Shuru
Apke Nagar Ki App…
উত্তর ২৪ পরগনার শ্যামনগর বাসুদেবপুরের মহাকালতলায় পালিত হচ্ছে হরি গুরুচাঁদ মথুরা মেলা। এই অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তারা চাইছেন এর বার্তা দেশের প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ুক।
Pratap Mallick
উত্তর ২৪ পরগনার শ্যামনগর বাসুদেবপুরের মহাকালতলায় পালিত হচ্ছে হরি গুরুচাঁদ মথুরা মেলা। এই অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তারা চাইছেন এর বার্তা দেশের প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ুক।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ভোটের ভূতের বাইরের ফটো ভালো লাগলে সকলের লাইক কমেন্ট করবেন ভোটের ভুতের বাটের বাইরের ফটো1
- আজ সকালে জোড়ামন্দির খেলার মাঠ পরিদর্শন করেন আমাদের রাজারহাট গোপালপুরের বিধায়ক অ্যাডভোকেট তরুণ জ্যোতি তেওয়ারি 117 রাজারহাট গোপালপুরের আমাদের প্রিয় বিধায়ক।1
- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ শুভেন্দুর, সভামঞ্চে মোদি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু, সভামঞ্চে মোদি!1
- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ পাঠ শুভেন্দু অধিকারীর!1
- ভোটে জয়ের পর গরুর মাংসের দোকানে দেখা গেল বিজেপি নেতাকে! ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা ও নানা প্রশ্ন। তিনি নিজেই কী বললেন? পুরো বক্তব্য শুনুন এবং নিজের মতামত জানান। ভোটে জয়ের পর গরুর মাংসের দোকানে দেখা গেল বিজেপি নেতাকে! ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা ও নানা প্রশ্ন। তিনি নিজেই কী বললেন? পুরো বক্তব্য শুনুন এবং নিজের মতামত জানান। #BJP #WestBengalPolitics #BreakingNews #ViralVideo #বাংলার_রাজনীতি #বিজেপি #নিউজআপডেট1
- ভারতের সবথেকে দ্রুত আর নিরাপদ ওয়াশিং মেশিন। আবার আপনারা বলুন এটা ঠিক কি না !! এটা সত্য কি মিথ্যা আপনারা কমেন্ট করে বলুন একটু .......1
- চুঁচুড়ায় ঐতিহাসিক ‘আদি তোলাফটো’ মোড়কে ঘিরে নতুন করে সামনে এল শহরের প্রাচীন ঐতিহ্যের স্মৃতি নবনির্বাচিত বিধায়কের উদ্যোগে ঐতিহ্য রক্ষার আশ্বাস, সাধুবাদ এলাকাবাসীর চুঁচুড়ার ঐতিহাসিক ‘আদি তোলাফটো’ মোড়কে ঘিরে নতুন করে সামনে এল শহরের প্রাচীন ঐতিহ্যের স্মৃতি। বহু বছরের পুরনো এই স্থান একসময় ডাচ ও ফরাসি উপনিবেশের ইতিহাস বহন করত। ইতিহাস ও স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, চুঁচুড়া ছিল ডাচদের অধীনে এবং চন্দননগর ছিল ফরাসিদের নিয়ন্ত্রণে। সেই সময় এই দুই শহরের সংযোগস্থল হিসেবেই পরিচিত ছিল বর্তমান তোলাফটো মোড়। স্থানীয়দের দাবি, অতীতে এখান দিয়ে নৌকাও চলাচল করত। এই ঐতিহাসিক গুরুত্বের স্মারক হিসেবে তোলাফটো মোড়ে দীর্ঘদিন ধরে দাঁড়িয়ে ছিল দুটি প্রাচীন স্তম্ভ, যা ডাচ-ফরাসি আমলের ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে আজ সকালে এক দুঃখজনক ঘটনায় সেই ঐতিহ্যের একটি বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্থানীয় এক দোকানদার নিজের দোকানের সামনে থাকা বিশাল আকৃতির গাছের ডাল ছাঁটাই করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত একটি স্তম্ভ ভেঙে ফেলেন। