Shuru
Apke Nagar Ki App…
যুবশ্রী প্রকল্প চালু হতেই বলরামপুরে আবেদনকারীদের ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি জনুমুখি প্রকল্প বাড়ানো হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো যুবশ্রী প্রকল্প। রবিবার এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় রাজ্য জুড়ে। এরই মধ্যে সোমবার পুরুলিয়ার বলরামপুর ব্লকে যুবশ্রী প্রকল্পের জন্য আবেদনকারীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এদিন বলরামপুর ব্লকের বিভিন্ন জায়গার যুবক যুবতীরা ব্লক অফিস থেকে ফর্ম সংগ্রহ করা এবং জমা দেওয়ার জন্য স্বআগ্রহের সাথে ভিড় জমান। এদিন আবেদন করতে আসা যুবক যুবতীরা জানান, যুবশ্রী প্রকল্পের আর্থিক অনুদান স্বল্প হলেও, তাঁরা বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। যারা চাকরির পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা পড়াশোনার ক্ষেত্রে এ টাকা খরচ করে অনেকটাই উপকার হবে। তাই মূল্য সল্প হলেও তারা খুশী।
Balarampur Tv
যুবশ্রী প্রকল্প চালু হতেই বলরামপুরে আবেদনকারীদের ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি জনুমুখি প্রকল্প বাড়ানো হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো যুবশ্রী প্রকল্প। রবিবার এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় রাজ্য জুড়ে। এরই মধ্যে সোমবার পুরুলিয়ার বলরামপুর ব্লকে যুবশ্রী প্রকল্পের জন্য আবেদনকারীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এদিন বলরামপুর ব্লকের বিভিন্ন জায়গার যুবক যুবতীরা ব্লক অফিস থেকে ফর্ম সংগ্রহ করা এবং জমা দেওয়ার জন্য স্বআগ্রহের সাথে ভিড় জমান। এদিন আবেদন করতে আসা যুবক যুবতীরা জানান, যুবশ্রী প্রকল্পের আর্থিক অনুদান স্বল্প হলেও, তাঁরা বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। যারা চাকরির পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা পড়াশোনার ক্ষেত্রে এ টাকা খরচ করে অনেকটাই উপকার হবে। তাই মূল্য সল্প হলেও তারা খুশী।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বলরামপুর ব্লকের বড়উরমা অঞ্চল থেকে ১৬৪ নম্বর বুথে রাজনৈতিক সমীকরণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেল। বড়উরমা অঞ্চলের অঞ্চল সভাপতি বিন্দাবন মাহাতোর নেতৃত্বে এবং বলরামপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুমিত পান্ডার হাত ধরে বিজেপি ছেড়ে তৃনমূল কংগ্রেসে এ যোগদান করল প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি পরিবার। তৃণমূল সূত্রে জানা গেছে, এই যোগদান কর্মসূচিতে আনুমানিক ১৩০ থেকে ১৫০ জন অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বলরামপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুমিত পান্ডা সহ দলের অন্যান্য কর্মী ও নেতৃত্ব। নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। অন্যদিকে, বিজেপির জেলা সেক্রেটারি বিরিঞ্চি কুমার এই যোগদানকে “পরিকল্পনাভাবে সাজানো ঘটনা” বলে দাবি করেছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই যোগদান আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির জন্য যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও এই রাজনৈতিক রদবদলের প্রকৃত প্রভাব কতটা পড়বে, তা বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেই স্পষ্ট হবে বলে মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।1
- যোগার কিছু মূহুর্ত চিত্র শেয়ার করলাম 🚩 🚩 🚩 🙏 🙏 🙏4
