গত রাতে গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুরুলিয়া জেলা পুলিশের বারাবাজার থানার আধিকারিক ও পুলিশবাহিনী আগাঝোর গ্রামে অভিযান চালিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য অর্জন করেছে। এই অভিযানে একটি চার চাকা গাড়িসহ দু'জন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তল্লাশির সময় তাদের কাছ থেকে একাধিক বস্তায় রাখা মোট ৩৩৭.৪৮ কেজি সন্দেহভাজন পোস্ত খোসা গুঁড়ো উদ্ধার ও জব্দ করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তিরা হলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতার সাইনাড়ার বিকাশ সাঁতরা এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার আনন্দপুরের গোপাল বাগ। জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা উদ্ধার হওয়া নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্যের বৈধ দখল সংক্রান্ত কোনো নথিপত্র প্রদর্শন করতে পারেননি। গ্রেপ্তারের পর অভিযুক্ত দু'জনকে আজ আদালতে তোলা হলে আদালত তাদের সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। এই ঘটনায় এন.ডি.পি.এস. আইনের প্রাসঙ্গিক ধারায় একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করা হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
গত রাতে গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুরুলিয়া জেলা পুলিশের বারাবাজার থানার আধিকারিক ও পুলিশবাহিনী আগাঝোর গ্রামে অভিযান চালিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য অর্জন করেছে। এই অভিযানে একটি চার চাকা গাড়িসহ দু'জন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তল্লাশির সময় তাদের কাছ থেকে একাধিক বস্তায় রাখা মোট ৩৩৭.৪৮ কেজি সন্দেহভাজন পোস্ত খোসা গুঁড়ো উদ্ধার ও জব্দ করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তিরা হলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতার সাইনাড়ার বিকাশ সাঁতরা এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার আনন্দপুরের গোপাল বাগ। জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা উদ্ধার হওয়া নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্যের বৈধ দখল সংক্রান্ত কোনো নথিপত্র প্রদর্শন করতে পারেননি। গ্রেপ্তারের পর অভিযুক্ত দু'জনকে আজ আদালতে তোলা হলে আদালত তাদের সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। এই ঘটনায় এন.ডি.পি.এস. আইনের প্রাসঙ্গিক ধারায় একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করা হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
- পুরুলিয়া জেলা শাসক সুধীর কন্ঠেম সম্প্রতি জেলা জনগনা দফতরের শুভ সূচনা করেছেন। এই উদ্বোধনের মাধ্যমে পুরুলিয়া জেলায় নতুন জনগনা দফতর তার কার্যক্রম শুরু করলো।1
- পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলায় মহরমের শোভাযাত্রা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এই ঘটনাটি সম্প্রীতির এক অসাধারণ ও অনন্য নজির স্থাপন করেছে, যা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্যকে তুলে ধরেছে।1
- বৃহস্পতিবার পুরুলিয়া জেলার বলরামপুর ব্লকের ঘাটবেড়া কেরুয়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অবৈধ পোস্ত চাষ ও মাদক পাচার রোধে একটি সচেতনতা সেমিনার আয়োজন করা হয়। বলরামপুর আবগারি দপ্তর এই কর্মসূচির আয়োজন করে, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহ প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা এবং সমাজে মাদকবিরোধী জনমত গড়ে তোলা। এই সেমিনারে সদর রেঞ্জের ডেপুটি এক্সাইজ কালেক্টর প্রতাপ সরকার, বলরামপুর থানার আইসি অর্ণব গুহ, বলরামপুর আবগারি দপ্তরের ওসি মৃন্ময় ব্যানার্জী এবং ঘাটবেড়া কেরুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পূর্ণিমা সিং সর্দার উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডেপুটি এক্সাইজ কালেক্টর প্রতাপ সরকার এবং আইসি অর্ণব গুহ অবৈধ পোস্ত চাষের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। তাঁরা স্পষ্টভাবে জানান যে, এলাকায় কোনোভাবেই অবৈধ পোস্ত চাষ বরদাস্ত করা হবে না। কেউ পোস্ত চাষে যুক্ত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যার মধ্যে কারাদণ্ড এবং সংশ্লিষ্ট জমি বাজেয়াপ্ত করার মতো পদক্ষেপও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে বলে সতর্ক করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছাত্রছাত্রীদের মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতন হওয়ার এবং নিজ নিজ এলাকায় মাদকবিরোধী সচেতনতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। ঘাটবেড়া কেরুয়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সমাজ থেকে মাদকের অভিশাপ দূর করতে ছাত্রছাত্রীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের উপর জোর দেন। তিনি বলেন যে, ছাত্রছাত্রীরা সচেতন হলে এবং অন্যদের সচেতন করলে অবৈধ পোস্ত চাষ ও মাদক পাচারের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। স্থানীয় বাসিন্দারাও প্রশাসনের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তাঁদের মতে, নিয়মিত এমন সচেতনতামূলক কর্মসূচি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।1
