ফটো তুলিয়ে চুপ করে থাকি,মনে রয়েছে ভীষণ ভয়, “AI” এসে কানে কানে বলে,চিন্তা করোনা ভাই, তবু আমার মন উচাটন,না জানি কেমন দেখতে হয়- “AI” বলে,বসে চুপটি করে দেখো,তোমাকে কেমন হিরো বানাই। ফটো হাতে নিয়ে হলাম অবাক,চমকে যাই নিজেই, গায়ের রঙ কি করে হলো ধবধবে,আসলে তো ভুষোকালি, অবাক নয়নে নিজের মুখ নিজেই আয়নায় দেখি- আমার এমন আমসি মুখ,হলো কি করে পুরুষালি। একই রকম আছি,যেমন ছিলামআমি ঠিক তেমন, আমার এখনো ভুষোকালি রং,সেই পেঁচার মতো রয়েছে বদন, ভাবি তাহলে কি করে্ হলাম আমি এতোটা সুন্দর- বিচ্ছু বলে,অতো ভাবিস না এসবই হলো “AI” এর অবদান। ঠাকুমা বলে,মুখপোড়া এইডা তোর ফটো কি কস তুই, তোরে কেউ চুনের টিনে চোবান দিসে নাকি। ফটোতে তোরে তো চেনোনই যাইতাসে না- ওই সিনেমার নায়ক গুলার মতন লাগতাসে দেখি। আমি্ নিজের ফটোতে চোখ রেখে মনে মনে ভাবি, “AI” তো বাস্তবে নয়,ফটোতেই শুধু করে সুন্দর, আমার মনের রয়েছে ভেতরে ভয়,লজ্জা,দ্বিধা, যদি সবাই বিদ্রুপ করে,আমার আসল রুপ দেখার পর। “AI” দিয়ে বানানো ফটো দেখে হই একেবারে আপ্লুত, ফটো তুলিয়ে চুপ করে থাকি,মনে রয়েছে ভীষণ ভয়, “AI” এসে কানে কানে বলে,চিন্তা করোনা ভাই, তবু আমার মন উচাটন,না জানি কেমন দেখতে হয়- “AI” বলে,বসে চুপটি করে দেখো,তোমাকে কেমন হিরো বানাই। ফটো হাতে নিয়ে হলাম অবাক,চমকে যাই নিজেই, গায়ের রঙ কি করে হলো ধবধবে,আসলে তো ভুষোকালি, অবাক নয়নে নিজের মুখ নিজেই আয়নায় দেখি- আমার এমন আমসি মুখ,হলো কি করে পুরুষালি। একই রকম আছি,যেমন ছিলামআমি ঠিক তেমন, আমার এখনো ভুষোকালি রং,সেই পেঁচার মতো রয়েছে বদন, ভাবি তাহলে কি করে্ হলাম আমি এতোটা সুন্দর- বিচ্ছু বলে,অতো ভাবিস না এসবই হলো “AI” এর অবদান। ঠাকুমা বলে,মুখপোড়া এইডা তোর ফটো কি কস তুই, তোরে কেউ চুনের টিনে চোবান দিসে নাকি। ফটোতে তোরে তো চেনোনই যাইতাসে না- ওই সিনেমার নায়ক গুলার মতন লাগতাসে দেখি। আমি্ নিজের ফটোতে চোখ রেখে মনে মনে ভাবি, “AI” তো বাস্তবে নয়,ফটোতেই শুধু করে সুন্দর, আমার মনের রয়েছে ভেতরে ভয়,লজ্জা,দ্বিধা, যদি সবাই বিদ্রুপ করে,আমার আসল রুপ দেখার পর। “AI” দিয়ে বানানো ফটো দেখে হই একেবারে আপ্লুত, ফটো থেকে চোখ সরিয়ে,আয়না দেখে বুঝি আসল হিসাব, ফটো দূরে সরিয়ে রাখি,ভাবি এডিট করা ফটো আর নয়- ফটোতে যতই আমায় লাগুক হিরো,বাস্তবে আমি সেই বাসি কাবাব।
ফটো তুলিয়ে চুপ করে থাকি,মনে রয়েছে ভীষণ ভয়, “AI” এসে কানে কানে বলে,চিন্তা করোনা ভাই, তবু আমার মন উচাটন,না জানি কেমন দেখতে হয়- “AI” বলে,বসে চুপটি করে দেখো,তোমাকে কেমন হিরো বানাই। ফটো হাতে নিয়ে হলাম অবাক,চমকে যাই নিজেই, গায়ের রঙ কি করে হলো ধবধবে,আসলে তো ভুষোকালি, অবাক নয়নে নিজের মুখ নিজেই আয়নায় দেখি- আমার এমন আমসি মুখ,হলো কি করে পুরুষালি। একই রকম আছি,যেমন