Shuru
Apke Nagar Ki App…
দেওয়াল লিখন থেকে জনসংযোগ, হবিবপুরে জোর প্রচারে সিপিআইএম প্রার্থী বৃহস্পতিবার প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার পর শুক্রবার সকাল থেকেই ভোট প্রচারে নেমে পড়লেন মালদার হবিবপুর বিধানসভার বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআইএম প্রার্থী বাসুদেব মুর্মু। প্রার্থী ঘোষণার পরই সময় নষ্ট না করে সরাসরি ময়দানে নেমে পড়ায় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। এদিন ভোরবেলাতেই বাম নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে হবিবপুর ব্লকের বুলবুলচন্ডী অঞ্চলের কেন্দুয়া এলাকায় প্রচার কর্মসূচি শুরু করেন তিনি। প্রথমেই নিজের সমর্থনে দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে প্রচারের সূচনা করা হয়। দেওয়াল লিখনের পর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ গড়ে তোলেন প্রার্থী।
Malda Local Update
দেওয়াল লিখন থেকে জনসংযোগ, হবিবপুরে জোর প্রচারে সিপিআইএম প্রার্থী বৃহস্পতিবার প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার পর শুক্রবার সকাল থেকেই ভোট প্রচারে নেমে পড়লেন মালদার হবিবপুর বিধানসভার বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআইএম প্রার্থী বাসুদেব মুর্মু। প্রার্থী ঘোষণার পরই সময় নষ্ট না করে সরাসরি ময়দানে নেমে পড়ায় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। এদিন ভোরবেলাতেই বাম নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে হবিবপুর ব্লকের বুলবুলচন্ডী অঞ্চলের কেন্দুয়া এলাকায় প্রচার কর্মসূচি শুরু করেন তিনি। প্রথমেই নিজের সমর্থনে দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে প্রচারের সূচনা করা হয়। দেওয়াল লিখনের পর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ গড়ে তোলেন প্রার্থী।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মালদা: তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ সেন আজ তাঁর বাসভবনে এক জরুরি প্রেস মিটিং-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে তিনি শুরু থেকেই যুক্ত ছিলেন, কিন্তু তাঁর প্রতি কোনও মূল্যায়ন করা হয়নি। বিশ্বজিৎ সেন অভিযোগ করেন, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সততা ও নিষ্ঠাকে ব্যবহার করে বিভিন্ন কাজে এগিয়ে গেছেন, কিন্তু এখন তার পাশে না থেকে, দলে নতুন চোর ও বেইমানদের ঢোকানো হচ্ছে, এবং তাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হচ্ছে। শুরু থেকে যারা দলের সঙ্গে ছিলেন, তাদের অবমূল্যায়ন করাই তাঁর অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দু। তিনি এই অবিচারের তীব্র নিন্দা জানান এবং তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা প্রকাশ করেন।2
- *বীরভূম থেকে বিজেপিকে হটানোর ডাক অভিষেকের, হাঁসনে কাজল শেখের জয়ে ৫০ হাজারের টার্গেট* আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বীরভূমের মাটি থেকেই বিজেপিকে উৎখাত করার ডাক দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক Abhishek Banerjee। শনিবার তারাপীঠ সংলগ্ন কড়কড়িয়া মোড়ে আয়োজিত জনসভা থেকে তিনি জানান, এবারের লড়াই শুধু ক্ষমতা দখলের নয়, বরং সাধারণ মানুষের ভোগান্তির জবাব দেওয়ার লড়াই। এদিন সভা মঞ্চ থেকেই তিনি দলের “পঞ্চম অঙ্গীকার”-এর কথাও তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে আজীবন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালু রাখা, প্রতিটি বাড়িতে পানীয় জলের ব্যবস্থা, দুয়ারে স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া, ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে সকলের জন্য বার্ধক্য ভাতা এবং বাংলার আবাস যোজনার আওতায় আরও বেশি মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বীরভূম জেলার ১১টি বিধানসভা আসনেই তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করবে। পাশাপাশি হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী Kajal Sheikh (ফয়েজুল হক)-এর জয়ের ব্যবধান ৫০ হাজারেরও বেশি করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেন তিনি। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই ধরনের জনসভা ও রাজনৈতিক বার্তা ঘিরে জেলায় উত্তেজনা বাড়ছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আক্রমণাত্মক বক্তব্য ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয়।1
