গাজোল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আই প্যাক অফিসে ইডি হামলার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও ধিক্কার মিছিল করেন গাজোল শহরে। উপস্থিত ছিলেন গাজোল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রাজকুমার সরকার গাজোল ব্লক আই এন টি টি ইউসি সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন, মালদা জেলা পরিষদের সদস্য সাগরিকা সরকার সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। রাজকুমার সরকার বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইপ্যাক অফিসে আচমকা ইডি হানার । বিজেপি পরিচালিত ইডির এই আচমকা হানার বিরুদ্ধে বা হামলার বিরুদ্ধে গাজোল শহরে ধিক্কার ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। ইডির এই হানাকে আমরা ধিক্কার জানাই। তিনি বলেন বিজিপি পরিচালিত ইডি যতবার হামলা করবে ততবার তৃণমূল কংগ্রেস জিতবে বাংলায়। আজ গাজোল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে আইপ্যাক অফিসে ইডির তল্লাশীর বিরুদ্ধে গাজোল শহরে একটি ধিক্কার ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। বিজেপি ভয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসকে দেখে। তাই ই ডি দিয়ে আই প্যাক অফিসে তল্লাশি চালাচ্ছে। এই তল্লাশি চালিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে দমন করা যাবে না। আজ এই ধিক্কার ও বিক্ষোভ মিছিলে প্রচুর কর্মী ও লোকের সমাগম হয়। এই কর্মী ও মানুষের সমাগম দেখে বোঝা যায় আগামী ২৬ শে বিধানসভা নির্বাচনে গাজোলে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জয়লাভ করবে। আমরা একজন বিধায়ক মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দিতে পারব। ইডি তল্লাশি চালিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের উন্নয়ন স্তব্ধ করতে পারবেন না তৃণমূল কংগ্রেসের উন্নয়ন চলছে চলবে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের পাশে রয়েছেন মানুষের পাশে থাকবেন। ২৬ শে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের জয় জয় কার হবে। আজ তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মালদা তে শ্রমিকদের নিয়ে একটি সভা করেন। তিনি মানুষের পাশে রয়েছেন মানুষের পাশে থাকবেন তিনি শ্রমিকদের পাশে রয়েছেন শ্রমিকদের পাশে থাকবেন আজ তিনি দুপুরে শ্রমিকদের সাথে দুপুরের আহার করেন।
গাজোল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আই প্যাক অফিসে ইডি হামলার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও ধিক্কার মিছিল করেন গাজোল শহরে। উপস্থিত ছিলেন গাজোল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রাজকুমার সরকার গাজোল ব্লক আই এন টি টি ইউসি সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন, মালদা জেলা পরিষদের সদস্য সাগরিকা সরকার সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। রাজকুমার সরকার বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইপ্যাক অফিসে আচমকা ইডি হানার । বিজেপি পরিচালিত ইডির এই আচমকা হানার বিরুদ্ধে বা হামলার বিরুদ্ধে গাজোল শহরে ধিক্কার ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। ইডির এই হানাকে আমরা ধিক্কার জানাই। তিনি বলেন বিজিপি পরিচালিত ইডি যতবার হামলা করবে ততবার তৃণমূল কংগ্রেস জিতবে বাংলায়। আজ গাজোল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে আইপ্যাক অফিসে ইডির তল্লাশীর বিরুদ্ধে গাজোল শহরে একটি ধিক্কার ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। বিজেপি ভয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসকে দেখে। তাই ই ডি দিয়ে আই প্যাক অফিসে তল্লাশি চালাচ্ছে। এই তল্লাশি চালিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে দমন করা যাবে না। আজ এই ধিক্কার ও বিক্ষোভ মিছিলে প্রচুর কর্মী ও লোকের সমাগম হয়। এই কর্মী ও মানুষের সমাগম দেখে বোঝা যায় আগামী ২৬ শে বিধানসভা নির্বাচনে গাজোলে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জয়লাভ করবে। আমরা একজন বিধায়ক মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দিতে পারব। ইডি তল্লাশি চালিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের উন্নয়ন স্তব্ধ করতে পারবেন না তৃণমূল কংগ্রেসের উন্নয়ন চলছে চলবে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের পাশে রয়েছেন মানুষের পাশে থাকবেন। ২৬ শে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের জয় জয় কার হবে। আজ তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মালদা তে শ্রমিকদের নিয়ে একটি সভা করেন। তিনি মানুষের পাশে রয়েছেন মানুষের পাশে থাকবেন তিনি শ্রমিকদের পাশে রয়েছেন শ্রমিকদের পাশে থাকবেন আজ তিনি দুপুরে শ্রমিকদের সাথে দুপুরের আহার করেন।
