Shuru
Apke Nagar Ki App…
একটি পোস্টে জানতে চাওয়া হয়েছে যে মিডিয়া কেন নীরব রয়েছে। এতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে আজ সমস্ত টিভি মিডিয়া কেন চুপ করে আছে।
Skh Ruhul amin
একটি পোস্টে জানতে চাওয়া হয়েছে যে মিডিয়া কেন নীরব রয়েছে। এতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে আজ সমস্ত টিভি মিডিয়া কেন চুপ করে আছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- এক অনন্য মুহূর্তে সস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী, যা দর্শক-শ্রোতাদের সান্নিধ্যে আরও বিশেষ হয়ে ওঠে। মৈত্রীর সুরেলা কণ্ঠের গান এবং মিতির মনোমুগ্ধকর নৃত্য উপস্থিত সকলকে মুগ্ধতায় বেঁধে রাখে। এই বিশেষ সময় এবং স্মরণীয় সন্ধ্যা সকলের হৃদয়ে আজীবন অমলিন স্মৃতি হয়ে থাকবে।1
- রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপিত হয়েছে। এই উপলক্ষে সেখানে একটি বিশাল যোগ মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়।1
- যোগা দিবসের প্রাক্কালে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের বিশেষ উদযাপনে কলকাতার আকাশে বাংলার ঐতিহ্যবাহী স্থান এবং ঋষি-মনীষীদের মনোমুগ্ধকর ছবি দেখা গেছে। হাওড়া থেকেও এই দৃশ্য স্পষ্ট প্রতীয়মান ছিল, যেখানে হাওড়া ব্রিজ, বেলুড় মঠ, দক্ষিণেশ্বর এবং কালীঘাটের মতো পরিচিত স্থানগুলির পাশাপাশি বিভিন্ন ঋষি-মনীষীর চিত্র ভেসে ওঠে। পশ্চিমবঙ্গ দিবসের এই আয়োজনে বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রদর্শন করা হয়।1
- প্রধানমন্ত্রী মোদী কলকাতায় যোগার মাধ্যমে প্রতিটি বয়সের মানুষের জন্য সুস্থ জীবনযাপন এবং সুস্থতার পক্ষে সওয়াল করেছেন।1
- 9083197328908319732890831973289083197328908319732890831973281
- বাবার চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে ভুলবশত অন্য একটি নম্বরে টাকা পাঠিয়ে দেওয়ায় কুলতলির দেউলবাড়ীর এক যুবক এখন দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। এই অপ্রত্যাশিত ঘটনার পর ওই যুবক অবশেষে স্থানীয় থানায় দ্বারস্থ হয়েছেন এবং নিজের সমস্যার কথা জানিয়েছেন।1
- ঐতিহাসিক হাওড়া ব্রিজকে বর্ণময় আলোয় সজ্জিত করা হয়েছে। যোগ দিবসের প্রাক্কালে এবং পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে এই বিশেষ আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা ব্রিজের সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।1
- বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে শুশুনিয়া পাহাড়ে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই আয়োজনে সূর্যোদয়ের মনোরম আবহের মধ্যে শতাধিক মানুষ যোগাভ্যাসে অংশ নেন।1
- পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল সভাপতি এবং তমলুক সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুজিত রায়কে শুক্রবার মধ্যরাতে কলকাতা থেকে গ্রেফতার করেছে পাঁশকুড়া থানার পুলিশ। আজ তাঁকে তমলুক আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এই গ্রেফতারি একটি মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে হয়েছে, যিনি জানিয়েছেন যে ২০২১ সালে তিনি মানোয়ারা বিবি, আফজাল শা ও ইমরান আলীর নামে গণধর্ষণের অভিযোগ করেছিলেন। তবে, সরকার পরিবর্তনের পর, ওই মহিলা অভিযোগকারী গত ১৭ই জুন, ২০২৬ তারিখে পাঁশকুড়া থানায় ফের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন যে, সেই সময় শাসক দলের রাজত্ব ছিল এবং সুজিত রায় তাঁকে বন্দুক দেখিয়ে ভয় দেখিয়েছিলেন, যার ফলে তিনি তখন ওই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করতে বাধ্য হন। ১৭ তারিখের এই কমপ্লেনের ভিত্তিতেই শুক্রবার মধ্যরাতে কলকাতার গড়ফা থানা এলাকা থেকে সুজিত রায়কে গ্ৰেপ্তার করা হয়। আদালতের উদ্দেশ্যে সুজিত রায়কে বের করার সময় ক্ষুব্ধ জনতা তাঁর বিরুদ্ধে 'চোর' স্লোগান দিতে থাকে এবং ডিম ছুঁড়তে থাকে। ঠিক সেই সময়েই সুজিত রায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এক ছাত্রী থানায় উপস্থিত হলে জনতা তাঁকেও 'ডিম থেরাপি' দেয়।1