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান পৌরসভার প্রতিনিধিরা ও চুঁচুড়া পৌরসভার পৌরপ্রধান সৌমিত্র ঘোষ। দোকানদারের দাবি, অতীতেও একাধিকবার ওই বড় গাছের ডাল দোকানের কাজে বাধা সৃষ্টি করত, তাই ডাল ছাঁটাইয়ের কাজ করা হচ্ছিল। তবে কোনও পৌর অনুমতি ছাড়াই এই কাজ করায় ক্ষোভ ছড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, অসাবধানতা ও নিয়ম না মেনেই কাজ করার ফলেই ঐতিহ্যবাহী স্তম্ভটি ধ্বংসপ্রায় অবস্থায় পৌঁছেছে। ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছান নবনির্বাচিত চুঁচুড়ার বিধায়ক সুবীর নাগ। তিনি স্থানীয় বাসিন্দা, আদি তোলাফটো দুর্গাপুজো কমিটি এবং পৌরপ্রধান সৌমিত্র ঘোষের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরে বিধায়ক জানান, এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাকে পুনর্নির্মাণ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিধায়ক সুবীর নাগ বলেন, “অতীতে কোন সরকার বা পৌরসভার উদাসীনতা ছিল কি না, সেটা নিয়ে এখন আলোচনা করার সময় নয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত চুঁচুড়ার ঐতিহ্যকে রক্ষা করা। পৌরসভা ও স্থানীয় মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এই ঐতিহাসিক স্থানটি পুনর্নির্মাণ করব।” বিধায়কের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান পৌরপ্রধান সৌমিত্র ঘোষও। তিনি বলেন, পৌরসভার অনুমতি নিয়ে দ্রুত নতুনভাবে ঐতিহ্যবাহী ফটক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি এই স্থানের ইতিহাস তুলে ধরতে একটি তথ্যফলক বসানোর বিষয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকেই এলাকার মানুষের মধ্যে একটাই আশা—চুঁচুড়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য আবারও নতুন রূপে ফিরে আসুক শহরের বুকে।1
- *কোতুলপুরে নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক লক্ষীকান্ত মজুমদার,কে সংবর্ধনা জানাল আনন্দ পল্লী সর্বজনীন দুর্গা উৎসব কমিটি* একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে এবার রাজ্যে ক্ষমতায় বিজেপি। গেরুয়া ঝড়ে বাঁকুড়া থেকে ধুয়ে মুছে সাফ। সেই পরিস্থিতিতে কোতুলপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে পদ্ম প্রতীকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন লক্ষীকান্ত মজুমদার। রবিবার নববির্বাচিত বিধায়ক ও স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বকে সংবর্ধনা জানালেন কোতুলপুরের আনন্দ পল্লী সর্বজনী দুর্গা উৎসব কমিটির সদস্যরা। গীতা, পূস্পস্তবক ও উত্তরীয় দিয়ে তাঁরা বিধায়ক সহ অন্যান্যদের সংবর্ধিত করেন। আনন্দ পল্লী সর্বজনী দুর্গা উৎসব কমিটির সঞ্জীব সরকার বলেন, নব নির্বাচিত বিধায়ককে সংবর্ধনা জানানোর পাশাপাশি আমাদের পূজা কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আবেদন নিয়ে আমরা এসেছিলাম। উনি দায়িত্বভার গ্রহণে রাজী হয়েছেন। এই ঘটনায় তাঁরা খুশী বলে তিনি জানান। বিধায়ক লক্ষীকান্ত মজুমদার বলেন, খুব ভালো লাগছে, সকলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। তিনিও তাঁর মতো করে পাশে থাকার চেষ্টা করবেন বলে জানান।1