পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রূপনারায়ণ নদী থেকে নতুন প্রজাতির একটি মাছ আবিষ্কার করলেন তমলুকের তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের গবেষকরা। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী জুটাক্সা-তে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে এই নতুন প্রজাতির মাছের নাম রাখা হয়েছে “বুটিস বর্গভীমি”। তমলুকের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা বর্গভীমার নামানুসারেই এই মাছের নামকরণ করা হয়েছে। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও প্রাক্তন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রধান ডঃ তন্ময় ভট্টাচার্য্যের তত্ত্বাবধানে রূপনারায়ণ নদীর জীববৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে মাছটি আবিষ্কৃত হয় | গবেষণাটি করেছেন তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও পিজি কো-অর্ডিনেটর ডা: প্রীতিরঞ্জন পাহাড়ি এবং কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের গবেষক শুভদীপ মাইতি, সুদীপ্তা মণ্ডল ও মিতালী দাস। গবেষকদের কথায়, ২০২২ সালের জুন মাস থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত রূপনারায়ণ নদীতে ধারাবাহিক সমীক্ষা চালানো হয়। সেই সময় স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সহযোগিতায় জাল ও অন্যান্য উপকরণের সাহায্যে কয়েকটি মাছের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। প্রথমে এগুলিকে পরিচিত কোনো প্রজাতির মাছ বলে মনে হলেও পরে বিশদভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে গবেষকরা বুঝতে পারেন, নমুনাগুলির গঠনগত বৈশিষ্ট্য অন্যান্য পরিচিত প্রজাতির সঙ্গে সম্পূর্ণ মেলে না। এরপর ল্যাবরেটরিতে মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমে আকার-গঠন বিশ্লেষণ এবং ডিএনএ পরীক্ষা করার পর নিশ্চিত হওয়া যায় যে এটি সম্পূর্ণ নতুন একটি প্রজাতি। গবেষণায় দেখা গেছে, এই মাছটি ‘বুটিস’ (Butis) গণের অন্তর্ভুক্ত। দেখতে এটি ওই গণের অন্য কয়েকটি প্রজাতির সঙ্গে কিছুটা মিল থাকলেও পাখনায় বিশেষ ধরনের ডোরা দাগ, শরীরের স্কেলের বিন্যাস এবং মাথার গঠনসহ একাধিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে এটিকে আলাদা প্রজাতি হিসেবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া জিনগত পরীক্ষায়ও এই মাছের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ধরা পড়েছে। গবেষকরা জানান, রূপনারায়ণ নদী ও তার মোহনা অঞ্চলে বহু ধরনের মাছের বসবাস রয়েছে। তবে এই নদীর মাছের বৈচিত্র্য নিয়ে এখনও বিস্তৃত গবেষণা খুব বেশি হয়নি। নতুন এই প্রজাতির আবিষ্কার সেই দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। গবেষণার জন্য সংগৃহীত নমুনাগুলির একটি হোলোটাইপ ও অন্যান্য নমুনা কলকাতার জুলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার সংগ্রহশালায় সংরক্ষণ করা হয়েছে। তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও পিজি কো-অর্ডিনেটর ডা: প্রীতিরঞ্জন পাহাড়ি বলেন, মাছটা আমরা সংগ্রহ করেছিলাম রূপনারায়ণ নদী থেকে, অন্য প্রজাতি মাছগুলি সঙ্গে আমরা সব রকম তফাৎ খুঁজে বের করি। দেখা যায় এই প্রজাতিটি আলাদা। তারপর আমরা এর ডিএনএ পরীক্ষা করতে পাঠিয়েছিলাম তামিলনাড়ুতে। এরপর সমস্ত তথ্য বিশ্লেষণের পর ৫ই মার্চ নিউজিল্যান্ডের আন্তর্জাতিক জার্নাল জুটাক্সা-র সাম্প্রতিক সংখ্যায় প্রকাশিত হয় এই নতুন প্রজাতির মাছের বিষয়। এটি রূপনারায় নদী থেকে পাওয়া গিয়েছে এবং যেহেতু এখানে বর্গভীমা মন্দির রয়েছে তাই এই মাছের নাম দেওয়া হয়েছে বুটিস বর্গভীমি। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সঞ্চিতা মুখার্জি চক্রবর্তী বলেন, এটা আমাদের তাম্রলিপ্ত কলেজের কাছে খুবই গর্বের বিষয়। তার সঙ্গে বর্গভীমা মায়ের নাম যুক্ত করে উনি যে মাছের নাম দিয়েছেন সেটা আমাদের আরো ভালো লাগছে। আগেও উনি অনেক গবেষণার কাজ করেছেন এবং আগামী দিনেও এইভাবে আরো নতুন কিছু গবেষণা উনি করবেন। আমাদের কলেজের তরফ থেকে সমস্ত ভাবে আমরা ওনার পাশে থাকার চেষ্টা করব। এটা আমাদের কলেজের একটা বড় সাফল্য। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রূপনারায়ণ নদী থেকে নতুন প্রজাতির একটি মাছ আবিষ্কার করলেন তমলুকের তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের গবেষকরা। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী জুটাক্সা-তে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে এই নতুন প্রজাতির মাছের নাম রাখা হয়েছে “বুটিস বর্গভীমি”। তমলুকের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা বর্গভীমার নামানুসারেই এই মাছের নামকরণ করা হয়েছে। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও প্রাক্তন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রধান ডঃ তন্ময় ভট্টাচার্য্যের তত্ত্বাবধানে রূপনারায়ণ নদীর জীববৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে মাছটি আবিষ্কৃত হয় | গবেষণাটি করেছেন তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও পিজি কো-অর্ডিনেটর ডা: প্রীতিরঞ্জন পাহাড়ি এবং কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের গবেষক শুভদীপ মাইতি, সুদীপ্তা মণ্ডল ও মিতালী দাস। গবেষকদের কথায়, ২০২২ সালের জুন মাস থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত রূপনারায়ণ নদীতে ধারাবাহিক সমীক্ষা চালানো হয়। সেই সময় স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সহযোগিতায় জাল ও অন্যান্য উপকরণের সাহায্যে কয়েকটি মাছের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। প্রথমে এগুলিকে পরিচিত কোনো প্রজাতির মাছ বলে মনে হলেও পরে বিশদভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে গবেষকরা বুঝতে পারেন, নমুনাগুলির গঠনগত বৈশিষ্ট্য অন্যান্য পরিচিত প্রজাতির সঙ্গে সম্পূর্ণ মেলে না। এরপর ল্যাবরেটরিতে মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমে আকার-গঠন বিশ্লেষণ এবং ডিএনএ পরীক্ষা করার পর নিশ্চিত হওয়া যায় যে এটি সম্পূর্ণ নতুন একটি প্রজাতি। গবেষণায় দেখা গেছে, এই মাছটি ‘বুটিস’ (Butis) গণের অন্তর্ভুক্ত। দেখতে এটি ওই গণের অন্য কয়েকটি প্রজাতির সঙ্গে কিছুটা মিল থাকলেও পাখনায় বিশেষ ধরনের ডোরা দাগ, শরীরের স্কেলের বিন্যাস এবং মাথার গঠনসহ একাধিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে এটিকে আলাদা প্রজাতি হিসেবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া জিনগত পরীক্ষায়ও এই মাছের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ধরা পড়েছে। গবেষকরা জানান, রূপনারায়ণ নদী ও তার মোহনা অঞ্চলে বহু ধরনের মাছের বসবাস রয়েছে। তবে এই নদীর মাছের বৈচিত্র্য নিয়ে এখনও বিস্তৃত গবেষণা খুব বেশি হয়নি। নতুন এই প্রজাতির আবিষ্কার