কতিপয় বাম নেতা , বাম প্রার্থীর বদলে তৃণমুল কংগ্রেস প্রার্থী কে সুবিধা করে দেবার জন্য বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছেন, অভিযোগ করলেন বিজেপি নেতা শংকর ঘোষ গত সাত আট বছরে প্রায় সব নির্বাচনের ঠিক মুখে কিছু মানুষ ধর্মনিরপেক্ষতার পোষাক পড়ে বিষ ছড়াতে শুরু করে। এরা দিনে পোষ্টার মেরে, লিফলেট ছড়িয়ে রাতে তৃনমূলের প্রার্থীর বাড়ি পৌঁছে পরবর্তী পরিকল্পনা করতে যান, এই কথা এখন বাজারে ঘাটে শোনা যাচ্ছে । একজন নাট্য দলের সঙ্গে যুক্ত এবং একজন কলেজের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক এই কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন । এরা হরগোবিন্দ দাস , চন্দন দাসকে যারা কুপিয়ে হত্যা করেছে তাদের সমর্থনকারীদের কে সাথে নিয়ে , সংখ্যাগুরু মৌলবাদের বিপদের গল্প শোনায়। কিন্তু বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচারে, এরা বৈদেশিক ব্যাপার বলে চুপ করে থাকে।ব্যক্তি জীবনে প্রতিষ্ঠিত এবং কর্মক্ষেত্রে নিজ গুনে পরিচিত এই সমস্ত মানুষের দ্বিচারিতা বেদনাদায়ক। সম্মানীয় এই ব্যক্তিদের মধ্যস্বত্ব ভোগী বলবার ধৃষ্টতা আমার নেই । তৃণমূল কংগ্রেসের নরকের রাজত্বকে* টিকিয়ে রাখবার জন্য ,এই বাম নেতাদের প্রচেষ্টা আলোচনার দাবি রাখে বিশেষত এখনও যারা বামেদেরকে সমর্থন করেন তাদের কাছেও। সাধারন মানুষ এদের পরিচয় জেনে গেছে। সাধারন মানুষ এর আলোচনা পথ তৈরি করতে এই কথা বলা। প্রাক্তন বাম আন্দোলনের কর্মী হিসেবে এই কথাগুলো তুলে ধরলাম এই কারণে, বামেদের নেতৃত্বের একাংশ তৃণমূলের পক্ষ নিয়ে এই রাজ্যে তারা কাজ করছেন এবং এই রাজ্যকে রসাতলে পাঠানোর পেছনে তৃণমূলের সঙ্গী বামনেতারাও সমানভাবে দায়ী।
কতিপয় বাম নেতা , বাম প্রার্থীর বদলে তৃণমুল কংগ্রেস প্রার্থী কে সুবিধা করে দেবার জন্য বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছেন, অভিযোগ করলেন বিজেপি নেতা শংকর ঘোষ গত সাত আট বছরে প্রায় সব নির্বাচনের ঠিক মুখে কিছু মানুষ ধর্মনিরপেক্ষতার পোষাক পড়ে বিষ ছড়াতে শুরু করে। এরা দিনে পোষ্টার মেরে, লিফলেট ছড়িয়ে রাতে তৃনমূলের প্রার্থীর বাড়ি পৌঁছে পরবর্তী পরিকল্পনা করতে যান, এই কথা এখন বাজারে ঘাটে শোনা যাচ্ছে । একজন নাট্য দলের সঙ্গে যুক্ত এবং একজন কলেজের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক এই কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন । এরা হরগোবিন্দ দাস , চন্দন দাসকে যারা কুপিয়ে হত্যা করেছে তাদের সমর্থনকারীদের কে সাথে নিয়ে , সংখ্যাগুরু মৌলবাদের বিপদের গল্প শোনায়। কিন্তু বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচারে, এরা বৈদেশিক ব্যাপার বলে চুপ করে থাকে।ব্যক্তি জীবনে প্রতিষ্ঠিত এবং কর্মক্ষেত্রে নিজ গুনে পরিচিত এই সমস্ত মানুষের দ্বিচারিতা বেদনাদায়ক। সম্মানীয় এই ব্যক্তিদের মধ্যস্বত্ব ভোগী বলবার ধৃষ্টতা আমার নেই । তৃণমূল কংগ্রেসের নরকের রাজত্বকে* টিকিয়ে রাখবার জন্য ,এই বাম নেতাদের প্রচেষ্টা আলোচনার দাবি রাখে বিশেষত এখনও যারা বামেদেরকে সমর্থন করেন তাদের কাছেও। সাধারন মানুষ এদের পরিচয় জেনে গেছে। সাধারন মানুষ এর আলোচনা পথ তৈরি করতে এই কথা বলা। প্রাক্তন বাম আন্দোলনের কর্মী হিসেবে এই কথাগুলো তুলে ধরলাম এই কারণে, বামেদের নেতৃত্বের একাংশ তৃণমূলের পক্ষ নিয়ে এই রাজ্যে তারা কাজ করছেন এবং এই রাজ্যকে রসাতলে পাঠানোর পেছনে তৃণমূলের সঙ্গী বামনেতারাও সমানভাবে দায়ী।
- কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের হাড়িভাঙ্গা অঞ্চলের নাকাকাটি বাজারে রাজনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার হলো। এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এক জনসংযোগ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, যেখানে স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীদের সক্রিয় উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন, তাঁদের অভাব-অভিযোগ শোনা এবং রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের বার্তা তুলে ধরা। জনসংযোগ চলাকালীন বাজার এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং বহু সাধারণ মানুষ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এদিনের কর্মসূচির অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল বিজেপি ছেড়ে বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থকের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান। নতুন যোগদানকারীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাঁদের স্বাগত জানান তৃণমূল নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রে দাবি, এই যোগদান প্রমাণ করে যে এলাকার মানুষ উন্নয়নের স্বার্থে তৃণমূল কংগ্রেসের উপর আস্থা রাখছেন। অন্যদিকে, বিজেপির পক্ষ থেকে এই যোগদানকে গুরুত্বহীন বলে দাবি করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য, নির্বাচনের আগে এ ধরনের দলবদল নতুন কিছু নয় এবং এতে ভোটের ফলাফলে তেমন প্রভাব পড়বে না। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ধরনের জনসংযোগ ও দলবদল যে কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক2
- Post by Jakir Islam1
- কুর্শাহাটে বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে 'জয় শ্রী রাম' স্লোগান পাল্টা তৃণমূল কর্মীদের 'জয় বাংলা' স্লোগান!1
- বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই কোচবিহারের ভেটাগুড়িতে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক টানাপোড়েন। সোমবার বিকেলে ৬/১৫৮ নম্বর বুথের পঞ্চায়েত সদস্য বিপ্লব বর্মন বিজেপি ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। তবে এই যোগদানের প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নাটকীয় এবং চাঞ্চল্যকর। বিপ্লব বর্মনের অভিযোগ, রবিবার গভীর রাতে বিজেপি কর্মীরা তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়ে তাঁকে রীতিমতো প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তাঁর দাবি, সেই সময় চরম ভয়-ভীতি দেখিয়ে এবং জোরাজুরি করে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। জোরপূর্বক করানো সেই দলবদলের রেশ কাটতে না কাটতেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পালটা জবাব দিলেন তিনি। সোমবার বিকেলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তিনি তৃণমূলে ছিলেন এবং তৃণমূলের সঙ্গেই থাকবেন।1
- তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ-র গ্রেফতারি আশঙ্কা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়। তিনি দাবি করেন, “উনাকে অনেক আগেই গ্রেফতার করা উচিত ছিল।” এই মন্তব্য ঘিরে দিনহাটার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।1
- মাথাভাঙ্গা,মাথাভাঙ্গা হাজরাহাট এলাকায় বিজেপির প্রচার ঘিরে তৃণমূল বিজেপি উত্তেজনা ।বিজেপির অভিযোগ এদিন এলাকায় প্রচারে বেরহোল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা প্রচারে বাধা দেয় এবং মারধর করে বিজেপি কর্মীদের। তৃণমূলের দাবি বিজেপির বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাতৃশক্তি কার্ড বিলি করছে বলছে ৩০০০ টাকা পাবে। পাশাপাশি আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড জেরক্স নিচ্ছে। নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করছে বিজেপি।সেটার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।উল্টে বিজেপির লোকজন তৃণমূল কর্মীকে মারধর করেছে।1
- পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযানে নামে পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে একটি নির্জন এলাকা থেকে এই বোমাগুলি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে পুলিশ এবং সঙ্গে সঙ্গে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলে খবর দেওয়া হয়। পরে বিশেষজ্ঞরা এসে বোমাগুলি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করেন। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চরম আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ভোটের ঠিক আগে এ ধরনের বিস্ফোরক উদ্ধার হওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। বিভিন্ন দল একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলতে শুরু করেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার সঙ্গে নির্দিষ্টভাবে কারও যোগ প্রমাণিত হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, প্রথম দফার ভোট যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, তার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে এবং সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।1