কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে পরিচ্ছন্নতার অভিযানে নতুন দৃষ্টান্ত নিজস্ব প্রতিবেদন বিশ্বজিৎ বালা হাবড়া:- উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রতিদিনই চলছে সাফাই কর্মীদের নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভিযান। গ্রামকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশে গড়ে তুলতে পঞ্চায়েতের উদ্যোগে এই সাফাই অভিযান চালানো হচ্ছে বিভিন্ন গ্রামে। প্রতিদিন ভোর থেকেই সাফাই কর্মীরা রাস্তাঘাট, নালা-নর্দমা এবং জনবহুল এলাকাগুলি পরিষ্কার করতে নেমে পড়ছেন। জমে থাকা আবর্জনা সরানো, নালা পরিষ্কার করা এবং আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার কাজ অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে করছেন তারা। এর ফলে ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে গ্রামের পরিবেশ, কমছে নোংরা আবর্জনার স্তূপ এবং বাড়ছে সচেতনতা। স্থানীয় বাসিন্দারাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, নিয়মিত এই সাফাই অভিযান চালু থাকলে গ্রাম আরও পরিচ্ছন্ন হবে এবং বিভিন্ন রোগবালাইয়ের ঝুঁকিও অনেকটাই কমবে। পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নয়, গ্রামবাসীদেরও সচেতন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। রাস্তা বা নালায় আবর্জনা না ফেলা এবং নির্দিষ্ট জায়গায় ময়লা ফেলার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে। গ্রামকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। প্রতিদিনের এই সাফাই অভিযানের ফলে গ্রামীণ পরিবেশে আসছে দৃশ্যমান পরিবর্তন, আর সেই পরিবর্তনের সাক্ষী থাকছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।
কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে পরিচ্ছন্নতার অভিযানে নতুন দৃষ্টান্ত নিজস্ব প্রতিবেদন বিশ্বজিৎ বালা হাবড়া:- উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রতিদিনই চলছে সাফাই কর্মীদের নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভিযান। গ্রামকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশে গড়ে তুলতে পঞ্চায়েতের উদ্যোগে এই সাফাই অভিযান চালানো
হচ্ছে বিভিন্ন গ্রামে। প্রতিদিন ভোর থেকেই সাফাই কর্মীরা রাস্তাঘাট, নালা-নর্দমা এবং জনবহুল এলাকাগুলি পরিষ্কার করতে নেমে পড়ছেন। জমে থাকা আবর্জনা সরানো, নালা পরিষ্কার করা এবং আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার কাজ অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে করছেন তারা। এর ফলে ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে গ্রামের পরিবেশ, কমছে নোংরা
আবর্জনার স্তূপ এবং বাড়ছে সচেতনতা। স্থানীয় বাসিন্দারাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, নিয়মিত এই সাফাই অভিযান চালু থাকলে গ্রাম আরও পরিচ্ছন্ন হবে এবং বিভিন্ন রোগবালাইয়ের ঝুঁকিও অনেকটাই কমবে। পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নয়, গ্রামবাসীদেরও সচেতন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। রাস্তা বা নালায়
আবর্জনা না ফেলা এবং নির্দিষ্ট জায়গায় ময়লা ফেলার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে। গ্রামকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। প্রতিদিনের এই সাফাই অভিযানের ফলে গ্রামীণ পরিবেশে আসছে দৃশ্যমান পরিবর্তন, আর সেই পরিবর্তনের সাক্ষী থাকছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।
- উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবড়া ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত মছলন্দপুর এলাকায় প্রতিদিন সকাল হলেই দেখা যায় চরম যানজটের চিত্র। গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকাটি ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন হওয়ায় প্রতিদিন বহু মানুষ ও যানবাহনের যাতায়াত ঘটে। ফলে সকাল থেকে শুরু হয় দীর্ঘ যানজট, যা ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে। মছলন্দপুরের তিন রাস্তার মোড় এই সমস্যার মূল কেন্দ্রবিন্দু। এখানেই মিলিত হয়েছে মছলন্দপুর–তেতুলিয়া রোড এবং মছলন্দপুর–মগরা রোড। পাশাপাশি স্থানীয় বাজার, স্কুল, অফিসগামী মানুষ এবং সীমান্তবর্তী এলাকার ব্যবসায়িক যানবাহনের চাপ এই মোড়টিকে আরও ব্যস্ত করে তোলে। সকালবেলা অফিস ও স্কুলের সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ পড়তেই কয়েক মিনিটের মধ্যে রাস্তাজুড়ে তৈরি হয় দীর্ঘ যানজট। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিদিন এই যানজটের কারণে চরম সমস্যায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে অফিসগামী কর্মী—সবারই সময় নষ্ট হয় এই রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে। অনেক সময় অ্যাম্বুলেন্স বা জরুরি পরিষেবার গাড়িও আটকে পড়ে এই যানজটে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তোলে। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই এই সমস্যার সমাধানের দাবি জানানো হলেও এখনও স্থায়ী কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থায়ী পুলিশ মোতায়েন, রাস্তার সম্প্রসারণ কিংবা বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করলে এই সমস্যার অনেকটাই সমাধান হতে পারে বলে মত স্থানীয়দের। সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হওয়ায় মছলন্দপুর তিন রাস্তার মোড়ে প্রতিদিনের এই যানজট এখন নিত্যদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগ না নিলে আগামী দিনে এই সমস্যার তীব্রতা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।1
- Post by MR KOUSHIK DEBNATH1
- এই তিনটে ছেলের বিয়ে হচ্ছে না কুলিক কেউ কি আছো? বিয়ে দেবার জন্য1
- ইসরাইলের গোয়েন্দা গুলো যারা গোপনে ইরানে বসে ড্রোন তৈরি করেছিল1
- মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বড়জোর কলকাতার রাস্তায় তিন মিনিটে গিয়েছে এয়ারপোর্ট থেকে বাম মহিলা ও অন্যান্য কর্মীদের কালো পত বিক্ষোভের মুখে পড়তে হলেও কমিশনারের সাংবিধানিক দায়িত্ব ভুলে রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করতে এ রাজ্যের ৬৮ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দিয়েছে ভোটার তালিকা থেকে কমিশনারকে জবাব দিতে হবে সবার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে নইলে ভোট ঘোষণা করা যাবে না1
- চুরি হলে রাস্তা প্রচন্ড খারাপ আলমপুরের ভেতরে কি জন্য হচ্ছে মেসেজ পাঠাচ্ছে1
- ফুরফুরা শরীফ ঈসালে সোয়াব তৃতীয় দিনের লোকের সমাগম প্রচুর লোকের সমাগম1
- যারা মেয়ে বিয়ে দিতে পারছ না এই তিনটে ছেলে আছে বিয়ে দিতে চান মেসেজ করো আমার সাথে1