শনিবার বালুরঘাটের নালন্দা বিদ্যাপীঠ হাইস্কুলে ওয়েস্ট বেঙ্গল হিউম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড নেচার অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ এবং গৃহপালিত পশুর নিরাপত্তা নিয়ে একটি বিশেষ সচেতনতা শিবির অনুষ্ঠিত হয়। বেলা প্রায় সাড়ে ১১টায় শুরু হওয়া এই কর্মসূচির নাম ছিল 'ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন অ্যাওয়ারনেস অ্যান্ড ডোমেস্টিক অ্যানিম্যালস সেফ প্রোগ্রাম উইথ লিগ্যাল অ্যাওয়ারনেস'। এই শিবিরে বক্তারা বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ আইন ১৯৭২, পশুদের প্রতি নিষ্ঠুরতা নিবারণ আইন ১৯৬০ এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার প্রাসঙ্গিক ধারাগুলি নিয়ে আলোচনা করেন। লোকালয়ে সাপ, পাখি বা অন্য কোনো বন্যপ্রাণ চলে এলে কী করতে হবে এবং আহত পশু দেখলে কাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত বোঝানো হয়। পাশাপাশি, পরিবেশ রক্ষা, প্লাস্টিক বর্জন, বৃক্ষরোপণ এবং পশুদের প্রতি মানবিক আচরণের গুরুত্বের ওপরও জোর দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে নালন্দা বিদ্যাপীঠ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সৌমিত দাস, ওয়েস্ট বেঙ্গল হিউম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড নেচার অর্গানাইজেশনের সম্পাদিকা স্বপ্না বরাট, ডিএলএসএ-র সেক্রেটারি জাজ সায়ন্তনী চৌধুরী, ডিএসপি (হেডকোয়ার্টার) বিক্রম প্রসাদ, চিকিৎসক প্রশান্ত ভগৎ এবং ডিভিশনাল ফায়ার অফিসার অপূর্ব দাস-সহ বিভিন্ন বিশিষ্টজন উপস্থিত ছিলেন। স্কুলের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং এলাকার পশুপ্রেমীরা এই শিবিরে যোগ দেন। উপস্থিত সকলকে পরিবেশ ও পশু সুরক্ষার শপথবাক্য পাঠ করানো হয় এবং অনুষ্ঠানের শেষে প্রত্যেকের হাতে একটি করে চারাগাছ তুলে দেওয়া হয়। নালন্দা বিদ্যাপীঠ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সৌমিত দাস জানান যে বন্যপ্রাণ ও গৃহপালিত পশু আমাদের বাস্তুতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং আইন না জানার কারণে অনেকেই ভুল করেন, যেমন সাপ মারা বা পাখি ধরা আইনত অপরাধ। তিনি আরও বলেন যে, তাদের মূল উদ্দেশ্য হল আইন সম্পর্কে সচেতন করা এবং ছোটদের মধ্যে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা তৈরি করা। 'নো দ্য ল, প্রোটেক্ট দ্য নেচার, সেভ এভরি লাইফ' এই বার্তা নিয়ে তারা কাজ করছেন এবং জেলার প্রতিটি ব্লকে এই কর্মসূচি পরিচালিত হবে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে সচেতনতার পাশাপাশি নিয়মিত বৃক্ষরোপণ, জলাশয় সংস্কার এবং বিনামূল্যে পশু চিকিৎসা শিবিরের আয়োজন করারও পরিকল্পনা রয়েছে।
শনিবার বালুরঘাটের নালন্দা বিদ্যাপীঠ হাইস্কুলে ওয়েস্ট বেঙ্গল হিউম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড নেচার অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ এবং গৃহপালিত পশুর নিরাপত্তা নিয়ে একটি বিশেষ সচেতনতা শিবির অনুষ্ঠিত হয়। বেলা প্রায় সাড়ে ১১টায় শুরু হওয়া এই কর্মসূচির নাম ছিল 'ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন অ্যাওয়ারনেস অ্যান্ড ডোমেস্টিক অ্যানিম্যালস সেফ প্রোগ্রাম উইথ লিগ্যাল অ্যাওয়ারনেস'। এই শিবিরে বক্তারা বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ আইন ১৯৭২, পশুদের প্রতি নিষ্ঠুরতা নিবারণ আইন ১৯৬০ এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার প্রাসঙ্গিক ধারাগুলি নিয়ে আলোচনা করেন। লোকালয়ে সাপ, পাখি বা অন্য কোনো বন্যপ্রাণ চলে এলে কী করতে হবে এবং আহত পশু দেখলে কাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত বোঝানো হয়। পাশাপাশি, পরিবেশ রক্ষা, প্লাস্টিক বর্জন, বৃক্ষরোপণ এবং পশুদের প্রতি মানবিক আচরণের গুরুত্বের ওপরও জোর দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে নালন্দা বিদ্যাপীঠ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সৌমিত দাস, ওয়েস্ট বেঙ্গল হিউম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড নেচার অর্গানাইজেশনের সম্পাদিকা স্বপ্না বরাট, ডিএলএসএ-র সেক্রেটারি জাজ সায়ন্তনী চৌধুরী, ডিএসপি (হেডকোয়ার্টার) বিক্রম প্রসাদ, চিকিৎসক প্রশান্ত ভগৎ এবং ডিভিশনাল ফায়ার অফিসার অপূর্ব দাস-সহ বিভিন্ন বিশিষ্টজন উপস্থিত