নিজের নাগরিকত্ব প্রমাণে ১৪ জানুয়ারী দাসপুর ১ ব্লক প্রশাসন দপ্তরে শুনানিতে ডাক ভারতীয় সেনার। এস আই আর এর গেরোয় এবার ভারতীয় সেনা বিভাগে কর্মরত এক সেনা। দাসপুর থানার রাজনগরের বাসিন্দা রতন দিয়ানের বাড়িতে ৮ জানুয়ারী রাতেই সে হেয়ারিং নোটিশ পৌঁছে দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বুথের দায়িত্বপ্রাপ্ত বি এল ও প্রবীর সামন্ত। রতন বাবুর পরিবারকে বলা হয়েছে ১৪ তারিখ উপযুক্ত নথিপত্র নিয়ে ১৪ জানুয়ারী যেন রতন বাবু উপস্থিত থাকেন। অন্যদিকে এই সেনা কর্মী রতন দিয়ান বর্তমানে শিলিগুড়িতে নিজের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। রতনবাবুর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান সেনা কর্মী হয়েও তাঁকে নিজের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে নোটিশ ধরানো হয়েছে। তিনি বলেন নির্বাচন কমিশন তার কাজ করছে এতে আমি তেমন বিচলিত নই,কিন্তু এই দায়িত্ব ছেড়ে আমার পক্ষে ওই শুনানিতে হাজির থাকা সম্ভব নয়। অন্যদিকে ঘাটাল বিধান সভার রাজনগর পূর্ব অংশের ২৮০ নম্বর বুথের বি এল ও প্রবীর সামন্ত জানান, এই রতন বাবুর সাথে তার স্বর্গীয় পিতার বয়সের সামঞ্জস্য নেই। তার প্রমান দিতেই নির্বাচন কমিশন হেয়ারিং এ ডেকেছে তিনি শুধুমাত্র তাঁর দায়িত্ব পালনে ওই পরিবারে নোটিশ ধরিয়েছেন। তিনি আরও জানান,বৃহস্পতিবার রাতে কমিশন থেকে এক নতুন নির্দেশ এসেছে তাতে বলা হয়েছে ভারতীয় সেনাদের ক্ষেত্রে হেয়ারিং নিয়ে নিয়ম কিছুটা শিথিল করেছে কমিশন। কমিশনের নতুন নির্দেশে শুনানিতে ডাকা সেনা কর্মীর পরিবের যে কেউ ওই সেনার সাথে নিজের সম্পর্কের প্রমান দিয়ে সেনার হয়ে শুনানিতে হাজির থেকে উপযুক্ত নাগরিকত্ব বিষয়ে তার প্রমাণ গুলি পেশ করতে পারেন।
নিজের নাগরিকত্ব প্রমাণে ১৪ জানুয়ারী দাসপুর ১ ব্লক প্রশাসন দপ্তরে শুনানিতে ডাক ভারতীয় সেনার। এস আই আর এর গেরোয় এবার ভারতীয় সেনা বিভাগে কর্মরত এক সেনা। দাসপুর থানার রাজনগরের বাসিন্দা রতন দিয়ানের বাড়িতে ৮ জানুয়ারী রাতেই সে হেয়ারিং নোটিশ পৌঁছে দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বুথের দায়িত্বপ্রাপ্ত বি এল ও প্রবীর সামন্ত। রতন বাবুর পরিবারকে বলা হয়েছে ১৪ তারিখ উপযুক্ত নথিপত্র নিয়ে ১৪ জানুয়ারী যেন রতন বাবু উপস্থিত থাকেন। অন্যদিকে এই সেনা কর্মী রতন দিয়ান বর্তমানে শিলিগুড়িতে নিজের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। রতনবাবুর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান সেনা কর্মী হয়েও তাঁকে নিজের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে নোটিশ ধরানো হয়েছে। তিনি বলেন নির্বাচন কমিশন তার কাজ করছে এতে আমি তেমন বিচলিত নই,কিন্তু এই দায়িত্ব ছেড়ে আমার পক্ষে ওই শুনানিতে হাজির থাকা সম্ভব নয়। অন্যদিকে ঘাটাল বিধান সভার রাজনগর পূর্ব অংশের ২৮০ নম্বর বুথের বি এল ও প্রবীর সামন্ত জানান, এই রতন বাবুর সাথে তার স্বর্গীয় পিতার বয়সের সামঞ্জস্য নেই। তার প্রমান দিতেই নির্বাচন কমিশন হেয়ারিং এ ডেকেছে তিনি শুধুমাত্র তাঁর দায়িত্ব পালনে ওই পরিবারে নোটিশ ধরিয়েছেন। তিনি আরও জানান,বৃহস্পতিবার রাতে কমিশন থেকে এক নতুন নির্দেশ এসেছে তাতে বলা হয়েছে ভারতীয় সেনাদের ক্ষেত্রে হেয়ারিং নিয়ে নিয়ম কিছুটা শিথিল করেছে কমিশন। কমিশনের নতুন নির্দেশে শুনানিতে ডাকা সেনা কর্মীর পরিবের যে কেউ ওই সেনার সাথে নিজের সম্পর্কের প্রমান দিয়ে সেনার হয়ে শুনানিতে হাজির থেকে উপযুক্ত নাগরিকত্ব বিষয়ে তার প্রমাণ গুলি পেশ করতে পারেন।
