জয়পুরের বাসিন্দা ২৩ বছর বয়সী আয়ুশি শর্মা নামে এক তরুণী কোনোভাবে ৭ লাখ টাকা জোগাড় করে স্থানীয় গুন্ডা ভাড়া করে নিজের মাকে খুন করিয়েছে। বাবার মৃত্যুর পর অনুকম্পামূলক চাকরি না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে সে এই চরম পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং মাকে হত্যা করতে সফলও হয়। আয়ুশির বাবা একজন সরকারি কর্মচারী ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর নিয়ম অনুযায়ী অনুকম্পামূলক নিয়োগের মাধ্যমে চাকরিটি আয়ুশির পাওয়ার কথা থাকলেও, তাঁর মা নিজেই সেই চাকরিটি গ্রহণ করেন। কারণ হিসেবে জানা গেছে, আয়ুশির ১৭ বছর বয়সী এক ভাই ছিল এবং তার ভরণপোষণের দায়িত্ব মায়ের ওপরই ছিল। এই কারণেই মা চাকরিটি নিজের কাছে রেখেছিলেন। তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে এটিকে একটি সাধারণ দুর্ঘটনা বলে মনে করেছিল। তবে পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতেই আসল সত্য সামনে আসে এবং দেখা যায় যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গাড়ি চাপা দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এই তরুণীর অত্যন্ত সহানুভূতিশীল চেহারা দেখে কেউ কল্পনাও করতে পারবে না যে সে নিজের জন্মদাত্রী মায়ের সঙ্গে এমন নৃশংস কাণ্ড ঘটাতে পারে।
জয়পুরের বাসিন্দা ২৩ বছর বয়সী আয়ুশি শর্মা নামে এক তরুণী কোনোভাবে ৭ লাখ টাকা জোগাড় করে স্থানীয় গুন্ডা ভাড়া করে নিজের মাকে খুন করিয়েছে। বাবার মৃত্যুর পর অনুকম্পামূলক চাকরি না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে সে এই চরম পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং মাকে হত্যা করতে সফলও হয়। আয়ুশির বাবা একজন সরকারি কর্মচারী ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর নিয়ম অনুযায়ী অনুকম্পামূলক নিয়োগের মাধ্যমে চাকরিটি আয়ুশির পাওয়ার কথা থাকলেও, তাঁর মা নিজেই সেই চাকরিটি গ্রহণ করেন। কারণ হিসেবে জানা গেছে, আয়ুশির ১৭ বছর বয়সী এক ভাই ছিল এবং তার ভরণপোষণের দায়িত্ব মায়ের ওপরই ছিল। এই কারণেই মা চাকরিটি নিজের কাছে রেখেছিলেন। তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে এটিকে একটি সাধারণ দুর্ঘটনা বলে মনে করেছিল। তবে পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতেই আসল সত্য সামনে আসে এবং দেখা যায় যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গাড়ি চাপা দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এই তরুণীর অত্যন্ত সহানুভূতিশীল চেহারা দেখে কেউ কল্পনাও করতে পারবে না যে সে নিজের জন্মদাত্রী মায়ের সঙ্গে এমন নৃশংস কাণ্ড ঘটাতে পারে।
- দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুম পিএমশ্রী উচ্চতর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে অত্যন্ত মর্যাদার সাথে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়েছে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণভাবে এই বিশেষ দিবসটি উদযাপন করা হয়।1
- গোমতী জেলার করবুক আর.ডি. ব্লকের অন্তর্গত গুনাধর পাড়ায় একটি নতুন মাল্টিপারপাস সেন্টারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। ১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শুক্লা চরণ নোয়াতিয়া। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন করবুক আর.ডি. ব্লকের BAC ভাইস চেয়ারম্যান প্রণব ত্রিপুরা। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন শান্তিরবাজারের বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, অতীন্দ্র রিয়াং এবং অসীম ত্রিপুরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন যে, এই মাল্টিপারপাস সেন্টারটি ভবিষ্যতে এলাকার সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও প্রয়োজনীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষেত্রেও এটি একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় অবকাঠামো হিসেবে ভূমিকা রাখবে। এই অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা এলাকাবাসীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং করবুক এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।1
- ত্রিপুরার ফুল মনুশ্রীর চিকিৎসার জন্য হোসেইন মনসুরি কত টাকা দিয়েছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।1
- ত্রিপুরা প্রদেশ যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে কংগ্রেস ভবনে তাদের মাসিক রাজ্য কার্যনির্বাহী সভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সভাপতি নীলকমল সাহা সহ অন্যান্য যুব নেতৃত্বরা উপস্থিত ছিলেন।1
- সিপাহীজলা জেলার বিশালগড় বাইপাস এলাকায় শনি মন্দিরের পুজোকে কেন্দ্র করে চাঁদা আদায় এবং সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করার অভিযোগে নতুন করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জামিনে মুক্তি পাওয়া একটি ছিনতাই মামলার অভিযুক্তরা এই ঘটনার সাথে জড়িত। তারা পুজোর নামে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করছে এবং চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে মহিলা ও মেয়েদের ভয়ভীতি দেখিয়ে এলাকায় নানা ঝামেলা সৃষ্টি করছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।1
- কমলপুরের এসএমএ (SMA) রোগে আক্রান্ত ছোট্ট ঈপশিতা নমঃসূত্রধরের চিকিৎসার সহায়তায় পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক। দীর্ঘদিন ধরে এই রোগের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে ঈপশিতার পরিবার চরম আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে। এই খবর পেয়ে প্রাক্তন সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক স্বয়ং শিশুটির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে যান এবং তাদের বর্তমান পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। তিনি পরিবারের সাথে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা ও ভবিষ্যতে করণীয় পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং এই অসহায় পরিবারের পাশে থাকার সম্পূর্ণ আশ্বাস দিয়েছেন। প্রতিমা ভৌমিকের এই মানবিক উদ্যোগে আক্রান্ত শিশুর পরিবার যেমন নতুন করে আশার আলো দেখছে, তেমনই এলাকার মানুষও প্রাক্তন সাংসদের এই সহানুভূতিশীল ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।1