Shuru
Apke Nagar Ki App…
*গন্ডাটুইসা ডিভিশন কমিটির যৌথ উদ্যোগে দলাপতি পাড়ায় আইপিএফটির যোগদান সভা** গন্ডাটুইসা ডিভিশন কমিটির যৌথ উদ্যোগে দলাপতি পাড়ায় আইপিএফটির যোগদান সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ত্যাগ করে মোট **১০টি পরিবারের ২৯ জন ভোটার** আইপিএফটি দলে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন। নবাগত সদস্যদের বরণ করে নেন **AGS প্রেম সাধন ত্রিপুরা**, **ডিভিশন প্রেসিডেন্ট চরণ বাঁশি ত্রিপুরা**, **ইয়ুথ আইপিএফটির করণ জয় ত্রিপুরা**, **IWFT প্রেসিডেন্ট সুবি লতা ত্রিপুরা** সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা। সভায় বক্তারা আইপিএফটির আদর্শ, দলীয় কর্মসূচি এবং জনজাতি স্বার্থে দলের ভূমিকা তুলে ধরেন।
News On Tiprasa
*গন্ডাটুইসা ডিভিশন কমিটির যৌথ উদ্যোগে দলাপতি পাড়ায় আইপিএফটির যোগদান সভা** গন্ডাটুইসা ডিভিশন কমিটির যৌথ উদ্যোগে দলাপতি পাড়ায় আইপিএফটির যোগদান সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ত্যাগ করে মোট **১০টি পরিবারের ২৯ জন ভোটার** আইপিএফটি দলে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন। নবাগত সদস্যদের বরণ করে নেন **AGS প্রেম সাধন ত্রিপুরা**, **ডিভিশন প্রেসিডেন্ট চরণ বাঁশি ত্রিপুরা**, **ইয়ুথ আইপিএফটির করণ জয় ত্রিপুরা**, **IWFT প্রেসিডেন্ট সুবি লতা ত্রিপুরা** সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা। সভায় বক্তারা আইপিএফটির আদর্শ, দলীয় কর্মসূচি এবং জনজাতি স্বার্থে দলের ভূমিকা তুলে ধরেন।
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- পিয়ারবারি থানার পুলিশ উদ্ধার করে একটি পিস্তল। ঘটনা বুধবার ভোর রাতে। জানা যায় পিয়ার বাড়ি থানার সামনে নাকা চেকিং করার সময়, সন্দেহজনক সোমেন শীল নামে এক যুবকের বাইক দাঁড়ানোর জন্য সিগন্যাল দেয়। তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ সৌমেন শিলের কাছ থেকে একটি পিস্তল উদ্ধার করে। সেই সাথে আটক করে সৌমেন শীলেকে।বাড়ি বরপাথরি এলাকায়। পরবর্তীতে পুলিশ সৌমেন শীলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অপর আরেকজন প্রসেনজিৎ দাস নামে রাজনগর বিধানসভা এলাকার গাবতলী তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে। পুলিশের ধারণা প্রসেনজিৎ দাস এর কাছ থেকে পিস্তলটি নিয়ে সোমেন শীল তার বাড়ি বরপাথরিতে যাচ্ছিল।1
- কিসের এত অহংকার- 😭❗ শ্মশান _আমাদের _শেষ _ঠিকানা -😥❗1
- ডুম্বুর জলাশয়ে জনজাতি যুবক নিখোঁজ, রবিবারের পর আজও মেলেনি দেহ—অসহায় পরিবার, প্রশ্নের মুখে প্রশাসন!1
- Post by Gouranga Majumder1
- সন্দেশখালির বেড়মজুর এলাকায় শুরু হল প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ1
- বাদুড়িয়ার চাতরা এলাকায় সোনা প্রতারণা চক্রের পর্দাফাঁস: গ্রেফতার মূল পাণ্ডা সহ ২ : উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া থানা এলাকায় বড়সড় এক প্রতারণা চক্রের হদিস পেল পুলিশ। গোপন আস্তানা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে চক্রের মূল পাণ্ডা মধুরিমা দাস ও তার সহযোগী রাহুল চট্টোপাধ্যায়কে। ঘটনার সূত্রপাত গত ২৮ নভেম্বর। বাদুড়িয়ার চাতরা এলাকায় সুভাষ ভঞ্জের সোনার দোকানে ৫৬,০৯০ টাকার একটি নেকলেস পছন্দ করেন মধুরিমা। বিল করার অছিলায় নেকলেসটি নিয়ে তিনি চম্পট দেন। দীর্ঘদিন টাকা না পেয়ে দোকানদার গত ১৬ ডিসেম্বর সিসিটিভি ফুটেজসহ থানায় অভিযোগ জানান। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ধৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে। বুধবার দুপুর দুটো নাগাদ অভিযুক্তদের বসিরহাট মহকুমা আদালতে পাঠিয়ে টিআই (TI) প্যারেডের আবেদন করেছে পুলিশ2
