উত্তর চেলাগাং এলাকার এক যুবক রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিখোঁজ যুবকের নাম বাপ্পি দাস। তিনি উত্তর চেলাগাং একছুড়ি এলাকার বাসিন্দা এবং তার পিতার নাম অরুন দাস। পরিবারের সদস্যদের জানানো মতে, গত রবিবার ৮ই মার্চ আনুমানিক সকাল ৮টা নাগাদ বাপ্পি দাস কাউকে কিছু না জানিয়ে হঠাৎ করেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি এবং তার কোনো খোঁজও পাওয়া যাচ্ছে না। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে ভেবেছিলেন হয়তো তিনি কোনো কাজে বাইরে গিয়েছেন এবং কিছুক্ষণ পর ফিরে আসবেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। পরে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে নিয়ে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা, আত্মীয়দের বাড়ি এবং সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হয়। কিন্তু বহু চেষ্টা করেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাপ্পি দাসের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে চেলাগাং থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছে। পুলিশও বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট তথ্য বা সূত্র পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। এদিকে পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। প্রিয়জনের এমন হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানানো হয়েছে। কেউ যদি বাপ্পি দাসকে কোথাও দেখতে পান বা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানতে পারেন, তাহলে অনুগ্রহ করে দ্রুত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এই বিষয়ে তথ্য জানাতে 9362140426 নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। পরিবারের আশা, সকলের সহযোগিতায় খুব শিগগিরই বাপ্পি দাসের সন্ধান মিলবে এবং তিনি সুস্থ অবস্থায় বাড়িতে ফিরে আসবেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত বাপ্পি দাসের খোঁজ পাওয়ার জন্য প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
উত্তর চেলাগাং এলাকার এক যুবক রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিখোঁজ যুবকের নাম বাপ্পি দাস। তিনি উত্তর চেলাগাং একছুড়ি এলাকার বাসিন্দা এবং তার পিতার নাম অরুন দাস। পরিবারের সদস্যদের জানানো মতে, গত রবিবার ৮ই মার্চ আনুমানিক সকাল ৮টা নাগাদ বাপ্পি দাস কাউকে কিছু না জানিয়ে হঠাৎ করেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি এবং তার কোনো খোঁজও পাওয়া যাচ্ছে না। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে ভেবেছিলেন হয়তো তিনি কোনো কাজে বাইরে গিয়েছেন এবং কিছুক্ষণ পর ফিরে আসবেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। পরে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে নিয়ে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা, আত্মীয়দের বাড়ি এবং সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হয়। কিন্তু বহু চেষ্টা করেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাপ্পি দাসের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে চেলাগাং থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছে। পুলিশও বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট তথ্য বা সূত্র পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। এদিকে পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। প্রিয়জনের এমন হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানানো হয়েছে। কেউ যদি বাপ্পি দাসকে কোথাও দেখতে পান বা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানতে পারেন, তাহলে অনুগ্রহ করে দ্রুত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এই বিষয়ে তথ্য জানাতে 9362140426 নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। পরিবারের আশা, সকলের সহযোগিতায় খুব শিগগিরই বাপ্পি দাসের সন্ধান মিলবে এবং তিনি সুস্থ অবস্থায় বাড়িতে ফিরে আসবেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত বাপ্পি দাসের খোঁজ পাওয়ার জন্য প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
