তুফানগঞ্জ মহিষকুচিতে তৃণমূল প্রার্থী শিব শংকর পালের সমর্থনে প্রচার সাংসদ দেবের, লাল কলনির মাঠে জনজোয়ার আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পারদ চড়ছে উত্তরবঙ্গে। আজ কোচবিহারের তুফানগঞ্জ-২ ব্লকে মহিষকুচি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের লাল কলোনির মাঠে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থনে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় যোগ দিলেন ঘাটালের সাংসদ তথা জনপ্রিয় অভিনেতা দেব (দীপক অধিকারী)। দলীয় প্রার্থী শিব শংকর পালের সমর্থনে এদিন নির্বাচনী প্রচার সারেন তিনি। এদিন প্রিয় তারকা তথা সাংসদ দেবের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষের মধ্যে উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল থেকেই লাল কলোনি মাঠ ও সংলগ্ন এলাকায় মানুষের ভিড় জমতে শুরু করে। দেব যখন সভামঞ্চে পৌঁছান, তখন হাজার হাজার মানুষের উচ্ছ্বাসে কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়। এদিন সভাপাঞ্চের পাশে অস্থায়ী হেলীপেটে তিনি নেমে সরাসরি তিনি সবাই যোগদান এদিন সভামঞ্চ থেকে সাংসদ দেব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, "উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে এবং এলাকার সার্বিক উন্নতির স্বার্থে তৃণমূল প্রার্থী শিব শংকর পালকে বিপুল ভোটে জয়ী করুন।" ভাষণের পাশাপাশি তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করেন এবং সকলকে শান্তিতে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করার আহ্বান জানান তিনি। অন্যদিকে, ঘরের মাঠে দেবের মতো তারকাকে পেয়ে স্বভাবতই খুশি তৃণমূল প্রার্থী শিব শংকর পাল সহ স্থানীয় নেতৃত্বরা। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের আগে মহিষকুচি এলাকায় দেবের এই জনসভা তৃণমূলের শক্তিকে অনেকটাই বাড়িয়ে দিল। আজকের এই জনসভায় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের পাশাপাশি কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
তুফানগঞ্জ মহিষকুচিতে তৃণমূল প্রার্থী শিব শংকর পালের সমর্থনে প্রচার সাংসদ দেবের, লাল কলনির মাঠে জনজোয়ার আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পারদ চড়ছে উত্তরবঙ্গে। আজ কোচবিহারের তুফানগঞ্জ-২ ব্লকে মহিষকুচি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের লাল কলোনির মাঠে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থনে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় যোগ দিলেন ঘাটালের সাংসদ তথা জনপ্রিয় অভিনেতা দেব (দীপক অধিকারী)। দলীয় প্রার্থী শিব শংকর পালের সমর্থনে এদিন নির্বাচনী প্রচার সারেন তিনি। এদিন প্রিয় তারকা তথা সাংসদ দেবের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষের মধ্যে উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল থেকেই লাল কলোনি মাঠ ও সংলগ্ন এলাকায় মানুষের ভিড় জমতে শুরু করে। দেব যখন সভামঞ্চে পৌঁছান, তখন হাজার হাজার মানুষের উচ্ছ্বাসে কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়। এদিন সভাপাঞ্চের পাশে
অস্থায়ী হেলীপেটে তিনি নেমে সরাসরি তিনি সবাই যোগদান এদিন সভামঞ্চ থেকে সাংসদ দেব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, "উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে এবং এলাকার সার্বিক উন্নতির স্বার্থে তৃণমূল প্রার্থী শিব শংকর পালকে বিপুল ভোটে জয়ী করুন।" ভাষণের পাশাপাশি তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করেন এবং সকলকে শান্তিতে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করার আহ্বান জানান তিনি। অন্যদিকে, ঘরের মাঠে দেবের মতো তারকাকে পেয়ে স্বভাবতই খুশি তৃণমূল প্রার্থী শিব শংকর পাল সহ স্থানীয় নেতৃত্বরা। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের আগে মহিষকুচি এলাকায় দেবের এই জনসভা তৃণমূলের শক্তিকে অনেকটাই বাড়িয়ে দিল। আজকের এই জনসভায় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের পাশাপাশি কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
