Shuru
Apke Nagar Ki App…
পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর শেখ রাজার পার্টি অফিস দখল করে নিয়েছে বিজেপি কর্মীরা। বিজেপি কর্মীদের দাবি, তারা বাংলার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করে এই পদক্ষেপ নিয়েছে এবং কাউকে রেয়াত করা হবে না। বিজেপি কর্মীরা আরও জানিয়েছে যে, এই পার্টি অফিস থেকে বিভিন্ন ধরনের 'দুষ্কর্ম' সংঘটিত হতো। তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, এখানে তোলাবাজি, রাহাজানি এবং হিন্দু মেয়েদের 'কুপ্রস্তাব' দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটতো।
Arindam Chatterjee
পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর শেখ রাজার পার্টি অফিস দখল করে নিয়েছে বিজেপি কর্মীরা। বিজেপি কর্মীদের দাবি, তারা বাংলার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করে এই পদক্ষেপ নিয়েছে এবং কাউকে রেয়াত করা হবে না। বিজেপি কর্মীরা আরও জানিয়েছে যে, এই পার্টি অফিস থেকে বিভিন্ন ধরনের 'দুষ্কর্ম' সংঘটিত হতো। তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, এখানে তোলাবাজি, রাহাজানি এবং হিন্দু মেয়েদের 'কুপ্রস্তাব' দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটতো।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিজেপি সরকার আসার পর রাজ্যজুড়ে প্রথম জনকল্যাণ শিবির আয়োজিত হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে নৈহাটি পৌরসভাতেও নৈহাটি পৌর এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য জনকল্যাণ শিবির চলছে, যেখানে সাধারণ মানুষ নিজেদের জনকল্যাণমুখী প্রকল্পের সুবিধা হাতের নাগালে পাওয়ার জন্য আসছেন এবং প্রচুর ভিড় করছেন। আজ, এই জনকল্যাণ শিবিরের তৃতীয় দিনে, বিজেপি কর্মীদের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের তৃষ্ণা নিবারণ করতে একটি জলছত্র স্থাপন করা হয়েছে। তীব্র দাবদাহে তৃষ্ণার্ত মানুষের তৃষ্ণা মেটাতে এই জলছত্র থেকে ঠান্ডা জলের পাশাপাশি বাতাসা বিতরণ করা হচ্ছে। নৈহাটি পৌরসভায় বিজেপি কর্মীরা এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।4
- তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 'আগে পুনর্বাসন, পরে হকার উচ্ছেদ' এই মূল দাবিতে পথে নেমেছেন। হকারদের উচ্ছেদের আগে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার জোর দাবি নিয়ে তিনি এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।1
- পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া শহরে এবার পিএনজি (পাইপড ন্যাচারাল গ্যাস) সংযোগ চালু হয়ে গেল। এর ফলে শহরের বাসিন্দাদের রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই নতুন পরিষেবা শহরবাসীর জন্য একটি বড় স্বস্তি নিয়ে আসবে।1
- জায়েদ আনোয়ারের উদ্যোগে কলকাতা ওয়ার্ড ৪৪-এ নতুন কংগ্রেস কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়েছে। মনশ সরকার এই কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন করেন। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনেক নতুন সদস্য কংগ্রেস পার্টিতে যোগদান করেন।1
- অগ্নিমিত্রা পাল ঘোষণা করেছেন যে স্বচ্ছতা অভিযান জোরেশোরে চলবে এবং কোথাও ময়লা ফেললে জরিমানা দিতে হবে। তিনি জানান, মানুষকে শুধরে যাওয়ার জন্য তিন মাসের সময় দেওয়া হয়েছে, এরপর থেকে নিয়ম না মানলে কঠোরভাবে পেনাল্টি ধার্য করা হবে। নো পার্কিং জোনে গাড়ি দাঁড় করালেও জরিমানা দিতে হবে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে একটি নতুন স্বচ্ছতা অ্যাপ আনা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাল একইসাথে পূর্বতন সরকারকেও নিশানা করেন এবং বলেন যে স্বচ্ছতার জন্য তিনি সবার সঙ্গে মিলে কাজ করতে চান।1
- বুধবার সন্ধ্যায় হাওড়ার ডোমজুড় বিধানসভা কেন্দ্রের নিবড়া এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে আগুন লেগেছে। কার্যালয়টি দাউ দাউ করে জ্বলতে দেখা যায়।1
- বিজপুর থানার পুলিশ সম্প্রতি সাধারণ মানুষের হারিয়ে যাওয়া ১৯টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে তাদের প্রকৃত প্রাপকদের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছে। এর পাশাপাশি, সাইবার প্রতারণার শিকার হয়ে যারা অর্থ হারিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন, সেইসব প্রতারণা মামলায় এখনো পর্যন্ত প্রায় ৪ লাখ ৯১ হাজার টাকা উদ্ধার করে প্রাপকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি সেন্ট্রাল আসিম খান জানিয়েছেন যে, সাইবার প্রতারণা থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে এবার পুলিশের পক্ষ থেকেও সচেতনতামূলক ব্যবস্থা করা হবে। নিজেদের হারানো জিনিস ও অর্থ ফিরে পেয়ে সকলেই অত্যন্ত খুশি এবং তাঁরা বিজপুর থানার পুলিশকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।2
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে শনিবার কলকাতা পুরসংস্থার উদ্যোগে বাগবাজারের মায়ের ঘাটে 'স্বচ্ছতা সে স্বাগত' কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং নাগরিকদের মধ্যে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই বিশেষ আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং পুরো ও নগরান্নন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল উপস্থিত ছিলেন।1
- বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ময়দান ছাড়েননি। তিনি হকারদের অধিকারের লড়াইয়ে নেমেছেন এবং তাদের হাত ধরে নতুন করে সংগ্রাম শুরু করেছেন। এটিকে তাঁর ‘জেদী’ মনোভাবের পরিচায়ক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে পরাজয়ের পরও তিনি দমে না গিয়ে নতুন পথে এগিয়ে চলেছেন।1