- জেলার প্রখ্যাত লোক শিল্পীদের মানপত্রসহ সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে। বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি সহ একাধিক ব্যক্তির উপস্থিতিতে বাড়িতে পৌঁছানো হচ্ছে মানপত্র। সে মতো বরাবাজার ব্লকের অন্তর্গত হে র বনা গ্রামের শংকর তন্তু বাইকে তার বাড়িতে গিয়ে মালপত্র এবং সংবর্ধনা প্রদান করে মানভূম কালচারাল একাডেমীর চেয়ারপারসন তথা। পুরুলিয়া জেলা পরিষদের পূর্ত কার্য ও পরিবহন স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ হংসেশ্বর মাহাতো। এদিন সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ সুমিতা সিংহ মল্ল, সিন্দরী গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বিশ্বজিৎ মাহাতো, বরাবাজার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মিনতি হাসদা ছাড়াও একাধিক ব্যক্তি1
- Post by Sangbadbangla24X71
- ২০২৬-২৭ বর্ষের ব্যাজেট পেশ হলো পুরুলিয়া জেলা পরিষদের, ২৫৮,৪৬,৭৭৪৩.৫১ টাকার কাজ হবে জেলার কুড়িটি ব্লকে, উপস্থিত জেলার নির্বাচিত জন প্রতিনিধিরা।1
- পুরুলিয়া জেলা পরিষদের প্রায় এ০ লক্ষ টাকা বরাদ্দে কমিউনিটি হলের উব্ধোধন হল সোমবার।1
- সোমবার দিন পুরুলিয়া জেলার মানবাজার বিধানসভার মানবাজারে আয়োজিত হল তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সভার অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মানবাজার বিধানসভার বিধায়িকা তথা পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়নমন্ত্রী সন্ধ্যা রানী টুডু। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পুরুলিয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলা সভাপতি গুরুপদ টুডু, সহ উপস্থিত ছিলেন মানবাজার এলাকার তিন নম্বর কংগ্রেসের অন্যান্য কর্মীরা।1
- কৃষকরা যাতে ন্যায্য মূল্যের বিনিময় তাদের ধান বিক্রি করতে পারে তার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে কৃষক বাজারে ধান বিক্রি করার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু অনেক সময় লক্ষ্য করা যায় কৃষকদের ধান বিক্রি করতে এসে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সম্প্রতি হঠাৎ ধান ক্রয় করার পরিমাণ কমে যাওয়ায় সমস্যার মুখে পড়েছে সাধারণ কৃষকেরা। বলরামপুর ব্লকের কৃষক বাজারে মঙ্গলবার ধান বিক্রি করতে এসে বেশ সমস্যার সম্মুখীন হয় কৃষকেরা। তাদের অভিযোগ, "আগে সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী আমাদের কাছ থেকে একবারে ৩০ কুইন্টাল ধান ক্রয় করা হতো। কিন্তু কোন নির্দেশিকা ছাড়াই ফোন মারফত গতকাল রাত্রিবেলা জানানো হয়, ৩০ কোনটেল এর জায়গায় এবার থেকে দশ কুইন্টাল ধান নেওয়া হবে। আমাদের ধান বিক্রয়ের জন্য দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। তাই আমরা ফোন পাওয়ার পূর্বেই আমাদের গাড়ি ধান নিয়ে কৃষক বাজারে চলে আসি। যার কারণে আমাদের বিশেষভাবে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়" অপরদিকে এ বিষয়ে বলরামপুর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সৌগত চৌধুরী জানান,"গতকাল এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি মিটিং হয়। মিটিং এর পর এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে যে এবার থেকে এক দফায় ১০ কুইন্টাল করে ধান ক্রয় করা হবে। যদিও হঠাৎ সিদ্ধান্তের কারণে চাষিদের সমস্যা হয়েছে। তাই আজ যারা ধান নিয়ে এসেছেন, তাদের আবেদনের ভিত্তিতে আগের মতো ৩০ কুইন্টাল ধানই গ্রহণ করা হচ্ছে। কিন্তু এরপর আগামী সময়ে এক দফায় ১০ কুইন্টাল করেই ধান ক্রয় করা হবে, জমির পরিমাণ অনুসারে মেক্সিমাম ৯০ কুইন্টাল পর্যন্ত ধান ক্রয় করা হবে। আপাতত এই নিয়ম বহাল থাকবে।"1