আবারও পাহাড়পুরে শাসক দল সহ বিভিন্ন দল থেকে এসডিপিআই এ যোগদান নির্বাচনী নির্ঘণ্ট বাজতেই যোগদান কর্মসূচি অব্যাহত।শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস,সিপিআইএম ,কংগ্রেস থেকে ৪০ টি পরিবার এসডিপিআই এ যোগদান করলেন।ভোট ঘোষণা হতেই রাজনৈতিক ময়দানে জোর কদমে শুরু করেছে প্রস্তুতি। সেই মতো নির্বাচনী ময়দানে নিজের জায়গা শক্ত করতে জোর কদমের ময়দানে নেমেছে এসডিপিআই।রবিবার রাণীনগর বিধানসভার পাহাড়পুর অঞ্চল অফিসে এসডিপিআই এ যোগদান সভার আয়োজন করা হয়। এসডিপিআই এর দক্ষিণ মুর্শিদাবাদ জেলা সভাপতি আব্দুল করিমের হাত ধরে দলীয় পতাকা তুলে নেন বিভিন্ন দল থেকে আসা কর্মীরা।আব্দুল করিম তার বক্তব্যে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ও রাজ্যের তৃণমূল সরকারের একাধিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন।ক্ষুধা ও ভয় মুক্ত সমাজ গড়তে এসডিপিআই এর হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য যে গত কয়েকদিন আগে পাহাড়পুর অঞ্চলে পতাকা খুলে নেওয়া ও এসডিপিআই এর কার্যালয়ে ঢুকে হুমকির অভিযোগ তোলে এসডিপিআই নেতারা।সেটা নিয়ে পাহাড়পুরের রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।তার পরে এই যোগদান শাসক দলের ভোটবাক্সে ভাটা ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন এসডিপিআই এর জেলা সম্পাদক আলী আকবর সিদ্দিকী, পাহাড়পুর অঞ্চল সভাপতি ভুট্টু শেখ,বিধানসভার ইনচার্জ মিলন শেখ সহ ব্লক থেকে অঞ্চল নেতৃত্ব। এসডিপিআই যোগদান প্রসঙ্গে কি বললেন যোগদানকারী ও পার্টির নেতৃত্ব শুনুন বিস্তারিত।
আবারও পাহাড়পুরে শাসক দল সহ বিভিন্ন দল থেকে এসডিপিআই এ যোগদান নির্বাচনী নির্ঘণ্ট বাজতেই যোগদান কর্মসূচি অব্যাহত।শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস,সিপিআইএম ,কংগ্রেস থেকে ৪০ টি পরিবার এসডিপিআই এ যোগদান করলেন।ভোট ঘোষণা হতেই রাজনৈতিক ময়দানে জোর কদমে শুরু করেছে প্রস্তুতি। সেই মতো নির্বাচনী ময়দানে নিজের জায়গা শক্ত করতে জোর কদমের ময়দানে নেমেছে এসডিপিআই।রবিবার রাণীনগর বিধানসভার পাহাড়পুর অঞ্চল অফিসে এসডিপিআই এ যোগদান সভার আয়োজন করা হয়। এসডিপিআই এর দক্ষিণ মুর্শিদাবাদ জেলা সভাপতি আব্দুল করিমের হাত ধরে দলীয় পতাকা তুলে নেন বিভিন্ন দল থেকে আসা কর্মীরা।আব্দুল করিম তার বক্তব্যে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ও রাজ্যের তৃণমূল সরকারের একাধিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন।ক্ষুধা ও ভয় মুক্ত সমাজ গড়তে এসডিপিআই এর হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য যে গত কয়েকদিন আগে পাহাড়পুর অঞ্চলে পতাকা খুলে নেওয়া ও এসডিপিআই এর কার্যালয়ে ঢুকে হুমকির অভিযোগ তোলে এসডিপিআই নেতারা।সেটা নিয়ে পাহাড়পুরের রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।তার পরে এই যোগদান শাসক দলের ভোটবাক্সে ভাটা ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন এসডিপিআই এর জেলা সম্পাদক আলী আকবর সিদ্দিকী, পাহাড়পুর অঞ্চল সভাপতি ভুট্টু শেখ,বিধানসভার ইনচার্জ মিলন শেখ সহ ব্লক থেকে অঞ্চল নেতৃত্ব। এসডিপিআই যোগদান প্রসঙ্গে কি বললেন যোগদানকারী ও পার্টির নেতৃত্ব শুনুন বিস্তারিত।
- দীর্ঘ কয়েকদিনের জট কাটিয়ে অবশেষে সমাধানের পথে আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি। অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ও কর্মীদের অসন্তোষ নিয়ে টানাপোড়েন চলছিল গত কয়েকদিন ধরে। তবে ধারাবাহিক আলোচনা ও নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, প্রার্থী ঘোষণা ঘিরে স্থানীয় স্তরে কিছুটা বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। সেই কারণে একাংশ কর্মী প্রচার থেকে নিজেদের সরিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের উদ্যোগে একাধিক বৈঠক হয়, যেখানে সব পক্ষের বক্তব্য শোনা হয় এবং সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করা হয়। শেষ পর্যন্ত সেই আলোচনাতেই মিলেছে সমাধান সূত্র। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কর্মীদের একজোট হয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামার আহ্বান জানায়। এর পরেই ধীরে ধীরে সক্রিয় হতে শুরু করেন দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা। সোমবার থেকে আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় বিজেপির প্রচার শুরু হয়েছে। কর্মীদের মধ্যে নতুন করে উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। বাড়ি বাড়ি প্রচার, দেওয়াল লিখন, ছোট ছোট পথসভা—সব মিলিয়ে ভোটের ময়দানে ফের জমে উঠছে গেরুয়া শিবির। দলীয় নেতৃত্বের দাবি, অভ্যন্তরীণ সমস্যা মিটে যাওয়ায় এখন মূল লক্ষ্য ভোটে জয়লাভ। বিরোধীদের কড়া টক্কর দিতে সংগঠনকে আরও মজবুত করার দিকেই জোর দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে, কয়েকদিনের অচলাবস্থার পর বিজেপির ঘরে ফের স্বস্তির হাওয়া। এখন দেখার, এই নতুন উদ্যম ভোটের বাক্সে কতটা প্রভাব ফেলে।1