সেই দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। গবেষণার জন্য সংগৃহীত নমুনাগুলির একটি হোলোটাইপ ও অন্যান্য নমুনা কলকাতার জুলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার সংগ্রহশালায় সংরক্ষণ করা হয়েছে। তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও পিজি কো-অর্ডিনেটর ডা: প্রীতিরঞ্জন পাহাড়ি বলেন, মাছটা আমরা সংগ্রহ করেছিলাম রূপনারায়ণ নদী থেকে, অন্য প্রজাতি মাছগুলি সঙ্গে আমরা সব রকম তফাৎ খুঁজে বের করি। দেখা যায় এই প্রজাতিটি আলাদা। তারপর আমরা এর ডিএনএ পরীক্ষা করতে পাঠিয়েছিলাম তামিলনাড়ুতে। এরপর সমস্ত তথ্য বিশ্লেষণের পর ৫ই মার্চ নিউজিল্যান্ডের আন্তর্জাতিক জার্নাল জুটাক্সা-র সাম্প্রতিক সংখ্যায় প্রকাশিত হয় এই নতুন প্রজাতির মাছের বিষয়। এটি রূপনারায় নদী থেকে পাওয়া গিয়েছে এবং যেহেতু এখানে বর্গভীমা মন্দির রয়েছে তাই এই মাছের নাম দেওয়া হয়েছে বুটিস বর্গভীমি। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সঞ্চিতা মুখার্জি চক্রবর্তী বলেন, এটা আমাদের তাম্রলিপ্ত কলেজের কাছে খুবই গর্বের বিষয়। তার সঙ্গে বর্গভীমা মায়ের নাম যুক্ত করে উনি যে মাছের নাম দিয়েছেন সেটা আমাদের আরো ভালো লাগছে। আগেও উনি অনেক গবেষণার কাজ করেছেন এবং আগামী দিনেও এইভাবে আরো নতুন কিছু গবেষণা উনি করবেন। আমাদের কলেজের তরফ থেকে সমস্ত ভাবে আমরা ওনার পাশে থাকার চেষ্টা করব। এটা আমাদের কলেজের একটা বড় সাফল্য।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রূপনারায়ণ নদী থেকে নতুন প্রজাতির একটি মাছ আবিষ্কার করলেন তমলুকের তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের গবেষকরা। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী জুটাক্সা-তে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে এই নতুন প্রজাতির মাছের নাম রাখা হয়েছে “বুটিস বর্গভীমি”। তমলুকের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা বর্গভীমার নামানুসারেই এই মাছের নামকরণ করা হয়েছে। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও প্রাক্তন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রধান ডঃ তন্ময় ভট্টাচার্য্যের তত্ত্বাবধানে রূপনারায়ণ নদীর জীববৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে মাছটি আবিষ্কৃত হয় | গবেষণাটি করেছেন তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও পিজি কো-অর্ডিনেটর ডা: প্রীতিরঞ্জন পাহাড়ি এবং কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের গবেষক শুভদীপ মাইতি, সুদীপ্তা মণ্ডল ও মিতালী দাস। গবেষকদের কথায়, ২০২২ সালের জুন মাস থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত রূপনারায়ণ নদীতে ধারাবাহিক সমীক্ষা চালানো হয়। সেই সময় স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সহযোগিতায় জাল ও অন্যান্য উপকরণের সাহায্যে কয়েকটি মাছের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। প্রথমে এগুলিকে পরিচিত কোনো প্রজাতির মাছ বলে মনে হলেও পরে বিশদভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে গবেষকরা বুঝতে পারেন, নমুনাগুলির গঠনগত বৈশিষ্ট্য অন্যান্য পরিচিত প্রজাতির সঙ্গে সম্পূর্ণ মেলে না। এরপর ল্যাবরেটরিতে মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমে আকার-গঠন বিশ্লেষণ এবং ডিএনএ পরীক্ষা করার পর নিশ্চিত হওয়া যায় যে এটি সম্পূর্ণ নতুন একটি