ছিলেন। স্কুলের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং এলাকার পশুপ্রেমীরা এই শিবিরে যোগ দেন। উপস্থিত সকলকে পরিবেশ ও পশু সুরক্ষার শপথবাক্য পাঠ করানো হয় এবং অনুষ্ঠানের শেষে প্রত্যেকের হাতে একটি করে চারাগাছ তুলে দেওয়া হয়। নালন্দা বিদ্যাপীঠ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সৌমিত দাস জানান যে বন্যপ্রাণ ও গৃহপালিত পশু আমাদের বাস্তুতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং আইন না জানার কারণে অনেকেই ভুল করেন, যেমন সাপ মারা বা পাখি ধরা আইনত অপরাধ। তিনি আরও বলেন যে, তাদের মূল উদ্দেশ্য হল আইন সম্পর্কে সচেতন করা এবং ছোটদের মধ্যে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা তৈরি করা। 'নো দ্য ল, প্রোটেক্ট দ্য নেচার, সেভ এভরি লাইফ' এই বার্তা নিয়ে তারা কাজ করছেন এবং জেলার প্রতিটি ব্লকে এই কর্মসূচি পরিচালিত হবে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে সচেতনতার পাশাপাশি নিয়মিত বৃক্ষরোপণ, জলাশয় সংস্কার এবং বিনামূল্যে পশু চিকিৎসা শিবিরের আয়োজন করারও পরিকল্পনা রয়েছে।
- দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুরের রশিদপুরে উত্তরা সিনেমা হলের সামনে অবস্থিত শনি মন্দিরে এই বছর 30তম বার্ষিক শনি পূজার আয়োজন করা হয়েছে। মন্দির সূত্রে জানা গেছে, এটি তাদের 30 বছরের বার্ষিক আয়োজন। এই বিশেষ পূজায় বহু দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য ভক্ত ও সাধারণ মানুষ সমবেত হয়েছিলেন। তাঁরা ভক্তিভরে পুজোয় অংশ নেন এবং প্রসাদ গ্রহণ করেন।1
- রায়গঞ্জ পৌরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর অসীম অধিকারীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁর বিরুদ্ধে অন্যের জায়গা দখল, পুকুর ভরাট এবং বিভিন্ন খাতে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনেছেন। স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, অসীম অধিকারী দীর্ঘদিন ধরে অন্যের জমি দখল করে আসছেন। একইসাথে, তিনি পাঁচটি পুকুর ভরাট করে সেগুলিকে বিক্রিও করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। এছাড়া, বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ টাকা-পয়সা এবং ঘর তৈরির জন্য আসা অর্থও তিনি আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অসীম অধিকারী সাধারণ মানুষকে 'সাদা থান পাঠিয়ে দেবো' বলে ভয় দেখিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এই সমস্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কো-অর্ডিনেটর অসীম অধিকারীর বিরুদ্ধে 'চোর' স্লোগানও দেওয়া হয়েছে।1
- রায়গঞ্জ বন বিভাগ এবং পশ্চিমবঙ্গ মানব কল্যাণ ও প্রকৃতি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে কুলিক বনে একটি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও আইনি সচেতনতা সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সেমিনারে শতাধিক প্রাণী ও প্রকৃতিপ্রেমী অংশগ্রহণ করেন। বক্তাদের মধ্যে ছিলেন উত্তর দিনাজপুর জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সচিব কাদম্বরী অধিকারী, পশ্চিমবঙ্গ মানবকল্যাণ ও প্রকৃতি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা স্বপ্না বারাত এবং প্রবীণ প্রাণী অধিকার কর্মী ভীম নারায়ণ মিত্র। আলোচনার মূল উদ্দেশ্য ছিল বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আইনি সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং বিপথগামী বন্যপ্রাণীদের নিরাপদে পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে যে চ্যালেঞ্জগুলি রয়েছে, সেগুলিকে মোকাবিলা করা।1
- বালুরঘাট হাসপাতাল থেকে শৌচালয়ে যাওয়ার নাম করে একজন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দি নিখোঁজ হয়েছেন। এই ঘটনাকে ঘিরে গোটা জেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।1