- গড়বেতার চন্দ্রকোনা রোডে রাত সাড়ে আটটা নাগাদ হঠাৎ করে শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলা চালায় তৃণমূল বলে অভিযোগ, পাল্টা পথ অবরোধ করল বিজেপি দোষীদের গ্রেফতারির দাবিতে পুলিশ বীট হাউসে অবস্থানে বিরোধী দলনেতা স্থানীয় সূত্রে খবর পুরুলিয়ার জনসভা সেরে ফেরার পথে পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা থানার চন্দ্রকোনা রোডের সাতবাঁকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিলা গ্রামের গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনে তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতিদের হামলার মুখে পড়েন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। পাল্টা ভিডিও জারি করে তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য ওখানে উপস্থিত ছিল বিজেপিও, সিআরপিএফ জওয়ান বিজেপি নেতা গৌতম কৌড়ীকে মারধর করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। গাড়ি থেকে নেমে তিনি সরাসরি এই ঘটনার জন্য শাসকদলকে দায়ী করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তিনি চন্দ্রকোনা রোডের পুলিশ বিট হাউসে আশ্রয় নেন এবং সেখানেই অবস্থান বিক্ষোভে বসেন। শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানিয়েছেন, “যতক্ষণ না পর্যন্ত এই হামলার সাথে যুক্ত অপরাধীদের গ্রেফতার করা হবে, ততক্ষণ আমার এই অবস্থান বিক্ষোভ চলবে।” ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। বিরোধী দলনেতার নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গেও হামলাকারীদের বচসা বাঁধে বলে জানা গিয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে দাবি করেন বিরোধী দলনেতা। যদিও শাসকদলের পক্ষ থেকে এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবিতে অনড় রয়েছেন বিরোধী দলনেতা। চন্দ্রকোনা রোড এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।1
- জেলার সব থানায় ফুটবলের জোয়ার, শুরু জেলা পুলিশের ‘জার্মান কাপ’1
- দাসপুর থানা এলাকায় পুলিশের উদ্যোগে ফুটবলের মহা যুদ্ধ। এলাকার সরকারি হাই স্কুলের অনূর্ধ্ব–১৭ ফুটবল টিম অংশগ্রহণ করছে এই খেলায়। দাসপুর সবুজ সংঘ ময়দান ও কলড়া ফুটবল ময়দানে এই খেলা শুরু হয়েছে ১০ জানুয়ারি শনিবার থেকে। দাসপুর থানার অধীন মোট কুড়িটি স্কুলের ফুটবল টিম এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। এখান থেকে দুটি দল মহকুমাস্তরে অংশগ্রহণ করবে। সেখান থেকে জেলা স্তরে বাছাই করা ফুটবল খেলোয়াড়দের উন্নতমানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ওই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্কুলের এই প্রতিভাবান ফুটবল খেলোয়াড়রা ভবিষ্যতে একাধিক জায়গায় এবং বড় টুর্নামেন্টে খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে এবং দাসপুর থানার ব্যবস্থাপনায় এই খেলা। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগ ও বিভিন্ন থানার সহযোগিতায় স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে এই ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়েছে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ। এলাকার সাধারণ মানুষের বক্তব্য, পড়াশোনার পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসন যেভাবে খেলাধুলাকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখছে, তাতে আগামী দিনে খেলাধুলার মাধ্যমেও যে ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব, তা স্পষ্ট।1
