Shuru
Apke Nagar Ki App…
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে একটি বড় ঘোষণা করেছেন। এই ঘোষণায় যোজনার নিবন্ধন প্রক্রিয়া, ফর্ম ফিলাপ এবং এর নিয়মাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে।
Loca news(কৌশিক কাপড়ি )
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে একটি বড় ঘোষণা করেছেন। এই ঘোষণায় যোজনার নিবন্ধন প্রক্রিয়া, ফর্ম ফিলাপ এবং এর নিয়মাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- অভিষেক ব্যানার্জি সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভার এক নিহত কর্মী সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে গিয়েছিলেন।1
- সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা এলাকার নিহত কর্মী সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে দেখা করতে গেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জনতা ঘিরে ধরে। এসময় জনতার সঙ্গে তাঁর চরম ধস্তাদ্ধতি হয়। এই ঘটনা প্রসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া শোনার কথা বলা হয়েছে।1
- সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ডিজে বাজালে মাইক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা করেছেন ঘাটাল থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক মৃণাল কান্তি শিকদার। শব্দ দূষণের দানব থেকে এলাকার মানুষজনকে রক্ষা করতে পুলিশের এই উদ্যোগে ওসিকে 'দাবাং মুডে' দেখা গিয়েছে। পুলিশের এই কঠোর পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান লাল্টু চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। পদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে চাকরি দেওয়ার নামে তিনি বহু মানুষের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা তুলেছেন বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, শুধু চাকরির নাম করে প্রতারণা নয়, টাকা ফেরত চাইতে গেলে অভিযোগকারীকে মারধরও করা হয়েছে। এই ঘটনায় দাসপুর থানার অভিযোগ দায়ের করেছেন দাসপুরের লাওদা গ্রামের বাসিন্দা রাজকুমার মাইতি। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত তৃণমূল প্রধান লাল্টু চক্রবর্তী উধাও হয়েছেন, এবং গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের প্রধানের চেয়ারটিও ফাঁকা রয়েছে।2
- একটি রাজনৈতিক পোস্টে 'পিসি' এবং 'ভাইপো'-কে তীব্র কটাক্ষ করে বলা হয়েছে যে, ডিমের আঘাতেই তাঁদের হাসপাতালে ভর্তির নাটক শুরু হয়ে গেছে। এই ঘটনাকে পনেরো বছর আগের পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, যখন তাঁদেরই পার্টি ক্যাডারদের হাতে জনসাধারণ মার খাচ্ছিল, কিন্তু সেই সময় 'পিসি'-র গলায় কোনও প্রতিবাদ শোনা যায়নি। পোস্টটিতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, 'পিসি' এবং 'ভাইপো'-র এই 'নাটক' আবারও শুরু হয়েছে, যা তাঁদের বিরুদ্ধে জনসাধারণের উপর হওয়া আক্রমণের সময় নীরব থাকার পুরনো প্রবণতাকে সামনে নিয়ে এসেছে।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ২ নং ব্লকের ঝাকরা এলাকায় ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে এক বিজয় উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। এই উৎসবে চন্দ্রকোনা বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক সুকান্ত দোলই সশরীরে অংশগ্রহণ করেন।1
- একটি জনসভা বা কর্মসূচির সময় হঠাৎই বিক্ষোভ ও বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতার একাংশের এই বিক্ষোভের মাঝে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ দেখা দেয়। এই পরিস্থিতিতে, সেখানে উপস্থিত প্রবীণ সাংবাদিক উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায়কে বুম হাতে সামনে এগিয়ে আসতে দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিগুলিতে দাবি করা হচ্ছে যে, উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার অথবা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আড়াল করার চেষ্টা করছিলেন। তবে ঘটনাটি সম্পর্কে বিভিন্ন পক্ষের ভিন্ন ভিন্ন দাবি রয়েছে, যা তুমুল বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কী কারণে এই উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, আদৌ কোনো হামলার চেষ্টা হয়েছিল কি না, এবং সাংবাদিকের ভূমিকা ঠিক কী ছিল—এসব বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এই পুরো ঘটনাটির সঠিক ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য বর্তমানে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।1