- “শিক্ষা আমাদের অধিকার, কলেজ আমাদের দাবি”—এই জোরালো বার্তা নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় হবিবপুর ব্লকের আইহো এলাকায় গণস্বাক্ষর অভিযান শুরু করেছেন হবিবপুরের যুবসমাজ, ছাত্র-ছাত্রী এবং সাধারণ মানুষ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় ছাত্র-ছাত্রীরা সরকারের কাছে একটি ডিগ্রি কলেজের জন্য আবেদন জানাচ্ছেন। ছাত্ররা জানান, হবিবপুর ব্লকে কোনো ডিগ্রি কলেজ না থাকায় এখানকার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য মালদা অথবা পাকুয়াহাট ডিগ্রি কলেজে যেতে হয়। তাই গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে সরকারের কাছে নিজেদের দাবি তুলে ধরতে তারা উদ্যোগী হয়েছেন। এটি কোনো সংগঠিত উদ্যোগ নয়, বরং ছাত্র-ছাত্রীরাই নতুন সরকারের কাছে সরাসরি ডিগ্রি কলেজের দাবি রেখেছেন। এই গণস্বাক্ষর অভিযান দেখে স্থানীয় জেলা পরিষদের সদস্য তারাশঙ্কর রায় এটিকে 'খুবই ভালো উদ্যোগ' বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে, গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে এই দাবি সরকারের কাছে পৌঁছানোর পাশাপাশি তিনি এলাকার জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে হবিবপুরে একটি কলেজ স্থাপনের প্রস্তাব রাখবেন।1
- আজ সেন্টার অফ ইন্ডিয়ান ট্রেড ইউনিয়নস (CITU)-এর প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে ফারাক্কার নিউ ফারাক্কা রেলস্টেশন চত্বরে একটি বিশাল বিক্ষোভ কর্মসূচি ও পথসভার আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল উপযুক্ত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই হকার ও রেলের জমিতে বসবাসকারী অস্থায়ী বাসিন্দাদের উচ্ছেদের প্রচেষ্টার তীব্র বিরোধিতা করা। CITU নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, রেল কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসন দীর্ঘদিনের হকার ও অস্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য কোনো আগাম পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই তাদের উচ্ছেদ করার চেষ্টা চালাচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অমানবিক। তাঁদের আশঙ্কা, এই ধরনের পদক্ষেপের ফলে বহু পরিবার তাদের জীবিকা ও বাসস্থান হারিয়ে চরম সংকটের মুখে পড়বে। আজকের এই পথসভা থেকে আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন যে, "উপযুক্ত এবং স্থায়ী পুনর্বাসন ছাড়া একজন হকার বা অস্থায়ী বাসিন্দাকেও উচ্ছেদ করা যাবে না।" তাঁরা আরও জোর দিয়ে বলেন, যদি জোরপূর্বক উচ্ছেদের চেষ্টা হয়, তবে আগামীদিনে CITU আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে। এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সংগঠনের বহু কর্মী, স্থানীয় হকার এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন, যার জেরে স্টেশন চত্বরে বেশ কিছুক্ষণের জন্য উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।1
- মুর্শিদাবাদের লালগোলায় অবস্থিত NH312-এর পণ্ডিতপুর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি রাস্তার একপাশ দীর্ঘদিন ধরে খালের আকার ধারণ করেছে। এর ফলে স্থানীয় বহু মানুষ চরম অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন, বিশেষ করে বৃষ্টির জল জমে যাওয়ায় জনজীবনে ব্যাপক ভোগান্তি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে যত দ্রুত সম্ভব ওই খালটি বন্ধ করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানানো হয়েছে।4
- শুক্রবার সন্ধ্যায় "শিক্ষা আমাদের অধিকার, কলেজ আমাদের দাবি"—এই জোরালো বার্তা নিয়ে হবিবপুর ব্লকের আইহো এলাকায় গণস্বাক্ষর অভিযান শুরু করেছেন স্থানীয় যুবসমাজ, ছাত্র-ছাত্রী এবং সাধারণ মানুষ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তারা সরকারের কাছে একটি ডিগ্রি কলেজের জন্য জোরালো আবেদন জানাচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন যে, হবিবপুর ব্লকে কোনো ডিগ্রি কলেজ না থাকায় এখানকার ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার জন্য মালদা অথবা পাকুয়াহাট ডিগ্রি কলেজে যেতে হয়। এই কারণেই গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে তারা সরকারের কাছে নিজেদের দাবি তুলে ধরতে উদ্যোগী হয়েছেন। এটি কোনো সংগঠিত উদ্যোগ নয়, বরং ছাত্র-ছাত্রীরাই নতুন সরকারের কাছে সরাসরি ডিগ্রি কলেজের দাবি রেখেছেন। স্থানীয় জেলা পরিষদের সদস্য তারাশঙ্কর রায় এই গণস্বাক্ষর অভিযানকে 'খুবই ভালো উদ্যোগ' বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে, গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে এই দাবি সরকারের কাছে পৌঁছানোর পাশাপাশি তিনি এলাকার জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে হবিবপুরে একটি কলেজ স্থাপনের প্রস্তাব রাখবেন।1