Shuru
Apke Nagar Ki App…
কলকাতার তারাতলায় একটি গোডাউন দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৮ জন আহত হয়েছেন। গত বুধবার ২৪/০৬/২৬ মধ্যাহ্নে ট্রান্সপোর্ট ডিপো রোডে একটি তিনতলা গোডাউনের ছাদ ও লোহার কাঠামো ভেঙে পড়েছিল, যেটি সেই সময় প্রস্তুত করা হচ্ছিল। এই নির্মাণ কাজের সঙ্গে নদীয়ার কৃষ্ণনগর সংলগ্ন চরশম্ভুনগরের দুই নির্মাণ কর্মী চন্দ্রমা ও রাহুল চৌধুরী যুক্ত ছিলেন। দুর্ঘটনায় তাঁদের মৃত্যু হয় এবং তাঁদের মৃতদেহ বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার কাজ এখনও চলছে এবং আশঙ্কা করা হচ্ছে যে ৪০ জনেরও বেশি শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিলেন। এই লেখনী ও ভিডিও এডিটিং করেছেন অনুপম সরকার চক্রবর্তী।
Anupam Sarkar Chakraborty
কলকাতার তারাতলায় একটি গোডাউন দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৮ জন আহত হয়েছেন। গত বুধবার ২৪/০৬/২৬ মধ্যাহ্নে ট্রান্সপোর্ট ডিপো রোডে একটি তিনতলা গোডাউনের ছাদ ও লোহার কাঠামো ভেঙে পড়েছিল, যেটি সেই সময় প্রস্তুত করা হচ্ছিল। এই নির্মাণ কাজের সঙ্গে নদীয়ার কৃষ্ণনগর সংলগ্ন চরশম্ভুনগরের দুই নির্মাণ কর্মী চন্দ্রমা ও রাহুল চৌধুরী যুক্ত ছিলেন। দুর্ঘটনায় তাঁদের মৃত্যু হয় এবং তাঁদের মৃতদেহ বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার কাজ এখনও চলছে এবং আশঙ্কা করা হচ্ছে যে ৪০ জনেরও বেশি শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিলেন। এই লেখনী ও ভিডিও এডিটিং করেছেন অনুপম সরকার চক্রবর্তী।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পবিত্র ১০ই মহররমের পুণ্য লগ্নে বাবরি মসজিদের প্রধান প্রবেশপথ নির্মাণের ঢালাই কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এই শুভ সূচনা করেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান এবং নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবির। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর সকলের সহযোগিতা, ভালোবাসা ও দোয়ার ফলেই এই গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হয়েছে। নির্মাণকাজ দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য সকলের কাছে দোয়া ও প্রার্থনা কামনা করা হয়েছে।1
- তারাতলা বিপর্যয়ের শিকার হয়ে জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বাসুদেবপুর কদমতলা এলাকার বাসিন্দা ৫৩ বছর বয়সী স্বপন মন্ডলের মৃত্যুর খবর এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নামিয়েছে। মৃতের তালিকায় এবার স্বপন মন্ডলের নাম যুক্ত হওয়ায় বাসুদেবপুর কদমতলা এলাকায় শোকের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জগদ্দলের বিধায়ক ডক্টর রাজেশ কুমার স্বপন মন্ডলের বাড়িতে গিয়ে তাঁর শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। বিধায়ক পরিবারটিকে সবসময় তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আরও জানান যে, সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী মন্ডল পরিবারকে সব রকম সহযোগিতা করা হবে এবং সরকার সর্বদা তাদের পাশে থাকবে।2
- পশ্চিমবঙ্গের কালনায় ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) অন্দরে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে, যা এক 'বিস্ফোরণ'-এর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এই অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার জেরে দলের কর্মীরা মণ্ডল সভাপতির অপসারণের দাবিতে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে।1