- দোয়া-আশীর্বাদ নিয়ে নমিনেশন যাত্রা, ৫০ গাড়ির মিছিলে শক্তি প্রদর্শন শাহিনা মমতাজ খানের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী থাকল নওদা। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শাহিনা মমতাজ খান শনিবার সকালে প্রথমে শ্বশুরের কবর জিয়ারত করেন। সেখানে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করে দোয়া ও আশীর্বাদ নেন তিনি। পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই আধ্যাত্মিক পর্বের পরেই শুরু হয় তাঁর নমিনেশন যাত্রা। এরপর নওদা থেকে বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে বহরমপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। প্রায় ৫০টি গাড়ির বিশাল কনভয়ে সাজানো ছিল এই যাত্রা, যা কার্যত শক্তি প্রদর্শনে পরিণত হয়। পথে বিভিন্ন জায়গায় সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। বহরমপুর মহকুমা শাসকের দফতরে গিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দেবেন বলে জানা গেছে। তৃণমূলের এই শো অফ স্ট্রেংথ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।3
- দোয়া-আশীর্বাদ নিয়ে নমিনেশন যাত্রা, ৫০ গাড়ির মিছিলে শক্তি প্রদর্শন শাহিনা মমতাজ খানের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী থাকল নওদা। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শাহিনা মমতাজ খান শনিবার সকালে প্রথমে শ্বশুরের কবর জিয়ারত করেন। সেখানে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করে দোয়া ও আশীর্বাদ নেন তিনি। পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই আধ্যাত্মিক পর্বের পরেই শুরু হয় তাঁর নমিনেশন যাত্রা। এরপর নওদা থেকে বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে বহরমপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। প্রায় ৫০টি গাড়ির বিশাল কনভয়ে সাজানো ছিল এই যাত্রা, যা কার্যত শক্তি প্রদর্শনে পরিণত হয়। পথে বিভিন্ন জায়গায় সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। বহরমপুর মহকুমা শাসকের দফতরে গিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দেবেন বলে জানা গেছে। তৃণমূলের এই শো অফ স্ট্রেংথ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।2
- শনিবার সকালে অধীর চৌধুরীর ভোট প্রচারের শুরুতেই তৃণমূলের বিক্ষোভ। উত্তেজনা, ধস্তাধ্বস্তি। পালটা হুঁশিয়ারি অধীরের। এদিন বহরমপুর পৌরসভার ১৯নম্বর ওয়ার্ডে অধীর চৌধুরীর প্রচারের শুরুতেই স্থানীয় কাউন্সিলারের নেতৃত্বে তৃণমূলের বিক্ষোভের মুখে পরেন অধীর। সরু গলিতে হাতাহাতি কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের মধ্যে। পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গেও ধস্তাধ্বস্তি তৃণমূল কংগ্রস কর্মীদের। যদিও বহরমপুর পৌরসভার কাউন্সিলার ভীষ্মদেব কর্মকারের দাবি, অধীর চৌধুরীর সঙ্গে থাকা নিরাপত্তা রক্ষীরা মানুষকে ভয় দেখাচ্ছিলেন। মানুষ বিক্ষোভ দেখায়। ** এই ঘটনায় যদিও প্রাক্তন সাংসদ, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী অধীর চৌধুরীর দাবি, হার বুঝেই এই ধরণের কাজ করছে তৃণমূল। দিয়েছেন হুঁশিয়ারিও। ।1
- 7312381
- মালদা: তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ সেন আজ তাঁর বাসভবনে এক জরুরি প্রেস মিটিং-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে তিনি শুরু থেকেই যুক্ত ছিলেন, কিন্তু তাঁর প্রতি কোনও মূল্যায়ন করা হয়নি। বিশ্বজিৎ সেন অভিযোগ করেন, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সততা ও নিষ্ঠাকে ব্যবহার করে বিভিন্ন কাজে এগিয়ে গেছেন, কিন্তু এখন তার পাশে না থেকে, দলে নতুন চোর ও বেইমানদের ঢোকানো হচ্ছে, এবং তাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হচ্ছে। শুরু থেকে যারা দলের সঙ্গে ছিলেন, তাদের অবমূল্যায়ন করাই তাঁর অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দু। তিনি এই অবিচারের তীব্র নিন্দা জানান এবং তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা প্রকাশ করেন।1
- প্রচারে বেরিয়ে বাঁধার মুখে অধীর চৌধুরী শুরু হয় তৃণমূল ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি ও বিশৃঙ্খলা। শনিবার সকালে বহরমপুর পৌরসভার ১৯ নং ওয়ার্ডে কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী তার দিলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনী প্রচার করছিলেন। ওপর দিকে বহরমপুর পৌরসভার ১৯ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার ভীষ্মদেব কর্মকারের নেতৃত্বে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা অধীর চৌধুরীকে প্রচারে বাঁধা দিতে গেলে দুই দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।1
- Post by Selim Sk1