বকেয়া DA সহ মোট পাঁচ দফা দাবিতে বাম শিক্ষক সংগঠনের মিছিল সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে বকেয়া মাহার্ঘ ভাতার ২৫% ডিএ মেটাতে হবে ৩১ শে মার্চের মধ্যেই । কিন্তু এখনো সে নিয়ে সরকারের কোন হেলদল নেই। বরং রায়ের বিপরীতে গিয়ে নতুন কমিটি গঠন, আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গ সংবাদ মাধ্যমে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পুনর্বিবেচনার জন্য আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে বলে মনে করছেন নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতি ও নিখিল বঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। তাই একদিকে আইনি লড়ায় পাশাপাশি রাস্তার আন্দোলনেও শমিল হয়েছে এবিটিএ, এবিপিটিএ। বকেয়া ডিএ-র২৫ শতাংশ অবিলম্বে মেটানো সহ শিক্ষকদের জন্য ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কিম চালু, সপ্তম পে কমিশন অবিলম্বে কার্যকর করা ,বিদ্যালয়ে বিদ্যালয়ে স্বচ্ছভাবে শিক্ষক নিয়োগ, পার্শ্ব শিক্ষক /ভোকেশনাল শিক্ষক /কন্ট্রাকচুয়াল শিক্ষক/ আইসিটি শিক্ষকদের সমকাজে সমবেতন, দীর্ঘদিন শিক্ষকতার কাজে যুক্ত শিক্ষকদের টেট থেকে অব্যাহতি এই দাবি গুলির দাবিতে পুরুলিয়া শহরের ট্যাক্সি স্ট্যান্ড থেকে মিছিল করে শহর পরিক্রমা করলে এবিটিএ এবিপিটিএ পুরুলিয়া জেলা শাখার সদস্যবন্ধুরা। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সভায় এবিটিএ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক তথা পুরুলিয়া জেলা সম্পাদক ব্যোমকেশ দাস বলেন এই রাজ্যের সরকার চুরির সরকার, মিথ্যাবাদী সরকার, শিক্ষা বিরোধী ও জনবিরোধী সরকার । এই শিক্ষা ছাত্র শিক্ষক বিরোধী সরকারের উৎখাত করার আহ্বান তিনি জানান। তিনি আরোও উল্লেখ করেন সুপ্রিম কোর্ট প্রথমে ২০০৮ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বকেয়া ডিএ মেটানোর রায় দেওয়ার পর অজুহাত দেখিয়ে রাজ্য সরকার সময় চেয়েছিল । পরে সুপ্রিম কোর্ট সরকারের কোন অজুহাতে কান না দিয়ে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ ৩১ শে মার্চের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার রায় দিয়েছে,বাকি ৭৫ শতাংশ মেটানোর বিষয় নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে। কিন্তু দু'কান কাঁটা এ রাজ্য সরকার ভিন্ন কমিটি গঠন করেছে। বোঝাই যাচ্ছে এই কমিটি ডিএ দেবার পক্ষে না, বিপক্ষে যাবে। তিনি আরো উল্লেখ করেন এই মুহূর্তে রাজ্যের শিক্ষার মান নিম্নগামী। রাজ্যে একের পর এক শিক্ষক বা ছাত্রের অভাবে বিদ্যালয় বন্ধ হচ্ছে। সরকারের কাছে বাংলার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গুরুত্বহীন, বাংলার ভবিষ্যৎ গড়ার কারিগররা গুরুত্বহীন। তাই সরকার শিক্ষকদের ডিএ দিচ্ছে না। বিদ্যালয়গুলি চালানোর জন্য কম্পোজিট গ্রান্ড পর্যন্ত মিলছে না । রাজ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক মিলে দু লক্ষেরও বেশি শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী পদ খালি। ফলে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাজেট পুরোটা খরচ হয় না। বিদ্যালয়গুলো শিক্ষকের অভাবে ভুগছে। সভা থেকে টেট সমস্যার সমাধান গল্পে সরকারকে উদ্যোগী হবার আহ্বান জানান শ্রীদাস। সভায় সভাপতিত্ব করেন এবিটিএ পুরুলিয়া জেলা সভাপতি প্রদীপ চৌধুরী। এছাড়াও সভায় বক্তব্য রাখেন এ বি পি টি এ পুরুলিয়া জেলা সম্পাদক দীপক মন্ডল প্রমূখ।
