বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ধলপল ১ নম্বর অঞ্চলে কাটমানির টাকা ফেরতের দাবিতে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়। এলাকার বহু বাসিন্দা ধলপল ১ নম্বর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান অরুণ দাসের বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। এই বিক্ষোভ চলাকালীন ক্ষুব্ধ জনতা অরুণ দাসের বাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছুড়ে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ, অরুণ দাস ও তাঁর পিতা এলাকার এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা নিয়েছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে টাকা ফেরতের আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনো পর্যন্ত সেই অর্থ ফেরত দেওয়া হয়নি, এবং বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও কোনো সুরাহা মেলেনি। বিক্ষোভকারীদের একাংশ অভিযোগ করেন যে, প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হলেও পরবর্তীতে তা ফেরতের ক্ষেত্রে টালবাহানা করা হচ্ছে। দ্রুত টাকা ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভকারীরা স্লোগানও দেন। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ নজরদারি চালাচ্ছে, যদিও এখনও পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে অরুণ দাসের প্রতিক্রিয়া জানতে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি, ফলে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। একই কারণে তাঁর পিতারও কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে, তবে অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ধলপল ১ নম্বর অঞ্চলে কাটমানির টাকা ফেরতের দাবিতে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়। এলাকার বহু বাসিন্দা ধলপল ১ নম্বর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান অরুণ দাসের বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। এই বিক্ষোভ চলাকালীন ক্ষুব্ধ জনতা অরুণ দাসের বাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছুড়ে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ, অরুণ দাস ও তাঁর পিতা এলাকার এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা নিয়েছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে টাকা ফেরতের আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনো পর্যন্ত সেই অর্থ ফেরত দেওয়া হয়নি, এবং বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও কোনো সুরাহা মেলেনি। বিক্ষোভকারীদের একাংশ অভিযোগ করেন যে, প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হলেও পরবর্তীতে তা ফেরতের ক্ষেত্রে টালবাহানা করা হচ্ছে। দ্রুত টাকা ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভকারীরা স্লোগানও দেন। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ নজরদারি চালাচ্ছে, যদিও এখনও পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে অরুণ দাসের প্রতিক্রিয়া জানতে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি, ফলে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। একই কারণে তাঁর পিতারও কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে, তবে অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।
- বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ার স্টুডেন্ট গার্জিয়ান ওয়েলফেয়ার ফোরাম স্কুল শিক্ষকদের ছাত্র পড়ানোর অনুমতি দেওয়ার ‘অবাস্তব’ দাবি নিয়ে আলিপুরদুয়ার জেলা শাসকের কাছে একটি ডেপুটেশন জমা দিয়েছে। সংগঠনের সদস্যদের মতে, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় অনেক ছাত্রছাত্রী বিদ্যালয়ের পাঠদানের পাশাপাশি অতিরিক্ত শিক্ষাগত সহায়তার প্রয়োজন অনুভব করে। কিন্তু বিভিন্ন নিয়ম ও বিধিনিষেধের কারণে বহু শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে ছাত্রছাত্রীদের পড়াতে পারছেন না। ফোরামের পক্ষ থেকে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত স্কুল শিক্ষকদের ছাত্র পড়ানোর সুযোগ দিলে শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে এবং ছাত্রছাত্রীরা সরাসরি বিষয়ভিত্তিক সহায়তা পাবে। এদিন সংগঠনের প্রতিনিধিরা জেলা শাসকের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের কাছে এই বিষয়টি বিবেচনার জন্য আবেদন জানান। ডেপুটেশন কর্মসূচিতে উপস্থিত অভিভাবক ও সংগঠনের সদস্যরা এই দাবির দ্রুত সমাধানের গুরুত্বের উপর জোর দেন। সংগঠনের দাবি, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের এই দাবি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এদিনের ডেপুটেশনকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনিক ভবন চত্বরে কিছু সময়ের জন্য সরগরম পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সংগঠনটি ভবিষ্যতেও এই একই দাবিতে গণআন্দোলন গড়ে তোলার ইঙ্গিত দিয়েছে।1
- দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালের শিশু বিভাগের উন্নয়নের নামে গঠিত ‘শিশুমঙ্গল সমিতি’র আর্থিক দুর্নীতি মামলায় বড়সড় সাফল্য পেয়েছে দিনহাটা থানার পুলিশ। এই মামলার অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বিশু ধরকে বুধবার গভীর রাতে মালদা থেকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারী সূত্র অনুযায়ী, বিশু ধরের বিরুদ্ধে সমিতির তহবিল সংগ্রহ ও আর্থিক লেনদেনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকার অভিযোগ রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই পুলিশের নজরে ছিলেন এবং মালদায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত হওয়ার পরই অভিযান চালানো হয়। উল্লেখ্য, প্রাক্তন মন্ত্রী উদয়ন গুহের আবাস যোজনা দুর্নীতি মামলার তদন্ত চলাকালীনই শিশুমঙ্গল সমিতির আর্থিক তছরুপের অভিযোগ সামনে আসে। তদন্তকারীদের দাবি, সমিতির নামে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা হলেও সেই অর্থের একটি বড় অংশের হিসাব মেলেনি। পুলিশ মনে করছে, বিশু ধরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আর্থিক লেনদেন এবং অর্থের গতিপথ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। বৃহস্পতিবার বিশু ধরকে মালদা জেলা আদালতে পেশ করা হয়। সূত্রের খবর, তাঁকে দিনহাটায় এনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হতে পারে। এই গ্রেপ্তারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোচবিহারের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে, কারণ বিশু ধরকে দিনহাটার দাপুটে তৃণমূল নেতা এবং উদয়ন গুহের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত।1
- আজ বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কী কী বক্তব্য রাখলেন, সেই সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে।1
- প্রাক্তন মন্ত্রী উদয়ন গুহের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তৃণমূল নেতা বিশুধরকে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মালদা জেলা পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বুধবার গভীর রাতে মালদা থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। জানা গেছে, বিশুধরের বাড়ি কোচবিহার জেলার দিনহাটা এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বিশুধরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠছিল। গ্রেপ্তারের পর বৃহস্পতিবার দুপুরে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে তাকে মালদা জেলা আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হতে পারে বলে সূত্র মারফত খবর। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।1
- উদয়ন-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা বিশু ধরকে কোমরে দড়ি বেঁধে মালদা আদালতে পেশ করা হয়েছে।1
- আদালত প্রাক্তন উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহকে পাঁচ দিনের জন্য জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে।1
- কোচবিহারের বহুচর্চিত শিশু মঙ্গল কাণ্ডসহ একাধিক মামলায় নাম জড়ানো অভিযুক্ত বিশু ধরকে মালদার ইংরেজবাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে তোলা হয়। তদন্তকারী সূত্রে জানা গেছে, প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা উদয়ন গুহের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত বিশু ধরের বিরুদ্ধে শিশু মঙ্গল কাণ্ডসহ একাধিক বিতর্কিত ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার পর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মালদার ইংরেজবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত বিশু ধরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে শিশু মঙ্গল কাণ্ডসহ অন্যান্য মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হবে। তদন্তকারীদের অনুমান, এই ঘটনাগুলির নেপথ্যে আরও কয়েকজনের যোগসূত্র সামনে আসতে পারে। এদিন আদালতে তোলার সময় তদন্তকারী সংস্থা অভিযুক্তকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায় এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিনহাটা ও কোচবিহার জেলাজুড়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধীরা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য সামনে আনার দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে, এই বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।1
- দিনহাটার তৃণমূল নেতা বিশু ধরকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর কোমরে দড়ি বেঁধে আদালতে পেশ করা হয়েছে। এই ঘটনায় বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি।1