Shuru
Apke Nagar Ki App…
মানজারূল হক
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বিরোধীশূন্য টার্গেটের লক্ষ্যে তৃণমূল! আর সেই লক্ষ্য ভেদ করতে চমক দিল শাসক শিবির। রীতিমতো ঝটিকা সফরে এদিন মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভগবানগোলা বিধানসভা কেন্দ্র ও পরবর্তীতে বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের অধীন বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে হাজির হন টলিউড সুপার স্টার দেব। সাংসদ দেব এদিন রীতিমতো রাজনীতির আঙিনা ছাড়িয়ে আট সকল বয়সের মানুষের মন জয় করে নেন।2
- হাঁসন বিধানসভায় পঞ্চমুখী লড়াই, সোস্যালিস্ট পার্টির প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের মনোনয়ন সোমবার আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্রে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আবহেই সোস্যালিস্ট পার্টি তাদের প্রার্থী হিসেবে লোহাপুর এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের নাম ঘোষণা করেছে। দলের রাজ্য সভাপতি আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নাম ঘোষণা করে জানান, আগামী সোমবার রামপুরহাট মহকুমা শাসকের (এসডিও) দফতরে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন জাহাঙ্গীর আলম। এদিকে, এই কেন্দ্রকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শক্তিশালী প্রার্থী তালিকা সামনে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে রয়েছেন কাজল শেখ, বিজেপির প্রার্থী নিখিল ব্যানার্জী, কংগ্রেসের মিল্টন রশিদ এবং সিপিআই(এম)-এর প্রার্থী কামাল হাসান। ফলে হাঁসন বিধানসভায় এবার পঞ্চমুখী লড়াই প্রায় নিশ্চিত। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই এলাকায় রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে। সোস্যালিস্ট পার্টির প্রার্থী ঘোষণা ঘিরে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এখন দেখার, এই বহু কোণার লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসে।1
- শনিবার সকালে অধীর চৌধুরীর ভোট প্রচারের শুরুতেই তৃণমূলের বিক্ষোভ। উত্তেজনা, ধস্তাধ্বস্তি। পালটা হুঁশিয়ারি অধীরের। এদিন বহরমপুর পৌরসভার ১৯নম্বর ওয়ার্ডে অধীর চৌধুরীর প্রচারের শুরুতেই স্থানীয় কাউন্সিলারের নেতৃত্বে তৃণমূলের বিক্ষোভের মুখে পরেন অধীর। সরু গলিতে হাতাহাতি কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের মধ্যে। পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গেও ধস্তাধ্বস্তি তৃণমূল কংগ্রস কর্মীদের। যদিও বহরমপুর পৌরসভার কাউন্সিলার ভীষ্মদেব কর্মকারের দাবি, অধীর চৌধুরীর সঙ্গে থাকা নিরাপত্তা রক্ষীরা মানুষকে ভয় দেখাচ্ছিলেন। মানুষ বিক্ষোভ দেখায়। ** এই ঘটনায় যদিও প্রাক্তন সাংসদ, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী অধীর চৌধুরীর দাবি, হার বুঝেই এই ধরণের কাজ করছে তৃণমূল। দিয়েছেন হুঁশিয়ারিও। ।1
- 7312381
- হরিহরপাড়ায় তৃণমূলে ভরসা বাড়ছে, সিপিআইএম-কংগ্রেস ছেড়ে ২৫০ পরিবার যোগ দিল শাসক দলে : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে হরিহরপাড়ায় ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। বেশ কিছুদিন আগেই মালোপাড়া অঞ্চল থেকে কংগ্রেসের একাধিক কর্মী-সমর্থক বুথ সভাপতি রা তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। সেই ধারা বজায় রেখে শনিবার বিকেলে ফের বড়সড় ভাঙন দেখা গেল বিরোধী শিবিরে। এদিন হরিহরপাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে সিপিআইএম ও কংগ্রেস ছেড়ে বিরোধী দলনেতা সহ প্রায় ২৫০টি পরিবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন । তৃণমূল প্রার্থী নিয়ামত শেখের হাত ধরে নতুন সদস্যরা শাসক দলে নাম লেখান। এই যোগদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন হরিহরপাড়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি জসিমউদ্দিন শেখ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মীর আলমগীর পলাশ সহ ব্লকের অন্যান্য নেতৃত্বরা। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, উন্নয়নের স্বার্থে এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজের প্রতি আস্থা রেখেই সাধারণ মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরে এই ভাঙন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।1