- মাথাভাঙ্গা বিধানসভা:সোমবার মাথাভাঙ্গা 2 ব্লকের ঘোকসাডাঙ্গা হাইরোড চৌপথি এলাকায় প্রচারে বের হন মাথাভাঙ্গা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সাবলু বর্মন। সঙ্গে ছিলেন কোচবিহার জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি স্বপন বর্মন, ২ব্লক সভাপতি পিন্টু বর্মন সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। এই দিন সাবলু বর্মন ঘোকসাডাঙা হাইরোড চৌপথি এলাকায় বিভিন্ন দোকানে গিয়ে নির্বাচনী প্রচার করেন । প্রচার শেষে তিনি বিজেপি প্রার্থী নিশিথ প্রামাণিক কে কটাক্ষ করেন।।1
- Post by Alep miya1
- #মাথাভাঙ্গা থানা পরিদর্শনে এলেন পুলিশ সুপার জাসপ্রীত সিং #CoochBehar #Mathabhanga #PoliceSuperintendent #YashpreetSingh #WestBengalPolice #LawAndOrder #Election2026 #PeacefulElections #AdministrativeVisit #PoliceInspection #SecurityMeasures #PublicSafety #DistrictPolice #ElectionDuty #Governance #IndiaNews #LocalNews #BreakingNews1
- গোসাইরহাট ইস্কন মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচারে বেরোলেন শীতলকুচি বিধানসভা ক্ষেত্রের বিজপি প্রার্থী সাবিত্রী বর্মন । এদিন কর্মীদের সাথে নিয়ে গোসাইরহাট বাজার পরিক্রমাও করেন তিনি।1
- Post by Raj roy1
- রবিবার সন্ধ্যায় মাথাভাঙ্গার ঘোকসাডাঙ্গা থানা পরিদর্শনে এলেন কোচবিহার জেলা পুলিশ সুপার।এদিন সন্ধ্যায় ঘোকসাডাঙ্গা পরিদর্শন করেন।সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশ সুপার বলেন শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার লক্ষ্যে আধিকারিকদের সাথে দেখা করলেন।নির্বাচন কমিশনের যে গাইডলাইন রয়েছে সেই বিষয়ে আলোচনা করতে এসেছেন।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জোরকদমে প্রচারে নেমেছেন বিজেপি প্রার্থী বিশাল লামা। আলিপুরদুয়ার জেলার রাইমাটাং চা বাগান এলাকায় চা শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে প্রচার সারলেন তিনি। সকালে বাগান এলাকায় পৌঁছে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিশাল লামা। তাঁদের দৈনন্দিন সমস্যা, মজুরি, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আবাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ মন দিয়ে শোনেন তিনি। চা শ্রমিকদের একাংশ দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য মজুরি ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নের দাবিতে সরব—সেই বিষয়গুলিই উঠে আসে এদিনের আলোচনায়। প্রচার চলাকালীন বিজেপি প্রার্থী বলেন, “চা শ্রমিকদের উন্নয়ন ছাড়া এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমরা ক্ষমতায় এলে তাঁদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।” তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমান শাসক দল চা বাগান এলাকার উন্নয়নে ব্যর্থ হয়েছে এবং শ্রমিকদের সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে পারেনি। অন্যদিকে, স্থানীয় শ্রমিকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়। কেউ কেউ পরিবর্তনের আশায় বিজেপির প্রতি সমর্থন জানালেও, আবার অনেকেই পূর্ববর্তী প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে সংশয় প্রকাশ করেন। এদিন বিশাল লামার সঙ্গে ছিলেন দলের স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীরা। তাঁরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার চালান এবং সাধারণ মানুষের কাছে দলের উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই চা বাগান এলাকাগুলি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ফলে সব রাজনৈতিক দলই এই অঞ্চলে নিজেদের অবস্থান মজবুত করতে মরিয়া—রাইমাটাং চা বাগানে বিজেপি প্রার্থীর এই প্রচারও তারই অংশ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।1
- ধূপগুড়িতে কালো আলু চাষ করে তাক লাগালো এক যুবক! সুগার ফ্রি এই আলু উৎপাদন ঘিরে কৌতুহল এলাকাবাসী.ধূপগুড়িতে কালো আলু চাষ করে তাক লাগালো এক যুবক! সুগার ফ্রি এই আলু উৎপাদন ঘিরে কৌতুহল এলাকাবাসী1