যুব সাথী প্রকল্পে সহায়তায় এগিয়ে এলেন স্থানীয় যুবকেরা স্টাফ রিপোর্টার, ঝাড়গ্রাম: রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে যুব সাথী প্রকল্পের আবেদনপত্র পূরণ ও জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর দুই ব্লকের বেলিয়াবেড়াতে বিডিও অফিস প্রাঙ্গনেও চলছে আবেদন জমা নেওয়ার কাজ। আর সেখানে আবেদন করতে আসা যুবক-যুবতীদের পাশে দাঁড়িয়ে স্বেচ্ছায় ফর্ম পূরণে সাহায্য করছেন এলাকার কয়েকজন যুবক। স্থানীয় যুবক প্রলয় দণ্ডপাট, কৃষ্ণ দণ্ডপাট, তমাল দে ও পথিক সিং সহ বেশ কয়েকজন যুবক বিডিও অফিসে বসেই আবেদনকারীদের ফরম পূরণ করে দিচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পর্কে বুঝিয়ে দিচ্ছেন। মঙ্গলবার প্রলয় দণ্ডপাট জানান, রবিবার থেকে তারা বিডিও অফিসে উপস্থিত থেকে যারা যুব সাথী প্রকল্পের ফর্ম তুলছেন বা জমা দিতে আসছেন, তাঁদের ফর্ম পূরণে সহযোগিতা করছেন। পাশাপাশি ফরম জমা দেওয়ার জন্য কী কী নথি প্রয়োজন, সেটাও আবেদনকারীদের জানিয়ে দিচ্ছেন। এই কাজের জন্য তাঁরা কারও কাছ থেকে কোনও পারিশ্রমিক নিচ্ছেন না। ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থেকে এভাবেই সহযোগিতা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করতে আসা এলাকার ছেলে-মেয়েরাও স্বেচ্ছাসেবী যুবকদের এই সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
যুব সাথী প্রকল্পে সহায়তায় এগিয়ে এলেন স্থানীয় যুবকেরা স্টাফ রিপোর্টার, ঝাড়গ্রাম: রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে যুব সাথী প্রকল্পের আবেদনপত্র পূরণ ও জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর দুই ব্লকের বেলিয়াবেড়াতে বিডিও অফিস প্রাঙ্গনেও চলছে আবেদন জমা নেওয়ার কাজ। আর সেখানে আবেদন করতে আসা যুবক-যুবতীদের পাশে দাঁড়িয়ে স্বেচ্ছায় ফর্ম পূরণে সাহায্য করছেন এলাকার কয়েকজন যুবক। স্থানীয় যুবক প্রলয় দণ্ডপাট, কৃষ্ণ দণ্ডপাট, তমাল দে ও পথিক সিং সহ বেশ কয়েকজন যুবক বিডিও অফিসে বসেই আবেদনকারীদের ফরম পূরণ করে দিচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পর্কে বুঝিয়ে
দিচ্ছেন। মঙ্গলবার প্রলয় দণ্ডপাট জানান, রবিবার থেকে তারা বিডিও অফিসে উপস্থিত থেকে যারা যুব সাথী প্রকল্পের ফর্ম তুলছেন বা জমা দিতে আসছেন, তাঁদের ফর্ম পূরণে সহযোগিতা করছেন। পাশাপাশি ফরম জমা দেওয়ার জন্য কী কী নথি প্রয়োজন, সেটাও আবেদনকারীদের জানিয়ে দিচ্ছেন। এই কাজের জন্য তাঁরা কারও কাছ থেকে কোনও পারিশ্রমিক নিচ্ছেন না। ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থেকে এভাবেই সহযোগিতা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করতে আসা এলাকার ছেলে-মেয়েরাও স্বেচ্ছাসেবী যুবকদের এই সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
- সম্প্রতি দুবাইয়ের জায়েদ স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে ৬ ই ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আয়োজিত ওপেন মাস্টার্স গেম এ ৬০বছরের উর্ধ্ব বয়সীদের লং জাম্পে তিনি অংশগ্রহণ করেছিলেন। এবং সেখানে লং জাম্পে তৃতীয় স্থান অধিকার করে ভারতের হয়ে ব্রোঞ্জ পদক ছিনিয়ে এনেছেন।পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায়২৫ হাজার ক্রীড়াবিদ এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। এই সাফল্য শুধু জঙ্গলমহলবাসীর নয় সারা ভারতবাসীর। তিনি প্রমাণ করে দিলেন বয়স কোন বাধা নয়। ইচ্ছা শক্তি ও অধ্যাবসায় থাকলে সবকিছুই সম্ভব।1
