logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ

2 hrs ago
user_MAHAMUDUL HASAN MOLLA
MAHAMUDUL HASAN MOLLA
Video Creator মিনাখান, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
2 hrs ago

নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ

More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
  • নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ
    1
    নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ নাইট কলকাতা মা ফেলেই ওভার ব্রিচ
    user_MAHAMUDUL HASAN MOLLA
    MAHAMUDUL HASAN MOLLA
    Video Creator মিনাখান, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    2 hrs ago
  • উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবড়া ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত মছলন্দপুর এলাকায় প্রতিদিন সকাল হলেই দেখা যায় চরম যানজটের চিত্র। গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকাটি ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন হওয়ায় প্রতিদিন বহু মানুষ ও যানবাহনের যাতায়াত ঘটে। ফলে সকাল থেকে শুরু হয় দীর্ঘ যানজট, যা ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে। মছলন্দপুরের তিন রাস্তার মোড় এই সমস্যার মূল কেন্দ্রবিন্দু। এখানেই মিলিত হয়েছে মছলন্দপুর–তেতুলিয়া রোড এবং মছলন্দপুর–মগরা রোড। পাশাপাশি স্থানীয় বাজার, স্কুল, অফিসগামী মানুষ এবং সীমান্তবর্তী এলাকার ব্যবসায়িক যানবাহনের চাপ এই মোড়টিকে আরও ব্যস্ত করে তোলে। সকালবেলা অফিস ও স্কুলের সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ পড়তেই কয়েক মিনিটের মধ্যে রাস্তাজুড়ে তৈরি হয় দীর্ঘ যানজট। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিদিন এই যানজটের কারণে চরম সমস্যায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে অফিসগামী কর্মী—সবারই সময় নষ্ট হয় এই রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে। অনেক সময় অ্যাম্বুলেন্স বা জরুরি পরিষেবার গাড়িও আটকে পড়ে এই যানজটে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তোলে। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই এই সমস্যার সমাধানের দাবি জানানো হলেও এখনও স্থায়ী কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থায়ী পুলিশ মোতায়েন, রাস্তার সম্প্রসারণ কিংবা বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করলে এই সমস্যার অনেকটাই সমাধান হতে পারে বলে মত স্থানীয়দের। সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হওয়ায় মছলন্দপুর তিন রাস্তার মোড়ে প্রতিদিনের এই যানজট এখন নিত্যদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগ না নিলে আগামী দিনে এই সমস্যার তীব্রতা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
    1
    উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবড়া ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত মছলন্দপুর এলাকায় প্রতিদিন সকাল হলেই দেখা যায় চরম যানজটের চিত্র। গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকাটি ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন হওয়ায় প্রতিদিন বহু মানুষ ও যানবাহনের যাতায়াত ঘটে। ফলে সকাল থেকে শুরু হয় দীর্ঘ যানজট, যা ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে।
মছলন্দপুরের তিন রাস্তার মোড় এই সমস্যার মূল কেন্দ্রবিন্দু। এখানেই মিলিত হয়েছে মছলন্দপুর–তেতুলিয়া রোড এবং মছলন্দপুর–মগরা রোড। পাশাপাশি স্থানীয় বাজার, স্কুল, অফিসগামী মানুষ এবং সীমান্তবর্তী এলাকার ব্যবসায়িক যানবাহনের চাপ এই মোড়টিকে আরও ব্যস্ত করে তোলে। সকালবেলা অফিস ও স্কুলের সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ পড়তেই কয়েক মিনিটের মধ্যে রাস্তাজুড়ে তৈরি হয় দীর্ঘ যানজট।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিদিন এই যানজটের কারণে চরম সমস্যায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে অফিসগামী কর্মী—সবারই সময় নষ্ট হয় এই রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে। অনেক সময় অ্যাম্বুলেন্স বা জরুরি পরিষেবার গাড়িও আটকে পড়ে এই যানজটে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তোলে।
বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই এই সমস্যার সমাধানের দাবি জানানো হলেও এখনও স্থায়ী কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থায়ী পুলিশ মোতায়েন, রাস্তার সম্প্রসারণ কিংবা বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করলে এই সমস্যার অনেকটাই সমাধান হতে পারে বলে মত স্থানীয়দের।
সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হওয়ায় মছলন্দপুর তিন রাস্তার মোড়ে প্রতিদিনের এই যানজট এখন নিত্যদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগ না নিলে আগামী দিনে এই সমস্যার তীব্রতা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
    user_Biswaji Bala
    Biswaji Bala
    Reporter হাবরা 1, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    12 min ago
  • Post by MR KOUSHIK DEBNATH
    1
    Post by MR KOUSHIK DEBNATH
    user_MR KOUSHIK DEBNATH
    MR KOUSHIK DEBNATH
    Youth organisation হাবরা 1, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    12 hrs ago
  • এসআইআর-এ নাম বাদ ও ‘বিবেচনাধীন’ নিয়ে ক্ষোভ, গোবরডাঙ্গার নকপুল মোড়ে গ্রামবাসীদের রাস্তা অবরোধ। প্রায় ঘন্টাখানেক অবরোধের পর পুলিশি আশ্বাসে অবরোধকারীরা অবরোধ তুলে নেয়।
    1
    এসআইআর-এ নাম বাদ ও ‘বিবেচনাধীন’ নিয়ে ক্ষোভ, গোবরডাঙ্গার নকপুল মোড়ে গ্রামবাসীদের রাস্তা অবরোধ। প্রায় ঘন্টাখানেক অবরোধের পর পুলিশি আশ্বাসে অবরোধকারীরা অবরোধ তুলে নেয়।
    user_Atmajit Chakraborty
    Atmajit Chakraborty
    Local News Reporter Habra - I, 24 Parganas North•
    19 hrs ago
  • #bjp #bjpnews
    1
    #bjp #bjpnews
    user_Kolkata News Times
    Kolkata News Times
    Local News Reporter Kolkata, West Bengal•
    51 min ago
  • Kolkata ke West Chowbaga mein Zazba Welfare Foundation ki taraf se Ramzan Dawat-e-Iftar ka aayojan, jahan logon ne mil-jul kar roza khola aur bhaichare ka paigham diya.
    1
    Kolkata ke West Chowbaga mein Zazba Welfare Foundation ki taraf se Ramzan Dawat-e-Iftar ka aayojan, jahan logon ne mil-jul kar roza khola aur bhaichare ka paigham diya.
    user_Awaz Aap Tak News
    Awaz Aap Tak News
    Local News Reporter কলকাতা, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ•
    7 hrs ago
  • Post by Baruipur বার্তা
    1
    Post by Baruipur বার্তা
    user_Baruipur বার্তা
    Baruipur বার্তা
    journalist বারুইপুর, দক্ষিণ 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    9 hrs ago
  • উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙ্গা শহরের এক পুরনো স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল নতুন করে আতঙ্কের ছায়া নিয়ে। সালটা সম্ভবত ১৯৯৫ কিংবা ১৯৯৬—ঠিক এমনই এক ফেব্রুয়ারি বা মার্চের সকাল। সেই সময় গোবরডাঙ্গার একই গলিতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল একাধিক দোকান। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল ধ্বংসস্তূপ আর অসহায় মানুষের আর্তনাদ। প্রায় তিরিশ বছর কেটে গেছে। কিন্তু সেই ভয়াবহ স্মৃতিকে যেন আবারও মনে করিয়ে দিল সাম্প্রতিক এই অগ্নিকাণ্ড। সকালের নীরবতা ভেঙে হঠাৎই ছড়িয়ে পড়ে আগুন লাগার খবর। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। স্থানীয়দের কথায়, আগুন এতটাই দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল যে বেশ কয়েকটি দোকান মুহূর্তের মধ্যেই দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে। আগুনের লেলিহান শিখা আর ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। খবর পেয়ে সকাল সকাল অনেকেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান। চারদিকে তখন শুধু ধোঁয়া, পোড়া গন্ধ আর পুড়ে যাওয়া দোকানের ধ্বংসাবশেষ। যাদের জীবিকা ছিল এই ছোট ছোট দোকানগুলো, তাদের চোখে তখন শুধু অসহায়তা আর হতাশা। স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, সকালবেলায় আগুন লাগায় বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। যদি একই ঘটনা গভীর রাতে ঘটত, তাহলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও ভয়াবহ হতে পারত। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকটি দোকানের পিছনে বড় অংশ জুড়ে প্লাস্টিকের স্তূপ জমা ছিল। যদি আগুন সেই প্লাস্টিকের স্তূপে পৌঁছে যেত, তাহলে পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারত বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই। আগুনের তীব্রতা তখন কয়েকগুণ বেড়ে যেত—যার পরিণতি কী হতে পারত, তা ভেবেই অনেকের বুক কেঁপে উঠছে। বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে গোবরডাঙ্গা থানার পুলিশ এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা। কীভাবে এই আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল—এক মুহূর্তের আগুন কত মানুষের বছরের পর বছর গড়ে তোলা স্বপ্নকে মুহূর্তে ছাই করে দিতে পারে। গোবরডাঙ্গার মানুষ আজও সেই পুরনো আগুনের স্মৃতি ভুলতে পারেনি। আর ত্রিশ বছর পর ফের একই জায়গায় আগুনের এই তাণ্ডব যেন নতুন করে সেই দুঃস্বপ্নকেই ফিরিয়ে দিলো।
    1
    উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙ্গা শহরের এক পুরনো স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল নতুন করে আতঙ্কের ছায়া নিয়ে। সালটা সম্ভবত ১৯৯৫ কিংবা ১৯৯৬—ঠিক এমনই এক ফেব্রুয়ারি বা মার্চের সকাল। সেই সময় গোবরডাঙ্গার একই গলিতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল একাধিক দোকান। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল ধ্বংসস্তূপ আর অসহায় মানুষের আর্তনাদ।
প্রায় তিরিশ বছর কেটে গেছে। কিন্তু সেই ভয়াবহ স্মৃতিকে যেন আবারও মনে করিয়ে দিল সাম্প্রতিক এই অগ্নিকাণ্ড।
সকালের নীরবতা ভেঙে হঠাৎই ছড়িয়ে পড়ে আগুন লাগার খবর। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। স্থানীয়দের কথায়, আগুন এতটাই দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল যে বেশ কয়েকটি দোকান মুহূর্তের মধ্যেই দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে। আগুনের লেলিহান শিখা আর ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা।
খবর পেয়ে সকাল সকাল অনেকেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান। চারদিকে তখন শুধু ধোঁয়া, পোড়া গন্ধ আর পুড়ে যাওয়া দোকানের ধ্বংসাবশেষ। যাদের জীবিকা ছিল এই ছোট ছোট দোকানগুলো, তাদের চোখে তখন শুধু অসহায়তা আর হতাশা।
স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, সকালবেলায় আগুন লাগায় বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। যদি একই ঘটনা গভীর রাতে ঘটত, তাহলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও ভয়াবহ হতে পারত।
একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকটি দোকানের পিছনে বড় অংশ জুড়ে প্লাস্টিকের স্তূপ জমা ছিল। যদি আগুন সেই প্লাস্টিকের স্তূপে পৌঁছে যেত, তাহলে পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারত বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই। আগুনের তীব্রতা তখন কয়েকগুণ বেড়ে যেত—যার পরিণতি কী হতে পারত, তা ভেবেই অনেকের বুক কেঁপে উঠছে।
বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে গোবরডাঙ্গা থানার পুলিশ এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা। কীভাবে এই আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল—এক মুহূর্তের আগুন কত মানুষের বছরের পর বছর গড়ে তোলা স্বপ্নকে মুহূর্তে ছাই করে দিতে পারে।
গোবরডাঙ্গার মানুষ আজও সেই পুরনো আগুনের স্মৃতি ভুলতে পারেনি। আর ত্রিশ বছর পর ফের একই জায়গায় আগুনের এই তাণ্ডব যেন নতুন করে সেই দুঃস্বপ্নকেই ফিরিয়ে দিলো।
    user_Biswaji Bala
    Biswaji Bala
    Reporter হাবরা 1, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    18 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.