ঋজু দত্তকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। পাল্টা দলকে বার্তা ঋজুর। ঋজু দত্তকে সাসপেন্ড করা হল। দলীয় মুখপাত্র ঋজু দত্তকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল। আর সাসপেনশনের পই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন ঋজু। সত্য বলেছেন বলেই কি তাঁকে সাসপেন্ড করা হল, প্রশ্ন তুলেছেন। ঋজু দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির মুখোমুখি হননি বলে সাসপেনশন নোটিসে জানিয়েছে তৃণমূল। যদিও ঋজুর দাবি, তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জবাব পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। উত্তর না দেখেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়ে থাকতে পারে বলে অভিযোগ তুললেন। শনিবার ঋজুকে ছ'বছরের জন্য সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল। ঋজু দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির মুখোমুখি হননি বলে অভিযোগ করা হয়। আর তাতেই সোশ্য়াল মিডিয়ায় ফুঁসে উঠেছেন রাহুল। তাঁর বক্তব্য, 'আমার প্রাণপ্রিয় দল। যে দলকে আমার যৌবনের ১৩টা বছর দিয়েছি। নিরন্তর পরিশ্রম করেছি নিজেকে প্রমাণ করার জন্য। শুধুমাত্র নিজের কাজ ও পারফরম্য়ান্সের জোরে ধাপে ধাপে উপরে উঠেছি-কারণ আমি কোনও 'নেপো কিড' নই'। তৃনমূলের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ঋজু। তাঁর কথায়, 'আজ আমার প্রিয় দলই আমাকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করল! কেন? কারণ আমি সত্যিটা বলেছি। সাসপেনশনের নোটিসে বলা হয়েছে আমি নাকি শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সামনে হাজির হইনি। অথচ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমি ০৯.০৫.২০২৬ তারিখ সকাল ১১:২৭-এ পার্টি হেডকোয়ার্টার (তৃণমূল ভবন)-এ আমার জবাব জমা দিয়েছি। সম্ভবত আমার জবাব পড়ার আগেই নোটিশটা টাইপ করা হয়ে গিয়েছিল'। নিজের পরবর্তী পদক্ষেপ কিছু জানাননি ঋজু। তবে তিনি লেখেন, 'ধন্যবাদ, অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস! আমি কথা দিচ্ছি---আবার দেখা হবে'।ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর বিজেপি-র প্রশংসা করেছিলেন ঋজু। ভোট পরবর্তী অশান্তি থেকে বাঁচতে বিজেপি-র সহযোগিতা পেয়েছেন বলে জানান। তাঁকে বলতে শোনা যায়, "বিজেপি যে সৌজন্য, উদারতা দেখিয়েছে, যে সহযোগিতা করেছে, সেই ঋণ শো করতে পারবেন কি না, জানি না...যদি চাইত আমার গায়ে আবির লাগিয়ে দিতে পারত। আমার গাড়ি ভাঙচুর করতে পারত। কিন্তু তারা কী করেছে? সে এসে আমার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। বলেছে, একটু রাস্তাটা খালি কর। ঋজু দার গাড়িটাকে বার করে দে।" বিজেপি-র বিধায়করা তাঁর ফোন ধরেছেন, তাঁকে নির্ভয়ে তৃণমূল করতে বলেছে বলেও জানান। প্রকাশ্য়ে দলের নেতারা যে সব মন্তব্য করছেন, তা নিয়ে সেই সময়ই কড়া বার্তা দিয়েছিল তৃণমূল। কারও ব্যক্তিগত মতামতের সঙ্গে দলের অবস্থানের কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানানো হয়। এর পরই সাসপেন্ড করা হল ঋজুকে। তবে ঋজু একা নন। পরাজয়ের পর থেকে একে একে তৃণমূলের অনেকেই দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। তৃণমূলের সদস্যতা ছেড়েছেন যুবনেতা সুপ্রিয় চন্দ। দলকে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। শুধু ঋজু দত্ত নয় একের পর এক হেভি ওয়েট নেতা থেকে সুপারস্টার সবাই তৃণমূল দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন।
ঋজু দত্তকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। পাল্টা দলকে বার্তা ঋজুর। ঋজু দত্তকে সাসপেন্ড করা হল। দলীয় মুখপাত্র ঋজু দত্তকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল। আর সাসপেনশনের পই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন ঋজু। সত্য বলেছেন বলেই কি তাঁকে সাসপেন্ড করা হল, প্রশ্ন তুলেছেন। ঋজু দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির মুখোমুখি হননি বলে সাসপেনশন নোটিসে জানিয়েছে তৃণমূল। যদিও ঋজুর দাবি, তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জবাব পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। উত্তর না দেখেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়ে থাকতে পারে বলে অভিযোগ তুললেন। শনিবার ঋজুকে ছ'বছরের জন্য সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল। ঋজু দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির মুখোমুখি হননি বলে অভিযোগ করা হয়। আর তাতেই সোশ্য়াল মিডিয়ায় ফুঁসে উঠেছেন রাহুল। তাঁর বক্তব্য, 'আমার প্রাণপ্রিয় দল। যে দলকে আমার যৌবনের ১৩টা বছর দিয়েছি। নিরন্তর পরিশ্রম করেছি নিজেকে প্রমাণ করার জন্য। শুধুমাত্র নিজের কাজ ও পারফরম্য়ান্সের জোরে ধাপে ধাপে উপরে উঠেছি-কারণ আমি কোনও 'নেপো কিড' নই'। তৃনমূলের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ঋজু। তাঁর কথায়, 'আজ আমার প্রিয় দলই আমাকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করল! কেন? কারণ আমি সত্যিটা বলেছি। সাসপেনশনের নোটিসে বলা হয়েছে আমি নাকি শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সামনে হাজির হইনি। অথচ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমি ০৯.