- ঘুঘুমারীর ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন তৃণমুল জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। ঠিক কী বললেন তৃণমূল জেলা সভাপতি, শুনুন বিস্তারিত।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের ঘুঘুমারি মোড়ে সোমবার দুপুরে তৈরি হল চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার অভিযোগে ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের বিক্ষোভে কার্যত ঘেরাও হয়ে পড়েন বিজেপি প্রার্থী **রথীন্দ্রনাথ বোস**। সকাল থেকেই দিনহাটা-২ ব্লকের চৌধুরীহাট, বামনহাট, নয়ারহাট-সহ একাধিক এলাকায় পথ অবরোধে নামেন সাধারণ মানুষ। কারও হাতে জাতীয় পতাকা, কোথাও জ্বলছে টায়ার—ক্ষোভ যেন ফেটে পড়ছে রাস্তায়! অভিযোগ, সব নথি জমা দেওয়ার পরও বহু নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। চতুর্থ অতিরিক্ত তালিকাতেও মিলেনি সমাধান—আর সেই ক্ষোভেই বিস্ফোরণ। এরই মাঝে বিক্ষোভের মুখে পড়ে যায় বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি। কালো পতাকা, উত্তেজনা, স্লোগানে থমকে যায় এলাকা। পরিস্থিতি সামলাতে নেমে পড়ে পুলিশ। ঠিক তখনই দেখা যায় তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী, তৃণমূল প্রার্থী **অভিজিৎ দে ভৌমিক**-কে! ভিড় ঠেলে বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি—রাজনীতির মঞ্চে বিরল এক দৃশ্য! তবে নাটক এখানেই শেষ নয়... গাড়ি বেরিয়ে যাওয়ার পরই বিস্ফোরক অভিযোগ করেন রথীন্দ্রনাথ বোস— “**পুরো ঘটনাই পূর্বপরিকল্পিত! তৃণমূল প্রার্থী নিজেই আক্রমণ করেছেন এবং করিয়েছেন! পুলিশের সামনেই সব হয়েছে!**” 👉 উদ্ধার না কি পরিকল্পিত আক্রমণ? 👉 মানবিকতা না কি রাজনৈতিক চাল? ঘুঘুমারির এই ঘটনায় এখন তোলপাড় গোটা রাজনৈতিক মহল!1
- কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের চান্দামারিতে তৃণমূল প্রার্থী অভিনেতা দেবের রোডশোয়ে উপচে পড়ল ভীড়1
- 🛑ভোটার তালিকায় নাম বাদ পথ অবরোধ নিশিগঞ্জে1
- ঘুঘুমারিতে পথ অবরোধ নিয়ে ভাইরাল ভিডিও। কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি - তৃণমুল ধুন্ধুমার1
- দিনহাটা: এসআইআর তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে সোমবার সকালে দিনহাটার কূর্শারহাট রাজ্য সড়কের নয়ারহাট বাজার এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অবরোধের জেরে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোবরা ছাড়া নয়ারহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের আটিয়াবাড়ী ও তুতিয়ার কুঠি—এই দুই গ্রামের প্রায় ৬৫০ জন ভোটারের নাম এসআইআর তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাস করছেন এবং প্রয়োজনীয় সমস্ত নথিপত্র জমা দিয়েছেন। এমনকি শুনানিতেও অংশ নিয়েছেন। তারপরও কেন তাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। এদিন ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা জানিয়ে দেন, যতক্ষণ না তাঁদের নাম পুনরায় তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁরা ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া চালাতে দেবেন না। পরে খবর পেয়ে নয়ারহাট ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরোধ তুলে দেয়। বিক্ষোভকারীরা আরও দাবি করেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হোক, কিন্তু বৈধ ভারতীয় নাগরিকদের নাম কেন কাটা হচ্ছে, তার জবাব দিতে হবে প্রশাসনকে। তাঁদের অভিযোগ, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে পরিকল্পিতভাবে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।1
- বিধানসভা ভোটের আগে বড়সড় রাজনৈতিক ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস মহাকালগুড়ী এলাকায়। নির্বাচনের প্রাক্কালে হঠাৎই তৃণমূল শিবিরে ভাঙন দেখা যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একসাথে ৭টি পরিবার তৃণমূল ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দিয়েছে। সোমবার একটি দলীয় কর্মসূচির মাধ্যমে ওই পরিবারগুলিকে বিজেপির পতাকা তুলে দিয়ে দলে স্বাগত জানানো হয়। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তৃণমূলের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাওয়ায় এই ভাঙন শুরু হয়েছে এবং আগামী দিনে আরও অনেকে বিজেপিতে যোগ দেবেন। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে তেমন গুরুত্ব দিতে নারাজ স্থানীয় নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, ব্যক্তিগত কারণে কয়েকটি পরিবার দল ছেড়েছে, এতে সংগঠনের উপর বড় কোনও প্রভাব পড়বে না। নির্বাচনের আগে এই ধরনের দলবদলের ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।1