Shuru
Apke Nagar Ki App…
তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়লেন নিবেদিতা মাহাতো। পারিবারিক সমস্যার কারণে তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন নিবেদিতা মাহাতো। তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়লেন নিবেদিতা মাহাতো। পারিবারিক সমস্যার কারণে তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন নিবেদিতা মাহাতো।
Ekhon Jangalmahal News
তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়লেন নিবেদিতা মাহাতো। পারিবারিক সমস্যার কারণে তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন নিবেদিতা মাহাতো। তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়লেন নিবেদিতা মাহাতো। পারিবারিক সমস্যার কারণে তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন নিবেদিতা মাহাতো।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- চিন্তা করবেন না! থাকার ব্যবস্থা করে দেব, মমতা পৌঁছানোর আগেই পাশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।। ফুটপাতে দুধ গরম করা সেই মহিলার পাশে মুখ্যমন্ত্রী! 'মমতার চক্করে নেই' জানিয়ে দিলেন সীতাদেবী। শুভেন্দুর দাবি, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লোক পাঠিয়ে বলছেন, টাকা নাও, বিজেপির বিরুদ্ধে বলো।” তবে সীতাদেবী বলেন, “ভরসা মুখ্যমন্ত্রীকে করি, ভরসা বিজেপিকে করি। মমতার চক্করে নেই।” শুভেন্দু তাঁকে আশ্বাস দেন, ফুটপাথে না থেকে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “আমি ওঁকে (সীতাদেবী) বললাম, রাস্তায় থাকবেন না। ফুটপাত তো মানুষের (চলাচলের) জন্য। আপনার থাকার ব্যবস্থা করব।” চিন্তা করবেন না! থাকার ব্যবস্থা করে দেব, মমতা পৌঁছানোর আগেই পাশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।। ফুটপাতে দুধ গরম করা সেই মহিলার পাশে মুখ্যমন্ত্রী! 'মমতার চক্করে নেই' জানিয়ে দিলেন সীতাদেবী। শুভেন্দুর দাবি, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লোক পাঠিয়ে বলছেন, টাকা নাও, বিজেপির বিরুদ্ধে বলো।” তবে সীতাদেবী বলেন, “ভরসা মুখ্যমন্ত্রীকে করি, ভরসা বিজেপিকে করি। মমতার চক্করে নেই।” শুভেন্দু তাঁকে আশ্বাস দেন, ফুটপাথে না থেকে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “আমি ওঁকে (সীতাদেবী) বললাম, রাস্তায় থাকবেন না। ফুটপাত তো মানুষের (চলাচলের) জন্য। আপনার থাকার ব্যবস্থা করব।”1
- পাড়ায় সমাধানের কাজ করেও মিলছে না বকেয়া বিলের টাকা, পূজোর মুখে চরম সমস্যায় জেলায় চার হাজার নির্মাণ সংস্থার মালিক, অবশেষে আর্জি জানতে পুরুলিয়া জেলা শাসকের দ্বারস্থ হলেন তারা মঙ্গলবার। পাড়ায় সমাধানের কাজ করেও মিলছে না বকেয়া বিলের টাকা, পূজোর মুখে চরম সমস্যায় জেলায় চার হাজার নির্মাণ সংস্থার মালিক, অবশেষে আর্জি জানতে পুরুলিয়া জেলা শাসকের দ্বারস্থ হলেন তারা মঙ্গলবার।1
- বিশ্বনবী দিবস উপলক্ষ্যে পুরুলিয়া শহরে জেলা পুলিশের রুট মার্চ, উৎসবে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ পরিদর্শন।1
- বিশ্বনবী দিবস ঘিরে পুরুলিয়ায় কড়া নিরাপত্তা, শহরজুড়ে পুলিশের রুট মার্চ।।কি বললেন জেলা পুলিশ সুপার! বিশ্বনবী দিবস ঘিরে পুরুলিয়ায় কড়া নিরাপত্তা, শহরজুড়ে পুলিশের রুট মার্চ।।কি বললেন জেলা পুলিশ সুপার!1
- বকেয়া পাওনার দাবিতে আন্দোলনের পথে ঠিকাদাররা। জেলাশাসক দফতর অভিযান। প্রায় চার মাস আগে আমার পাড়া আমার সমাধান প্রকল্পে কাজ করে এখনো ব্লক থেকে দেওয়া হয়নি বকেয়া বিল।বকেয়াবিলের দাবিতে আজ পুরুলিয়া পৌরসভা প্রাঙ্গণের জুবিলি ময়দান থেকে মিছিল করে এসে জেলা শাসক দপ্তরের সামনে জমায়েত হন ঠিকাদারেরা। সেখানে তারা তাদের বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার দাবিতে আওয়াজ তুলতে থাকেন। ঠিকাদারদের দাবি একটাই চার মাস আগে তারা আমার পাড়া আমার সমাধান প্রকল্পে কাজ করেছেন কিন্তু এখনো পর্যন্ত তাদের বকেয়া দেওয়া হয়নি। তৃণমূল সরকারের সময় তারা কাজ করেছেন এখন সরকার বদলে বিজেপি সরকার। বকেয়ার নিয়ে আরো জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে দাবি ঠিকাদারদের। তাদের দাবি একটাই যে সরকারই আসুক তার সেই সরকারের উন্নয়নমূলক কাজে সামিল হন। তারা ন্যায্য কাজ করেছেন তবু তাদের বকেয়া দেওয়া হবে না কেন?অনেকেই জানান তাদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, সামনে পুজো, বকেয়া না দিলে অনেক ঠিকাদারকে এবার আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হবে। এদিন ঠিকাদারদের পক্ষে বেশ কয়েকজন ঠিকাদার জেলাশাসক দপ্তরের গিয়ে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকের সাথে দেখা করেন। এদিন বকেয়ার দাবিতে জেলার কুড়িটি ব্লক থেকে ঠিকাদারেরা জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে জমায়েত হন। অনেকেই জানান দীর্ঘ চার মাস বকেয়া থাকার কারণে অবস্থা এমন জায়গায় গিয়েছে যে এবার হয়তো আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হবে। বকেয়া না দিলে আগামী দিনে ঠিকাদারেরা আরো বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন1
