পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বর্ধমান শহরে এক বিশাল পদযাত্রা ও জনসভা করেন। এই পদসভা শুরু হয় বর্ধমান পৌরসভা এলাকা থেকে এবং শেষ হয় বিরহাটা ট্রাফিক গার্ড অফিস পর্যন্ত। এই কর্মসূচিতে প্রচুর কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উন্নয়নমূলক কাজ, রাজ্যের প্রকল্প এবং বিরোধীদের সমালোচনা নিয়ে কথা বলেন। শহরের বিভিন্ন রাস্তায় মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো, যা আসন্ন নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বর্ধমান শহরে এক বিশাল পদযাত্রা ও জনসভা করেন। এই পদসভা শুরু হয় বর্ধমান পৌরসভা এলাকা থেকে এবং শেষ হয় বিরহাটা ট্রাফিক গার্ড অফিস পর্যন্ত। এই কর্মসূচিতে প্রচুর কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উন্নয়নমূলক কাজ, রাজ্যের প্রকল্প এবং বিরোধীদের সমালোচনা নিয়ে কথা বলেন। শহরের বিভিন্ন রাস্তায় মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো, যা আসন্ন নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বর্ধমান শহরে এক বিশাল পদযাত্রা ও জনসভা করেন। এই পদসভা শুরু হয় বর্ধমান পৌরসভা এলাকা থেকে এবং শেষ হয় বিরহাটা ট্রাফিক গার্ড অফিস পর্যন্ত। এই কর্মসূচিতে প্রচুর কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উন্নয়নমূলক কাজ, রাজ্যের প্রকল্প এবং বিরোধীদের সমালোচনা নিয়ে কথা বলেন। শহরের বিভিন্ন রাস্তায় মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো, যা আসন্ন নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বর্ধমান শহরে এক বিশাল পদযাত্রা ও জনসভা করেন। এই পদসভা শুরু হয় বর্ধমান পৌরসভা এলাকা থেকে এবং শেষ হয় বিরহাটা ট্রাফিক গার্ড অফিস পর্যন্ত। এই কর্মসূচিতে প্রচুর কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উন্নয়নমূলক কাজ, রাজ্যের প্রকল্প এবং বিরোধীদের সমালোচনা নিয়ে কথা বলেন। শহরের বিভিন্ন রাস্তায় মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো, যা আসন্ন নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
- Post by মানব বার্তার নিউজ1
- মহিষাদল বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তিলক কুমার চক্রবর্তীর সমর্থনে হলদিয়ার বজ্রলালচকে রোড শো করলেন হুগলির সাংসদ অভিনেত্রী রচনা বন্দোপাধ্যায়1
- Post by Kolkata News Times1
- Post by Artist Satyam1
- মরনোত্তর দেহদান অঙ্গীকার শিবির কোলাঘাট সংকেত এবং ননসেন্স ক্লাবের উদ্যোগে কোলাঘাট নতুন বাজার রাধামাধব মন্দির অঙ্গনে হয়ে গেল মরনোত্তর অঙ্গদান শিবির। উল্লেখ্য, কোলাঘাট সাহাপুর গ্রামে কয়েক মাস আগে প্রয়াত হয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক অমলেন্দু বসু। তাঁর অন্তিম ইচ্ছা পূরণে চোখের কর্নিয়া দুটি আই ব্যাঙ্কে দান করা হয়। এদিন তাঁর স্মরণেই এই অঙ্গদান শিবিরে ২৫ জন মানুষ মরনোত্তর দেহদান অঙ্গীকার পত্রে স্বাক্ষর করেন। এদিন একই সাথে বিনাব্যয়ে ফিজিওথেরাপি ক্যাম্পে বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার সূচনা করা হয়। ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন অশীতিপর সমাজকর্মী মহাদেব সেনগুপ্ত মহাশয়। আয়োজকদের পক্ষে শুভঙ্কর বসু বলেন, গত পাঁচ বছরে আমরা ৩২ জন প্রয়াত মানুষের কর্ণিয়া সংগ্রহ করেছি। যার মাধ্যমে অন্তত ২৫ জন দৃষ্টিহীন মানুষ দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন।1
- Post by Z News.1
- প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi সম্প্রতি মহিলা সংরক্ষণ বিল (Women’s Reservation Bill) নিয়ে কড়া রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে Indian National Congress, All India Trinamool Congress, Samajwadi Party এবং Dravida Munnetra Kazhagam—এই দলগুলোই বিলটি আটকে দেওয়ার জন্য দায়ী। মোদীর বক্তব্যে তিনি “ভ্রূণ খুন” (একটি রূপক অর্থে) শব্দ ব্যবহার করে বোঝাতে চেয়েছেন যে, মহিলাদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ এই দলগুলোর কারণে নষ্ট হয়েছে। তাঁর দাবি, এই বিল পাশ হলে সংসদ ও বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩% আসন সংরক্ষণ নিশ্চিত হতো। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলোর যুক্তি ভিন্ন। তাদের দাবি— বিলটি কার্যকর করতে জনগণনা (census) ও সীমানা পুনর্নির্ধারণ (delimitation) আগে দরকার তফসিলি জাতি, জনজাতি ও অন্যান্য পিছিয়ে পড়া শ্রেণির (OBC) মহিলাদের জন্য আলাদা কোটা থাকা উচিত এই বিষয়টি এখন পুরোপুরি রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত হয়েছে, যেখানে একদিকে সরকার দ্রুত বাস্তবায়নের কথা বলছে, অন্যদিকে বিরোধীরা কাঠামোগত পরিবর্তনের দাবি তুলছে।1
- Post by মানব বার্তার নিউজ1
- Post by Kolkata News Times1