- পুরাতন মালদা থানার অন্তর্গত আদমপুর এলাকা থেকে এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বৃহস্পতিবার (৭ তারিখ) রাত আনুমানিক দশটা নাগাদ সন্দেহজনক গতিবিধির ভিত্তিতে ওই যুবককে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হয়।ধৃত যুবকের নাম কাউসার আলী (২৪)। সে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার কাইমপুর থানার বেকপুর এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। বিএসএফ সূত্রে খবর, তল্লাশি চালিয়ে ধৃতের কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। ওই মোবাইলে একটি ভারতীয় সিম কার্ড এবং একটি বাংলাদেশি সিম কার্ড ব্যবহার করা হচ্ছিল।বিএসএফ সূত্রের দাবি, ধৃত যুবক কয়েকদিন আগেই অবৈধভাবে হবিবপুর থানার কলাইবাড়ি সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। কী উদ্দেশ্যে তিনি ভারতে এসেছিলেন এবং এই অনুপ্রবেশে কারা তাঁকে সহযোগিতা করেছে, তা জানতে বিএসএফ ও সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।বৃহস্পতিবার রাতেই ধৃত যুবককে মালদা থানার পুলিশের হাতে হস্তান্তর করে বিএসএফ। গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার দুপুর আনুমানিক বারোটা নাগাদ তাঁকে মালদা জেলা আদালতে পেশ করা হয়। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত যুবক জানিয়েছে, সে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যেই ভারতে এসেছিল। যদিও বিষয়টির সত্যতা যাচাই করতে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে বলে বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে।1
- ৯ জানুয়ারি, গাজোল :- মালদার গাজোলের শ্যামসুখী বালিকা শিক্ষা নিকেতনের ৫৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত হল শুক্রবার।1
- এক লাখ টাকার উপরে বিদ্যুতের বকেয়া বিল মেটাতে নিজের নয় শতক জমি বিক্রি করতে হল এবং আরও কিছু জমি লিজ দিতে বাধ্য হলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ ব্লকের ধাদলপাড়া বড়িপুকুর এলাকার দরিদ্র আদিবাসী বৃদ্ধ দম্পতি। ঘটনাটি ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। প্রশ্ন উঠছে বিদ্যুৎ দফতরের বিল নির্ধারণ পদ্ধতি ও আদায় প্রক্রিয়া নিয়ে। জানা গেছে, কৃষিজীবী বৃদ্ধ বিশান হেমরম ও তাঁর স্ত্রী সীতা বাস্কে প্রায় এক বছর ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিলেন। কারণ হিসেবে দেখানো হয় বিদ্যুতের বকেয়া বিল। অথচ তাঁদের দাবি, এর আগে একাধিকবার বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা এসে বিল তুলতে পারেননি। বলা হয়েছিল মিটারে সমস্যার কারণে বিল বের করা সম্ভব হচ্ছে না। দশ বছর আগে ইন্দিরা আবাস যোজনায় পাওয়া তাঁদের দু’টি টিনের ঘরে আজও প্লাস্টার নেই, নেই চৌকি বা খাট।এই চরম শীতের রাতেও মেঝেতে চাদর বিছিয়ে ঘুমোতে হয় বৃদ্ধ দম্পতিকে। এমনই পরিস্থিতিতে বরাহার বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলে দফতরের তরফে জানানো হয়, তাঁদের পাঁচ বছরের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে ৭৩ হাজার টাকা এবং তার উপর সুদ বাবদ আরও ৩৫ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে এক লক্ষ সাত-আট হাজার টাকার দাবি করা হয়। অসহায় বৃদ্ধ দম্পতি শেষ পর্যন্ত নয় শতক জমি বিক্রি করে ও কিছু জমি লিজ দিয়ে মঙ্গলবার এক লক্ষ দশ হাজার টাকা নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে যান। তাঁদের দাবি, দফতর থেকে প্রায় এক লক্ষ তিন হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে তাঁদের হাতে থাকা তিনটি রসিদ মিলিয়ে মোট অঙ্ক দাঁড়াচ্ছে ৯৮,৩৪০ টাকা। তাহলে বাকি প্রায় পাঁচ হাজার টাকা গেল কোথায়—তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আরও প্রশ্ন উঠছে, যে বাড়িতে মাত্র দু’টি বাল্ব জ্বলত এবং একটি টিভি চলত, সেখানে পাঁচ বছরের বকেয়া বিল ৭৩ হাজার টাকা কীভাবে হল এবং সুদই বা ৩৫ হাজার টাকা ধার্য করা হল কোন পদ্ধতিতে। মঙ্গলবার এক লক্ষ তিন হাজার টাকা জমা দেওয়ার পরে সেদিন বিকেলেই বিদ্যুত সংযোগ দিয়ে গেছে বাড়িতে। কুমারগঞ্জ বিজেপির পক্ষ থেকে ঘটনাটিকে অমানবিক বলে কড়া ভাষায় নিন্দা করা হয়েছে। এ বিষয়ে কুমারগঞ্জ বিদ্যুৎ অফিসের স্টেশন ম্যানেজার নাজমুল হক বলেন, 'আমি বর্তমানে ছুটিতে আছি, অফিসে গিয়ে বিষয়টি খোঁজ নেব।' দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আরেক বিদ্যুৎ আধিকারিক শুভময় সরকার জানান, 'ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।'4
- নাম ভুল ও ডবল নাম সংক্রান্ত সন্দেহে বাড়ি বাড়ি গিয়ে হেয়ারিং নির্বাচন কমিশনের1
- সাগর থানা পুলিশের বড় সাফল্য1
- বালুরঘাট: লোকসভা নির্বাচনের গাড়ির বিল বাকি—সরব মালিকরা, সতর্কবার্তা প্রশাসনকে1
- সল্টলেকের আই প্যাক অফিসে ইডি হানার প্রতিবাদে : ভরতপুর-১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিল ও পথসভা1
- মালদহে কনকনে শীত যার জেরে রাতে সাধারণ মানুষ আগুনের পাশে তাপ নিতে ব্যস্ত1