Shuru
Apke Nagar Ki App…
কালচিনির মালঙ্গিতে এসে বিস্ফোরক অভিযোগ আসামের মুখ্যমন্ত্রীর "আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ, দু রাজ্যের চা বাগানের মালিকদের সাথে কথা বলে চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বাড়তে দিচ্ছিলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়," কালচিনি ব্লকের মালঙ্গিতে সভা করতে এসে বিস্ফোরক অভিযোগ আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার। তিনি অভিযোগ করেন, দু রাজ্যের চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বাড়ানোর জন্য আমি অনেক সময় ধরে আবেদন করছিলাম।তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুই রাজ্যের চা মালিকদের সাথে কথা বলে তা বাড়তে দিচ্ছিলেন।কিন্তু আমি এবারের আসামের নির্বাচনের আগে চা শ্রমিকদের মজুরি ২৮০ টাকা করেছি।নির্বাচনে জয়ী হলে তা ৪৫০ থেকে ৫০০ হবে।"
Dainik Barta
কালচিনির মালঙ্গিতে এসে বিস্ফোরক অভিযোগ আসামের মুখ্যমন্ত্রীর "আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ, দু রাজ্যের চা বাগানের মালিকদের সাথে কথা বলে চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বাড়তে দিচ্ছিলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়," কালচিনি ব্লকের মালঙ্গিতে সভা করতে এসে বিস্ফোরক অভিযোগ আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার। তিনি অভিযোগ করেন, দু রাজ্যের চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বাড়ানোর জন্য আমি অনেক সময় ধরে আবেদন করছিলাম।তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুই রাজ্যের চা মালিকদের সাথে কথা বলে তা বাড়তে দিচ্ছিলেন।কিন্তু আমি এবারের আসামের নির্বাচনের আগে চা শ্রমিকদের মজুরি ২৮০ টাকা করেছি।নির্বাচনে জয়ী হলে তা ৪৫০ থেকে ৫০০ হবে।"
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- নির্বাচনের মুখে সোমবার বিকেল থেকে বন্ধ হয়ে গেল ভুটান গেট। পর্যটক ও জরুরি কাজ ছাড়া যাতায়াতে জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। আগামী বৃহস্পতিবার রাজ্যের প্ৰথম দফায় নির্বাচন।আর তাকে কেন্দ্র করেই এদিন থেকে নির্বাচনের দিন অর্থাৎ ২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ভুটান গেট। এই প্রথম নির্বাচনের এতদিন আগে থেকেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ভুটান গেট।সরকার তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পর থেকেই এদিন ভুটান থেকে দেশে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকেরা। জয়গাঁর ভুটান প্রবেশদ্বার দিয়ে কয়েক হাজার শ্রমিকেরা দেশে ফিরে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন।1
- কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের হাড়িভাঙ্গা অঞ্চলের নাকাকাটি বাজারে রাজনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার হলো। এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এক জনসংযোগ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, যেখানে স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীদের সক্রিয় উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন, তাঁদের অভাব-অভিযোগ শোনা এবং রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের বার্তা তুলে ধরা। জনসংযোগ চলাকালীন বাজার এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং বহু সাধারণ মানুষ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এদিনের কর্মসূচির অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল বিজেপি ছেড়ে বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থকের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান। নতুন যোগদানকারীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাঁদের স্বাগত জানান তৃণমূল নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রে দাবি, এই যোগদান প্রমাণ করে যে এলাকার মানুষ উন্নয়নের স্বার্থে তৃণমূল কংগ্রেসের উপর আস্থা রাখছেন। অন্যদিকে, বিজেপির পক্ষ থেকে এই যোগদানকে গুরুত্বহীন বলে দাবি করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য, নির্বাচনের আগে এ ধরনের দলবদল নতুন কিছু নয় এবং এতে ভোটের ফলাফলে তেমন প্রভাব পড়বে না। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ধরনের জনসংযোগ ও দলবদল যে কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক2
- তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ-র গ্রেফতারি আশঙ্কা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়। তিনি দাবি করেন, “উনাকে অনেক আগেই গ্রেফতার করা উচিত ছিল।” এই মন্তব্য ঘিরে দিনহাটার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।1
- মাথাভাঙ্গা,মাথাভাঙ্গা হাজরাহাট এলাকায় বিজেপির প্রচার ঘিরে তৃণমূল বিজেপি উত্তেজনা ।বিজেপির অভিযোগ এদিন এলাকায় প্রচারে বেরহোল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা প্রচারে বাধা দেয় এবং মারধর করে বিজেপি কর্মীদের। তৃণমূলের দাবি বিজেপির বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাতৃশক্তি কার্ড বিলি করছে বলছে ৩০০০ টাকা পাবে। পাশাপাশি আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড জেরক্স নিচ্ছে। নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করছে বিজেপি।সেটার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।উল্টে বিজেপির লোকজন তৃণমূল কর্মীকে মারধর করেছে।1
- 📍হরিহর দাসের সমর্থনে গোপালপুরে কর্মীসভা তৃণমূল কংগ্রেসের1
- Post by Jakir Islam1
- পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযানে নামে পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে একটি নির্জন এলাকা থেকে এই বোমাগুলি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে পুলিশ এবং সঙ্গে সঙ্গে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলে খবর দেওয়া হয়। পরে বিশেষজ্ঞরা এসে বোমাগুলি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করেন। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চরম আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ভোটের ঠিক আগে এ ধরনের বিস্ফোরক উদ্ধার হওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। বিভিন্ন দল একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলতে শুরু করেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার সঙ্গে নির্দিষ্টভাবে কারও যোগ প্রমাণিত হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, প্রথম দফার ভোট যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, তার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে এবং সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।1