- জল জীবন মিশন প্রকল্প যেন মুখ থুবড়ে পড়েছে পশ্চিম কাঞ্চনমালা এলাকায়। দেশ ও রাজ্যের প্রতিটি পরিবার যেন জলের জন্য হাহাকার না করতে হয় তার জন্য সরকার জল জীবন মিশন প্রকল্পের মাধ্যমে সকলের জন্য বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা করেছে। জল জীবন মিশন প্রকল্পের আওতায় শহর কিংবা গ্রামে প্রচুর পাম্প মেশিন বসানো হয়েছে, আর সেই মেশিনের জল পাইপ লাইনের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছে। জল জীবন মিশন এর সেই পানীয় জল যদি মুখ থুবড়ে পড়ে তাহলে সাধারণ মানুষ কোথা থেকে পাবে জল! ডুকলী আর ডি ব্লকের অন্তর্গত কাঞ্চনমালা এসবি স্কুল সংলগ্ন সরকারি কোষাগরের বহু টাকা ব্যয় করে মানুষের কাছে জল পৌঁছানোর জন্য একটি পাম্প মেশিন বসানো হয়। এই পাম্প মেশিন থেকে পশ্চিম কাঞ্চনমালা এলাকার বিভিন্ন জায়গায় জল সরবরাহের জন্য পাইপ লাইন বসানো হয়। এই পাম্প মেশিনটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অপারেটরের দায়িত্ব দেওয়া হয় ওই এলাকারই শিশু রঞ্জন রায়ের ছেলে দীপক রায়কে। জলের পাম্প মেশিন থাকা সত্ত্বেও এলাকার মানুষ এখন অভিযুক্ত হচ্ছে পাম্প অপারেটর দীপক রায়ের বিরুদ্ধে। এলাকার মানুষের অভিযোগ পাম্প অপারেটর দীপক রায় তার নিজের মর্জি মাফিক পাম্প মেশিন চালাচ্ছে। দীপক রায় পাম্প মেশিন চালু করে এক ঘন্টা থেকেও কম সময়ের মধ্যে আবার মেশিন বন্ধ করে দেয়। এই সামান্য কিছু সময়ের মধ্যে মানুষ তাদের প্রয়োজনে জল সঠিকভাবে সংগ্রহ করতে পারছে না। এরই মধ্যে গত ৮-১০ দিন ধরে পশ্চিম কাঞ্চনমালা এলাকার মানুষ জল পাচ্ছে না অর্থাৎ মেশিন বন্ধ রয়েছে, তার কারণ পাম্প মেশিনে নাকি যান্ত্রিক ত্রুটি রয়েছে। পাম্প মেশিন খারাপ হলে সংশ্লিষ্ট ডি ডব্লিউ এস দপ্তরের তরফ থেকে তা অতি দ্রুত সারাই করার ব্যবস্থা করার প্রয়োজন ছিল কিন্তু আজ আর দশ দিন হয়ে গেলেও পাম্প মেশিন বন্ধ রয়েছে যার ফলে এলাকার মানুষ পানীয় জল থেকে বঞ্চিত। সাধারণ মানুষের আরো অভিযোগ পাম্প মেশিনটি যদি অন্তত দুই ঘণ্টা করে প্রতিদিন জল দিত তাহলে নিত্যদিনের মানুষের এই জলের সমস্যা দূর হতো। দীপক রায় নাকি নিজের ইচ্ছাকৃতভাবেই কম সময় পর্যন্ত মেশিন চালিয়ে আবার বন্ধ করে বাড়িতে চলে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই নাকি এই সমস্যায় ভুগছে ভুক্তভোগীরা, সাধারণ মানুষ একাধিকবার পাম্প অপারেটর দীপক রায়কে তাদের এই বিষয়টি জানিয়েছিল কিন্তু দীপক রায় মানুষের এই সমস্যার কথা কর্ণপাত করেনি। জলের এই সমস্যার জন্য এলাকার মানুষ পাম্প অপারেটর দীপক রায়কেই দায়ী করছে। স্থানীয় এলাকাবাসীরা রাজ্য সরকার এবং ডি ডব্লিউ এস দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দাবি জানিয়েছে পাম্প মেশিনের যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে খুব দ্রুত যেন সেটি সারাই করার ব্যবস্থা করে এবং পাম্প অপারেটর দীপক রায়কে যেন এমন নির্দেশ দেওয়া হয় যাতে মানুষ অন্তত ২ ঘন্টা করে প্রতিদিন জল পেতে পারে। এখন দেখার বিষয় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর সরকার এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর কি ভূমিকা গ্রহণ করে।1
- 📍ধর্মনগর, ১০ মার্চ।। ✍️ উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগর মহকুমার হুরুয়া শিবনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪ নং ওয়ার্ডে এক মাশরুম চাষীর খামারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত চাষীর।1
- আমরা সব সময় আধুনিক ডিজাইন এবং আপনার নতুন বাড়ি, পারফেক্ট প্লাম্বিং কাজের জন্য সব সময় আছে আপনার পাশে :📞9️⃣8️⃣6️⃣3️⃣7️⃣9️⃣0️⃣5️⃣8️⃣6️⃣, আগরতলা, ত্রিপুরা #BathroomFinishing #PlumbingWork #TilesDesign #LocalService #[Agartala] #ConstructionWork1
- Post by Gouranga Majumder1
- Post by Rinkusk2
- নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জীপ উল্টে মর্মান্তিক দু*র্ঘটনা, নি*হ*ত যুবক গুপী রঞ্জন ত্রিপুরা1
- করবুক : IPFT পার্টি 🐄 গরু বেপারি বলে চিৎকারে বললেন | করবুক তিপ্রা মথার প্রেসিডেন্ট হীরান্ময় ত্রিপুরা1
- মূখ্যমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশ উপেক্ষা করে কাছাড়ে অব্যাহত অবৈধ গো-মাংস বিক্রি, এবার অবৈধ গো-মাংস বিক্রির বিরুদ্ধে রুখে দাড়ালেন জনতা, এবার জনতার প্রচেষ্টায় কাছাড়ের সোনাইয়ে আটক দুই অবৈধ গো-মাংস বিক্রেতা। উদ্ধার গো-মাংস সহ দুটি গরু। রবিবার এ ঘটনা ঘিরে কাছাড়ের সোনাই বিধানসভার সৈয়দপুর তৃতীয় খণ্ডে বিরাজ করে থমথম পরিস্থিতি। আটক দুই গো-মাংস বিক্রেতা হচ্ছেন সৈয়দপুর তৃতীয় খণ্ডের বাসিন্দা সাহারুল ইসলাম লস্কর ও ফখরুল ইসলাম লস্কর। জানাগেছে, দীর্ঘ ধরে এই দুই যুবক নিষিদ্ধ গো-মাংস বিক্রি করে আসছিল। বারবার স্থানীয় লোকেরা আপত্তি জানালেও, অবৈধ গো-মাংস বিক্রেতারা নির্দিধায় তাদের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিল। অবশেষে, এলাকার হিন্দু -মুসলমানেরা একজোট হয়ে অভিযান নামেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অবৈধ গো-মাংস, দুটি গরু উদ্ধারের পাশাপাশি ধৃত দুই যুবককে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। থেকে আটক দুই গো-মা1