- Post by সনাতনী টিভি1
- বাঁকুড়ার সিমলাপাল এলাকার দোগিড়্যা গ্রামে রাস্তার ধারে একটি নলকূপ রয়েছে, যা সাধারণ মানুষ দৈনন্দিন প্রয়োজনে ব্যবহার করেন। এই জনস্বাস্থ্য নলকূপটির জন্য একটি প্রয়োজনীয় নর্দমার (ড্রেন) অভাব দীর্ঘদিন ধরে অনুভূত হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে যে, এই ড্রেনটির নির্মাণকাজ এখনো পর্যন্ত শুরু হয়নি বা সম্পন্ন হয়নি। এই পরিস্থিতিতে, স্থানীয় গ্রামবাসীরা সিমলাপাল বিডিও সাহেবের কাছে আবেদন জানিয়েছেন যাতে দ্রুত এই জরুরি ড্রেনটি নির্মাণ করা হয়।1
- দুর্গাপুরে বেঙ্গল বিজনেস কাউন্সিলের একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানে দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণ চন্দ্র ঘড়ুই, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট বাঙালি ব্যবসায়ীরাও উপস্থিত ছিলেন। বন্ধন ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রশেখর ঘোষ জানান যে, প্রায় পাঁচ বছর আগে কলকাতা থেকে বেঙ্গল বিজনেস কাউন্সিলের পথচলা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বাঙালি ব্যবসায়ীদের নিয়ে গঠিত এই সংগঠন দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও তাদের কার্যক্রম বিস্তৃত করেছে। সংস্থার মূল লক্ষ্য হলো আগামী প্রজন্মের বাঙালি যুবকদের ব্যবসার প্রতি উৎসাহিত করা এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করা। এদিনের সভায় ব্যবসায়ীরা পশ্চিমবঙ্গে শিল্প ও কর্মসংস্থানের আরও সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে উপস্থিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে বিভিন্ন দাবি ও প্রস্তাব তুলে ধরেন। চন্দ্রশেখর ঘোষ আরও জানান, মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল আশ্বাস দিয়েছেন যে তিনি প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি সংশ্লিষ্ট মহলে তুলে ধরবেন এবং যেখানে সম্ভব সহযোগিতা করবেন।1
- বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে বাঘমুণ্ডি বিধানসভার ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত খুশি হাই স্কুলে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল।1
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য নজির স্থাপন করে পুরুলিয়ার বুকে মহরমের শোভাযাত্রা সম্পূর্ণ শান্তিতে ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই শান্তিপূর্ণ আয়োজন স্থানীয়দের মধ্যে গভীর ঐক্যের বার্তা দিয়েছে।1
- রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভায় আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে সিএমইআরআই-এর প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। দুর্গাপুরে সেন্ট্রাল মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিএমইআরআই) পরিদর্শনের পর তিনি জানান, প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে জ্বালানি, জৈব বর্জ্য থেকে সার, শুকনো পাতা থেকে বিকল্প জ্বালানি এবং নির্মাণ বর্জ্য থেকে কম খরচে ইট তৈরির প্রযুক্তি রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভায় প্রয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী আরও জানান, এই উদ্যোগে রাজ্য সরকার জমি দেবে এবং সিএমইআরআই প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে পুরনো জমে থাকা বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য আধুনিক কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এর ফলে বর্জ্য আলাদা করে পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ কমার পাশাপাশি রাজস্ব আয়েরও সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে তিনি দাবি করেন। অগ্নিমিত্রা পাল এই প্রসঙ্গে পূর্ববর্তী রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে বলেন যে, তারা কেন্দ্রের গবেষণা ও প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দেয়নি এবং মানুষকে বোঝানো হয়েছিল যে কেন্দ্র বাংলাকে বঞ্চিত করছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, বর্তমানে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর মন্তব্য, “এখন সবাই বুঝতে পারছেন কেন ডবল ইঞ্জিনের সরকার দরকার বলেছিলাম।” নগর উন্নয়ন দপ্তরের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই সিএমইআরআই-কে চিঠি পাঠানো হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা বর্জ্য নিষ্পত্তি প্রকল্পে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।1