এডিসি নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, রাজ্যের পাহাড়-অঞ্চলে রাজনৈতিক সমীকরণে ক্রমেই নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে। দলবদলের স্রোত এবার পৌঁছল কুমারঘাট মহকুমার রাজকান্ডি বাজারে। শুক্রবার ফটিক রায় মন্ডল বিজেপির উদ্যোগে আয়োজিত এক জনবহুল যোগদান সভায় জনজাতি সম্প্রদায়ের ৬৩ পরিবারের মোট ২১১ জন ভোটার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ত্যাগ করে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন। উৎসবমুখর পরিবেশে, হাতে দলের পতাকা তুলে দিয়ে নবাগতদের দলে স্বাগত জানান জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা এবং মন্ত্রী সুধাংশু দাস। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নেতৃত্বসহ মন্ডলের একাধিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা-কর্মীরা। সভাস্থলে ‘মোদি সরকারের উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে পাহাড়’— এই স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে রাজকান্ডি বাজার চত্বর।সভামঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা বলেন, “আসন্ন এডিসি নির্বাচনে বিজেপি এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে— এ বিষয়ে আমি সম্পূর্ণ আশাবাদী। আজ পাহাড়ের মানুষ উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও আত্মসম্মানের রাজনীতি চায়, বিভাজন নয়।”তিনি আরো বলেন, “২০২৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগেই গ্রাম ও পাহাড় বিরোধীশূন্য হয়ে যাবে। কারণ মানুষ আজ বুঝে গেছে, বিজেপি শুধু রাজনীতি করে না— মানুষের জীবন পরিবর্তনের কাজ করে।”মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা নবাগতদের উদ্দেশে বলেন,“আপনারা আজ যে পতাকা হাতে তুলেছেন, সেটি শুধু একটি দলের প্রতীক নয়— এটি উন্নয়ন, বিশ্বাস ও আত্মনির্ভরতার প্রতীক। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ড. মানিক সাহা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে রাজ্যে যে প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হচ্ছে, সেগুলোর প্রতি জনগণের আস্থা আজ এই যোগদানেই প্রতিফলিত।”এই যোগদানের মধ্য দিয়ে পাহাড়ি অঞ্চলে বিজেপির সাংগঠনিক ভিত যে আরও মজবুত হল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজকান্ডির এই দলবদল আসন্ন এডিসি ভোটের আগে পাহাড়ি রাজনীতিতে নতুন বার্তা বহন করছে। উন্নয়নের অঙ্গীকার, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও জনকল্যাণের রাজনীতি— এই তিন মূলমন্ত্রকে কেন্দ্র করে বিজেপি পাহাড়ে ক্রমেই শক্ত অবস্থান গড়ে তুলছে।
এডিসি নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, রাজ্যের পাহাড়-অঞ্চলে রাজনৈতিক সমীকরণে ক্রমেই নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে। দলবদলের স্রোত এবার পৌঁছল কুমারঘাট মহকুমার রাজকান্ডি বাজারে। শুক্রবার ফটিক রায় মন্ডল বিজেপির উদ্যোগে আয়োজিত এক জনবহুল যোগদান সভায় জনজাতি সম্প্রদায়ের ৬৩ পরিবারের মোট ২১১ জন ভোটার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ত্যাগ করে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন। উৎসবমুখর পরিবেশে, হাতে দলের পতাকা তুলে দিয়ে নবাগতদের দলে স্বাগত জানান জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা এবং মন্ত্রী সুধাংশু দাস। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নেতৃত্বসহ মন্ডলের একাধিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা-কর্মীরা। সভাস্থলে ‘মোদি সরকারের উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে পাহাড়’— এই স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে রাজকান্ডি বাজার চত্বর।সভামঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা বলেন, “আসন্ন এডিসি নির্বাচনে বিজেপি এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে— এ বিষয়ে আমি সম্পূর্ণ আশাবাদী। আজ পাহাড়ের মানুষ উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও আত্মসম্মানের রাজনীতি চায়, বিভাজন নয়।”তিনি আরো বলেন, “২০২৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগেই গ্রাম ও পাহাড় বিরোধীশূন্য হয়ে যাবে। কারণ মানুষ আজ বুঝে গেছে, বিজেপি শুধু রাজনীতি করে না— মানুষের জীবন পরিবর্তনের কাজ করে।”মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা নবাগতদের উদ্দেশে বলেন,“আপনারা আজ যে পতাকা হাতে তুলেছেন, সেটি শুধু একটি দলের প্রতীক নয়— এটি উন্নয়ন, বিশ্বাস ও আত্মনির্ভরতার প্রতীক। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ড. মানিক সাহা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে রাজ্যে যে প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হচ্ছে, সেগুলোর প্রতি জনগণের আস্থা আজ এই যোগদানেই প্রতিফলিত।”এই যোগদানের মধ্য দিয়ে পাহাড়ি অঞ্চলে বিজেপির সাংগঠনিক ভিত যে আরও মজবুত হল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজকান্ডির এই দলবদল আসন্ন এডিসি ভোটের আগে পাহাড়ি রাজনীতিতে নতুন বার্তা বহন করছে। উন্নয়নের অঙ্গীকার, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও জনকল্যাণের রাজনীতি— এই তিন মূলমন্ত্রকে কেন্দ্র করে বিজেপি পাহাড়ে ক্রমেই শক্ত অবস্থান গড়ে তুলছে।
