এস আই আর নিয়ে তৎপর ভারতে নির্বাচন কমিশন মার্চের প্রথম সপ্তাহেই রাজ্যে অন্তত ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী! স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR)–এর শুনানি ঘিরে রাজ্যে একের পর এক অশান্তির ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে চাইছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর আইন–শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে—এই আশঙ্কায় ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে সদ্য নিযুক্ত অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস আধিকারিক এনকে মিশ্র–র কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। কমিশনের লক্ষ্য, ভোটের অনেক আগেই নিরাপত্তা বলয় শক্ত করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে কঠোর নজরদারি চালিয়ে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করা। সূত্রের দাবি, মার্চের প্রথম সপ্তাহেই অন্তত ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় নামানো হতে পারে। কমিশন ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছে, ‘SIR’–এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে। তবে শুনানির নথি যাচাইয়ের কাজ যে গতিতে এগোচ্ছে, তাতে নির্ধারিত দিনে তালিকা প্রকাশ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল। কমিশনের অভিমত, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই ভোট ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। সে ক্ষেত্রে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে। পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকেই কমিশনের এই বাড়তি সতর্কতা। ‘SIR’ শুনানি চলাকালীন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আইন–শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির অভিযোগ ওঠে, যা দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্ট–এর নজরেও আনা হয়েছে। অভিযোগ, পর্যাপ্ত সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য পুলিশ প্রত্যাশিত সক্রিয়তা দেখাতে পারেনি। সেই প্রেক্ষিতে রাজ্য পুলিশের ডিজিপিকেও শীর্ষ আদালতের তরফে শো–কজ় নোটিসের মুখে পড়তে হয়েছে। কমিশন সূত্রের আরও দাবি, ২০২১ সালের বিধানসভা এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় এ বারের বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে। উদ্দেশ্য একটাই—ভোট প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যে কোনও অশান্তি বা ভয়ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা। সব মিলিয়ে স্পষ্ট, নির্বাচন ঘোষণার আগেই বাংলার মাটিতে কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন, যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
এস আই আর নিয়ে তৎপর ভারতে নির্বাচন কমিশন মার্চের প্রথম সপ্তাহেই রাজ্যে অন্তত ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী! স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR)–এর শুনানি ঘিরে রাজ্যে একের পর এক অশান্তির ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে চাইছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর আইন–শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে—এই আশঙ্কায় ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে সদ্য নিযুক্ত অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস আধিকারিক এনকে মিশ্র–র কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। কমিশনের লক্ষ্য, ভোটের অনেক আগেই নিরাপত্তা বলয় শক্ত করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে কঠোর নজরদারি চালিয়ে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করা। সূত্রের দাবি, মার্চের প্রথম সপ্তাহেই অন্তত ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় নামানো হতে পারে। কমিশন ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছে, ‘SIR’–এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে। তবে শুনানির নথি যাচাইয়ের কাজ যে গতিতে এগোচ্ছে, তাতে নির্ধারিত দিনে তালিকা প্রকাশ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল। কমিশনের অভিমত, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই ভোট ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। সে ক্ষেত্রে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে। পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকেই কমিশনের এই বাড়তি সতর্কতা। ‘SIR’ শুনানি চলাকালীন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আইন–শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির অভিযোগ ওঠে, যা দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্ট–এর নজরেও আনা হয়েছে। অভিযোগ, পর্যাপ্ত সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য পুলিশ প্রত্যাশিত সক্রিয়তা দেখাতে পারেনি। সেই প্রেক্ষিতে রাজ্য পুলিশের ডিজিপিকেও শীর্ষ আদালতের তরফে শো–কজ় নোটিসের মুখে পড়তে হয়েছে। কমিশন সূত্রের আরও দাবি, ২০২১ সালের বিধানসভা এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় এ বারের বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে। উদ্দেশ্য একটাই—ভোট প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যে কোনও অশান্তি বা ভয়ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা। সব মিলিয়ে স্পষ্ট, নির্বাচন ঘোষণার আগেই বাংলার মাটিতে কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন, যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
