ভোটের আগে ফের তৃণমূলে ভাঙ্গন, সোনামুখী পৌরসহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে ৫০ টি পরিবারের প্রায় ২০০ জন তৃণমূল ও সিপিএম সমর্থিত কর্মী বিজেপিতে যোগদান করলেন, এটি সম্পূর্ণ নাটক ভোটের আগে হাওয়া গরম করার চেষ্টা, কোন তৃণমূল কর্মী-সমর্থক বিজেপিতে যোগদান করেনি দাবি তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর । ভোটের আগে ফের তৃণমূলে ভাঙ্গন, সোনামুখী পৌরসহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে ৫০ টি পরিবারের প্রায় ২০০ জন তৃণমূল ও সিপিএম সমর্থিত কর্মী বিজেপিতে যোগদান করলেন, এটি সম্পূর্ণ নাটক ভোটের আগে হাওয়া গরম করার চেষ্টা, কোন তৃণমূল কর্মী-সমর্থক বিজেপিতে যোগদান করেনি দাবি তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর । বাঁকুড়া জেলার তপশিলি রিজার্ভ বিধানসভা কেন্দ্র সোনামুখী বিধানসভা। যা বিজেপির গড় নামেই পরিচিত। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে এই কেন্দ্রে বিধায়ক নির্বাচন হয় তৎসময়ের বিজেপি প্রার্থী দিবাকর ঘরামী। এবারও দল তার ওপর এই ভরসা রেখেছে। এবার তার হাত আরো শক্ত করতে সোনামুখী বিধানসভার বিজেপি কনভেনার চঞ্চল সরকারের হাত ধরে সোনামুখী বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ে সোনামুখী পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে মোট ৫০ টি পরিবারের প্রায় ২০০ জন তৃণমূল এবং সিপিআইএম থেকে কর্মী সমর্থক বিজেপিতে যোগদান করলেন। এতে করে বিজেপি নেতারা মনে করছেন ২০২১ শে যত সংখ্যক ভোটে বিজেপি এই বিধানসভা কেন্দ্রে জয়লাভ করেছে এবার তার দ্বিগুণ ঘটে জয়লাভ করবে। সুতরাং এই যোগদান তাদের বাড়তি অক্সিজেন যোগাবে। যোগদান হওয়া তৃণমূল এবং সিপিআইএম কর্মী সমর্থকদের দাবি এলাকায় সেভাবে উন্নয়ন হয়নি আগামী দিনে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে তাই এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে তারা বিজেপিতে যোগদান করেছে। বিজেপির এই যোগদান করবো কে তীব্র কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। সোনামুখী বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ডক্টর কল্লল সাহার দাবি সম্পূর্ণ নাটক এটি। কোন তৃণমূল কর্মী সমর্থক বিজেপিতে যোগদান করেনি। নিজেদের কর্মীদের সাজিয়ে যোগদান করিয়ে ভোটের আগে হাওয়া গরম করার চেষ্টা করছে। তবে এইসব করে কিছু হবে না সোনামুখী বিধানসভা কেন্দ্রে এবার তৃণমূল কংগ্রেসী জয়লাভ করবে।
ভোটের আগে ফের তৃণমূলে ভাঙ্গন, সোনামুখী পৌরসহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে ৫০ টি পরিবারের প্রায় ২০০ জন তৃণমূল ও সিপিএম সমর্থিত কর্মী বিজেপিতে যোগদান করলেন, এটি সম্পূর্ণ নাটক ভোটের আগে হাওয়া গরম করার চেষ্টা, কোন তৃণমূল কর্মী-সমর্থক বিজেপিতে যোগদান করেনি দাবি তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর । ভোটের আগে ফের তৃণমূলে ভাঙ্গন, সোনামুখী পৌরসহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে ৫০ টি পরিবারের প্রায় ২০০ জন তৃণমূল ও সিপিএম সমর্থিত কর্মী বিজেপিতে যোগদান করলেন, এটি সম্পূর্ণ নাটক ভোটের আগে হাওয়া গরম করার চেষ্টা, কোন তৃণমূল কর্মী-সমর্থক বিজেপিতে যোগদান করেনি দাবি তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর । বাঁকুড়া জেলার তপশিলি রিজার্ভ বিধানসভা কেন্দ্র সোনামুখী বিধানসভা। যা বিজেপির গড় নামেই পরিচিত। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে এই কেন্দ্রে বিধায়ক নির্বাচন হয় তৎসময়ের বিজেপি প্রার্থী দিবাকর ঘরামী। এবারও দল তার ওপর এই ভরসা রেখেছে। এবার তার হাত আরো শক্ত করতে সোনামুখী বিধানসভার বিজেপি কনভেনার চঞ্চল সরকারের
হাত ধরে সোনামুখী বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ে সোনামুখী পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে মোট ৫০ টি পরিবারের প্রায় ২০০ জন তৃণমূল এবং সিপিআইএম থেকে কর্মী সমর্থক বিজেপিতে যোগদান করলেন। এতে করে বিজেপি নেতারা মনে করছেন ২০২১ শে যত সংখ্যক ভোটে বিজেপি এই বিধানসভা কেন্দ্রে জয়লাভ করেছে এবার তার দ্বিগুণ ঘটে জয়লাভ করবে। সুতরাং এই যোগদান তাদের বাড়তি অক্সিজেন যোগাবে। যোগদান হওয়া তৃণমূল এবং সিপিআইএম কর্মী সমর্থকদের দাবি এলাকায় সেভাবে উন্নয়ন হয়নি আগামী দিনে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে তাই এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে তারা বিজেপিতে যোগদান করেছে। বিজেপির এই যোগদান করবো কে তীব্র কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। সোনামুখী বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ডক্টর কল্লল সাহার দাবি সম্পূর্ণ নাটক এটি। কোন তৃণমূল কর্মী সমর্থক বিজেপিতে যোগদান করেনি। নিজেদের কর্মীদের সাজিয়ে যোগদান করিয়ে ভোটের আগে হাওয়া গরম করার চেষ্টা করছে। তবে এইসব করে কিছু হবে না সোনামুখী বিধানসভা কেন্দ্রে এবার তৃণমূল কংগ্রেসী জয়লাভ করবে।