- দাসপুরে শুরু হল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের ব্যবস্থাপনায় জার্মান কাপ অনূর্ধ্ব ১৭ ফুটবল প্রতিযোগিতা2
- *মেদিনীপুরে হাজির রামবিলাস পাসোয়ানের লোক জনশক্তি পার্টি, যোগদান ৫০ জনের* বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কলে মেদিনীপুর শহরে হাজির হলো রামবিলাস পাসোয়ানের লোক জনশক্তি পার্টি। শনিবার দুপুরে মেদিনীপুর শহরের রাঙামাটির একটি আবাসনে তাঁদের একটি কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়েছিলেন দলের সাংসদ রাজেশ ভার্মা। এছাড়াও, উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি মহম্মদ রফিক আলি শেখ, জেলা সভাপতি সোমনাথ পাণ্ডে প্রমুখ। এদিন পুরুলিয়া সহ বিভিন্ন জেলার প্রায় ৫০ জন কর্মী বিভিন্ন দল ছেড়ে লোক জনশক্তি পার্টিতে যোগদান করেন। দলের সাংসদ রাজেশ ভার্মা বলেন, 'আমরা বাংলায় ক'টি আসনে প্রার্থী দেব, সেটা বড় কথা নয়। কিন্তু, এরাজ্যে এনডিএ সরকার গড়তে হবে। এনডিএ-কে শক্তিশালী করতেই আমরা এখানে এসেছি। এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দরিদ্র মানুষের পাশে নেই, দুর্নীতিগ্রস্তদের বাঁচানোর জন্য আছেন।'1
- পিংলায় বিরোধীদের কড়া বার্তা—ব্লক তৃণমূল সভাপতি শেখ সবেরাতির তীব্র হুঁশিয়ারি।1
- প্রতিদিনের প্রার্থনা সভায় জাতীয় সংগীতের সঙ্গে রাজ্য গীত গেয়ে ছাত্রছাত্রীরা দেশ ও রাজ্যের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, ঐক্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক চেতনা আরও দৃঢ় হবে বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকেরা।1
- ব্যস্ততম ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়ক। দুর্ঘটনা মানেই ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়ক। ট্রাফিক ব্যবস্থা আরও জোরালো করতেই হয়তো সম্প্রতি ডি এস পি ট্রাফিক টু বা ট্রাফিক ওসি জেলা পুলিশ থেকে নিযুক্ত। এই সড়কে বকুলতলার ট্রাফিক কন্ট্রোলটা ঠিক কোন জায়গায়? এখানে আদৌও যান চলাচল নিরাপদ এবং নিয়ম মাফিক? এই বকুলতলা থেকেই ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়ক ও ঘাটাল মেদিনীপুর সড়ক ৪ ভাগে বিভক্ত হয়েছে। পাঁশকুড়ার দিকে অর্থাৎ দক্ষিণ অংশের ট্রাফিক বিভাজন দেখলে দেখা যাচ্ছে পাঁশকুড়ার দিক থেকে আসা রাস্তাটাকে মাত্র একটা ব্যারিকেড দুভাগে ভাগ করেছে। সামনেই যাত্রী বোঝাই বাস ওই রাস্তার বাম পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠা নামা করায়। আবার বাম পাশ দিয়েই পাঁশকুড়া থেকে আসা মেদিনীপুর গামী যানবাহনকে পাঠানো হচ্ছে আবার ওদিক থেকে পাঁশকুড়া সড়কে ওঠানো হচ্ছে। এদিকে আবার ঘাটালের দিক থেকে পাঁশকুড়ার দিকে যানবাহন ছুটছে। এবার৷ উত্তর দিকে অর্থাৎ দাসপুরের দিকের ট্রাফিক বিভাজন দেখলে দেখবেন এদিক দিক থেকে মেদিনীপুরের যানবাহনের যাতায়াত ওদিক থেকে ঘাটাল মেদিনীপুর গামী যানবাহনের যাতায়াত এই যাতায়াতকে নাকি কন্ট্রোল করছে এক প্লাস্টিক রেলিং। সেই জোরে ওই জংসনে যাতায়াত আবার ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়কের হাজার হাজার যানবাহনের। ঘাটালের দিক থেকে যারা মেদিনীপুরের রাস্তা এই বকুলতলায় ধরছেন বা মেদিনীপুরের দিক থেকে এসে দাসপুরের দিকে যারা যাবেন তাঁরা প্রাণ হাতে করে ওই বিভাজনে পা রাখেন। এই বকুলতলার ট্রাফিক কন্ট্রোল কতটা নিরাপদ বা আপনার অভিজ্ঞতা কী বলছে জানাবেন।1