- দামোদর নদের ভয়ংকর ভাঙনের কারণে চরমানা এলাকার বাসিন্দাদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দারা কেবল বালির বস্তা ফেলে সাময়িক মেরামতের পরিবর্তে নদী ভাঙন রোধে একটি স্থায়ী সমাধানের জোর দাবি জানিয়েছেন।1
- একজন যাত্রী পরিবহন পরিষেবা প্রদানকারী নিজেদের অঙ্গীকার তুলে ধরেছেন যে, যাত্রীকে সুরক্ষা দেওয়া তাঁদের ধর্ম। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার জন্য তাঁরা যাত্রী পরিবহন পরিষেবা দেন। সম্প্রতি, গড়িয়াহাট থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত একজন যাত্রীকে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এই পরিষেবার জন্য P.H 9681485530 নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।1
- নৈহাটি পৌরসভা আয়োজিত এক 'প্রবুদ্ধ সম্মেলন' অনুষ্ঠানে ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলায় উৎসবের মেজাজ দেখা গেল। এই সম্মেলনে বহু বিজেপি কর্মী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন, যা অনুষ্ঠান হলটিকে দীর্ঘদিন পর এক মিলনমেলার রূপ দেয়। অনুষ্ঠানে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তুভ বাগচী, এবং নৈহাটির বিধায়ক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, নৈহাটির বিধায়ক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্য। এছাড়াও ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস ঘোষ এবং অন্যান্য পদাধিকারীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনের খাদ্য তালিকায় চা এবং ঝাল মুড়ি পরিবেশন করা হয়। এই সম্মেলনকে ঘিরে পুরো অনুষ্ঠানটিই একটি উৎসবের আকার ধারণ করে।1
- একজন বিধায়ক দাবি করেছেন যে, ‘মেমারি পাল্টে যাবে’। বিধায়কের এই মন্তব্যকে ঘিরে স্থানীয় মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সকলেই জানতে চাইছেন যে, মেমারিতে ঠিক কী ধরনের পরিবর্তন আসতে চলেছে।1
- রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ স্পষ্টভাষায় ঘোষণা করেছেন যে তারাতলার ঘটনায় জড়িত সমস্ত দোষী ব্যক্তি শাস্তি পাবে এবং কেউই রেহাই পাবে না। তিনি তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে আইন বিরুদ্ধ কাজ করার অভিযোগ তুলেছেন এবং দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে, সমস্ত আইনবিরুদ্ধ কাজের সম্পূর্ণ তদন্ত করা হবে এবং কাউকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে, তিনি সকল স্তরের মানুষকে একত্রিত হয়ে একটি নতুন পশ্চিম বাংলা গড়ার জন্য হাত লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন। এই মন্তব্যগুলি তিনি বৃহস্পতিবার নৈহাটি পৌরসভার ঐকতান মঞ্চে ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপি আয়োজিত প্রবুদ্ধ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে করেন।2
- ধুলিয়ান শিবমন্দির বাজার চত্ত্বরে পৌর প্রশাসনের কর্মকর্তারা একটি উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অভিযানে রাস্তার উপরে থাকা সমস্ত ফলের দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যক্তিগত সিঁড়ি, ভ্যান এবং দোকানের সামনে বাড়িয়ে রাখা অংশগুলি সরিয়ে ফেলা হয়। অবৈধ নির্মাণ ও দখলদারিত্ব সরাতে বুলডোজারও ব্যবহার করা হয়েছে। এই সময় ধুলিয়ান পৌরসভার কর্মকর্তা এবং সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন আগেই ধুলিয়ান পৌরসভার পক্ষ থেকে সমস্ত অবৈধ নির্মাণ সরিয়ে ফেলার জন্য নির্দেশ জারি করা হয়েছিল। সেই নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর পৌর কর্তৃপক্ষ এবার সমস্ত অবৈধ নির্মাণ এবং দোকানপাটসহ আনুষঙ্গিক বিভিন্ন সামগ্রী সরানোর প্রক্রিয়া শুরু করলো।1