- পুরুলিয়া বড়হাটে ট্রাক্স ফোর্সের অভিযান। সবজি সহ বিভিন্ন জিনিসপত্রের কালোবাজারি রুখতেই এই অভিযান পুরুলিয়া বড়হাটে ট্রাক্স ফোর্সের অভিযান। সবজি সহ বিভিন্ন জিনিসপত্রের কালোবাজারি রুখতেই এই অভিযান বলে পুলিশ ডিইবি সহ বিভিন্ন দপ্তরে আধিকারিকদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে।1
- অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকতেই উচ্ছ্বাস! মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানিয়ে গেড়ুয়া গ্রামে শতাধিক মহিলার বর্ণাঢ্য পদযাত্রা অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় মাসে ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা অ্যাকাউন্টে ঢোকার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়ে পদযাত্রা করলেন গেড়ুয়া গ্রামের মহিলারা। মঙ্গলবার বিকেল ৪টা নাগাদ গেড়ুয়া গ্রামে এই পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। এদিন গ্রামের প্রায় শতাধিক মহিলা হাতে ব্যানার এবং বিজেপির দলীয় পতাকা নিয়ে পদযাত্রায় অংশ নেন। পদযাত্রা চলাকালীন ‘জয় শ্রীরাম’ ও ‘বিজেপি জিন্দাবাদ’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। মহিলাদের বক্তব্য, অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাওয়ায় পরিবারের দৈনন্দিন বিভিন্ন প্রয়োজন মেটাতে সুবিধা হচ্ছে। পাশাপাশি সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালাতেও এই অর্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে দাবি তাঁদের। মহিলাদের আরও দাবি, নিয়মিত এই আর্থিক সহায়তা পাওয়ায় সংসারের ছোট-বড় বিভিন্ন খরচ সামলানো অনেকটাই সহজ হয়েছে। সেই কারণেই সরকারের এই উদ্যোগের জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতেই এদিন তাঁরা একত্রিত হয়ে পদযাত্রায় সামিল হন। এদিনের পদযাত্রায় গেড়ুয়া গ্রামের মহিলাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বলরামপুর বিজেপি মণ্ডল-৪-এর সাধারণ সম্পাদক ভৈরব মাঝি-সহ অন্যান্য দলীয় কর্মী ও সমর্থকেরা। তাঁদের উপস্থিতিতে পদযাত্রা আরও জমজমাট হয়ে ওঠে।1
- জয়পুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির পদে ইস্তফা ঋষিপদ গোপের। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতার জেরে জয়পুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন তৃণমূল কংগ্রেসের ঋষিপদ গোপ। মঙ্গলবার ঝালদা মহকুমা শাসকের দফতরে তাঁর ইস্তফাপত্র জমা পড়ে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অসুস্থতার কারণে নিয়মিতভাবে প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলানো তাঁর পক্ষে কঠিন হয়ে উঠেছিল। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা যাচ্ছে। তবে ঋষিপদের ইস্তফাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে জয়পুরে। বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই পঞ্চায়েত সমিতিতে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে জল্পনা চলছিল। ২১ আসনের এই পঞ্চায়েত সমিতিতে তৃণমূলের দখলে রয়েছে ১৭টি আসন, আর বিজেপির সদস্য সংখ্যা চার। ফলে এবার জয়পুর পঞ্চায়েত সমিতির পরবর্তী সভাপতি কে হন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। জয়পুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির পদে ইস্তফা ঋষিপদ গোপের। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতার জেরে জয়পুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন তৃণমূল কংগ্রেসের ঋষিপদ গোপ। মঙ্গলবার ঝালদা মহকুমা শাসকের দফতরে তাঁর ইস্তফাপত্র জমা পড়ে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অসুস্থতার কারণে নিয়মিতভাবে প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলানো তাঁর পক্ষে কঠিন হয়ে উঠেছিল। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা যাচ্ছে। তবে ঋষিপদের ইস্তফাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে জয়পুরে। বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই পঞ্চায়েত সমিতিতে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে জল্পনা চলছিল। ২১ আসনের এই পঞ্চায়েত সমিতিতে তৃণমূলের দখলে রয়েছে ১৭টি আসন, আর বিজেপির সদস্য সংখ্যা চার। ফলে এবার জয়পুর পঞ্চায়েত সমিতির পরবর্তী সভাপতি কে হন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।1