- শিলিগুড়ি মহানন্দা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বুধবার সকালে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)-এর বিশেষ মহড়া চালানো হয়। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাচাই ও সতর্কতা বাড়ানোর লক্ষ্যে মহড়া পরিচালনা করা হয়। ব্রিজের নিচে ও আশপাশের এলাকায় বিএসএফ জওয়ানরা তল্লাশি অভিযান চালান এবং যানবাহন ও পথচলতি মানুষের ওপর নজরদারি করেন। সন্দেহভাজন গতিবিধি চিহ্নিত করার পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবেই এই মহড়া করা হয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, শিলিগুড়ি করিডোর উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে দেশের মূল ভূখণ্ডকে যুক্ত করে, ফলে এই অঞ্চলটি নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত স্পর্শকাতর বলে বিবেচিত।1
- মাথাভাঙ্গা আউটডোরে সন্ধ্যাকালীন পরিষেবা চালু নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন মাথাভাঙ্গা হাসপাতাল সুপার।সুপার মাসুদ হাসান বলেন মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালে তিনদিন সন্ধ্যাকালীন পরিষেবা চালু করা হয়েছে।এতে রোগীর পরিবার উপকৃত হবেন । সকাল থেকে আর রোগীদের দীর্ঘলাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না।1
- দিনহাটা নাগরের বাড়ির বাসিন্দা ওমর ফারুক বেপারীকে বাংলাদেশি সন্দেহে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।1
- তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সংগঠনের দ্বারা পরিচালিত খেলা হবে কর্মসূচি নিয়ে এলাকার যুবতীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেল। আজ শীতলকুচি ব্লকের গোলেনাওহাটি অঞ্চলে এই খেলা হবে কর্মসূচিতে পালিত হলো। সেখানে উপস্থিত ছিলেন যুব সংগঠনের লোক সভাপতি প্রশান্ত সূত্রধর, অঞ্চল সভাপতি হেমচন্দ্র বর্মন , তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি আকরামুল হক প্রমূখ।1
- Post by Tapas Roy1
- Post by Raj roy1
- গ্রেফতার হওয়া বিজেপি উত্তম সিংহ বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারী।1
- বাংলাদেশি নাগরিক সন্দেহে গ্রেপ্তার ওমর ফারুক ব্যাপারী এবার পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় চার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন। বুধবার সকালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাঁকে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতাল-এ নিয়ে আসা হলে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এই বিস্ফোরক দাবি করেন। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছিল যে তিনি বাংলাদেশের বাসিন্দা হয়েও পরিচয় গোপন করে ভারতে বসবাস করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ডিসেম্বর মাসে এলাকার চার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য জেলা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে দাবি করা হয়, ওমর ফারুক অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছেন এবং বাংলাদেশের আনসার বাহিনীর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে বলেও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়। অভিযোগ জমা পড়ার পর থেকেই ওমর গা-ঢাকা দেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। অবশেষে মঙ্গলবার রাতে সাহেবগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর বুধবার সকালে নিয়মমাফিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ওমর ফারুক সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি, “আমার গোটা পরিবার এখানেই থাকে। আমি বহু বছর ধরে দিনহাটায় ব্যবসা করছি। আমি বাংলাদেশি নই। সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, একসময় তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী ছিলেন, তবে বর্তমানে আর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। তাঁর কথায়, “আগে তৃণমূল করতাম, এখন করি না। সেই কারণেই আমাকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে।” যদিও ওমরের এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যদের তরফে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। পুলিশও বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তবে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, তাঁর নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। একদিকে পুলিশের দাবি, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হয়েছে; অন্যদিকে অভিযুক্তের পাল্টা অভিযোগে রাজনৈতিক রঙ লাগার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এখন তদন্তের অগ্রগতি এবং নথিপত্র যাচাইয়ের পরই পরিষ্কার হবে অভিযোগের সত্যতা কতটা।1
- Post by Tapas Roy1