পাহাড়ে লাগাতার বৃষ্টির কারণে জলঢাকা নদীর জলস্তর বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করায় ময়নাগুড়ি ব্লকের বন্যা কবলিত এলাকার বাসিন্দারা গভীর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। নদী থেকে জল বিভিন্ন নিচু এলাকায় ঢুকে পড়ায় স্থানীয়দের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সোমবার, অর্থাৎ ২২শে জুন, আমগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের খাটোরবাড়ি এলাকার নতুন বাঁধে একটি গর্ত তৈরি হয়, যেখান দিয়ে দ্রুত জল বের হতে শুরু করে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকাবাসীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে, গ্রামবাসীরাই দ্রুত মাটি এবং প্লাস্টিকের বস্তা ব্যবহার করে অস্থায়ীভাবে গর্তটি মেরামত করেন। উল্লেখ্য, গত বছরের ভয়াবহ বন্যায় এই এলাকার বাঁধ ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই মর্মান্তিক স্মৃতি এখনও মানুষের মনে টাটকা থাকায় নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় আতঙ্ক বহুগুণ বেড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বহু পরিবার এখনও তাদের ঘর সম্পূর্ণভাবে তৈরি করতে পারেনি বলেও অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এরপর ময়নাগুড়ি ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এবং সিভিল ডিফেন্স কর্মীরাও এলাকায় পৌঁছান। স্থানীয় বাসিন্দারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন যে, জলস্তর আরও বাড়লে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে। তাই, তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত বাঁধ মজবুত করা এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
পাহাড়ে লাগাতার বৃষ্টির কারণে জলঢাকা নদীর জলস্তর বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করায় ময়নাগুড়ি ব্লকের বন্যা কবলিত এলাকার বাসিন্দারা গভীর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। নদী থেকে জল বিভিন্ন নিচু এলাকায় ঢুকে পড়ায় স্থানীয়দের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সোমবার, অর্থাৎ ২২শে জুন, আমগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের খাটোরবাড়ি এলাকার নতুন বাঁধে একটি গর্ত তৈরি হয়, যেখান দিয়ে দ্রুত জল বের হতে শুরু করে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকাবাসীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে, গ্রামবাসীরাই দ্রুত মাটি এবং প্লাস্টিকের বস্তা ব্যবহার করে অস্থায়ীভাবে গর্তটি মেরামত করেন। উল্লেখ্য, গত বছরের ভয়াবহ বন্যায় এই এলাকার বাঁধ ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই মর্মান্তিক স্মৃতি এখনও মানুষের মনে টাটকা থাকায় নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় আতঙ্ক বহুগুণ বেড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বহু পরিবার এখনও তাদের ঘর সম্পূর্ণভাবে তৈরি করতে পারেনি বলেও অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এরপর ময়নাগুড়ি ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এবং সিভিল ডিফেন্স কর্মীরাও এলাকায় পৌঁছান। স্থানীয় বাসিন্দারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন যে, জলস্তর আরও বাড়লে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে। তাই, তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত বাঁধ মজবুত করা এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
- এই পৃথিবীতে বিদ্যমান গভীর আর্থিক বৈষম্যের একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে, যেখানে কিছু ব্যক্তি মাত্র এক মিনিটের মধ্যে ৫০০ টাকা উপার্জন করতে সক্ষম হন, সেখানে অন্য কিছু মানুষকে সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করে ৫০০ টাকা উপার্জন করতে হয়, যা দিয়ে তারা শুধু তাদের দৈনিক খাবারের সংস্থান করেন।1
- ধূপগুড়ি থানা সাধারণ মানুষের হারিয়ে যাওয়া সম্পদ এবং অনলাইন প্রতারণার শিকার হয়ে খোয়া যাওয়া অর্থ উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিয়ে এক মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। রবিবার বিকেলে ধূপগুড়ি থানার কনফারেন্স হলে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন ও প্রতারণার শিকার হওয়া গ্রাহকদের অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত দেওয়া হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত এক মাসে বিভিন্ন সময়ে চুরি যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া মোট ২০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। এর পাশাপাশি, অনলাইন প্রতারণার শিকার হওয়া ৯ জন গ্রাহকের মোট ২ লক্ষ ৪১ হাজার টাকা উদ্ধার করে তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রবিবারের অনুষ্ঠানে থানার পুলিশ আধিকারিকেরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হাতে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন এবং অর্থের নথিপত্র তুলে দেন। বর্তমানে অনলাইন জালিয়াতি ও মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ধূপগুড়ি থানার এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়িয়েছে। অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। একইভাবে, অনলাইন প্রতারণার শিকার হয়ে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়া গ্রাহকরাও টাকা ফেরত পাওয়ার কথা কল্পনা করতে পারেননি। কিন্তু পুলিশের তৎপরতা ও প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের মাধ্যমে সেই হারানো সম্পদ এবং অর্থ পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন ও প্রতারিত অর্থ ফিরে পেয়ে উপকৃত ব্যক্তিরা ধূপগুড়ি থানার পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁরা বলেন, পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ এবং আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই তাঁদের হারিয়ে যাওয়া মূল্যবান সামগ্রী ও অর্থ পুনরায় ফিরে পাওয়া সম্ভব হয়েছে।1
- রাজ্যে 'ভরসা' প্রকল্পের অধীনে যুবকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। এই নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, স্নাতক ডিগ্রিধারী বেকার যুবকরা প্রতি মাসে ₹৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবেন। অন্যদিকে, অন্যান্য বেকার ব্যক্তিরা মাসিক ₹২,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা লাভ করবেন।1
- শিলিগুড়িতে এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় কৃষ্ণ হালদার (২৪) ও মিন্টু শীল (২০) নামে দুই যুবকের প্রাণহানি হয়েছে। তাঁরা ফুলবাড়ি অঞ্চলের কাশীরামজোতের বাসিন্দা ছিলেন। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো রবিবার সকালে ওই দুই যুবক স্কুটি নিয়ে একটি চানাচুর কারখানায় কাজে যাচ্ছিলেন। সেই সময় পিছন দিক থেকে একটি ট্রাক তাঁদের স্কুটিতে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার তীব্রতায় দু'জনেই রাস্তায় ছিটকে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ইতিমধ্যে ট্রাকটিকে আটক করেছে এবং এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।1
- ময়নাগুড়িতে একটি বাস দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মন্ত্রী আনন্দময় বর্মন হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তিনি সেখানে আহতদের খোঁজখবর নেন।1
- মহিশচরুতে উপভোক্তারা কাটমানি ফেরতের দাবিতে এক তৃণমূল নেতার বাড়ির সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ উপভোক্তারা প্রকাশ্যে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত তাদের টাকা ফেরত পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন।1
- ময়নাগুড়ির উল্লা ডাবরী এলাকায় এক ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ কলকাতা থেকে রাতেই ঘটনাস্থলের উদ্দেশে ছুটে আসেন। তিনি জলপাইগুড়ি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি আহত রোগীদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেন এবং তাদের সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।1
- কংগ্রেস যেটা বলে সেটা পরে What the Congress says comes later. কংগ্রেস যেটা বলে সেটা পরে What the Congress says comes later.1
- নকশালবাড়ি ব্লকের মনিরাম গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রঞ্জন চিকবড়াইক গ্রেফতার হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে যে তিনি তৃণমূলের উপপ্রধান হওয়া সত্ত্বেও বিজেপির সংগঠনের মিটিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন, দলীয় পতাকা ব্যবহার করেছিলেন এবং বিজেপি কর্মীদের ধাক্কাধাক্কি ও হুমকি দিয়েছিলেন। গতকাল বিজেপি যুব মোর্চার অভিযোগের ভিত্তিতে নকশালবাড়ি থানার পুলিশ জাবরা ডিভিশন এলাকা থেকে এই উপপ্রধানকে গ্রেফতার করে। ধৃতকে আজ শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি সুদীপ্ত রায় দাবি করেছেন যে ধৃত বর্তমানে তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত থাকা সত্ত্বেও বিজেপির নাম করে সংগঠন করার অভিযোগে রয়েছেন এবং তিনি এই ঘটনার আইনানুগ শাস্তি চেয়েছেন। অন্যদিকে, ধৃত উপপ্রধান রঞ্জন চিকবড়াইক নিজেকে নির্দোষ দাবি করে পুরো ঘটনাটিকে একটি চক্রান্ত বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন যে তাঁকে বিজেপির সংগঠনে যোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল এবং তৃণমূলের পদ থেকে পদত্যাগ করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল।1