অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে তুফানগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের ৯/২৩৭ নম্বর বুথে কঠোর পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট চলাকালীন বুথ চত্বরে অযথা জমায়েতের অভিযোগ উঠতেই দ্রুত অ্যাকশন মোডে নামে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকেই ওই বুথের আশপাশে কিছু মানুষের অযাচিত ভিড় লক্ষ্য করা যায়, যা ভোটারদের স্বাভাবিকভাবে বুথে প্রবেশে অসুবিধার সৃষ্টি করছিল। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারা জমায়েত সরিয়ে দিয়ে বুথ এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, নির্দিষ্ট ভোটার ছাড়া অন্য কারও বুথ চত্বরে অযথা উপস্থিতি বরদাস্ত করা হবে না। ভোটারদের নিরাপত্তা এবং নির্ভয়ে ভোটদানের পরিবেশ বজায় রাখতে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। ঘটনার পর বুথে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া স্বাভাবিক ছন্দেই চলতে থাকে। ভোটাররাও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নির্বিঘ্নে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন। প্রশাসনের এই তৎপরতায় এলাকায় সম্ভাব্য উত্তেজনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে তুফানগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের ৯/২৩৭ নম্বর বুথে কঠোর পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট চলাকালীন বুথ চত্বরে অযথা জমায়েতের অভিযোগ উঠতেই দ্রুত অ্যাকশন মোডে নামে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকেই ওই বুথের আশপাশে কিছু মানুষের অযাচিত ভিড় লক্ষ্য করা যায়, যা ভোটারদের স্বাভাবিকভাবে বুথে প্রবেশে অসুবিধার সৃষ্টি করছিল। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারা জমায়েত সরিয়ে দিয়ে বুথ এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, নির্দিষ্ট ভোটার ছাড়া অন্য কারও বুথ চত্বরে অযথা উপস্থিতি বরদাস্ত করা হবে না। ভোটারদের নিরাপত্তা এবং নির্ভয়ে ভোটদানের পরিবেশ বজায় রাখতে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। ঘটনার পর বুথে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া স্বাভাবিক ছন্দেই চলতে থাকে। ভোটাররাও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নির্বিঘ্নে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন। প্রশাসনের এই তৎপরতায় এলাকায় সম্ভাব্য উত্তেজনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
- মহিষকুচি: নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনার আবহে মহিষকুচি ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯/৪০ ও ৯/৪১ নম্বর বুথ এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী যৌথভাবে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোটের দিন সকাল থেকেই ওই দুটি বুথ এলাকায় রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন ছিল বিপুল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। অভিযোগ, আচমকাই বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় ঢুকে দুই দলের অস্থায়ী নির্বাচনী ক্যাম্পে অভিযান চালায় এবং ক্যাম্প ভেঙে দেয়। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বিনা উস্কানিতে তাদের ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়েছে এবং কর্মীদের হেনস্তা করা হয়েছে। অপরদিকে বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বও একই অভিযোগ তুলে জানিয়েছে, তাদের দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে এবং ভোট প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়েছে। যদিও প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনেই বুথের নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে কোনও রাজনৈতিক ক্যাম্প রাখা যায় না। সেই নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে অভিযান চালানো হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ালেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করার জন্য প্রশাসন সতর্ক রয়েছে।1
- *দিনহাটার আই সি অতি সক্রিয় অভিযোগ উদয়ন গুহ।1
- তুফানগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের 9/237 নম্বর বুথের বাইরে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি! রোড জ্যামের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে—ভোটের দিনেই উত্তেজনা চরমে। অভিযোগ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেল কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তৎপর নিরাপত্তা বাহিনী, শুরু হয়েছে নজরদারি ও ব্যবস্থা গ্রহণ। ভোটের দিনে এমন অভিযোগ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য, প্রশ্ন উঠছে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিয়ে।1
- 📍ভোট দিলেন দক্ষিন বিধানসভা কেন্দ্রের তৃনমুল প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিক1
- ভোটের আগের দিন টাকা বিলির অভিযোগ, অভিযোগ অস্বীকার বিজেপি প্রার্থীর1
- দিনহাটায় ভোটের আগের রাতে বড় অভিযোগ সামনে আনলেন তৃণমূল প্রার্থী Udayan Guha। নির্বাচন কমিশনকে পাঠানো ইমেলে তিনি দাবি করেছেন, দিনহাটা শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ৩০৭ নম্বর বুথ এলাকার বাসিন্দা নির্মল রাজভরের বাড়িতে স্থানীয় পুলিশ ও CRPF যৌথভাবে তল্লাশি চালায়। অবৈধ মদ মজুতের অভিযোগে এই অভিযান চালানো হলেও, কিছুই উদ্ধার না হওয়ার পরও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বাড়ির সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে এবং ভয় দেখায়। ইমেলে আরও অভিযোগ, ওই পরিবারকে রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে বলা হয় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে না দাঁড়াতে, কোনও রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশ না নিতে সরাসরি হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনাকে ‘ভয় দেখানো ও প্রভাব খাটানোর চেষ্টা’ হিসেবে উল্লেখ করে অবিলম্বে তদন্ত ও কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী Udayan Guha, যাতে ভোটের আগে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।1
- দিনহাটার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জোয়ানরা , ম/দ বিক্রির অভিযোগ তুলে তল্লাশি করেন। কোন ধরনের মা/দ/ক/দ্রব্য না মেলায় পরবর্তীতে সেই তৃণমূল কর্মীকে কোন দল যেন না করা হয় সেই কথা বলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।1
- *৬ নং বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী সংগীতা রায় সংসদ জগদীশচন্দ্র বসুনিয়া ভোট দিয়ে কি বললেন।1