মা মাটি মানুষ জিন্দাবাদ mamata ব্যানার্জী জিন্দাবাদ 💚💚💚 আজ দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভার মা-মাটি-মানুষের প্রার্থী কবি দত্তের সমর্থনে আয়োজিত পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করে সত্যিই আপ্লুত ও অনুপ্রাণিত হলাম। মানুষের ঢল, উচ্ছ্বাস আর চারদিক জুড়ে একটাই সুর - উন্নয়ন, অগ্রগতি এবং মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার। পথের দুই ধারে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষের শুভেচ্ছা, আশীর্বাদ এবং সমর্থনে স্পষ্ট যে – বাংলা-বিরোধী বিজেপির অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের এই লড়াই শুধু মানুষের জন্য, মানুষের অধিকার ও উন্নয়নের জন্য। মানুষের এই আশীর্বাদ, ভালোবাসা আমাদের মূল শক্তি। কবি দত্ত শুধু একজন প্রার্থী নন, তিনি এই এলাকার মানুষের আশা-ভরসার প্রতীক। তাঁর নেতৃত্বে দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা আরও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে, এই বিশ্বাস আজ আরও দৃঢ় হল। বাংলার সংস্কৃতি, বাংলার ভাষা, বাংলার ঐতিহ্য রক্ষার্থে; জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাংলার সকল ভাষাভাষী মানুষের কাছে আমার আবেদন - দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী কবি দত্ত-সহ বাংলার সকল তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীকে ঘাসের উপর জোড়াফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করুন। জয় বাংলা! তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ!
মা মাটি মানুষ জিন্দাবাদ mamata ব্যানার্জী জিন্দাবাদ 💚💚💚 আজ দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভার মা-মাটি-মানুষের প্রার্থী কবি দত্তের সমর্থনে আয়োজিত পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করে সত্যিই আপ্লুত ও অনুপ্রাণিত হলাম। মানুষের ঢল, উচ্ছ্বাস আর চারদিক জুড়ে একটাই সুর - উন্নয়ন, অগ্রগতি এবং
মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার। পথের দুই ধারে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষের শুভেচ্ছা, আশীর্বাদ এবং সমর্থনে স্পষ্ট যে – বাংলা-বিরোধী বিজেপির অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের এই লড়াই শুধু মানুষের জন্য, মানুষের অধিকার ও উন্নয়নের জন্য। মানুষের এই আশীর্বাদ, ভালোবাসা
আমাদের মূল শক্তি। কবি দত্ত শুধু একজন প্রার্থী নন, তিনি এই এলাকার মানুষের আশা-ভরসার প্রতীক। তাঁর নেতৃত্বে দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা আরও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে, এই বিশ্বাস আজ আরও দৃঢ় হল। বাংলার সংস্কৃতি, বাংলার ভাষা, বাংলার ঐতিহ্য রক্ষার্থে;
জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাংলার সকল ভাষাভাষী মানুষের কাছে আমার আবেদন - দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী কবি দত্ত-সহ বাংলার সকল তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীকে ঘাসের উপর জোড়াফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করুন। জয় বাংলা! তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ!
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- বিধানসভা নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে নির্বাচনে ক্ষেত্রে যোগ দেওয়া দলগুলি তাদের প্রচারের উদ্দেশ্যে তাদের সীমা অতিক্রম করে যাচ্ছে। আজকে দেখা গেল কংগ্রেস কার্যালয়ে বিজেপি কর্মীরা তাদের দলীয় পতাকা লাগিয়ে দিয়ে গেছে আর তাতেই শুরু হয়েছে দলীয় কোন্দল।1
- জেলা মুর্শিদাবাদ,ব্লক কান্দি,গ্রাম গোকর্ণ, বাজার পাড়া, আগামী ১৬/০৪/২০২৬থেকে এখন পর্যন্ত বাজার পাড়া রাস্তার উপর দিয়ে ড্রেইন উপচে নোংরা জল বয়ছে1
- সালারের তালিবপুর অঞ্চলের তিনটি গ্রামে তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমানের ঝোড়ো প্রচার। ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমনের সমর্থনে শুক্রবার নির্বাচনী উত্তাপ ছড়াল সালারের তালিবপুর অঞ্চলের পূর্বগ্রাম, মাতুয়া ও হাটখিলখুন্ডি গ্রামে। এদিন সকাল থেকেই মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে জনসংযোগের পাশাপাশি চলে সৌজন্য বিনিময়। প্রচার চলাকালীনই পূর্বগ্রামে এক কংগ্রেস বুথ কর্মী প্রার্থীর হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন। তবে প্রচারের মাঝে তালিবপুর পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ সামনে এলে প্রার্থী অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে পরিস্থিতি সামাল দেন। মুস্তাফিজুর রহমান স্পষ্ট জানান, জনপ্রতিনিধিরা মানুষের রক্ষক, ভক্ষক নন। কাল যদি আমি বিধায়ক হয়ে মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলি, তবে জনগণ আমাকেও ছাড়বে না। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, ৪ঠা মে-র পর এলাকার মানুষের সমস্ত ক্ষোভ মেটানোর পূর্ণ দায়ভার তিনি নিজের কাঁধে তুলে নেবেন। অন্যদিকে, কলকাতায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির হানা প্রসঙ্গে তিনি কড়া ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, গণতান্ত্রিকভাবে লড়াই করতে না পেরে বিরোধীরা ষড়যন্ত্র করছে এবং সিবিআই-ইডি-কে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনন্যা ও অদ্বিতীয় আখ্যা দিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসের সাথে দাবি করেন যে, এবার তৃণমূল ২৩০ থেকে ২৫০টি আসন পেয়ে চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় আসবে এবং বিজেপির আসন সংখ্যা ৫০-এর নিচে নেমে যাবে।1
- Pbn Bangla (ICDS)এর শিশুদের মুখের আহার চুরির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শিশুদের পুষ্টিকর আহার, আর সেই আহারেই থাবা বসালো একদল অসাধু চক্র! দুর্নীতির চরম সীমা। এবার icds কেন্দ্রের চাল ও ডাল চুরির অভিযোগে উত্তাল পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা। নাম জড়ালো খোদ শাসক দলের পঞ্চায়েত সদস্যের! ঘটনাটি ঘটেছে চন্দ্রকোনা ১ নম্বর ব্লকের মাগরুল গ্রাম পঞ্চায়েতের হাজরা গ্রামে। অভিযোগ, দীর্ঘ দিন ধরেই ওই এলাকার আইসিডিএস (ICDS) কেন্দ্রের শিশুদের জন্য বরাদ্দ চাল ও ডাল চুরি করে বাজারে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছিল। অবশেষে হাতেনাতে ধরা পড়ল সেই চুরির ঘটনা। গ্রেফতার: চন্দ্রকোনার রামজীবনপুর ফাঁড়ির পুলিশ ইতিমধ্যেই দু’জন মহিলা কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্তরা হলেন: আইসিডিএস শিক্ষিকা রাখি পণ্ডিত এবং দেবযানী পোড়ে। গ্রামবাসীদের দাবি, এই দুর্নীতির মূলে রয়েছেন শাসক দলের পঞ্চায়েত সদস্য সুনীল রায়। (গ্রামবাসীদের ক্ষোভ ও) এলাকার মানুষের দাবি, এটাই প্রথমবার নয়; এর আগেও বহুবার ওই আইসিডিএস শিক্ষিকা বাচ্চাদের খাবার সরিয়ে ফেলেছেন। বারবার সতর্ক করলেও কোনো লাভ হয়নি। অবশেষে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙায় গ্রামবাসীরাই রুখে দাঁড়ান এবং গোটা চক্রটি ফাঁস করে দেন। "বাচ্চাদের মুখের আহার কেড়ে নিয়ে যারা নিজেদের পকেট ভরছে, তাদের কঠোর শাস্তি চাই"— এই দাবি এখন হাজিরা গ্রামের প্রতিটি ঘরে ঘরে। (অভিযুক্তের সাফাই ও বর্তমান পরিস্থিতি) যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পঞ্চায়েত সদস্য সুনীল রায়। তার দাবি, তাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হচ্ছে। তবে পুলিশ এই ঘটনার গভীরে যেতে তদন্ত শুরু করেছে। ধৃত দুই মহিলা কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রে আর কে কে জড়িত আছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। ভাবতেও অবাক লাগে, যেখানে শিশুদের বিকাশের জন্য সরকারি প্রকল্প, সেখানেই দুর্নীতির এমন নগ্ন রূপ! এখন দেখার, প্রশাসন এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা রাঘববোয়ালদের খাঁচায় বন্দি করতে পারে কি না। দোষী ব্যক্তিদের নাম (দেবযানী পোড়ে সুনীল রায়, রাখি পণ্ডিত) তার মধ্যে দুই আইসিডিএস কর্মীও ও হকার মোট তিনজনকে "গ্রেফতার করল চন্দ্রকোনার রামজীবনপুর ফাঁড়ি পুলিশ"দোষী ব্যক্তিদের নাম (দেবযানী পোড়ে সুনীল রায়, রাখি পণ্ডিত) তার মধ্যে দুই আইসিডিএস কর্মীও ও হকার মোট তিনজনকে "গ্রেফতার করল চন্দ্রকোনার রামজীবনপুর ফাঁড়ি পুলিশ"2
- জানিয়ে তাঁর নির্বাচনী প্রচারের জন্য সামান্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। তাঁর কণ্ঠে ছিল আশা আর বিশ্বাস।তিনি বলেন, বিজেপির জয় মানেই বাঙালি যুবকদের জন্য নতুন ভবিষ্যৎ, নতুন কাজের সুযোগ।এই আবেগ, এই বিশ্বাসই বদলের বার্তা দিচ্ছে। এবার1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- বিধানসভা ভোট যতই এগিয়ে আসছে এলাকায় বাড়ছে চাঞ্চল্য। তারকেশ্বর বিধানসভার বিজেপির প্রচারে যে দেওয়াল লিখন ছিল সেখানে রাতের অন্ধকারে কে বা কারা কাদা লেপে দিয়েছে। বিজেপি অভিযোগ করছে এটা তৃণমূলের কাজ। ভয় পেয়েছে তাই এ কাজ করছে।1
- চন্দ্রকোনা বিধানসভা জর কদমে প্রচার সুকান্ত দলুই আজ প্রচারে রামজীবনপুরে বাড়ি বাড়ি ঘুরে পরিবর্তনের আশ্বাস দিলেন। প্রার্থী। চন্দ্রকোনা বিধানসভা কার হাতে হতে চলেছে। এই নিয়ে রাজনীতি মহলে চর্চায় তুঙ্গে! তিন দুলুই ত্রিমূর্তি কার ভাগ্যের ওঠে লটারি চার তারিখের দিকে চাতক পাখির মতো তাকিয়ে আসাষ জনতার রায়।2