ছিলামআমি ঠিক তেমন, আমার এখনো ভুষোকালি রং,সেই পেঁচার মতো রয়েছে বদন, ভাবি তাহলে কি করে্ হলাম আমি এতোটা সুন্দর- বিচ্ছু বলে,অতো ভাবিস না এসবই হলো “AI” এর অবদান। ঠাকুমা বলে,মুখপোড়া এইডা তোর ফটো কি কস তুই, তোরে কেউ চুনের টিনে চোবান দিসে নাকি। ফটোতে তোরে তো চেনোনই যাইতাসে না- ওই সিনেমার নায়ক গুলার মতন লাগতাসে দেখি। আমি্ নিজের ফটোতে চোখ রেখে মনে মনে ভাবি, “AI” তো বাস্তবে নয়,ফটোতেই শুধু করে সুন্দর, আমার মনের রয়েছে ভেতরে ভয়,লজ্জা,দ্বিধা, যদি সবাই বিদ্রুপ করে,আমার আসল রুপ দেখার পর। “AI” দিয়ে বানানো ফটো দেখে হই একেবারে আপ্লুত, ফটো তুলিয়ে চুপ করে থাকি,মনে রয়েছে ভীষণ ভয়, “AI” এসে কানে কানে বলে,চিন্তা করোনা ভাই, তবু আমার মন উচাটন,না জানি কেমন দেখতে হয়- “AI” বলে,বসে চুপটি করে দেখো,তোমাকে কেমন হিরো বানাই। ফটো হাতে নিয়ে হলাম অবাক,চমকে যাই নিজেই, গায়ের রঙ কি করে হলো ধবধবে,আসলে তো ভুষোকালি, অবাক নয়নে নিজের মুখ নিজেই আয়নায় দেখি- আমার এমন আমসি মুখ,হলো কি করে পুরুষালি। একই রকম আছি,যেমন ছিলামআমি ঠিক তেমন, আমার এখনো ভুষোকালি রং,সেই পেঁচার মতো রয়েছে বদন, ভাবি তাহলে কি করে্ হলাম আমি এতোটা সুন্দর- বিচ্ছু বলে,অতো ভাবিস না এসবই হলো “AI” এর অবদান। ঠাকুমা বলে,মুখপোড়া এইডা তোর ফটো কি কস তুই, তোরে কেউ চুনের টিনে চোবান দিসে নাকি। ফটোতে তোরে তো চেনোনই যাইতাসে না- ওই সিনেমার নায়ক গুলার মতন লাগতাসে দেখি। আমি্ নিজের ফটোতে চোখ রেখে মনে মনে ভাবি, “AI” তো বাস্তবে নয়,ফটোতেই শুধু করে সুন্দর, আমার মনের রয়েছে ভেতরে ভয়,লজ্জা,দ্বিধা, যদি সবাই বিদ্রুপ করে,আমার আসল রুপ দেখার পর। “AI” দিয়ে বানানো ফটো দেখে হই একেবারে আপ্লুত, ফটো থেকে চোখ সরিয়ে,আয়না দেখে বুঝি আসল হিসাব, ফটো দূরে সরিয়ে রাখি,ভাবি এডিট করা ফটো আর নয়- ফটোতে যতই আমায় লাগুক হিরো,বাস্তবে আমি সেই বাসি কাবাব।
- পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট এই সেতুটি ১২৫ বছরের পদার্পণ করলো, এরই পাশাপাশি এই সেতুর নতুন করে কাজের সূচনা তৈরি হবে বলে বহু মানুষের আশা,1
- নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামে প্রতিদিনই ওঠানামা। সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের বাজেট ঠিক রাখতে বাজারদরের দিকে নজর রাখা এখন অত্যন্ত জরুরি। দেখে নিন আজ বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা সংলগ্ন এলাকায় বাজারে আলু, পেঁয়াজ, শাকসবজি, মাছ ও মাংসের আনুমানিক খুচরো দাম— সবজি বাজার আলু: ₹১৫–১৮ টাকা প্রতি কেজি পেঁয়াজ: ₹২০–২৫ টাকা প্রতি কেজি টমেটো: ₹২০–২৫ টাকা প্রতি কেজি বেগুন: ₹৩০–৫০ টাকা প্রতি কেজি ফুলকপি: ₹১০–২০ টাকা প্রতি পিস বাঁধাকপি: ₹১০–২০ টাকা প্রতি পিস শাকসবজি পালংশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি পুঁইশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি লালশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি শাক মিশ্র: ₹১৫–২০ টাকা প্রতি আঁটি মাছের বাজার রুই: ₹৩০০–৩৫০ টাকা প্রতি কেজি কাতলা: ₹২৫০–৩০০ টাকা প্রতি কেজি তেলাপিয়া: ₹২০০–২২০ টাকা প্রতি কেজি পাবদা: ₹৫৫০–৬৫০ টাকা প্রতি কেজি চিংড়ি (ছোট): ₹৪৫০–৫৫০ টাকা প্রতি কেজি মাংসের বাজার মুরগি (ব্রয়লার): ₹১৮০–২০০ টাকা প্রতি কেজি দেশি মুরগি: ₹৪০০–৪৫০ টাকা প্রতি কেজি খাসি মাংস: ₹৮০০–৮৫০ টাকা প্রতি কেজি বিশেষ দ্রষ্টব্য: এলাকা ও বাজারভেদে দামে কিছুটা তারতম্য হতে পারে।1
- সরকারি ভাবে অনুদান মেলেনি, বিদ্যালয়ে নিয়োগ হয়নি পর্যাপ্ত শিক্ষক -শিক্ষিকা, ক্লাসে রুমে নেই পর্যাপ্ত বেঞ্চ, নব নির্মিত দ্বিতল স্কুল ভবনে জানালা দরজা তৈরিতে সরকারি সহযোগিতা না মিললেও গ্রামের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সহায়তায় কিছু অভাব পূরণ হয়েছে। বিদ্যালয়ে পরিচালন সমিতির সভাপতি খোদ শাসক দলের নির্বাচিত পঞ্চায়েতের সদস্যা। তবে বিদ্যালয়ের উন্নতি সাধনে মেলেনি সহযোগিতা ।এবার সেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পাঁচজন মনিষীর আবক্ষ মূর্তি উন্মোচনে এগিয়ে এলেন প্রাক্তন ছাত্র ও অভিভাবকরা। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানার খুকুড়দহ চক্রের পাঁচগেছিয়া -ll প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি বসানো হলো বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ, নেতাজি সুভাষ, ক্ষুদিরাম, বিবেকানন্দ এই পাঁচ মনিষীর আবক্ষ মূর্তি।খরচ প্রায় এক লক্ষ টাকা, সমস্ত খরচ বহন করেছে ওই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র, অভিভাবক সহ গ্রামের স্বহৃদ ব্যক্তিরা।1
- রমজান মাসের পূর্বে প্রত্যেক বছরের ন্যায় এ বছরও নিজের গ্রামবাসীদের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেল বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ কে1
- সরকারি উন্নয়নের দাবির আড়ালে শালবনী ব্লকের লোধা জনজাতি অধ্যুষিত গ্রামে ধরা পড়ছে অন্য ছবি। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে আবাস যোজনা—একাধিক প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত গ্রামবাসীরা।1
- ঘাটালের নিমতলায় ট্রাফিক পুলিশের স্পেশাল চেকিং1
- Post by Skrijabul2
- আজ বুধবার,আজকেও ১৬ ডিগ্রির ঘরেই সর্বনিম্ন। দিন ও রাতের তাপমাত্রা ফের স্বাভাবিকের নিচে। রাতে ও সকালে হালকা শীতের অনুভূতি। দিনে শীতের আমেজ ক্রমশ কমছে। আগামী সপ্তাহে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮/১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে।1