Shuru
Apke Nagar Ki App…
উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বর্ষার প্রবেশ সম্পন্ন হয়েছে, এবং এখন বর্ষার অগ্রগতি দক্ষিণবঙ্গের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে যে অবশেষে দক্ষিণবঙ্গেও কি তাহলে বর্ষা এসে গেল। দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার বর্তমান হালচাল দেখলেই এই বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সংবাদ
উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বর্ষার প্রবেশ সম্পন্ন হয়েছে, এবং এখন বর্ষার অগ্রগতি দক্ষিণবঙ্গের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে যে অবশেষে দক্ষিণবঙ্গেও কি তাহলে বর্ষা এসে গেল। দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার বর্তমান হালচাল দেখলেই এই বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটার (পিপি) রাজকুমার দাস এবং গভর্নমেন্ট প্লিডার (জিপি) সুকুমার পইড়া পদত্যাগ করেছেন, যা আদালতে কাজকর্ম সংকটের পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে বলে একাংশ আইনজীবীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, তাঁরা জেলাশাসকের দপ্তরের মাধ্যমে রাজ্যের লিগেল রিমেম্বারেন্সার (এলআর) দপ্তরে তাঁদের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। এলআর দপ্তর থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাঁদের কাজ চালিয়ে যেতে বলা হলেও, এই নির্দেশের পর রাজকুমার দাস পিপি দপ্তরে গেলেও এজলাসে সরকারের হয়ে মামলা সাওয়াল করছেন না, অন্যদিকে সুকুমার পইড়া জিপি দপ্তরে আর যাচ্ছেন না। বর্তমানে পিপি'র দায়িত্ব সামলাচ্ছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট পাবলিক প্রসিকিউটার শক্তিপদ দাস অধিকারী এবং জিপি'র দায়িত্বে রয়েছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট গভর্মেন্ট প্লিডার তুষার দত্ত। পিপি এবং জিপি উভয় পদই সরকার নিযুক্ত আইনজীবীদের জন্য, যেখানে পিপি ফৌজদারি (ক্রিমিনাল) মামলায় এবং জিপি দেওয়ানী (সিভিল) মামলায় সরকারের পক্ষে আদালতে সওয়াল করেন। ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর রাজকুমার দাস পিপি পদে এবং সুকুমার পইড়া জিপি পদে নিযুক্ত হন এবং তৃণমূলের সময়ে এই দুটি পদে আর কোনো পরিবর্তন হয়নি। যদিও রাজকুমার এবং সুকুমার দুজনেই তাঁদের পদত্যাগের কথা স্বীকার করেছেন, তবে ক্যামেরার সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। মেদিনীপুর আদালতের আইনজীবীরা এই দুটি পদকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বলছেন যে, এর ফলে অনেক বিচারপ্রার্থী বিচার না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। তাঁরা রাজ্য সরকারের অবিলম্বে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে এর একটি স্থায়ী ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন। বিজেপি সেলের আইনজীবী এবং জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক শুভজিৎ রায় বলেছেন যে, যদিও তাঁরা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন, নিয়ম অনুযায়ী নতুন নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা কাজ চালিয়ে যেতে পারতেন। তিনি আরও জানান যে, জেলাশাসক ও জেলা জজ পুরো বিষয়টি দেখছেন এবং তাঁরা নিশ্চিত করবেন যাতে বিচারপ্রার্থীদের কোনো অসুবিধা না হয়। এখন দেখার বিষয়, মেদিনীপুর জেলা আদালত কবে এই সংকট থেকে মুক্তি পায়।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার রাতুলিয়ায় গরিব মানুষের একাধিক দোকান ঘর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও এই দোকানগুলি সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল, তবুও এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।1
- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক ঐতিহাসিক কীর্তি স্থাপন করেছেন। তাঁর ১২ বছরের এই ঐতিহাসিক যাত্রাকে স্মরণীয় করে রাখতে কলকাতায় একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। বিশ্ব বাংলা কনভেনশনে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে।1
- এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা পুষ্পাকে আজ পুলিশ হাফপ্যান্ট পরিয়ে এবং কোমরের দড়ি দিয়ে বেঁধে গোটা এলাকায় ঘুরিয়েছে।1
- আরামবাগ বিধানসভার গৌরাটি এক নম্বর অঞ্চলের অন্তর্গত বুথ ২৪২ এবং ২৪৪ সংলগ্ন রাস্তাটির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। এই বেহাল দশার কারণে মানুষ এবং গাড়ি উভয়ই যাতায়াত করতে পারছে না, যার ফলে চরম ভোগান্তি হচ্ছে। স্থানীয়দের পক্ষ থেকে দ্রুত এই রাস্তাটি সারানোর জন্য জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।4
- হাওড়ার জগৎবল্লভপুর এলাকায় PWD-র (পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট) জমি দখল করে ব্যবসা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।1
- সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে পশ্চিম মেদিনীপুরের ক্ষীরপাই ও রামজীবনপুর পৌরসভার বাসিন্দাদের চোখে পড়ে একাধিক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তুলে তৈরি করা পোস্টার। এই পোস্টার ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সিদ্ধাবাজারে সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা নির্মাণগুলি বুলডোজার ব্যবহার করে ভেঙে ফেলা হয়েছে।1