বাণী বিভ্রাটে যোগী আদিত্যনাথ: নেতাজীর উক্তি স্বামী বিবেকানন্দের নামে! উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ -এর এক বক্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এমন একটি উক্তি উল্লেখ করেন, যা মূলত স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতা সুভাষচন্দ্র বসুর -এর বলে পরিচিত। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, সেই উক্তিটি তিনি যুক্ত করেন বিশিষ্ট দার্শনিক ও সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ -এর নামে। এই ‘বাণী বিভ্রাট’ নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা কটাক্ষ করে বলছে, ইতিহাস ও মহান ব্যক্তিত্বদের সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা না থাকায় এমন ভুল হচ্ছে। অন্যদিকে শাসকদল এই ঘটনাকে ‘সামান্য ভুল’ বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুভাষচন্দ্র বসু এবং স্বামী বিবেকানন্দ—উভয়েই ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, কিন্তু তাঁদের চিন্তাধারা ও বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। তাই তাঁদের উক্তি গুলিয়ে ফেলা শুধু তথ্যগত ভুল নয়, বরং তা ইতিহাসের প্রতি অবহেলারও ইঙ্গিত দেয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, নির্বাচনী প্রচারের উত্তাপে অনেক সময় নেতারা আবেগের বশে ভুল বক্তব্য দিয়ে ফেলেন। তবে জনসমক্ষে বক্তব্য রাখার সময় এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা উচিত বলেই মত তাঁদের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়াতেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দেশের বিশিষ্ট নেতাদের উক্তি নিয়ে এমন বিভ্রান্তি আদৌ গ্রহণযোগ্য কি না।
বাণী বিভ্রাটে যোগী আদিত্যনাথ: নেতাজীর উক্তি স্বামী বিবেকানন্দের নামে! উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ -এর এক বক্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এমন একটি উক্তি উল্লেখ করেন, যা মূলত স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতা সুভাষচন্দ্র বসুর -এর বলে পরিচিত। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, সেই উক্তিটি তিনি যুক্ত করেন বিশিষ্ট দার্শনিক ও সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ -এর নামে। এই ‘বাণী বিভ্রাট’ নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা কটাক্ষ করে বলছে, ইতিহাস ও মহান ব্যক্তিত্বদের সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা না থাকায় এমন ভুল হচ্ছে। অন্যদিকে শাসকদল এই ঘটনাকে ‘সামান্য ভুল’ বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুভাষচন্দ্র বসু এবং স্বামী বিবেকানন্দ—উভয়েই ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, কিন্তু তাঁদের চিন্তাধারা ও বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। তাই তাঁদের উক্তি গুলিয়ে ফেলা শুধু তথ্যগত ভুল নয়, বরং তা ইতিহাসের প্রতি অবহেলারও ইঙ্গিত দেয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, নির্বাচনী প্রচারের উত্তাপে অনেক সময় নেতারা আবেগের বশে ভুল বক্তব্য দিয়ে ফেলেন। তবে জনসমক্ষে বক্তব্য রাখার সময় এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা উচিত বলেই মত তাঁদের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়াতেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দেশের বিশিষ্ট নেতাদের উক্তি নিয়ে এমন বিভ্রান্তি আদৌ গ্রহণযোগ্য কি না।
- নির্বাচনের প্রচারের শেষ লগ্নে পুন্ডিবাড়ী এলাকায় সাংসদ তথা চিত্র অভিনেতা দীপক অধিকারী রোড শো কে কেন্দ্র করে ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেল। এদিকে এই ভিড়কে সামলাতে কার্যত নাজেহাল পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয় প্রশাসনকে। রাস্তার দুই ধারে অগুনতি মানুষ ভিড় করে থাকে দেবকে দেখার জন্য। তবে লড়াইয়ের ময়দানে জুজু ধান দুইপক্ষ কাউকেই ছাড়তে নারাজ কেউই।1
- কুর্শাহাটে বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে 'জয় শ্রী রাম' স্লোগান পাল্টা তৃণমূল কর্মীদের 'জয় বাংলা' স্লোগান!1
- বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই কোচবিহারের ভেটাগুড়িতে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক টানাপোড়েন। সোমবার বিকেলে ৬/১৫৮ নম্বর বুথের পঞ্চায়েত সদস্য বিপ্লব বর্মন বিজেপি ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। তবে এই যোগদানের প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নাটকীয় এবং চাঞ্চল্যকর। বিপ্লব বর্মনের অভিযোগ, রবিবার গভীর রাতে বিজেপি কর্মীরা তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়ে তাঁকে রীতিমতো প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তাঁর দাবি, সেই সময় চরম ভয়-ভীতি দেখিয়ে এবং জোরাজুরি করে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। জোরপূর্বক করানো সেই দলবদলের রেশ কাটতে না কাটতেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পালটা জবাব দিলেন তিনি। সোমবার বিকেলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তিনি তৃণমূলে ছিলেন এবং তৃণমূলের সঙ্গেই থাকবেন।1
- তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ-র গ্রেফতারি আশঙ্কা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়। তিনি দাবি করেন, “উনাকে অনেক আগেই গ্রেফতার করা উচিত ছিল।” এই মন্তব্য ঘিরে দিনহাটার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।1
- মাথাভাঙ্গা,মাথাভাঙ্গা হাজরাহাট এলাকায় বিজেপির প্রচার ঘিরে তৃণমূল বিজেপি উত্তেজনা ।বিজেপির অভিযোগ এদিন এলাকায় প্রচারে বেরহোল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা প্রচারে বাধা দেয় এবং মারধর করে বিজেপি কর্মীদের। তৃণমূলের দাবি বিজেপির বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাতৃশক্তি কার্ড বিলি করছে বলছে ৩০০০ টাকা পাবে। পাশাপাশি আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড জেরক্স নিচ্ছে। নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করছে বিজেপি।সেটার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।উল্টে বিজেপির লোকজন তৃণমূল কর্মীকে মারধর করেছে।1
- *উদয়ন গুহরে গ্রেফতারি আশঙ্কা প্রসঙ্গে পাল্টা সুর অজয় রায় “অনেক আগেই গ্রেফতার হওয়া উচিত ছিল”1
- 📍হরিহর দাসের সমর্থনে গোপালপুরে কর্মীসভা তৃণমূল কংগ্রেসের1
- ভোটের মুখে বিজেপিতে ভাঙন! শুকারুরকুটিতে ১০ পরিবার তৃণমূলে।1