প্রজাতি। গবেষণায় দেখা গেছে, এই মাছটি ‘বুটিস’ (Butis) গণের অন্তর্ভুক্ত। দেখতে এটি ওই গণের অন্য কয়েকটি প্রজাতির সঙ্গে কিছুটা মিল থাকলেও পাখনায় বিশেষ ধরনের ডোরা দাগ, শরীরের স্কেলের বিন্যাস এবং মাথার গঠনসহ একাধিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে এটিকে আলাদা প্রজাতি হিসেবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া জিনগত পরীক্ষায়ও এই মাছের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ধরা পড়েছে। গবেষকরা জানান, রূপনারায়ণ নদী ও তার মোহনা অঞ্চলে বহু ধরনের মাছের বসবাস রয়েছে। তবে এই নদীর মাছের বৈচিত্র্য নিয়ে এখনও বিস্তৃত গবেষণা খুব বেশি হয়নি। নতুন এই প্রজাতির আবিষ্কার সেই দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। গবেষণার জন্য সংগৃহীত নমুনাগুলির একটি হোলোটাইপ ও অন্যান্য নমুনা কলকাতার জুলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার সংগ্রহশালায় সংরক্ষণ করা হয়েছে। তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও পিজি কো-অর্ডিনেটর ডা: প্রীতিরঞ্জন পাহাড়ি বলেন, মাছটা আমরা সংগ্রহ করেছিলাম রূপনারায়ণ নদী থেকে, অন্য প্রজাতি মাছগুলি সঙ্গে আমরা সব রকম তফাৎ খুঁজে বের করি। দেখা যায় এই প্রজাতিটি আলাদা। তারপর আমরা এর ডিএনএ পরীক্ষা করতে পাঠিয়েছিলাম তামিলনাড়ুতে। এরপর সমস্ত তথ্য বিশ্লেষণের পর ৫ই মার্চ নিউজিল্যান্ডের আন্তর্জাতিক জার্নাল জুটাক্সা-র সাম্প্রতিক সংখ্যায় প্রকাশিত হয় এই নতুন প্রজাতির মাছের বিষয়। এটি রূপনারায় নদী থেকে পাওয়া গিয়েছে এবং যেহেতু এখানে বর্গভীমা মন্দির রয়েছে তাই এই মাছের নাম দেওয়া হয়েছে বুটিস বর্গভীমি। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সঞ্চিতা মুখার্জি চক্রবর্তী বলেন, এটা আমাদের তাম্রলিপ্ত কলেজের কাছে খুবই গর্বের বিষয়। তার সঙ্গে বর্গভীমা মায়ের নাম যুক্ত করে উনি যে মাছের নাম দিয়েছেন সেটা আমাদের আরো ভালো লাগছে। আগেও উনি অনেক গবেষণার কাজ করেছেন এবং আগামী দিনেও এইভাবে আরো নতুন কিছু গবেষণা উনি করবেন। আমাদের কলেজের তরফ থেকে সমস্ত ভাবে আমরা ওনার পাশে থাকার চেষ্টা করব। এটা আমাদের কলেজের একটা বড় সাফল্য। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রূপনারায়ণ নদী থেকে নতুন প্রজাতির একটি মাছ আবিষ্কার করলেন তমলুকের তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের গবেষকরা। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী জুটাক্সা-তে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে এই নতুন প্রজাতির মাছের নাম রাখা হয়েছে “বুটিস বর্গভীমি”। তমলুকের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা বর্গভীমার নামানুসারেই এই মাছের নামকরণ করা হয়েছে। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও প্রাক্তন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রধান ডঃ তন্ময় ভট্টাচার্য্যের তত্ত্বাবধানে রূপনারায়ণ নদীর জীববৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে মাছটি আবিষ্কৃত হয় | গবেষণাটি করেছেন তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও পিজি কো-অর্ডিনেটর ডা: প্রীতিরঞ্জন পাহাড়ি এবং কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের গবেষক শুভদীপ মাইতি, সুদীপ্তা মণ্ডল ও মিতালী দাস। গবেষকদের কথায়, ২০২২ সালের জুন মাস থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত রূপনারায়ণ নদীতে ধারাবাহিক সমীক্ষা চালানো হয়। সেই সময় স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সহযোগিতায় জাল ও অন্যান্য উপকরণের সাহায্যে কয়েকটি মাছের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। প্রথমে এগুলিকে পরিচিত কোনো প্রজাতির মাছ বলে মনে হলেও পরে বিশদভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে গবেষকরা বুঝতে পারেন, নমুনাগুলির গঠনগত বৈশিষ্ট্য অন্যান্য পরিচিত প্রজাতির সঙ্গে সম্পূর্ণ মেলে না। এরপর ল্যাবরেটরিতে মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমে আকার-গঠন বিশ্লেষণ এবং ডিএনএ পরীক্ষা করার পর নিশ্চিত হওয়া যায় যে এটি সম্পূর্ণ নতুন একটি প্রজাতি। গবেষণায় দেখা গেছে, এই মাছটি ‘বুটিস’ (Butis) গণের অন্তর্ভুক্ত। দেখতে এটি ওই গণের অন্য কয়েকটি প্রজাতির সঙ্গে কিছুটা মিল থাকলেও পাখনায় বিশেষ ধরনের ডোরা দাগ, শরীরের স্কেলের বিন্যাস এবং মাথার গঠনসহ একাধিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে এটিকে আলাদা প্রজাতি হিসেবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া জিনগত পরীক্ষায়ও এই মাছের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ধরা পড়েছে। গবেষকরা জানান, রূপনারায়ণ নদী ও তার মোহনা অঞ্চলে বহু ধরনের মাছের বসবাস রয়েছে। তবে এই নদীর মাছের বৈচিত্র্য নিয়ে এখনও বিস্তৃত গবেষণা খুব বেশি হয়নি। নতুন এই প্রজাতির আবিষ্কার সেই দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। গবেষণার জন্য সংগৃহীত নমুনাগুলির একটি হোলোটাইপ ও অন্যান্য নমুনা কলকাতার জুলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার সংগ্রহশালায় সংরক্ষণ করা হয়েছে। তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও পিজি কো-অর্ডিনেটর ডা: প্রীতিরঞ্জন পাহাড়ি বলেন, মাছটা আমরা সংগ্রহ করেছিলাম রূপনারায়ণ নদী থেকে, অন্য প্রজাতি মাছগুলি সঙ্গে আমরা সব রকম তফাৎ খুঁজে বের করি। দেখা যায় এই প্রজাতিটি আলাদা। তারপর আমরা এর ডিএনএ পরীক্ষা করতে পাঠিয়েছিলাম তামিলনাড়ুতে। এরপর সমস্ত তথ্য বিশ্লেষণের পর ৫ই মার্চ নিউজিল্যান্ডের আন্তর্জাতিক জার্নাল জুটাক্সা-র সাম্প্রতিক সংখ্যায় প্রকাশিত হয় এই নতুন প্রজাতির মাছের বিষয়। এটি রূপনারায় নদী থেকে পাওয়া গিয়েছে এবং যেহেতু এখানে বর্গভীমা মন্দির রয়েছে তাই এই মাছের নাম দেওয়া হয়েছে বুটিস বর্গভীমি। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সঞ্চিতা মুখার্জি চক্রবর্তী বলেন, এটা আমাদের তাম্রলিপ্ত কলেজের কাছে খুবই গর্বের বিষয়। তার সঙ্গে বর্গভীমা মায়ের নাম যুক্ত করে উনি যে মাছের নাম দিয়েছেন সেটা আমাদের আরো ভালো লাগছে। আগেও উনি অনেক গবেষণার কাজ করেছেন এবং আগামী দিনেও এইভাবে আরো নতুন কিছু গবেষণা উনি করবেন। আমাদের কলেজের তরফ থেকে সমস্ত ভাবে আমরা ওনার পাশে থাকার চেষ্টা করব। এটা আমাদের কলেজের একটা বড় সাফল্য।
- সাত সকালে গোবরডাঙ্গা স্টেশন লাগোয়া রেল বাজারে আগুন, আগুনের লেলিহান শিখায় ভস্মীভূত পরপর কয়েকটি দোকান, সকালের দোকানপাট বন্ধ থাকায় বড়সড়ো বিপদের হাত থেকে রক্ষা, ঘটনাস্থলে দমকলের একটি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা কাজ করছে, পাশাপাশি হাবরা এবং অশোকনগর থেকে দমকলের ইঞ্জিন গোবরডাঙ্গা দিকে যাচ্ছে বলে সূত্রের খবর, ঘটনাস্থলে দমকল এবং গোবরডাঙ্গা থানার পুলিশ কিভাবে আগুন লাগলো এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি1
- ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের অভাব? রুখতে ময়দানে নামলেন কালিয়াগঞ্জের তৃণমূল নেতৃত্ব।কালিয়াগঞ্জ শহর ও ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে রক্তদান শিবির।রক্তদান জীবন দান, মমূর্ষ রোগীদের প্রান বাচাতে রক্তদান প্রয়জন।উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ জেলা ব্লাড ব্যাঙ্কের রক্তের অভাব মেটাতে কালিয়াগঞ্জ শহর ও ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শম্পা কুন্ডু ও পঞ্চমী দাসের নেতৃত্বে রক্তদান শিবিরের আয়োজন।সোমবার কালিয়াগঞ্জ শহর তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে রক্তদান শিবিরে হয়।এদিন রক্তদান শিবিরের প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূল সভানেত্রী চৈতালী ঘোষ সাহা,পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হীরন্ময় সরকার, পুরসভার উপ পুরপ্রধান জয়া বর্মণ দেবসর্মা,ব্লক তৃণমূল কনভেনার নিতাই বৈশ্য ও কো- কনভেনার লতা সরকার,প্রাক্তন বিধায়ক তপণ দেবসিংহ,জেলা আইএনটিটিইউসি সভাপতি রামদেব সাহানী,সহ অন্যান্যরা।এদিন মহিলাদের পাশাপাশি পুরুষেরাও এগিয়ে আসে রক্তদান শিবিরে।1
- কলেজ পাড়ায় মুকুল বৈরাগ্য র আনা অভিযোগ অস্বীকার করে তাকে ক্ষমা চাইতে বললেন বাবুলাল বালা। মঙ্গলবার সকালে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিজেপির উদ্বাস্তু সেলের উত্তরবঙ্গের ইনচার্জ অধ্যাপক ডঃ বাবুলাল বালা। তার অভিযোগ সংবাদ মাধ্যমের খবরে তিনি জেনেছেন নমশুদ্র বিকাশ পরিষদের সভাপতি মুকুল চন্দ্র বৈরাগ্য আমার বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে আমি মতুয়া কার্ড দিয়েছি। যেখানে হিন্দু পরিচয় নেই। এই কথার বিরুদ্ধে সোচ্চার হন বাবুলাল বালা। তার দাবী এই কথার প্রমান দিন অথবা ক্ষমা চান মুকুল বৈরাগ্য।1
- আন্তর্জাতিক নারী দিবসের দিনে মালদায় পরিবর্তন রথযাত্রা উপলক্ষে গাজোলের জনসভা থেকে শুভেন্দুর হুশিয়ারি,"আমরা ক্ষমতায় এলে ধর্ষকদের সকালে জমা করব। বিকেলে খরচ করে দেব।" রবিবার মালদায় এসে প্রথমে পদ্মশ্রী কমলি সোরেনের আশ্রমে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করে তাকে প্রণাম জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।পরবর্তীতে পরিবর্তন রথে চেপে গাজোল টোলসংলগ্ন ময়দানে জনসভাতে অংশগ্রহণ করেন। বক্তব্যের শুরুতেই মাতৃ শক্তিকে প্রণাম জানিয়ে শুভেন্দু নারী সুরক্ষা নিয়ে রাজ্য সরকারকে একের পর এক তোপ দাগেন শুভেন্দু। এই প্রসঙ্গে তিনি আরজিকর, দুর্গাপুর মেডিক্যাল কলেজ,হাঁসখালি, কালিয়াগঞ্জ, তামান্না সহ একাধিক ঘটনা নিয়ে সরব হন। সাথে কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প তুলে ধরেন। প্রতিশ্রুতি দেন বিজেপি ক্ষমতায় এলে একদিকে যেমন তিন হাজার টাকা অন্নপূর্ণা যোজনা দেওয়া হবে অন্যদিকে বেকার যুবতীদের চাকরি দেওয়া হবে। এদিন বিরোধী দলনেতার সভাতে সংখ্যা লঘুদেরও দেখা যায়। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন ভারতীয় মুসলিমদের আমাদের কোন সমস্যা নেই। এদিন CAA তে নাগরিকত্ব পাওয়া এলাকার কয়েকজন মানুষকে মঞ্চে নিয়ে গিয়ে মালা দিয়ে সম্বর্ধনা জানান। সভা শেষে মমতাকে আক্রমণ করে বলেন নন্দীগ্রামে হারিয়েছিলাম ভবানীপুরেও হারাবো। এবার প্রাক্তন করে ছাড়বো।1
- Post by MALDA SANGBAD1
