মালদা কোন ভোটারকে বিচারাধীন রাখা চলবে না। খসড়া ভোটার লিস্ট অনুযায়ী সমস্ত মানুষকে ভোটাধিকার দিতে হবে-মঙ্গলবার এমনটাই দাবী তুলে মালদায় পথে নামলেন সাধারণ নাগরিকরা। নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার রক্ষা মঞ্চের ব্যানারে মিছিল করলেন মালদা শহরের বুকে। মিছিল শুরু হয় মালদা শহরের বৃন্দাবনী ময়দান থেকে। যা শহরের বিভিন্ন পথ ঘুরে জেলাশাসকের দপ্তরের উদ্দেশ্যে মার্চ করে। এদিনের এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার রক্ষা মঞ্চের সদস্য মাজিদুর রহমান। তিনি অভিযোগ করে বলেন, মালদার বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার চক্রান্ত চলছে। যার অঙ্গ হিসেবে কোন কারণ না দর্শিয়ে বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে ডিলিট করা হয়েছে। এছাড়াও জেলার বহু মানুষকে বিচারাধীন তালিকায় রাখা হয়েছে। যা তারা মানতে নারাজ। তাদের দাবী একটাই খসড়া ভোটার তালিকা অনুযায়ী সমস্ত মানুষকে ভোটারধিকার দিতে হবে। এই দাবীতে আজ তারা মিছিল করলেন। মিছিলের পর ডেপুটেশন জমা করবেন জেলাশাসকের নিকট।
মালদা কোন ভোটারকে বিচারাধীন রাখা চলবে না। খসড়া ভোটার লিস্ট অনুযায়ী সমস্ত মানুষকে ভোটাধিকার দিতে হবে-মঙ্গলবার এমনটাই দাবী তুলে মালদায় পথে নামলেন সাধারণ নাগরিকরা। নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার রক্ষা মঞ্চের ব্যানারে মিছিল করলেন মালদা শহরের বুকে। মিছিল শুরু হয় মালদা শহরের বৃন্দাবনী ময়দান থেকে। যা শহরের বিভিন্ন পথ ঘুরে জেলাশাসকের দপ্তরের উদ্দেশ্যে মার্চ করে। এদিনের এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার রক্ষা মঞ্চের সদস্য মাজিদুর রহমান। তিনি অভিযোগ করে বলেন, মালদার বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার চক্রান্ত চলছে। যার অঙ্গ হিসেবে কোন কারণ না দর্শিয়ে বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে ডিলিট করা হয়েছে। এছাড়াও জেলার বহু মানুষকে বিচারাধীন তালিকায় রাখা হয়েছে। যা তারা মানতে নারাজ। তাদের দাবী একটাই খসড়া ভোটার তালিকা অনুযায়ী সমস্ত মানুষকে ভোটারধিকার দিতে হবে। এই দাবীতে আজ তারা মিছিল করলেন। মিছিলের পর ডেপুটেশন জমা করবেন জেলাশাসকের নিকট।
- Post by MALDA SANGBAD1
- প্রথম নির্বাচনী জনসভা হলেও তার আগেই দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে প্রচার শুরু করেছিলেন পুরাতন মালদার সমাজসেবী নিতাই মণ্ডল। আর মঙ্গলবার দুপুর ১২টা নাগাদ সাহাপুর বাইপাস সংলগ্ন ফুটবল মাঠে আয়োজিত এই প্রথম বড় জনসভা থেকেই তিনি মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিলেন। জনসভাকে ঘিরে ব্যাপক মানুষের উপস্থিতি কার্যত প্রমাণ করে দিল, নির্দল প্রার্থী হিসেবে নিতাই মণ্ডলকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। সভা শুরুর আগে আদিবাসী নৃত্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়, যা গোটা পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। এরপর একে একে মঞ্চে উঠে বক্তব্য রাখেন বক্তারা। তারা সরাসরি কোনও রাজনৈতিক দলের নাম না করলেও বিভিন্ন নেতাদের তীব্র কটাক্ষ করেন এবং দাবি করেন, মানুষের প্রকৃত উন্নয়নের জন্যই নির্দল প্রার্থী হিসেবে নিতাই মণ্ডলকে সামনে আনা হয়েছে।বক্তারা উপস্থিত মানুষদের উদ্দেশে আহ্বান জানান, আসন্ন নির্বাচনে নিতাই মণ্ডল যে প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, সেই প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে জয়যুক্ত করতে হবে। তাদের দাবি, একজন সমাজসেবী হিসেবে নিতাই মণ্ডলই সাধারণ মানুষের প্রকৃত প্রতিনিধি হতে পারেন।1
- Post by Rafikul Hoque1
- সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে উঠল গুরুতর অভিযোগ। জমির সরষে কাটার জন্য খেসার মেশিন জমিতে নিয়ে যাওয়ার সময় এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগ উঠল ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা চার সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। যার প্রতিবাদে স্থানীয় আদিবাসীরা মিলে সোমবার পথ অবরোধ করে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন মালদার হবিবপুর রাইস মিল এলাকায়। জানা গেছে, এদিন হবিবপুর রাইস মিল এলাকার জয়দেব পান্ডে নামে এক চাষী তার জমির সরষে কাটাই এবং ঝাড়াই-বাছাই করার জন্য জমিতে খেসার মেশিন নিয়ে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ ওই সময় হবিবপুর রাইসমিল এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা চার সিভিক ভলান্টিয়ার মিলে তার কাছে টাকা দাবী করে এবং টাকা না দিলে জমিতে খেসার মেশিন নিয়ে যেতে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। ওই সময় পাশ দিয়েই যাচ্ছিলেন বিজেপির দুই স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। তাদের কাছে এই বিষয়ে নালিশ জানান সরষে চাষী জয়দেব পান্ডে। যা শুনে বিজেপির দুই গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সিভিক ভলান্টিয়ারের কাছে জানতে চান কেন টাকা চাওয়া হচ্ছে? আর এই জানতে চাওয়ার কারণেই চার সিভিক ভলান্টিয়ার মিলে বিজেপির দুই গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যদের কলার ধরে টানা হেঁচড়া করে বলে অভিযোগ। যার প্রতিবাদে স্থানীয় আদিবাসীরা একজোট হয়ে পথ অবরোধ করেন। হবিবপুর রাইস মিল এলাকায় 'মালদা-নালাগোলা রাজ্য সড়ক অবরোধ করে তুমুল বিক্ষোভ দেখান। খবর পেয়ে হবিবপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। সেই সঙ্গে হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুখীরানি সাহাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে এই ঘটনায় সিভিক ভলান্টিয়ারের বাড়বাড়ন্তের অভিযোগ তুলে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দেন হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুখীরানি সাহা এবং হবিবপুরের বিধায়ক জোয়েল মুর্মু। তারা গোটা ঘটনায় অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের শাস্তির দাবী জানান4
- সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে উঠল গুরুতর অভিযোগ। জমির সরষে কাটার জন্য খেসার মেশিন জমিতে নিয়ে যাওয়ার সময় এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগ উঠল ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা চার সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। যার প্রতিবাদে স্থানীয় আদিবাসীরা মিলে সোমবার পথ অবরোধ করে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন মালদার হবিবপুর রাইস মিল এলাকায়। জানা গেছে, এদিন হবিবপুর রাইস মিল এলাকার জয়দেব পান্ডে নামে এক চাষী তার জমির সরষে কাটাই এবং ঝাড়াই-বাছাই করার জন্য জমিতে খেসার মেশিন নিয়ে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ ওই সময় হবিবপুর রাইসমিল এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা চার সিভিক ভলান্টিয়ার মিলে তার কাছে টাকা দাবী করে এবং টাকা না দিলে জমিতে খেসার মেশিন নিয়ে যেতে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। ওই সময় পাশ দিয়েই যাচ্ছিলেন বিজেপির দুই স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। তাদের কাছে এই বিষয়ে নালিশ জানান সরষে চাষী জয়দেব পান্ডে। যা শুনে বিজেপির দুই গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সিভিক ভলান্টিয়ারের