পশ্চিমবঙ্গ সরকার খসড়া অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) পর্যালোচনার জন্য সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি ৯ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির সুপারিশ জমা পড়ার পর রাজ্য বিধানসভায় এই সংক্রান্ত বিল আনার সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি, রাজ্যে অপরাধ দমন এবং সংগঠিত অপরাধ রুখতে একটি নতুন অ্যান্টি-গ্যাং আইন এবং অপরাধের সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তি নিলাম সংক্রান্ত সংশোধিত আইন আগামী ১৩ জুলাই থেকে কার্যকর করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সরকারের দাবি, আইন-শৃঙ্খলা জোরদার করতে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ হতে চলেছে। অন্যদিকে, পরিবেশ রক্ষায় দার্জিলিং, ডুয়ার্স এবং সুন্দরবনের মতো পরিবেশ-সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে অতিরিক্ত পর্যটকদের চাপ কমাতে নতুন নীতি বিবেচনা করছে রাজ্য সরকার। এর সম্ভাব্য পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে পর্যটকদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা, পরিবেশবান্ধব পরিকাঠামো গড়ে তোলা এবং টেকসই পর্যটনের প্রসার ঘটানো। এছাড়া কলকাতায় অনুষ্ঠিত 'Bengal Tourism Fest' এবং 'TTF 2026'-এ রাজ্য পর্যটন বিভাগ পাহাড়, সমুদ্র, জঙ্গল, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় পর্যটন ক্ষেত্রগুলিকে আন্তর্জাতিক স্তরে তুলে ধরতে জোরালো প্রচার চালাচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার খসড়া অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) পর্যালোচনার জন্য সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি ৯ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির সুপারিশ জমা পড়ার পর রাজ্য বিধানসভায় এই সংক্রান্ত বিল আনার সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি, রাজ্যে অপরাধ দমন এবং সংগঠিত অপরাধ রুখতে একটি নতুন অ্যান্টি-গ্যাং আইন এবং অপরাধের সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তি নিলাম সংক্রান্ত সংশোধিত আইন আগামী ১৩ জুলাই থেকে কার্যকর করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সরকারের দাবি, আইন-শৃঙ্খলা জোরদার করতে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ হতে চলেছে। অন্যদিকে, পরিবেশ রক্ষায় দার্জিলিং, ডুয়ার্স এবং সুন্দরবনের মতো পরিবেশ-সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে অতিরিক্ত পর্যটকদের চাপ কমাতে নতুন নীতি বিবেচনা করছে রাজ্য সরকার। এর সম্ভাব্য পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে পর্যটকদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা, পরিবেশবান্ধব পরিকাঠামো গড়ে তোলা এবং টেকসই পর্যটনের প্রসার ঘটানো। এছাড়া কলকাতায় অনুষ্ঠিত 'Bengal Tourism Fest' এবং 'TTF 2026'-এ রাজ্য পর্যটন বিভাগ পাহাড়, সমুদ্র, জঙ্গল, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় পর্যটন ক্ষেত্রগুলিকে আন্তর্জাতিক স্তরে তুলে ধরতে জোরালো প্রচার চালাচ্ছে।
- বহরমপুরের প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলার জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করেছেন। শনিবার দুপুরে বহরমপুর জেলা কংগ্রেস ভবনের সামনে একটি অস্থায়ী মঞ্চে এই যোগদান পর্বটি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক মনোজ চক্রবর্তীর হাত ধরে তিনি জাতীয় কংগ্রেসের দলীয় পতাকা কাঁধে তুলে নেন।1
- আগামী ১৩ জুলাই বহরমপুরে কংগ্রেসের একটি মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এই মহাসমাবেশকে সফল করে তুলতে এবং সেখানে সাধারণ মানুষকে দলে দলে যোগ দেওয়ার জন্য বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন কমলেশ চ্যাটার্জী।1
- মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেডেনশিয়াল নিয়ে যা বলেছেন, তাকে সম্পূর্ণ সঠিক বলে সমর্থন জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে একদম যথার্থ ও সঠিক বলে দাবি করা হয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান দূরদর্শন ইলেকট্রনিক্স পবিত্র রমজান ও ঈদ উপলক্ষে আয়োজিত তাদের ধামাকা লাকি ড্র অফারের সফল সমাপ্তি ঘোষণা করেছে। দোকানের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ রেজাউল ওরফে রিমন গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে এই অফারটি শুরু করেছিলেন, যেখানে ৯৯৯৯ টাকার কেনাকাটায় গ্রাহকদের একটি করে লাকি ড্র কুপন দেওয়া হতো। শুক্রবার বিকেল চারটে নাগাদ ৩২০ জন ক্রেতা ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে উপস্থিত নাবালক শিশুদের হাত দিয়ে কুপন তোলা হয়। লটারিতে প্রথম পুরস্কার হিসেবে ইলেকট্রনিক স্কুটি জিতে নিয়েছেন ভরতপুর মিদ্দাপাড়ার বাসিন্দা রূকসার সুলতানা, যার চাবি তাঁর স্বামী জনি সেখের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে বুদু সেখকে একটি আধুনিক ফ্রিজ এবং তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে সিজ গ্রামের কাউসার সেখকে একটি এলইডি টিভি প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য ক্রেতাদের জন্যেও বেশ কিছু সান্ত্বনা পুরস্কারের ব্যবস্থা ছিল। ভরতপুর সিনিয়র মাদ্রাসা স্কুলের বিপরীতে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানে এসি, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন সহ যাবতীয় হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও ফার্নিচার সুলভ মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলার কুঠিরামপুর দলেল পাড়া এলাকায় পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে হামলার শিকার হলেন এক বিজেপি কর্মী। কুঠিরামপুর অঞ্চলের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য রাম দাসের বিরুদ্ধে এই হামলার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় গুরুতর আহত বিজেপি কর্মী অরিত দাসকে কানাপুকুর হাসপাতাল থেকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, সুভাষ দাস নামের এক ব্যক্তি গত মাস দুয়েক ধরে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য রাম দাসের কাছে বাঁশ বিক্রির টাকা পেতেন। শনিবার সকালে সেই পাওনা টাকা চাইতে গেলে সুভাষ দাসকে ধাক্কা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপর সুভাষ দাস ফোন করে তাঁর ছেলে ও ভাগ্নে অরিত দাসকে ডেকে পাঠান। অভিযোগ, তখনও রাম দাস লোকজন নিয়ে এসে অরিত দাসের ওপর হামলা চালায় এবং তাঁকে ব্যাপক মারধর করে। এই মারধরের ঘটনায় গুরুতর আহত হন বিজেপি কর্মী অরিত দাস। তাঁকে প্রথমে উদ্ধার করে কানাপুকুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির কারণে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ভগবানগোলা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা।1