- গ্রামের মধ্যে এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত অবস্থায় গুচ্ছ গুচ্ছ আধারকার্ড, প্যান কার্ড সহ অন্যান্য নথিপত্র উদ্ধার! ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য মালদার হবিবপুর ব্লকের আকতৈল অঞ্চলের বিনোদপুর গ্রামের চিল্লাহার এলাকায়। জানা গেছে, চিল্লাহার এলাকার সুশীল টুডু নামে এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে সোমবার দুটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। সেই বস্তা দুটি খুলতেই তারমধ্যে অসংখ্য আধারকার্ড, প্যানকার্ড সহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি পড়ে থাকতে দেখেন। যাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়। যার বাড়ির পাশে এই সমস্ত নথিপত্র পাওয়া যায় সেই ব্যক্তি সুশীল টুডু জানান, বিনোদপুর পোস্ট অফিসে আগের যিনি পিওন ছিলেন তিনি তাকে দিয়ে অস্থায়ীভাবে কাজ করাতেন। সেই সূত্রে কিছু আধারকার্ড, প্যানকার্ড তার কাছে রেখেছিলেন। ধীরে ধীরে তা বিলি করার কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি না আসার কারণে সেই সমস্ত আধারকার্ড, প্যানকার্ড তিনি পোস্ট অফিসে জমা করার জন্য বাড়ির সামনে রেখেছিলেন। এই বিষয়ে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বিনোদপুর পোস্ট অফিসে পিওনের দায়িত্বে থাকা তথা বর্তমানে খড়িবাড়ি পোস্ট অফিসের পিওন হরেশ চন্দ্র রায় জানান,তিনি ওই ব্যক্তিকে তার কাজে সাহায্য করার জন্য রেখেছিলেন। তাকে কিছু আধারকার্ড, প্যানকার্ড বিলি করার জন্য দিয়েছিলেন। সে বাড়িতে রেখে দিয়েছে তা তার জানা ছিল না। এদিকে এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হবিবপুরের বিধায়ক জোয়েল মুর্মু। তার অভিযোগ, সাধারণ মানুষের গুরুত্বপূর্ণ নথি পোস্ট অফিস থেকে বিলি করার কথা। কিন্তু তা না করে কারও বাড়িতে রেখে দেওয়া হয়েছে। যা কখনই করা উচিত নয়।1
- L-band বা স্ক্রল বিজ্ঞাপনে আপনার ব্যবসার খবর দিন। দোকান, শোরুম, মোবাইল শপ, ইভেন্ট বা নতুন অফার প্রচারের জন্য এখনই যোগাযোগ করুন: 86170539221
- দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে শ্রীলতাহানির অভিযোগ উঠল স্কুলেরই এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে, ঘটনায় স্কুলের গেটে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবকেরা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের ইন্দ্রনারায়নপুর জি এস এফ পি স্কুলের ঘটনা। অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন সকলেই। অভিভাবক ও প্রতিবেশীদের অভিযোগ,গত শুক্রবার ইন্দ্র নারায়নপুর জি এস এফ পি স্কুলের শিক্ষক বাপ্পাদিত্য সাহা স্কুলেরই এক ছাত্রীকে মোবাইলে কাটুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে স্কুলের ছাদে নিয়ে গিয়ে ওই ছাত্রীকে শ্রীলতাহানি করেন বলে দাবি পরিবারের।পরে বিষয়টি পরিবারের লোকজনেরা জানতে পেরে পুরো বিষয় নিয়ে গঙ্গারামপুর থানায় জানান।ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত ওই স্কুল শিক্ষক বাপ্পাদিত্য সাহা বলে অভিযোগ করেন অভিভাবকেরা। সোমবার ওই অভিযুক্ত শিক্ষকের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে ইন্দ্র নারায়নপুর জি এস এফ পি স্কুলে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন অভিভাবক ও এলাকার মানুষেরা। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। পুরো বিষয় নিয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্কুল পরিদর্শক এনামুল শেখ।1