কাছে জানতে চান কেন টাকা চাওয়া হচ্ছে? আর এই জানতে চাওয়ার কারণেই চার সিভিক ভলান্টিয়ার মিলে বিজেপির দুই গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যদের কলার ধরে টানা হেঁচড়া করে বলে অভিযোগ। যার প্রতিবাদে স্থানীয় আদিবাসীরা একজোট হয়ে পথ অবরোধ করেন। হবিবপুর রাইস মিল এলাকায় 'মালদা-নালাগোলা রাজ্য সড়ক অবরোধ করে তুমুল বিক্ষোভ দেখান। খবর পেয়ে হবিবপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। সেই সঙ্গে হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুখীরানি সাহাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে এই ঘটনায় সিভিক ভলান্টিয়ারের বাড়বাড়ন্তের অভিযোগ তুলে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দেন হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুখীরানি সাহা এবং হবিবপুরের বিধায়ক জোয়েল মুর্মু। তারা গোটা ঘটনায় অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের শাস্তির দাবী জানান।4
- “আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এবং আমাদের চ্যানেল ফলো করুন। যোগাযোগ: 8617053922।”1
- মালদার হবিবপুর ব্লকের আকতৈল অঞ্চলের বিনোদপুর গ্রামের চিল্লাহার এলাকায় এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত অবস্থায় গুচ্ছ গুচ্ছ আধারকার্ড, প্যানকার্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার চিল্লাহার এলাকার সুশীল টুডুর বাড়ির সামনে দুটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। বস্তা খুলতেই তার মধ্যে অসংখ্য আধারকার্ড ও প্যানকার্ড দেখতে পান তারা। সুশীল টুডুর দাবি, বিনোদপুর পোস্ট অফিসের আগের এক পিওন তাকে অস্থায়ীভাবে কাজে রাখতেন এবং কিছু আধারকার্ড ও প্যানকার্ড বিলি করার জন্য তার কাছে দিয়েছিলেন। পরে তিনি আর না আসায় সেগুলি পোস্ট অফিসে জমা দেওয়ার জন্য বাড়ির সামনে রেখেছিলেন। এদিকে, তৎকালীন পিওন তথা বর্তমানে খড়িবাড়ি পোস্ট অফিসে কর্মরত হরেশ চন্দ্র রায় জানান, তিনি ওই ব্যক্তিকে কাজে সাহায্যের জন্য রেখেছিলেন এবং কিছু নথি বিলির দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তবে সেগুলি বাড়িতে রেখে দেওয়া হয়েছে তা তার জানা ছিল না। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হবিবপুরের বিধায়ক জোয়েল মুর্মু।1
- প্রথম নির্বাচনী জনসভা হলেও তার আগেই দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে প্রচার শুরু করেছিলেন পুরাতন মালদার সমাজসেবী নিতাই মণ্ডল। আর মঙ্গলবার দুপুর ১২টা নাগাদ সাহাপুর বাইপাস সংলগ্ন ফুটবল মাঠে আয়োজিত এই প্রথম বড় জনসভা থেকেই তিনি মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিলেন। জনসভাকে ঘিরে ব্যাপক মানুষের উপস্থিতি কার্যত প্রমাণ করে দিল, নির্দল প্রার্থী হিসেবে নিতাই মণ্ডলকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। সভা শুরুর আগে আদিবাসী নৃত্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়, যা গোটা পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। এরপর একে একে মঞ্চে উঠে বক্তব্য রাখেন বক্তারা। তারা সরাসরি কোনও রাজনৈতিক দলের নাম না করলেও বিভিন্ন নেতাদের তীব্র কটাক্ষ করেন এবং দাবি করেন, মানুষের প্রকৃত উন্নয়নের জন্যই নির্দল প্রার্থী হিসেবে নিতাই মণ্ডলকে সামনে আনা হয়েছে।বক্তারা উপস্থিত মানুষদের উদ্দেশে আহ্বান জানান, আসন্ন নির্বাচনে নিতাই মণ্ডল যে প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, সেই প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে জয়যুক্ত করতে হবে। তাদের দাবি, একজন সমাজসেবী হিসেবে নিতাই মণ্ডলই সাধারণ মানুষের প্রকৃত প্রতিনিধি হতে পারেন।1