Shuru
Apke Nagar Ki App…
রাজ্যে শিল্প ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ₹৪.৩৯ লক্ষ কোটি টাকার একটি বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। সরকার দাবি করছে যে এই বাজেট ঘোষণার মাধ্যমে রাজ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে এবং শিল্পোন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।
BENGAL MIRROR
রাজ্যে শিল্প ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ₹৪.৩৯ লক্ষ কোটি টাকার একটি বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। সরকার দাবি করছে যে এই বাজেট ঘোষণার মাধ্যমে রাজ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে এবং শিল্পোন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ভরসা কর্মসূচির অধীনে বয়সসীমা বৃদ্ধি করা হলে তা ৪০ থেকে ৪৫ বছর পর্যন্ত করা হবে। এই কর্মসূচির আওতায় স্নাতকরা প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা ভাতা পাবেন। অন্যদিকে, অন্যান্য অংশগ্রহণকারীরা মাসিক ২০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।1
- ইন্দাস পুলিশ অবৈধ বালি পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে তিন জনকে নিজেদের জালে আটক করেছে। এই পাচারকারীরা অবৈধভাবে বালি পাচার করার সময়েই ইন্দাস পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।1
- ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বাজেট ঘোষণার পর রাজ্যের প্রথম বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া নিয়ে নব্য তৃণমূল শিবির প্রশ্ন তুলেছে। নব্য তৃণমূল শিবিরের মধ্যে এই নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে যে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বাজেট ঘোষণার পর আদৌ খুশি কিনা।1
- আজ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় রাজ্যের বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করা হয়েছে। এটি ২০২৬-২০২৭ অর্থবর্ষের জন্য নিবেদিত বাজেট। এই বাজেট পেশের দিনে সরকারের পক্ষ থেকে একটি 'বাজেট পুস্তিকা'ও প্রকাশ করা হয়।1
- প্রশাসন মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের পাশে দীর্ঘদিনের একটি অবৈধ নির্মাণ ভেঙে সরিয়ে দিয়েছে। এই অভিযানে বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন।1
- কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র সম্প্রতি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর পরিচিত স্পষ্টবক্তা ও আক্রমণাত্মক শৈলীতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁর এই বক্তব্য আগামী দিনে বিরোধী শিবিরের রণকৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সাংসদ মৈত্র বরাবরের মতোই সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বাস্তব সমস্যাগুলি থেকে সাধারণ মানুষের নজর ঘোরাতে এবং বিরোধী কণ্ঠরোধ করতে এই সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও, তিনি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং নির্দিষ্ট কিছু বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর প্রতি সরকারের অতিরিক্ত পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তীব্র আক্রমণ শানান। মহুয়া মৈত্র সংসদের গণতান্ত্রিক রীতিনীতি এবং বিরোধী সাংসদদের অধিকার খর্ব করার চেষ্টার বিরুদ্ধেও সোচ্চার হন। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, কোনো রকম চাপের মুখে মাথা নত না করে তিনি সাধারণ মানুষের পক্ষে সওয়াল করে যাবেন। তিনি বলেন, "ভয় দেখিয়ে বা কণ্ঠরোধ করে সত্যকে চেপে রাখা যাবে না। জনগণের অধিকারের জন্য এই লড়াই সংসদের ভেতরে এবং বাইরে জারি থাকবে।" বিশেষজ্ঞরা মহুয়া মৈত্রের এই সাংবাদিক সম্মেলনকে কেবল সরকারের সমালোচনা নয়, বরং তাঁর রাজনৈতিক দৃঢ়তার এক জোরালো বার্তা হিসেবে দেখছেন, যা রাজ্য তথা দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।1
- পথের বৃষ্টি এবং পাংচার হওয়া টায়ারের মতো কঠিন বাধাগুলি অতিক্রম করতে সক্ষম হলেও, রাশ্রিণী শেষ পর্যন্ত নিয়মের যান্ত্রিক দেওয়ালের সামনে আটকে গেলেন। মাত্র দুই মিনিটের এই স্বল্প সময়ের কারণে একটি মেয়ের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন নির্মমভাবে শেষ হয়ে গেল। এই ঘটনা সমাজের সামনে মানবিকতার অভাব এবং সিস্টেমের ত্রুটি নিয়ে গভীর প্রশ্ন তৈরি করেছে, যা এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি ফুটিয়ে তুলেছে।1
- আদালতে পেশ করার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার পথে এক ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এই সময় কোর্টে পৌঁছানোর আগেই জনতা রামেন্দুকে লক্ষ্য করে ডিম ছুঁড়েছে।1