০৫.২০২৬ তারিখ সকাল ১১:২৭-এ পার্টি হেডকোয়ার্টার (তৃণমূল ভবন)-এ আমার জবাব জমা দিয়েছি। সম্ভবত আমার জবাব পড়ার আগেই নোটিশটা টাইপ করা হয়ে গিয়েছিল'। নিজের পরবর্তী পদক্ষেপ কিছু জানাননি ঋজু। তবে তিনি লেখেন, 'ধন্যবাদ, অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস! আমি কথা দিচ্ছি---আবার দেখা হবে'।ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর বিজেপি-র প্রশংসা করেছিলেন ঋজু। ভোট পরবর্তী অশান্তি থেকে বাঁচতে বিজেপি-র সহযোগিতা পেয়েছেন বলে জানান। তাঁকে বলতে শোনা যায়, "বিজেপি যে সৌজন্য, উদারতা দেখিয়েছে, যে সহযোগিতা করেছে, সেই ঋণ শো করতে পারবেন কি না, জানি না...যদি চাইত আমার গায়ে আবির লাগিয়ে দিতে পারত। আমার গাড়ি ভাঙচুর করতে পারত। কিন্তু তারা কী করেছে? সে এসে আমার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। বলেছে, একটু রাস্তাটা খালি কর। ঋজু দার গাড়িটাকে বার করে দে।" বিজেপি-র বিধায়করা তাঁর ফোন ধরেছেন, তাঁকে নির্ভয়ে তৃণমূল করতে বলেছে বলেও জানান। প্রকাশ্য়ে দলের নেতারা যে সব মন্তব্য করছেন, তা নিয়ে সেই সময়ই কড়া বার্তা দিয়েছিল তৃণমূল। কারও ব্যক্তিগত মতামতের সঙ্গে দলের অবস্থানের কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানানো হয়। এর পরই সাসপেন্ড করা হল ঋজুকে। তবে ঋজু একা নন। পরাজয়ের পর থেকে একে একে তৃণমূলের অনেকেই দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। তৃণমূলের সদস্যতা ছেড়েছেন যুবনেতা সুপ্রিয় চন্দ। দলকে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। শুধু ঋজু দত্ত নয় একের পর এক হেভি ওয়েট নেতা থেকে সুপারস্টার সবাই তৃণমূল দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন।
- পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার জয়ন্তীপুরে বিজেপির বিজয় উৎসব অনুষ্ঠিত হলো। এই উৎসবে স্থানীয় বিধায়ক সুকান্ত দোলই যোগ দেন এবং দলের কর্মী-সমর্থকদের সাথে উল্লাস করেন।1
- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নতুন প্রতীক ঘোষণা করলো বিস্তারিত দেখুন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নতুন প্রতীক ঘোষণা করলো1
- দাসপুর গান্ধীমিশনের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত নারায়ণ ভাইকে স্মরণ করলেন বর্তমান সভাপতি বিশ্বজিত ঘোডই। তাঁর অবদান ও আদর্শ নিয়ে এক আবেগঘন স্মৃতিচারণ করা হয়।1
- আবাস যোজনার বঞ্চিত বৃদ্ধার বাড়িতে পৌঁছলেন বিধায়ক শংকর গুছাইত মেদিনীপুর শহরের লালদীঘি এলাকায় আবাস যোজনার বঞ্চিতদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে এক বৃদ্ধার দুরবস্থা দেখে হতবাক হয়ে যান নবনির্বাচিত বিধায়ক ডঃ শংকর গুছাইত। আশা চৌবে নামে প্রায় ৭০ বছরের ওই বৃদ্ধার অভিযোগ, টাকা দিতে না পারায় তিনি আবাস যোজনার ঘর পাননি। দীর্ঘদিন ধরে ভাঙাচোরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জীবন কাটাতে হচ্ছে তাকে। বৃদ্ধার বক্তব্য শোনার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন বিধায়ক। তিনি জানান, সরকারি নিয়ম মেনে যত দ্রুত সম্ভব তাকে আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনার কর্মসূচিও শুরু করেছেন তিনি।1
- শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পরের দিন রবিবার বিকেলি খড়্গপুরে নিজের বাংলোতে পৌছালেন রাজ্যের দিলীপ ঘোষ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পরের দিন রবিবার বিকেলে খড়্গপুরে নিজের বাংলোতে পৌছালেন রাজ্যের দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি পৌছাতে বিজেপির নেতৃত্ব ও কর্মী সমর্থকদের ভিড় ছিলো চোখে পড়ার মতো। এদিন দিলীপ ঘোষ মা ও দিদি উপস্থিত ছিলেন বাংলোতে। একাধিক সংগঠন থেকে সরকারী কর্মী সংগঠন সহ নেতৃত্ব ও কর্মীবৃন্দরা ফুলের মালা পড়িয়ে সংবর্ধনা দেন সদ্য নির্বাচিত পশ্চিমবঙ্গের ডেপুটি সি এম দিলীপ ঘোষ কে।1
- বিজেপির বিজয় বিজয় উৎসবে তিন হাজার মানুষকে মাছ ভাত খাওয়ানো হল দাসপুরের সিংহচকে2
- পশ্চিমবঙ্গের খড়গপুর শহরে দিলীপ ঘোষের জয়কে কেন্দ্র করে এক বর্ণাঢ্য বিজয় মিছিল হয়েছে। কৌশল্যা মোড় থেকে চাঁদমারি হাসপাতাল পর্যন্ত এই জয়যাত্রায় বহু মানুষ ও বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।1
- পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে এক সিপিএম কর্মীর গ্যারাজে গভীর রাতে রহস্যজনকভাবে আগুন লেগেছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।1