বকেয়া DA সহ মোট পাঁচ দফা দাবিতে বাম শিক্ষক সংগঠনের মিছিল সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে বকেয়া মাহার্ঘ ভাতার ২৫% ডিএ মেটাতে হবে ৩১ শে মার্চের মধ্যেই । কিন্তু এখনো সে নিয়ে সরকারের কোন হেলদল নেই। বরং রায়ের বিপরীতে গিয়ে নতুন কমিটি গঠন, আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গ সংবাদ মাধ্যমে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পুনর্বিবেচনার জন্য আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে বলে মনে করছেন নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতি ও নিখিল বঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। তাই একদিকে আইনি লড়ায় পাশাপাশি রাস্তার আন্দোলনেও শমিল হয়েছে এবিটিএ, এবিপিটিএ। বকেয়া ডিএ-র২৫ শতাংশ অবিলম্বে মেটানো সহ শিক্ষকদের জন্য ওয়েস্ট বেঙ্গল
হেলথ স্কিম চালু, সপ্তম পে কমিশন অবিলম্বে কার্যকর করা ,বিদ্যালয়ে বিদ্যালয়ে স্বচ্ছভাবে শিক্ষক নিয়োগ, পার্শ্ব শিক্ষক /ভোকেশনাল শিক্ষক /কন্ট্রাকচুয়াল শিক্ষক/ আইসিটি শিক্ষকদের সমকাজে সমবেতন, দীর্ঘদিন শিক্ষকতার কাজে যুক্ত শিক্ষকদের টেট থেকে অব্যাহতি এই দাবি গুলির দাবিতে পুরুলিয়া শহরের ট্যাক্সি স্ট্যান্ড থেকে মিছিল করে শহর পরিক্রমা করলে এবিটিএ এবিপিটিএ পুরুলিয়া জেলা শাখার সদস্যবন্ধুরা। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সভায় এবিটিএ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক তথা পুরুলিয়া জেলা সম্পাদক ব্যোমকেশ দাস বলেন এই রাজ্যের সরকার চুরির সরকার, মিথ্যাবাদী সরকার, শিক্ষা বিরোধী ও জনবিরোধী সরকার । এই শিক্ষা ছাত্র শিক্ষক বিরোধী সরকারের উৎখাত করার আহ্বান তিনি জানান। তিনি আরোও উল্লেখ
করেন সুপ্রিম কোর্ট প্রথমে ২০০৮ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বকেয়া ডিএ মেটানোর রায় দেওয়ার পর অজুহাত দেখিয়ে রাজ্য সরকার সময় চেয়েছিল । পরে সুপ্রিম কোর্ট সরকারের কোন অজুহাতে কান না দিয়ে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ ৩১ শে মার্চের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার রায় দিয়েছে,বাকি ৭৫ শতাংশ মেটানোর বিষয় নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে। কিন্তু দু'কান কাঁটা এ রাজ্য সরকার ভিন্ন কমিটি গঠন করেছে। বোঝাই যাচ্ছে এই কমিটি ডিএ দেবার পক্ষে না, বিপক্ষে যাবে। তিনি আরো উল্লেখ করেন এই মুহূর্তে রাজ্যের শিক্ষার মান নিম্নগামী। রাজ্যে একের পর এক শিক্ষক বা ছাত্রের
