মালদা জেলার গাজোলে নবজাগরণ সামাজিক সংগঠন তাদের নতুন কার্যালয় উদ্বোধন এবং বিশ্ব যোগ শিবির আয়োজনের ঘোষণা করেছে। এই সংগঠনটি সারা বছর ধরে সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করে থাকে। বিশেষ করে করোনা ভাইরাস মহামারীর সময় তারা বিভিন্নভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করেছে। সংগঠনটির নিজস্ব কোনো কার্যালয় ছিল না। এবার তারা গাজোলের কদুবাড়ি মোড় জোড়া মন্দির এলাকায় একটি নতুন কার্যালয় তৈরি করেছে। আগামী ২১শে জুন এই কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হবে এবং একই সাথে বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে একটি বৃহৎ বিশ্ব যোগ শিবিরের আয়োজন করা হবে। এই কর্মসূচিকে সফল করার লক্ষ্যে সম্প্রতি তারা একটি প্রেস কনফারেন্স করেছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২১শে জুন সারাদিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এই অনুষ্ঠানে মালদা জেলার বিভিন্ন বিধানসভার বিধায়ক এবং সাংসদরাও উপস্থিত থাকবেন।
মালদা জেলার গাজোলে নবজাগরণ সামাজিক সংগঠন তাদের নতুন কার্যালয় উদ্বোধন এবং বিশ্ব যোগ শিবির আয়োজনের ঘোষণা করেছে। এই সংগঠনটি সারা বছর ধরে সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করে থাকে। বিশেষ করে করোনা ভাইরাস মহামারীর সময় তারা বিভিন্নভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করেছে। সংগঠনটির নিজস্ব কোনো কার্যালয় ছিল না। এবার তারা গাজোলের কদুবাড়ি মোড় জোড়া মন্দির এলাকায় একটি নতুন কার্যালয় তৈরি করেছে। আগামী ২১শে জুন এই কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হবে এবং একই সাথে বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে একটি বৃহৎ বিশ্ব যোগ শিবিরের আয়োজন করা হবে। এই কর্মসূচিকে সফল করার লক্ষ্যে সম্প্রতি তারা একটি প্রেস কনফারেন্স করেছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২১শে জুন সারাদিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এই অনুষ্ঠানে মালদা জেলার বিভিন্ন বিধানসভার বিধায়ক এবং সাংসদরাও উপস্থিত থাকবেন।
- বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এক ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা টাউনের বাসিন্দা অভিজিৎ পাল এবং হুগলি জেলার মায়াপুরের পূজা মাঝি স্বামী-স্ত্রী হিসেবে প্রায় তিন মাস ধরে বিষ্ণুপুরের কুরচিবনে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। গত ১৫ জুন অভিজিৎ বেঙ্গালুরু থেকে ফিরে এসে জানতে পারেন যে, পূজা অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেছেন। এই নিয়ে তাঁদের মধ্যে তীব্র বিবাদ শুরু হয়। সেই একই দিনে অভিজিৎ বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বাড়ি মালিক তাঁদের বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলেন। এরপর, সকালে ঝগড়ার এক পর্যায়ে অভিজিৎ পাল ছুরি দিয়ে তাঁর স্ত্রীকে আঘাত করেন এবং নিজেও গলায় ছুরি চালিয়ে গুরুতর আহত হন। বর্তমানে দুজনেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।2
- আগামী ২১ জুন দ্বাদশ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালনের প্রস্তুতিতে মালদা জেলার হবিবপুর ব্লকে একটি বিশেষ যোগচর্চা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে হবিবপুর ব্লক প্রাঙ্গণে এই শিবিরের আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচিতে ব্লক প্রশাসনের আধিকারিক, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষ অংশ নেন। অনুষ্ঠানে হবিবপুরের বিডিও কৃষ্ণকান্ত মণ্ডল, হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুখীরানি সাহা, এবং পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ অচিন্ত্যকুমার সরকার-সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। যোগ প্রশিক্ষকের নির্দেশনায় অংশগ্রহণকারীরা শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য বিভিন্ন যোগব্যায়াম অনুশীলন করেন। এছাড়াও, সুস্থ জীবনযাপনের জন্য নিয়মিত যোগচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরা হয় এবং সকলকে যোগাভ্যাসে উৎসাহিত করার বার্তা দেওয়া হয়।1
- রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন। তবে তাঁর বক্তব্যে কী ছিল, সে বিষয়ে এই তথ্যে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।1
- অনেক দিন ধরে রাস্তা খারাপ অবস্থায় রয়েছে, যার কারণে গাড়ি চালানোর সময় খুব অসুবিধা হচ্ছে।1
- রাজ্যে ১৮ তারিখ পর্যন্ত বিশেষ শিবির চলবে এবং এই শিবিরগুলিতে মানুষের দীর্ঘ লাইন দেখে শুভেন্দু অধিকারী আস্থা প্রকাশ করেছেন।1
- নিট পরীক্ষা কান্ড নিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছেন। তিনি এই ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি তুলে ধরেছেন।1
- গোলাম রব্বানীর বাগান সংক্রান্ত একটি নতুন খবর আপনারা দেখতে পারেন।1
- বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান গৌতম গোস্বামী এবং ভাইস চেয়ারম্যান মহাবীর আগরওয়াল দুজনেই তাঁদের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে। একই দিনে গৌতম গোস্বামী তৃণমূল কংগ্রেসও ছেড়েছেন। বিষ্ণুপুর থেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, গৌতম গোস্বামী ১৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে পৌরসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন, এবং মহাবীর আগরওয়াল ৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে উপ-চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার ফলেই গৌতম গোস্বামী তাঁর পদত্যাগপত্র এক্সিকিউটিভ অফিসার এবং মহকুমা শাসকের কাছে জমা দেন। তিনি জানিয়েছেন যে চেয়ারম্যান পদ ছাড়ার পাশাপাশি তিনি তৃণমূল কংগ্রেস থেকেও সরে যাচ্ছেন, তবে কাউন্সিলর হিসেবে মানুষের পাশেই থাকবেন। গৌতম গোস্বামী অভিযোগ করেছেন যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে তিনি কাজের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাধা ও চাপ অনুভব করছিলেন। অন্যদিকে, ভাইস চেয়ারম্যান মহাবীর আগরওয়ালও তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তবে তিনি কাউন্সিলর হিসেবে এলাকার মানুষের জন্য কাজ চালিয়ে যাবেন এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেই থাকবেন বলে জানিয়েছেন।1