Shuru
Apke Nagar Ki App…
মহিলাদের কল্যাণের উদ্দেশ্যে 'অন্নপূর্ণা যোজনা' প্রকল্পে মোট ₹৩৬,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই প্রকল্পকে বিজেপি সরকারের অন্যতম বৃহৎ জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে, যা নারী সমাজের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
BENGAL MIRROR
মহিলাদের কল্যাণের উদ্দেশ্যে 'অন্নপূর্ণা যোজনা' প্রকল্পে মোট ₹৩৬,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই প্রকল্পকে বিজেপি সরকারের অন্যতম বৃহৎ জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে, যা নারী সমাজের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উপর থাকা মোট ৮ লক্ষ কোটি টাকার দেনা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই মিটে যাবে।1
- ভরসা কর্মসূচির অধীনে বয়সসীমা বৃদ্ধি করা হলে তা ৪০ থেকে ৪৫ বছর পর্যন্ত করা হবে। এই কর্মসূচির আওতায় স্নাতকরা প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা ভাতা পাবেন। অন্যদিকে, অন্যান্য অংশগ্রহণকারীরা মাসিক ২০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।1
- ইন্দাস অঞ্চলে বেআইনি মদের বিরুদ্ধে এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যেখানে স্থানীয় প্রমিলা বাহিনী লাঠি হাতে একাধিক অবৈধ মদ ভাটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এই অভিযানে অবৈধ মদ ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রমিলা বাহিনী।1
- ইন্দাস পুলিশ অবৈধ বালি পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে তিন জনকে নিজেদের জালে আটক করেছে। এই পাচারকারীরা অবৈধভাবে বালি পাচার করার সময়েই ইন্দাস পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।1
- ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বাজেট ঘোষণার পর রাজ্যের প্রথম বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া নিয়ে নব্য তৃণমূল শিবির প্রশ্ন তুলেছে। নব্য তৃণমূল শিবিরের মধ্যে এই নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে যে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বাজেট ঘোষণার পর আদৌ খুশি কিনা।1
- প্রশাসন মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের পাশে দীর্ঘদিনের একটি অবৈধ নির্মাণ ভেঙে সরিয়ে দিয়েছে। এই অভিযানে বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন।1
- কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র সম্প্রতি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর পরিচিত স্পষ্টবক্তা ও আক্রমণাত্মক শৈলীতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁর এই বক্তব্য আগামী দিনে বিরোধী শিবিরের রণকৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সাংসদ মৈত্র বরাবরের মতোই সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বাস্তব সমস্যাগুলি থেকে সাধারণ মানুষের নজর ঘোরাতে এবং বিরোধী কণ্ঠরোধ করতে এই সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও, তিনি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং নির্দিষ্ট কিছু বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর প্রতি সরকারের অতিরিক্ত পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তীব্র আক্রমণ শানান। মহুয়া মৈত্র সংসদের গণতান্ত্রিক রীতিনীতি এবং বিরোধী সাংসদদের অধিকার খর্ব করার চেষ্টার বিরুদ্ধেও সোচ্চার হন। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, কোনো রকম চাপের মুখে মাথা নত না করে তিনি সাধারণ মানুষের পক্ষে সওয়াল করে যাবেন। তিনি বলেন, "ভয় দেখিয়ে বা কণ্ঠরোধ করে সত্যকে চেপে রাখা যাবে না। জনগণের অধিকারের জন্য এই লড়াই সংসদের ভেতরে এবং বাইরে জারি থাকবে।" বিশেষজ্ঞরা মহুয়া মৈত্রের এই সাংবাদিক সম্মেলনকে কেবল সরকারের সমালোচনা নয়, বরং তাঁর রাজনৈতিক দৃঢ়তার এক জোরালো বার্তা হিসেবে দেখছেন, যা রাজ্য তথা দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।1
- বিধানসভার অভ্যন্তরে কুণালকে লক্ষ্য করে 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার এক্সক্লুসিভ ছবি সরাসরি দেখা যাচ্ছে।1