Shuru
Apke Nagar Ki App…
কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ দুই নম্বর ব্লকের অন্তর্গত বারোকোদালি দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বাবলু বর্মন দীর্ঘদিন ধরে পঞ্চায়েত দপ্তরে আসছেন না। জানা গেছে, রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর প্রধান কার্যত দপ্তরে আসা ছেড়েই দিয়েছেন। প্রধানের অনুপস্থিতির কারণে ছাত্রছাত্রীরা আয়ের শংসাপত্রসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় শংসাপত্র পেতে গিয়ে চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীরা অভিযোগ করেছেন যে, তারা প্রধানের বাড়িতে গেলে তিনি তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন এবং হেনস্থা করেন। এর ফলে বাধ্য হয়ে ছাত্রছাত্রীরা পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। এই বিষয়ে প্রধান বাবলু বর্মনের প্রতিক্রিয়া জানতে তার বাড়িতে যাওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি, ফলে তার বক্তব্য জানা যায়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
কোচবিহার নিউজ
কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ দুই নম্বর ব্লকের অন্তর্গত বারোকোদালি দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বাবলু বর্মন দীর্ঘদিন ধরে পঞ্চায়েত দপ্তরে আসছেন না। জানা গেছে, রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর প্রধান কার্যত দপ্তরে আসা ছেড়েই দিয়েছেন। প্রধানের অনুপস্থিতির কারণে ছাত্রছাত্রীরা আয়ের শংসাপত্রসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় শংসাপত্র পেতে গিয়ে চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীরা অভিযোগ করেছেন যে, তারা প্রধানের বাড়িতে গেলে তিনি তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন এবং হেনস্থা করেন। এর ফলে বাধ্য হয়ে ছাত্রছাত্রীরা পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। এই বিষয়ে প্রধান বাবলু বর্মনের প্রতিক্রিয়া জানতে তার বাড়িতে যাওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি, ফলে তার বক্তব্য জানা যায়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- নারায়ণী ব্যাটালিয়নে যোগব্যায়াম কর্মসূচি, অংশ নিলেন ১৫০ জন নারায়ণী ব্যাটালিয়নে যোগব্যায়াম কর্মসূচি, অংশ নিলেন ১৫০ জন1
- মাথাভাঙ্গা-১ ব্লকের জোরপাটকী গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব নেন্দারপাড় এলাকার ১৩২ নম্বর বুথের তৃণমূল বুথ সভাপতি সুবিত বর্মনের বিরুদ্ধে বাংলার আবাস যোজনার ঘর প্রাপকদের কাছ থেকে কাটমানি আদায়ের অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি প্রতিটি ঘর প্রাপকের কাছ থেকে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা করে আদায় করেছিলেন। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে পালাবদলের পর অন্যান্য তৃণমূল নেতাদের মতোই সুবিত বর্মন বাড়িছাড়া হয়ে পড়েন। এরপর বিভিন্ন সময়ে আবাসের উপভোক্তারা তাঁর বাড়ির সামনে টাকা ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। এই চাপের মুখে সুবিত বর্মন টাকা তোলার কথা স্বীকার করলেও, বর্তমানে বাড়িতে না থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিতে তাঁর মা নিরোবালা বর্মন টাকা ফেরতের উদ্যোগ নেন। বুধবার স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে নিরোবালা বর্মন মোট ১৬ জন উপভোক্তার হাতে ৬০ হাজার ৫০০ টাকা তুলে দেন। টাকা ফেরত পেয়ে উপভোক্তারা খুশি হয়েছেন। নিরোবালা বর্মন এদিন জানান যে, তাঁর ছেলে ঘরের টাকা তুলেছিল এবং এখন ছেলে বাড়িতে না থাকায় তিনি নিজেই উপভোক্তাদের সেই টাকা ফিরিয়ে দিয়েছেন।1
- Sonu ka company meeting Kisi ka madhur bhasha company shiliguri Sonu ka company meeting Kisi ka madhur bhasha company shiliguri potal khati1
- কলকাতায় হুগলি নদীর উপর একজোড়া টর্নেডো দৃশ্যমান হয়েছে।1
- কলকাতায় গ্রেফতার হওয়ার পর প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহকে দিনহাটায় আনা হয়েছে। আদালতে পেশ করার আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাঁকে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় হেলমেট পরিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই সময় হাসপাতাল ও আদালত চত্বরে দড়ি দিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করা হয়। হাসপাতালের বাইরে বিক্ষোভকারীদের একাংশ উদয়ন গুহকে লক্ষ্য করে পচা ডিম ও কাদা নিক্ষেপ করে, যার ফলে পরিস্থিতি মুহূর্তের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিরাপত্তা বাহিনীকে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা যায়। আদালত থেকে বেরিয়ে আসার সময়ও উদয়ন গুহকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়, যার ফলে একের পর এক ডিম তাঁর হেলমেটে আছড়ে পড়ে।1
- কথায় আছে, চিরদিন কারো সমান নাহি যায়, আর এই প্রবাদ বাক্য যেন উদয়ন গুহর ক্ষেত্রে সত্যিই মিলে গেল। গতকাল কোচবিহার জেলা পুলিশের একটি দল কলকাতার ফুলবাগানের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে। দিনহাটা পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় কাট মানি নেওয়া এবং দিনহাটা শিশু মঙ্গল সমিতির নাম ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলার মতো একাধিক বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিনহাটা থানায় দায়ের করা হয়েছিল, যার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে উদয়ন গুহর স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় পুলিশকে চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করতে পুলিশকে রীতিমতো কালঘাম ছোটাতে দেখা যায়। হাসপাতাল থেকে আদালত চত্বর পর্যন্ত সব জায়গাতেই উদয়ন গুহকে ডিম থেরাপির শিকার হতে হয়; ক্ষুব্ধ জনতা তার দিকে জুতা ছুড়ে মারারও চেষ্টা করে। আদালতের পথে তাকে হেলমেট পরেই যেতে দেখা যায়, কারণ স্থানীয়রা ডিম, পচা আলু এবং কাদা ছুড়ে তার বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।1