- *ভগবানগোলায় দেবের ঝড়, হেলিকপ্টারে নেমেই জনস্রোতে ভাসল তৃণমূলের প্রচার* ভগবানগোলা ৬২ নম্বর বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রেয়াত হোসেন সরকারের সমর্থনে প্রচারে এসে পৌঁছালেন টলিউড তারকা ও সাংসদ Dev। শনিবার হেলিকপ্টারে করে ভগবানগোলার পাকা দরগা মাঠে অবতরণ করেন তিনি। তাকে এক ঝলক দেখার জন্য মাঠে উপচে পড়ে ভিড়, হাজার হাজার সমর্থক ও ভক্তদের ঢল নামে এলাকায়। দেবকে ঘিরে সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। মাঠে নামার পরই জনতার অভিবাদন গ্রহণ করেন তিনি এবং সেখান থেকেই শুরু হয় তার প্রচার কর্মসূচি। ভগবানগোলা বিধানসভার অন্তর্গত জাফরের মোড় এলাকা থেকে হুডখোলা গাড়িতে করে রোড শো শুরু করেন তিনি। পথজুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন তাকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান এবং সমর্থনের বার্তা দেন। এই রোড শো জাফরের মোড় থেকে শুরু হয়ে রানিতলা থানা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। গোটা রাস্তাজুড়ে ছিল উৎসবের আবহ, তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। প্রচারে উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদের সাংসদ Abu Taher Khan সহ শহর ও জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতৃত্ব। নির্বাচনের আগে এই প্রচার কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট চর্চা শুরু হয়েছে। দেবের উপস্থিতি তৃণমূলের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক2
- জনজোয়ার আর উৎসবের আমেজে মনোনয়ন জমা দিলেন : ভরতপুরের তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে, আর এরই মাঝে উৎসবের আমেজ ও কর্মী-সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে কান্দি এসডিও অফিসে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন ৬৯ নম্বর ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন)। শনিবার সকালে সালার কিষান মান্ডি থেকে শুরু হওয়া এক বিশাল মোটরসাইকেল মিছিলের অগ্রভাগে হুডখোলা গাড়িতে চড়ে প্রার্থী মহকুমা শাসকের দপ্তরে পৌঁছান। মনোনয়ন জমা দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আবেগঘন কণ্ঠে মুস্তাফিজুর রহমান জানান, এটি সত্যিই এক অনন্য অনুভূতি। আগে দলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে তৃণমূল স্তরে কাজ করেছি, আর দল আজ সেই কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ আমাকে প্রার্থী করেছে। তবে আমি আজও একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবেই নিজেকে মনে করি। জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী এই নেতা আরও বলেন যে, আগামী ২৩শে এপ্রিলের ভোটে ভরতপুরে ঘাসফুল শিবিরের জয়জয়কার হবে এবং ৪ঠা মে ফলাফল ঘোষণার পর মানুষের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা আরও বহুগুণ বেড়ে যাবে। বিপুল জনসমর্থন আর অগণিত দলীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এদিনের এই কর্মসূচিটি কার্যত এক বিশাল রাজনৈতিক উৎসবে পরিণত হয়।1
- *বীরভূম থেকে বিজেপিকে হটানোর ডাক অভিষেকের, হাঁসনে কাজল শেখের জয়ে ৫০ হাজারের টার্গেট* আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বীরভূমের মাটি থেকেই বিজেপিকে উৎখাত করার ডাক দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক Abhishek Banerjee। শনিবার তারাপীঠ সংলগ্ন কড়কড়িয়া মোড়ে আয়োজিত জনসভা থেকে তিনি জানান, এবারের লড়াই শুধু ক্ষমতা দখলের নয়, বরং সাধারণ মানুষের ভোগান্তির জবাব দেওয়ার লড়াই। এদিন সভা মঞ্চ থেকেই তিনি দলের “পঞ্চম অঙ্গীকার”-এর কথাও তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে আজীবন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালু রাখা, প্রতিটি বাড়িতে পানীয় জলের ব্যবস্থা, দুয়ারে স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া, ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে সকলের জন্য বার্ধক্য ভাতা এবং বাংলার আবাস যোজনার আওতায় আরও বেশি মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বীরভূম জেলার ১১টি বিধানসভা আসনেই তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করবে। পাশাপাশি হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী Kajal Sheikh (ফয়েজুল হক)-এর জয়ের ব্যবধান ৫০ হাজারেরও বেশি করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেন তিনি। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই ধরনের জনসভা ও রাজনৈতিক বার্তা ঘিরে জেলায় উত্তেজনা বাড়ছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আক্রমণাত্মক বক্তব্য ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয়।1