- User2836Bishalgarh, Sepahijala👏on 10 November
- BIPLABUdaipur, Gomati💣on 7 November
- JuhinaAmbassa, Dhalai😤on 4 November
- User4749Amarpur, Gomati👌on 4 November
- User4311Pursura, Hooghly😤on 4 November
- User4617Tripura🙏on 2 November
- Nilratan DasCooch Behar - Ii, Coochbehar😤on 1 November
- Post by ত্রিপুরা প্রত্যয়1
- আসন্ন TTAADC নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশ্রামগঞ্জ ডিভিশন বিশ্রামগঞ্জ বাজারের আইপিএফটি (IPFT) দলের উদ্যোগে এক প্রচার ও বাজার সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন আমতলী–গোলাঘাটি কেন্দ্রের আইপিএফটি প্রার্থী বিকাশ দেববর্মা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আমতলী–গোলাঘাটি আইপিএফটি নির্বাচনী ইনচার্জ সুরণ দেববর্মা এবং বিশ্রামগঞ্জ ডিভিশন কমিটির সম্পাদক পৌষরাই দেববর্মা সহ অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ। সভায় দলের নেতৃবৃন্দ আসন্ন নির্বাচনে আইপিএফটি প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন জানাতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।1
- আমতলী ঘোলাঘাটি আসোনি বুদ্ধ কুমার দেববর্মা আনকনট্যাক্সে ফাঁস করবেন বলে জানান তিনি।1
- 📍কুমারঘাট, ৩১ মার্চ।। ✍️ ত্রিপুরা ট্রাইবাল এরিয়াস অটোনমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল (টিটিএএডিসি) নির্বাচনকে সামনে রেখে ঊনকোটি জেলার কুমারঘাট মহকুমার অধীন ২- মাছমারা ও ৪- করমছড়া আসনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা, বাছাই ও প্রত্যাহারের সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট আসনগুলিতে নির্বাচনী লড়াইয়ের চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।1
- "Broken Angle Cock Repair & New Installation. 🛠️ 📍 Agartala আমাদের সার্ভিস পেতে কল করুন। [ 9863790586]1
- #reelsvideoシ #TripuraNews #post #facebook #ABVP #trending @highlight #100k Abvp Belonia #Tripura Akhil Bharatiya Vidyarthi Parishad (ABVP) ABVP Tripura Abvp Belonia1
- ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার কাঞ্চনবাড়ীতে ইণ্ডিয়া ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত হলো বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা শিবির।1
- আসন্ন TTAADC নির্বাচনের প্রচারকে ঘিরে ১৯ চড়িলাম বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত সুতার মুড়া এলাকায় এক গুরুত্বপূর্ণ যোগদান সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রায় ২৫টি পরিবারের ১০০ জন ভোটার সিপিএম ও বিজেপি দল ত্যাগ করে তিপ্রামথা দলে যোগদান করেন। নবাগত সদস্যদের ফুলের তোড়া দিয়ে আন্তরিকভাবে বরণ করে নেন আমতলী–গোলাঘাটি কেন্দ্রের তিপ্রামথা মনোনীত প্রার্থী বুদ্ধ দেববর্মা। উপস্থিত ছিলেন ১৯ চড়িলাম বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক সুবোধ দেববর্মা, সিপাহিজলা জেলার TWF সভাপতি রূপা দেববর্মা, বিশ্রামগঞ্জ সাব-জোনাল চেয়ারম্যান সঞ্জিত দেববর্মা সহ দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্ববৃন্দ। সভায় বক্তারা জানান, আগামী ১২ এপ্রিল ভোটগ্রহণ এবং ১৭ এপ্রিল ভোট গণনা অনুষ্ঠিত হবে। তারা দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে তিপ্রামথা এই নির্বাচনে শতভাগ সাফল্য অর্জন করবে। এদিন প্রার্থী বুদ্ধ দেববর্মা জনগণের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি জানান, MDC নির্বাচিত হলে সরকারি কোয়ার্টারে না থেকে নিজ বাড়িতে থেকেই মানুষের সেবা করবেন। পাশাপাশি সপ্তাহে দুইদিন সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে তাদের সমস্যা শোনার সুযোগ রাখা হবে। তিনি আরও আশ্বাস দেন, প্রতিটি গ্রামে উন্নয়নের কাজ জোরদার করা হবে—বিশেষ করে রাস্তা, পানীয় জলসহ মৌলিক পরিষেবার উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এছাড়াও প্রতিটি গ্রামে স্থানীয় নেতৃত্বকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।1