Shuru
Apke Nagar Ki App…
নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ
MAHAMUDUL HASAN MOLLA
নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ভারা মার্কেট থেকে উধাও টাকার ব্যাগ! চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনায় স্বরূপনগর মার্কেটে১. #BreakingNews #MarketTheft #CrimeNews #ViralVideo #PublicAwareness #LocalNews #SocialMediaNews #TheftAlert #SecurityConcerns #NewsUpdate1
- Post by Dipu Sarkar1
- খুশি এন্ড আকাশ আয়া সেন্টার এখানে বাড়ির সব ধরনের কাজের জন্য মহিলা ও পুরুষ দেয়া হয়। যেমন আয়া নার্স ড্রাইভার ফিজিওথেরাপি হোম টিচার অফিস দোকান কলকারখানা এবং বাড়ির মালির কাজ জন্য পুরুষ ও মহিলা দেয়া হয় যোগাযোগ নাম্বার 7074 258 006 public 7063 726 9091
- চড়ক পূজা উপলক্ষে উত্তর ২৪ পরগনার হাবরা বিধানসভা কেন্দ্র জুড়ে দেখা গেল ঐতিহ্যবাহী ‘খেজুর ভাঙা’ রীতি। এই বিশেষ আচারকে ঘিরে এলাকাজুড়ে উৎসবের আবহ তৈরি হয়, ভিড় জমায় স্থানীয় মানুষ থেকে শুরু করে দূরদূরান্তের দর্শনার্থীরাও। চড়ক পূজার অন্যতম আকর্ষণ এই খেজুর ভাঙা। সন্ন্যাসীরা প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে উঁচু খেজুর গাছে উঠে খেজুর ভেঙে নিচে নিয়ে আসেন। ভক্তদের বিশ্বাস, এই খেজুর প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করলে শুভ ফল লাভ হয় এবং অমঙ্গল দূর হয়। অনুষ্ঠান চলাকালীন সন্ন্যাসীদের সাহসিকতা ও একাগ্রতা মুগ্ধ করে উপস্থিত সকলকে। ঢাকের বাদ্যি, শঙ্খধ্বনি ও ‘বোল বোল মহাদেব’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নজরদারি রাখা হয়। স্থানীয়দের মতে, বহু বছরের পুরনো এই রীতি আজও একইভাবে পালন হয়ে আসছে। আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও গ্রামবাংলার এই লোকাচার এখনো মানুষের বিশ্বাস ও আবেগের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে। চড়ক পূজার এই খেজুর ভাঙা অনুষ্ঠান শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এটি বাংলার লোকসংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা প্রতি বছর নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করে রাখছে।1
- স্বপন কুমার দাস : বাগদা বিধানসভায় দলবদল ঘিরে পারদ চড়ছে উচ্চ গ্রামে। গতকাল সোমবার সিন্দ্রানী গ্রাম পঞ্চায়েতের পাথুরিয়ায় দশ বছরের পঞ্চায়েত সদস্য মিহির বিশ্বাস তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। বিজেপি প্রার্থী সোমা ঠাকুরের হাত দিয়ে তিনি বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন ৷ তারই পাল্টা হিসেবে মঙ্গলবার সেই পাথুরিয়া এলাকার ২৯নং বুথের ১৭টি পরিবারের ৭০ জন বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা হাতে নিলেন। রাজ্যসভার সংসদ মমতা ঠাকুর-এর উপস্থিতিতে সদ্য তৃণমূলের যোগদানকারী দিব্যেন্দু ঘোষ জানান, যিনি গতকাল বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন সেই পঞ্চায়েত সদস্য মিহির বিশ্বাস-এর উপর ক্ষোভে বিজেপিতে চলে গিয়েছিলাম। এখন সে না থাকায় তৃণমূলে ফিরে এলাম। সাংসদ মমতা ঠাকুর বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন এবং SIR-এর হয়রানির প্রতিবাদে আজ তারা তৃণমূলের যোগদান করলেন। বাগদা ৩ নং মন্ডলের সাধারণ সম্পাদক বিক্রম রায় জানান, ওরা তৃণমূল থেকে তৃণমূলে এলো। এর মধ্যে কোনো দলবদল নেই।1
- বারুইপুরে পুকুরে মিলল বস্তাবন্দি অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার র*ক্তাক্ত দে*হ,এলাকায় তীব্র আ*তঙ্ক,চাঞ্চ*ল্য. তদন্তে বারুইপুর থানার পুলিশ1
- Post by Kolkata News Times1
- স্বপন কুমার দাস : ইছাপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ভদ্রডাঙ্গা এলাকায় ভোর চারটে নাগাদ একদল দুষ্কৃতী গাইঘাটা বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নরোত্তম বিশ্বাসের ব্যানার ছিড়ে দেয় বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর শোনার পর সকালবেলা গাইঘাটা পশ্চিম ব্লকের সভাপতি উত্তম বিশ্বাস সহ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি এবং অন্যান্য নেতৃত্বরা ঘটনা চলে যান। স্থানীয় বাসিন্দা এক মহিলা জানান, ভোরের দিকে তিন চার জন ছেলে ব্যানার ছিড়ে দিয়েই দৌড়ে পালিয়ে যায়। আমরা এরপরেই ঘটনাটার কথা জানাই স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বে। উত্তম বিশ্বাস জানান, আইসি-কে সবিস্তারে জানানো হয়েছে। এইভাবে ব্যানার ছিড়ে দিয়ে মানুষের মন থেকে তৃণমূলকে মুছে ফেলা যাবে না। এখন বিরোধীদের রাজনৈতিক দৈনদশা শুরু হয়েছে। থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হবে বলেও তিনি জানান। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটালো আমরা চাই পুলিশ খুঁজে বের করুক। বনগাঁ জেলা বিজেপি ওবিসি মোর্চার সভাপতি দেবব্রত ঘোষ জানান, এটা ১৩৪ নম্বর বুথের ঘটনা। ইছাপুর শান্তিপূর্ণ জায়গা। এখানে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হয় না বললেই চলে। আমাদের এখানকার কালচার নয়, কিছু মানুষ রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতি গরম করার জন্য এটা করছে। প্রশাসনের কাছে বলব তারা নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করুক।1