- আকুই এক নম্বর অঞ্চলের ত্রিসালন শিব মন্দিরে পুজো দিয়ে নির্বাচনী প্রচারের শুভ সূচনা করলেন ইন্দাস বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদী। সকাল থেকেই মন্দির চত্বরে ভিড় জমাতে শুরু করেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মধ্য দিয়ে ধর্মীয় আচার পালনের পর মন্দিরে বিশেষ পুজো দেন প্রার্থী। পুজো শেষে এলাকার মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে তিনি প্রচারে নামেন। এই দিন শ্যামলী রায় বাগদীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকেরা। মন্দির প্রাঙ্গণ থেকেই শুরু হয় রঙিন শোভাযাত্রা, যা আকুই ও সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় পরিক্রমা করে। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী কর্মীদের মধ্যে ছিল প্রবল উৎসাহ ও উদ্দীপনা। দলীয় পতাকা, ব্যানার ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। প্রচারের সূচনালগ্নেই আত্মবিশ্বাসী সুর শোনা যায় তৃণমূল প্রার্থীর কণ্ঠে। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের উন্নয়নের ধারাকে সামনে রেখেই মানুষের কাছে যাচ্ছেন তিনি। বিগত দিনে ইন্দাস বিধানসভা এলাকায় যে উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, তা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য। গ্রামবাংলার রাস্তা, পানীয় জল, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে জোর দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেও তাদের সমস্যা ও চাহিদার কথা শোনেন শ্যামলী রায় বাগদী। তিনি আশ্বাস দেন, নির্বাচিত হলে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের সমস্যার দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করবেন। এদিনের এই কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়। ধর্মীয় আচার পালনের মাধ্যমে প্রচার শুরু করায় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে যেমন বাড়তি উদ্দীপনা দেখা গেছে, তেমনই সাধারণ মানুষের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, প্রচারের শুরুতেই এইভাবে মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারা নির্বাচনের লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।3
- রুদ্রনীল ঘোষ কে দেখে স্লোগান1
- ইন্দাস বিধানসভা এর বিজেপি প্রার্থী নির্মল কুমার ধারা ও তার দলবল প্রচার এ গিয়ে কেন্দ্র বাহিনী সামনে মহিলা দের উপর আক্রমণ করেন এবং একটি 6 বছর এর বাচ্ছার মেরে মাথা ফাটিয়ে দেন। ছিঃ ছিঃ ছিঃ বি জে পি1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- Post by রিপোর্টারAbhijit Santra1
- Election 2026 : মোদী মুখ্যমন্ত্রী ও মমতা প্রধানমন্ত্রী, আপনি কোন স্কুলে পড়াশোনা করেছেন?... #callrecording #viral1
- রায়নায় তৈরি হবে দমকল কেন্দ্র1
- আর কয়েকদিন পর প্রথম দফার নির্বাচন।তার আগেই উত্তপ্ত হলো বাঁকুড়া জেলার ইন্দাস বিধানসভা। প্রসঙ্গত ইন্দাস ব্লকের মঙ্গলপুর অঞ্চলের বিহার গ্রামে প্রচারে যান ইন্দাস বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নির্মল ধাড়া।অভিযোগ প্রচারে বেরিয়ে প্রথমে তিনি বেশ কয়েকজন মহিলা তৃণমূল কর্মীর উদ্দেশ্যে কটুক্তি করেন।পরে প্রত্যুত্তরে মহিলা তৃণমূল কর্মীরা প্রতিবাদ জানাতে গেলে এলাকা রীতিমতো রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করে।অভিযোগ ইঁট ছোড়া হয় বিজেপি শিবিরের পক্ষ থেকে যাতে বেশ কয়েকজন মহিলা আহত হয় এবং একজন শিশুর মাথা ফেটে যায়। কি কারনে এই ঘটনার সূত্রপাত? তা স্পষ্ট না হলেও। তৃণমূল মহিলা কর্মীদের অভিযোগ তারা তৃণমূল করে বলেই ওই বিদায়ী বিধায়ক তথা বিজেপি প্রার্থী নির্মল ধাড়ার গাত্র জ্বালা।অবিলম্বে তার কঠোরতম শাস্তি দাবি তুলেছেন তারা। ঘটনার পর ইন্দাস ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ওই আহত শিশুসহ মহিলাদের সাথে করে নিয়ে গিয়ে ইন্দাস থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় বিজেপি প্রার্থীসহ ঘটনায় জড়িত বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। ইন্দাস ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শেখ হামিদ জানান,পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বিজেপি,প্রশাসনের কাছে তিনি অভিযুক্তদের দ্রুত শাস্তির আর্জি জানিয়েন। যদিও বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। নির্মল বাবু জানান,শিশু আহত হওয়া দুঃখজনক ব্যাপার। কিন্তু এরকম কোনো ঘটনা তারা ঘটাননি।এটাকে একটা ইস্যু বানিয়ে ঘৃন্য রাজনীতি করছে তৃণমূল।3