- নয়াগ্রাম ব্লকে যুবসাথী ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন ঝাড়গ্রাম জেলার ডিপিএসসির চেয়ারম্যান উজ্জ্বল দত্ত1
- মোরগ লড়াই1
- সরকারি উন্নয়নের দাবির আড়ালে শালবনী ব্লকের লোধা জনজাতি অধ্যুষিত গ্রামে ধরা পড়ছে অন্য ছবি। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে আবাস যোজনা—একাধিক প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত গ্রামবাসীরা।1
- নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামে প্রতিদিনই ওঠানামা। সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের বাজেট ঠিক রাখতে বাজারদরের দিকে নজর রাখা এখন অত্যন্ত জরুরি। দেখে নিন আজ বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা সংলগ্ন এলাকায় বাজারে আলু, পেঁয়াজ, শাকসবজি, মাছ ও মাংসের আনুমানিক খুচরো দাম— সবজি বাজার আলু: ₹১৫–১৮ টাকা প্রতি কেজি পেঁয়াজ: ₹২০–২৫ টাকা প্রতি কেজি টমেটো: ₹২০–২৫ টাকা প্রতি কেজি বেগুন: ₹৩০–৫০ টাকা প্রতি কেজি ফুলকপি: ₹১০–২০ টাকা প্রতি পিস বাঁধাকপি: ₹১০–২০ টাকা প্রতি পিস শাকসবজি পালংশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি পুঁইশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি লালশাক: ₹১০–১৫ টাকা প্রতি আঁটি শাক মিশ্র: ₹১৫–২০ টাকা প্রতি আঁটি মাছের বাজার রুই: ₹৩০০–৩৫০ টাকা প্রতি কেজি কাতলা: ₹২৫০–৩০০ টাকা প্রতি কেজি তেলাপিয়া: ₹২০০–২২০ টাকা প্রতি কেজি পাবদা: ₹৫৫০–৬৫০ টাকা প্রতি কেজি চিংড়ি (ছোট): ₹৪৫০–৫৫০ টাকা প্রতি কেজি মাংসের বাজার মুরগি (ব্রয়লার): ₹১৮০–২০০ টাকা প্রতি কেজি দেশি মুরগি: ₹৪০০–৪৫০ টাকা প্রতি কেজি খাসি মাংস: ₹৮০০–৮৫০ টাকা প্রতি কেজি বিশেষ দ্রষ্টব্য: এলাকা ও বাজারভেদে দামে কিছুটা তারতম্য হতে পারে।1
- যুব সাথী প্রকল্প রেজিস্ট্রেশন এক নম্বর ব্লকে শুরু হল, এই দিন উপস্থিত ছিলেন এগরা বিধায়ক তরুণ কুমার মাইতি1
- ১৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে রাজ্যে নতুন প্রকল্প যুব সাথী, বিভিন্ন পৌরসভা ও ব্লকের ভিডিও অফিস গুলিতে খোলা হয়েছে ক্যাম্প, তেমনিই রামজীবনপুর পৌরসভার রামজীবনপুর বাস স্ট্যান্ডে যুব সাথী প্রকল্পের ক্যাম্প খোলা হয়েছে, এই ক্যাম্পে মাধ্যমিক পাস করা ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সের বেকার যুবক যুবতিদের জন্য মাসিক পনেরশো টাকা ভাতা প্রদানের ফরম বিতরণ করা ও রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হচ্ছে প্রত্যেকদিনই, প্রত্যেকদিনই ব্যাপক ভিড়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে এই ক্যাম্প গুলিতে যুব সাথী প্রকল্প ছাড়াও বিভিন্ন প্রকল্পের ফরম ফিলাপ ও চলছে এই ক্যাম্পে, আগামী বেশ কয়েকদিন এই ক্যাম্প চলবে বলে জানানো হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে. ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে এই ক্যাম্পে, অনেকেই এই প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করতে এসে জানাচ্ছেন তারা খুশি এই প্রকল্পে আবেদন করতে পেরে এবং এই প্রকল্প থেকে দেওয়া ১৫০০ টাকা নিয়ে তারা বিভিন্ন কাজে লাগাতে পারবে এবং তাদের সুবিধা হবে বলে জানিয়েছেন।1
- Post by ঝাড়গ্রাম আপডেট1