- Jio Tv Newsপীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী ভাইজানের জলসার প্রস্তুতি কাজ চলছে স্থান কলিযুগ গোবর্ধনপুর ভাইজান ঠিক ২ ঘটিকায় উপস্থিতি হবেন এবং আখেরি মোনাজাত করবেন সবাই দলে দলে যোগদান করিয়া অশেষ নেকির ভাগীদার হন1
- তিন দিন ধরে নিখোঁজ মেয়ে_ কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে মা বাবা * তিন দিন ধরে নিখোঁজ মেয়ে। কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে মা বাবা। ঘটনা বুধবার বিকেলে বিশ্রামগঞ্জ থানার অন্তর্গত আমতলী ভিলেজ কমিটির ২ নং ওয়ার্ড পুষ্কর বাড়ি এলাকায়। এই এলাকার অভাবি কৃষক শ্যামলাল দেববর্মা এবং তার স্ত্রী বধুমালা দেববর্মা। কয়েক বছর ধরে তার মেয়ে আশা দেববর্মা ছোট ছোট দুই সন্তানকে নিয়ে বাপের বাড়িতে থাকতো। কারণ তার স্বামী সব সময় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় থাকে। কোন কাজ করে না তার স্বামী। যার ফলে কাজকর্ম করে কোনরকমে দুই সন্তানকে লালন পালন করত সে নিজেই।। তার রয়েছে ছয় বছরের ছেলে সন্তান খাসুক দেববর্মা এবং ১৫ মাসের মেয়ে সন্তান আই মারি দেববর্মা। হঠাৎ করে গত ৫ জানুয়ারি সোমবার সন্ধ্যা থেকে সে নিখোঁজ হয়ে যায়। তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব পাড়া-প্রতিবেশী সমস্ত জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে আশা দেববর্মার বাবা শ্যামলাল দেববর্মা এবং মা মধুমালা দেববর্মা বুধবার দুপুরে বিশ্রামগঞ্জ থানায় গিয়ে মিসিং ডায়েরি করেন। বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশ তাদেরকে আশ্বস্ত করেছে তারা তার মেয়ে আশা দেববর্মাকে খুঁজে পেতে সমস্ত ধরনের সাহায্য এবং সহযোগিতা করবে। আশা দেববর্মার ফোন নাম্বারে (৯৮৬২৬৩৫৭৫২) গত সোমবার থেকে লাগা তর ফোন করে চলেছে তার মা বাবা আত্মীয়-স্বজন। কিন্তু তার ফোন সুইচ অফ আসছে বলে জানিয়েছে তারা। তিন দিন ধরে মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে ভীষণভাবে চিন্তিত তার মা-বাবা। বুধবার বিকেলে সংবাদ মাধ্যমের সামনে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে তার মা বাবা। তারা মেয়েকে ফিরে পাওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। তাদের ভয় তাদের মেয়ে কোন পাচারকারীদের খপ্পরে পড়েছে কিনা। কারন ইদানিং বহিরাজ্যের নারী পাচারকারী একটি দল ভীষণভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা গ্রাম পাহাড়ের সহজ-সরল মেয়েদের এবং গৃহবধূদের ফুসলিয়ে ফাসলি য়ে বহিরাজ্যে নিয়ে চড়া দামে বিক্রি করে দিচ্ছে। এমন বেশ কয়েকটি ঘটনা এই এলাকায় ঘটেছে। যার ফলে তিন দিন ধরে মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিয়েছে তার মা বাবা। আশা দেববর্মার ছোট দুটি সন্তানকে নিয়ে মহা বিপদে পড়েছে তার মা বাবা।1