ণতা এবং বেহাল দশা। বর্তমান পরিস্থিতি: রাস্তায় যান চলাচল সম্পূর্ণ ব্যাহত। ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকাবাসী।নমস্কার, Z News-এ আপনাদের স্বাগত। এই মুহূর্তের বড় খবর, কোলাঘাটের কুমারহাট গ্রামে মাটি বোঝাই লরি উল্টে ভয়াবহ বিপত্তি। এই দুর্ঘটনার জেরে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে এলাকার যান চলাচল। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার বেহাল দশা এবং অতিরিক্ত সংকীর্ণ হওয়ার কারণেই এই দুর্ঘটনা।
    1
    স্থান: কোলাঘাট, কুমারহাট গ্রাম।
ঘটনা: একটি মাটি বোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ওপর উল্টে যায়।
কারণ: রাস্তার চরম সংকীর্ণতা এবং বেহাল দশা।
বর্তমান পরিস্থিতি: রাস্তায় যান চলাচল সম্পূর্ণ ব্যাহত। ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকাবাসী।নমস্কার, Z News-এ আপনাদের স্বাগত। এই মুহূর্তের বড় খবর, কোলাঘাটের কুমারহাট গ্রামে মাটি বোঝাই লরি উল্টে ভয়াবহ বিপত্তি। এই দুর্ঘটনার জেরে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে এলাকার যান চলাচল। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার বেহাল দশা এবং অতিরিক্ত সংকীর্ণ হওয়ার কারণেই এই দুর্ঘটনা।
    user_Z News.
    Z News.
    Photographer কোলাঘাট, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ•
    17 hrs ago
  • দাঁতন বিধানসভার ২ নম্বর মণ্ডলের নীলদা অঞ্চলের বোড়াই গ্রামের বোড়াই বন্ধন লজে “বুথ বিজয় সংকল্প অভিযান” উপলক্ষে আয়োজিত মণ্ডল কর্মশালায় জেলা নেতৃত্ব, মণ্ডল নেতৃত্ব, শক্তি কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তগণ, বুথ সভাপতি ও কার্যকর্তাদের উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী অজিত কুমার জানা।
    1
    দাঁতন বিধানসভার ২ নম্বর মণ্ডলের নীলদা অঞ্চলের বোড়াই গ্রামের বোড়াই বন্ধন  লজে “বুথ বিজয় সংকল্প অভিযান” উপলক্ষে আয়োজিত মণ্ডল কর্মশালায় জেলা নেতৃত্ব, মণ্ডল নেতৃত্ব, শক্তি কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তগণ, বুথ সভাপতি ও কার্যকর্তাদের উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী অজিত কুমার জানা।
    user_Shibsankar Das
    Shibsankar Das
    Local News Reporter দাঁতন 1, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ•
    1 hr ago
  • #tmcvsbjp : खड़गपुर में ‘फॉर्म-6’ विवाद पर सियासी संग्राम तेज, टीएमसी-बजेपी आमने-सामने,सीईओ दफ्तर के बाहर बीजेपी नेता पकड़े गए, टीएमसी ने लगाया बाहरी वोटर घुसाने का आरो। #kharagpurpolitics #tmcpradipsarkar #bjpsrirao #sirformfillup #dilipghoshbjp #kharagpurnews9
    1
    #tmcvsbjp : खड़गपुर में ‘फॉर्म-6’ विवाद पर सियासी संग्राम तेज, टीएमसी-बजेपी आमने-सामने,सीईओ दफ्तर के बाहर बीजेपी नेता पकड़े गए, टीएमसी ने लगाया बाहरी वोटर घुसाने का आरो। #kharagpurpolitics #tmcpradipsarkar #bjpsrirao #sirformfillup #dilipghoshbjp #kharagpurnews9
    user_KHARAGPUR NEWS 9
    KHARAGPUR NEWS 9
    Local News Reporter খড়গপুর 1, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ•
    17 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.