অভাবে বিদ্যালয় বন্ধ হচ্ছে। সরকারের কাছে বাংলার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গুরুত্বহীন, বাংলার ভবিষ্যৎ গড়ার কারিগররা গুরুত্বহীন। তাই সরকার শিক্ষকদের ডিএ দিচ্ছে না। বিদ্যালয়গুলি চালানোর জন্য কম্পোজিট গ্রান্ড পর্যন্ত মিলছে না । রাজ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক মিলে দু লক্ষেরও বেশি শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী পদ খালি। ফলে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাজেট পুরোটা খরচ হয় না। বিদ্যালয়গুলো শিক্ষকের অভাবে ভুগছে। সভা থেকে টেট সমস্যার সমাধান গল্পে সরকারকে উদ্যোগী হবার আহ্বান জানান শ্রীদাস। সভায় সভাপতিত্ব করেন এবিটিএ পুরুলিয়া জেলা সভাপতি প্রদীপ চৌধুরী। এছাড়াও সভায় বক্তব্য রাখেন এ বি পি টি এ পুরুলিয়া জেলা সম্পাদক দীপক মন্ডল প্রমূখ।
- Post by Sangbadbangla24X71
- পুরুলিয়া শহরের কর্পূর বাগান এলাকায় একটি বাজি কারখানায় হঠাৎ করে আগুন লাগে। আগুনের তীব্রতায় দোতলা ছাদ ফেটে যায়। আগুনে পুড়ে গুরুতর আহত হয় ১ ব্যক্তি। বুধবার বিকেল নাগাদ হঠাৎ করেই আগুন লাগে ওই কারখানায় বলে জানা যায়। আগুনের তীব্রতা ভয়ংকর আকার ধারণ করে সঙ্গে সঙ্গে।1
- বলরামপুর ব্লকের কানা সংলগ্ন এলাকায় এক মর্মান্তিক বাইক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হলেন এক যুবক। জানা গেছে, বাইক চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিনি রাস্তায় পড়ে যান। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় সিভিক ভলান্টিয়ার ও এলাকাবাসীর সহায়তায় তাঁকে দ্রুত বলরামপুর বাঁশগড় গ্রামীণ হাসপাতাল-এ নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পুরুলিয়া গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল-এ রেফার করা হয়েছে। আহত যুবকের নাম রাহুল সিং সদ্দার বয়স আনুমানিক ২৩। তাঁর বাড়ি আমারু গ্রামে। রাহুলের মা জানান, তাঁর ছেলে আজই বাইরে থেকে কাজ সেরে বাড়ি ফিরেছিল। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সে জানিয়েছিল ফুলঘরে যাবে। পরে ফোনে খবর আসে, সে বাইক থেকে পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।1
- পুরুলিয়া দু নম্বর ব্লকের রাঘবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতকে আবাস যোজনা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে এমনটাই অভিযোগে সরব হলেন বিজেপি। তারই প্রতিবাদে বঞ্চিত পরিবারদের নিয়ে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বিজেপি বিডিও র বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন1
- পুরুলিয়া শহরের ২১নম্বার ওয়ার্ডে একটি বাজি কারখানায় ভয়াবহ আগুন, ঘটনায় গুরুতর ভাবে জখম দুই ব্যাক্তি, তাদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হাসপাতালে।1
- Post by SIS TRAINING ACADEMY DHANBAD3
- ১৯/০২/২০২৬ তারিখে পুরুলিয়া জেলার মাঠের কাছে হুরা থানায় SIS কোম্পানি কর্তৃক ক্যাম্পের আয়োজন করা হচ্ছে। এটি ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী বেকার যুবকদের সরাসরি নিয়োগের সুযোগ প্রদান করে, যার মধ্যে ৬৫% স্থায়ী কর্মসংস্থান এবং কোম্পানিতে বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। নিয়োগের জন্য, আপনার আধার কার্ড, মাধ্যমিক শিক্ষার মার্কশিটের ফটোকপি এবং ফর্মের জন্য ৩৫০ টাকা সাথে আনুন!2
- Post by Sangbadbangla24X71