আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে রবিবার সন্ধ্যায় মালদা জেলার কালিয়াচক থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে যান জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং। সন্ধ্যা প্রায় সাড়ে সাতটা নাগাদ থানায় পৌঁছে তিনি প্রথমেই থানার পরিকাঠামো, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম খতিয়ে দেখেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এসডিপিও ফয়সাল রেজা। কালিয়াচক থানার আইসি লিটন রক্ষীত ও অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকদের নিয়ে পুলিশ সুপার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। বৈঠকে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, স্পর্শকাতর এলাকায় নজরদারি বাড়ানো, রুট মার্চের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং টহলদারি আরও জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পুলিশ সুপার স্পষ্ট নির্দেশ দেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনও ধরনের গণ্ডগোল বা অশান্তির চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না। এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও তিনি জানান। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অনুপম সিং বলেন, “সাধারণ মানুষ যেন নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, সেটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।” তিনি আরও জানান, নির্বাচন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে পুলিশ সর্বদা সতর্ক থাকবে।
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে রবিবার সন্ধ্যায় মালদা জেলার কালিয়াচক থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে যান জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং। সন্ধ্যা প্রায় সাড়ে সাতটা নাগাদ থানায় পৌঁছে তিনি প্রথমেই থানার পরিকাঠামো, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দৈনন্দিন প্রশাসনিক
কার্যক্রম খতিয়ে দেখেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এসডিপিও ফয়সাল রেজা। কালিয়াচক থানার আইসি লিটন রক্ষীত ও অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকদের নিয়ে পুলিশ সুপার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। বৈঠকে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, স্পর্শকাতর এলাকায় নজরদারি বাড়ানো,
রুট মার্চের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং টহলদারি আরও জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পুলিশ সুপার স্পষ্ট নির্দেশ দেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনও ধরনের গণ্ডগোল বা অশান্তির চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না। এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা
গ্রহণের কথাও তিনি জানান। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অনুপম সিং বলেন, “সাধারণ মানুষ যেন নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, সেটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।” তিনি আরও জানান, নির্বাচন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে পুলিশ সর্বদা সতর্ক থাকবে।
- “রাস্তা না হলে ভোট নয়!” মালদার বাগদিঘিতে জনতার হুঁশিয়ারি, ২ কিমি কাঁচা রাস্তায় নাজেহাল গ্রামবাসী1
- Post by MALDA SANGBAD1
- পুরাতন মালদার উন্নয়ন করার জন্যই মুখ্যমন্ত্রী আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন। জিতলে মালদা বিধানসভা কেন্দ্রকে ঢেলে সাজাবো। প্রচারের ফাঁকে বললেন মালদা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ও মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা বর্মন ঘোষ।1
- এই ভিডিওতে রাজ্যের নতুন একটি কর্মসংস্থান প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। এই স্কিমের মাধ্যমে যুবক-যুবতীদের জন্য কাজ ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। এই প্রকল্প অনুযায়ী, একজন কর্মী যদি একটি কাজে ২০ দিন যুক্ত থাকেন, তাহলে তাকে অন্য একটি কাজে আরও ২০ দিনের জন্য কাজ দেওয়া হবে। এর ফলে নিয়মিত কাজের সুযোগ পাওয়া সহজ হবে। এছাড়াও, রাজ্যের প্রায় ৫০০টি কর্ম তীর্থ কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ১০ লক্ষ যুবক-যুবতীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দরিদ্র মানুষের জন্য বিনামূল্যে দোকানের ব্যবস্থাও করা হবে, যাতে তারা নিজের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা এবং শ্রমের মর্যাদা রক্ষা করা। 👉 এই ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক, শেয়ার ও সাবস্ক্রাইব করুন।1
- জোরকদমে ভোট প্রচার করলেন মালদার হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআইএম প্রার্থী বাসুদেব মুর্মু। এদিন বাম নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি হবিবপুর বিধানসভার অন্তর্গত বামনগোলা ব্লকের নালাগোলা বাসস্ট্যান্ড, বাজার ও হাট এলাকায় ব্যাপক প্রচার চালান। প্রচারের সময় সাধারণ মানুষের কাছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তুলে ধরে সমর্থন চান তিনি। পাশাপাশি বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআইএম প্রার্থী হিসেবে তাঁকে জয়ী করার আবেদন জানান বাসুদেব মুর্মু।1
- সেই রকমেই একটি ছবি দেখা গেল গাজোল বিধানসভার অন্তর্গত দেওতলা অঞ্চলের ৬০নং মেথরানি বুথে। কিছুদিন আগেই বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণা হয় এবং মালদার গাজোল বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন প্রসেনজিৎ দাস । এবং এই বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গাজোল বিধানসভা এলাকার প্রত্যেক বুথে তৃণমূল কর্মীরা প্রচারে নেমে পড়েছেন । সেরকমই আজকে দেখা গেলো গাজোলের দেওতলা অঞ্চলের মেথরানি বুথে । ওই বুথের বুথ সভাপতি সহ একাধিক তৃণমূল কর্মীরা মিলেমিশে একত্রিত হয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় পতাকা ওই বুথের প্রত্যেক এলাকায় প্রত্যেক গ্রামে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় পতাকা লাগিয়ে বেড়াচ্ছেন এবং জোরদার ভাবে প্রচার চালাচ্ছেন।1
- নদীয়া থেকে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় খবর নদিয়ার শান্তিপুরের বেলঘরিয়া ২ পঞ্চায়েতের ৩০০ মহিলা ভোটার আজ গভীর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন, কারণ ভোটার তালিকার নতুন তালিকায় তাদের নাম হঠাৎ হারিয়ে গেছে। বহু বছর ধরে তারা এই দেশেই জন্মেছেন, এখানেই বসবাস, ভোট দিয়েছেন। কিন্তু সব নথি জমা দিয়েও, তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ। তারা বলছেন, যদি নাম না আসে, তবে তারা এই দেশেরই নাগরিক, কোথাও যাবেন না। ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, কিন্তু তারা অপেক্ষা করছেন, একটি স্বচ্ছ ভবিষ্যতের স্বপ্নে, যা হয়তো সময়ই দেখাবে।3
- নদীয়া থেকে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় খবর নদিয়ার শান্তিপুরের বেলঘরিয়া ২ পঞ্চায়েতের ৩০০ মহিলা ভোটার আজ গভীর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন, কারণ ভোটার তালিকার নতুন তালিকায় তাদের নাম হঠাৎ হারিয়ে গেছে। বহু বছর ধরে তারা এই দেশেই জন্মেছেন, এখানেই বসবাস, ভোট দিয়েছেন। কিন্তু সব নথি জমা দিয়েও, তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ। তারা বলছেন, যদি নাম না আসে, তবে তারা এই দেশেরই নাগরিক, কোথাও যাবেন না। ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, কিন্তু তারা অপেক্ষা করছেন, একটি স্বচ্ছ ভবিষ্যতের স্বপ্নে, যা হয়তো সময়ই দেখাবে।1